আচ্ছা ভাইয়া আমি যদি সুইসাইড করি তাহলে কি আমার পাপ হবে,?
হ্যা, জানি যে পাপ হবে তাহলে আমার কি করা উচিৎ,,? আমি কিভাবে বেঁচে থাকব,,? আমি তো আমার বেঁচে থাকার সব কিছু হারিয়ে ফেলেছি,,কেনো হলো আমার সাথে এরকম,,?
,
আমি তানিয়া,
ভালোবাসার মানুষের সাথে সাথে হারিয়ে ফেলেছি জীবনের সব সুখ সব স্বপ্ন,খুব অসহায় একটা মেয়ে আমি,,,,।
,
ভাইয়া জানেন, আমার দিন গুলি এমন ছিলো না,আমার আগের দিন গুলি ছিলো সুন্দর সাজানো, খুব গোছানো,,রাতুল ছিলো আমার জীবনের একমাত্র ভালোবাসার মানুষ,ও আমাকে খুব ভালোবাসতো, আমরা গ্রামে পাশাপাশি থাকতাম, আমাদের দুপরিবারে খুব ভালো একটা সম্পর্ক থাকাতে আমার আর রাতুলের মেলামেশায় কোন বাধা ছিলো না,আমরা দুজন একই স্কুলে ছোট থেকে একসাথে পড়ালেখা করে যাচ্ছিলাম,জানেন ভাইয়া ও আমার খুব খেয়াল নিতো, স্কুলে যাওয়ার সময় ও আমাকে ডেকে নিয়ে যেতো, আমার কষ্ট হবে সে জন্য যাওয়া আসার পথে আমার ব্যাগটা ও নিতো, আমি বার বার ব্যাগ নিতে মানা করতাম আর ও তখন খুব রাগ করত আর আমি বার বার ওর রাগের কাছে হেরে যেতাম,শেষ দিন পর্যন্ত আমার ব্যাগটা ওই নিয়েছে,,,,
ভাইয়া জানেন আরো মজার ঘটনা আছে, আমরা যখন স্কুল থেকে ফিরতাম তখন অনেক রকমের মাখা খেতাম যেমন "আমের সময় আম মাখা,ঝাল মুড়ি,ছোলা মাখা,চানাচুর, বাদাম,আমরা মাখা,জলপায় মাখা,,বাদামি লেবু মাখা ইত্যাদি ইত্যাদি, আর জানেন আমরা যখন এগুলি খেতে খেতে ফিরতাম তখন ওর এহাতে ব্যাগ আরেক হাতে খাবার থাকত,তখন ও তো খেতে পারত না, আমিই ওকে খাইয়ে দিতাম,,,,আমরা যখন ৯ম শ্রেনীতে পড়তাম তখন একবার আমার খুব জ্বর আর প্রচুর মাথা ব্যাথা হয়েছিলো, সবাই খুব চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলো কারন অনেক ঔষধ খেয়ে ও আমি তখন সুস্থ হচ্ছিলাম না আর আমি যখন অসুস্থ ছিলাম তখন রাতুল সারাদিন আমার পাশে ছিলো আর ও তখন খুব কান্না করতো আর এটা আমি বুঝতাম,অনেক রাত পর্যন্ত তখন ও আমার কাছে জেগে বসে থাকত, রাত বেড়ে গেলে ও রাতুল যেতে চাইতো না, কিন্তু যেতে হবেই কারণ আমাদের তো তখন ও বিয়ে হয়নি মানুষ খারাপ ভাবতে পারে সেই ভেবেই না থাকা,ও আবার খুব সকালেই চলে আসতো, আমার ঘুম ভেঙে আমি ওকে আমার পাশে বসে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখতাম, অসুস্থতার মাঝে ও আমার যেটুকু ভালো লাগা ছিলো তার সব টুকুই ও, আর ওকে ঘিরেই আমার সব ভালোলাগা আর ভালোবাসা,,আল্লাহ্র রহমতে আমি কিছুদিন পর সুস্থ হয়ে যায় আর আবার চলতে থাকি আমরা দুজন,অনেক মজা করতাম রাতুল আর আমি,আমরা ঝগরা করলে ও কেউ বেশিক্ষণ রেগে থাকতে পারতাম না,ও যখন আমার বাসার পাশে এসে দাঁড়িয়ে থাকত তখন আমার সব অভিমান ভেজ্ঞেচুরে চুরমার হয়ে আমার কাছ থেকে পালিয়ে যেতো,,,,।
,
আমাদের দুজনের পরিবার মিলে ঠিক করেছিলো ইন্টার পরীক্ষার পরে আমাদের দুজনের বিয়ে হবে,,খবরটা জেনে আমরা দুজন যে কি খুশি হয়েছিলাম তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না,, কিন্তু সব কিছুই তছনছ হয়ে গেলো হঠাৎ করেই,ভাইয়া আমাদের এস,এস,সি পরীক্ষার আগে রাতুল এক্সিডেন্ট করে মারা যায়,ও বাইকের পিছে ছিলো, আমার বাইক ভালো লাগতো না,তাই আমি মানা করাতেই ও চালানো বাদ দিয়েছিলো কিন্তু সেদিন কি একটা দরকারে ওর চাচার সাথে কোথাও যাওয়ার পথে আমার ভালোবাসাটা শেষ হয়ে যায়,,জানেন ভাইয়া ওর মারা যাওয়ার খবর শুনে আমি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না,কিন্তু যখন সত্যিই বুঝলাম সব শেষ তখন আমার চার পাশ অন্ধকার হয়ে গেলো আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়ি,আমি ওকে শেষ বারের মতো দেখতে যেতে পারিনি কারণ আমি খুব অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর ডাক্তার আমাকে স্যালাইন আর ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে রেখেছিলো,,,,।
,
ভাইয়া জানেন, সেদিনের পর থেকে আজ ও আমি স্বাভাবিক না,আর কোন দিন মানুষিক ভাবে ঠিক ও হতে পারব না,কেনো আমার সাথে এমন হলো,?ওকে তো আমি অনেক ভালোবাসতাম,আমার ওকে ফিরিয়ে এনে দিন না আর একটিবার,আমি আর কোন দিন ওর উপর রাগ করব না,আমি ওকে আর একটি ও কষ্ট করতে দিব না,আমার আর ওর দুটো ব্যাগই আমি নিব আর যেটা খাবো সেটা ও আমার হাতে থাকবে সত্যিই আমি ওকে একফোঁটা ও কষ্ট করতে দিব না,আমি তো ওকে অনেক অনেক ভালোবাসি,,,,।
,
কাঁদতে কাঁদতে যখন দেখি ও আসছে না তখন মন চাই সুইসাইড করে নিজেকে নিজে শেষ করে দিই, তাহলে তো ঠিক আমার ভালোবাসার মানুষটার দেখা পাবো,,সুইসাইড করা তো পাপ, আর যখন ভাবি যে পাপী হয়ে ওর কাছে গেলে ও তো আমার সাথে কথা বলবে না আর আমার উপর অনেক রাগ হবে, ও আমার সাথে কথা না বললে আর আমার উপর রাগ হলে তো আমি থাকতে পারবো না,,তাই ইচ্ছা থাকার পর ও সুইসাইড করতে পারি না,কিন্তু এতোটুকু জানি আমি ঠিক একদিক ওর দেখা পাবো আর যখন পাবো তখন ওকে আর একটু ও কষ্ট করতে দিবো না,আর সারাদিন আমার কাছে রাখবো আমার কাছ থেকে কোথাও যেতে দিবো না,,,,।
,
একটি মেয়ে তার জীবনে ঘটে যাওয়া কষ্টের কথা গুলি আমাকে বলেছে,আমি শুধু চেষ্টা করেছি গুছিয়ে লেখার জন্য, জানি না তা পেরেছি কিনা,লেখার সময় বার বার আমি অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম যে মেয়েটার উপর থেকে কি পরিমান মানুষ যন্ত্রণা গেছে তার ভুক্তভোগী হয়তো শুধুই সে,তার কথা থেকে যা বুঝলাম বেঁচে থেকে হয়তো এই কষ্ট তাকে ভোগ করতে হবে সারাজীবন,, সত্যিই সত্যিকারের ভালোবাসা ব্যাপার গুলি খুব অদ্ভুত,, কেউ সত্যিকারের ভালোবাসাকে অবহেলা করে দূরে ঠেলে দেই, আবার কেউ তার সত্যিকারের ভালোবাসাকে হারিয়ে মিত্যুর অপেক্ষায় বেঁচে থাকে,,,,।
,
লেখক #Mahedi_hasan
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ŧ āϏেāĻĒ্āĻেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
2556
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Š:ā§Šā§§ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ