চার বছর পর দেশে ফিরল শোভা। সে মানসিক ভাবে যারা অক্ষম তাদের নিয়ে একটা ডকুমেন্টারি তৈরি করতে চায়।তাই সে মেন্টাল হসপিটাল এ এসে একজন ডাক্তারের সাথে কথা বলছে। ডাক্তার তাকে হাসপাতাল ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিল এমন সময় তার চোখে পরল একজন পেশেন্ট। সে ডাক্তার কে জিঙ্গেস করল
-ও কে?
- ওর নাম আব্দুল্লাহ।আপনি ওকে চেনেন?
-শি..শিহাব।
-হ্যা ওর পুরো নাম শিহাব আব্দুল্লাহ।
- ওর এই অবস্থা হলো কিভাবে?
-চার বছর আগে একটা রোড এ্যাকসিডেন্ট এ মানসিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।তারপর থেকে ও এখানেই আছে।
-আমি ওর দায়িত্ব নিতে চাই ডক্টর।
-ঠিক আছে আপনি চেষ্টা করে দেখেন কোন পরিবর্তন হয় কি না।
চার বছর আগে..........
ক্রিং ক্রিং...হ্যালো। আপনি আবার ফোন করেছেন?
- জি করেছি।
- আপনি এত নির্লজ্জ কেন?
-একটা গান শোনবেন?
- জি না।আমার বিরক্ত লাগছে।
-তাহলে লাইন কাটছেন না কেন?
- ছ্যাচরামি কত প্রকার হয় সেটা না দেখে লাইন কাটি কি করে?
-হা হা হা।
- প্লিজ আর কখনও ফোন দিবেন না। বলেই লাইনটা কেটে দিল শোভা।
রাত তখন প্রায় একটা বাজে।শোভা ঘুমাচ্ছিল হঠাৎ ফোনের আওয়াজে ঘুম ভাঙলো তার..
-কে?
-আর এ আমি। এত অল্প সময়ে ভুলে গেলেন?
-আপনি কি পাগল? এত রাতে কোন ভদ্রলোক কোন ভদ্রমহিলাকে ফোন করে?
-নিজেকে মহিলা বানিয়ে ফেললেন? আমি তো ভেবেছিলাম আপনি কিশোরী।যাই হোক একটা গান শোনবেন? আমার নিজের লেখা
- না আমি এখন ঘুমাব।
- দুই লাইন শুনুন না প্লিজ। বলেই গান শুরু করল শিহাব।
- এটা আপনার লেখা গান?
- কেন বিশ্বাস হচ্ছে না?
- যাই হোক আপনার হলে একদম ভাল হয়নি।
পরদিন শোভা গেল একটা লাইব্রেরিতে। গুনগুন করে গান গাইছে আর বই খুজছে। হঠাৎ কেউ তাকে জিঙ্গেস করল
-এক্সকিউস মি গান টা আপনি কোথায় শুনেছেন?
- আপনি কে? চিনতে পারলাম না তো?
-আসলে গানটা আমার লেখা।
শোভা বোকাবনে গেল।ওখান থেকে চলে এল। রাতে শিহাব ফোন দিল।রাত একটা বাজে।
- কি মিষ্টার অভদ্র আপনার ফোন দেয়ার সময় হলো?
-গান শুনেই আমার প্রেমে পরে গেলেন? আমি আজকে সারা দিন একটা কথা ভাবলাম। মানুষ কি করে এত সুন্দর হয়?
- কার কথা বলছেন?
- কার আবার আপনার।
-আমি কত নম্বর?
-মানে?
-মানে একথা আগে আরও কত জনকে বলেছেন?
- আপনিই প্রথম।
এভাবে কেটে গেল এক মাস।তারপর....
-শোভা উইল ইউ ম্যারি মি?
- শিহাব....
- খুব তাড়াহুরা হয়ে গেল তাইনা? কিন্তু শোভা আমি তোমাকে হারাতে পারবো না।
- শিহাব বাবা তোমাকে দেখা করতে বলেছে। তোমার নতুন এ্যালবামের জন্য।
-সত্যি?
-হুম
শিহাব কাকে যেন একটা ম্যাসেজ করল। তারপর চলে গেল বিল পে করতে। কিন্তু ফোনটা ভুল করে টেবিলে রেখে গেল। বাট রিপ্লাই এসে পরল শোভার হাতে। তুই শোভার সাথে অন্যায় করলি শিহাব। এটা দেখে শোভা
শিহাবের সেন্ড ম্যাসেজটা দেখল। তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরল...
রাসেল আমি জিতে গেছি। শোভা আমাকে এ্যালবাম বের করার ব্যাবস্থা করে দিচ্ছে। এটার জন্যই তো আমি এতদিন যাবত ওর পিছনে ঘুরঘুর করছি। একটা এ্যালবাম বেরহোক ব্যাস আমাকে আর পায় কে?মেয়েরা সত্যিই খুব বোকা হয়।
এর পর শোভা সিদ্ধান্ত নেয় সে শিহাবের থেকে অনেক দূরে চলে যাবে। শোভা বাসায় চলে আসে। তিন দিন শিহাব কোনো ভাবে শোভার সাথে যোগাযোগ করতে পারলো না। শোভার এই শূন্যতা শিহাবকে বুঝিয়ে দিল সে অভিনয় নয় সত্যি শোভাকে ভালবেসে ফেলেছে। শোভা তার অনেক বড় একটা অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে। সে শোভাকে ছাড়া ভাল নেই। অবশেষে সে বাসার ল্যান্ডলাইনে ফোন দিলে শোভার বাবা ধরে।
-শোভা আছে?
- তুমি কে বাবা?আমি তো মাএ শোভাকে এয়ারপোর্ট পৌছে দিয়ে এলাম।
কথাটা শুনেই শিহাব দৌড়ে ছুটে গেল শোভাকে আটকাতে কিন্তু পথেই একটা বড় গাড়ির সাথে শিহাব ধাক্কা খায়। আর তার বর্তমান ঠিকানা একটা মেন্টাল এ্যাসাইলম।
** সাবিহা **
.
Selected By #Lima25
Posted By #SY_JOY
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ