āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4545


গল্প: #লাল_রাজরানী
লেখা> আবির হাসান নিলয়
....

পড়ন্ত বিকেল। চারিদিকটা হালকা মিষ্টি রোদের আবরণে মুখোরিত। প্রকৃতির মাঝে যেন কেমন নতুত্বের রং খেলা করছে। সাত রঙা রং গায়ে মোখে যেন নতুনভাবে প্রকৃতির রুপ বিকশিত হচ্ছে। প্রকৃতি আজ সেজেছে তার রুপে। তার সাথে মোহিত হচ্ছে চারিপাশের মানুষও।

এই পড়ন্ত বিকেলে চারুকলার সামনে থেকে আলিশাকে একগোছা লাল রঙের চুড়ি কিনে দেয় আবির। আলিশার পরনে লাল সাদা শাড়ি,হাতে সেই লাল চুড়ি। গালে পড়ন্ত বিকেলের সেই হালকা মিষ্টি রোদ মেখে হাত ধরে হেটে চলে দুজন। স্মৃতি ভাস্কর্য আর টি.এস.সি পেরিয়ে বইমেলার মুল প্রাঙ্গনে ঢোকে ওরা। দুর হতে ভেসে আসছে মাইকের শব্দ। আর সেই মাইকে একদল তরুণ তরুণী গান গাইছে..

"আজ হোক না রং ফ্যাকাশে,
তোমার আমার আকাশে।
চাঁদের হাসি হোক না ক্লান্ত,
বৃষ্টি নামুক বা নাইবা নামুক,
ঝড় উঠুক বা নাইবা উঠুক
আসুক আজ বসন্ত"।

আবির সেই ভেসে আসা গানের তালে মাথা দোলাচ্ছে। আবিরের এমন পাগলামো আচরন দেখে খুব রাগ হয় আলিশার। একটু পর যখন দেখল আবিরের মাথা দোলানো আরো বেড়ে গেছে তখন রাগ নিয়ে আলিশা বলে উঠল...

"ঐ শোন বান্দর,একদম বাদরামি করবি না,বাচ্চাদের মত মাথাও দোলাবি না। মানুষজন তোর দিকে তাকিয়ে হাসবে বুঝলি?

আবির আলিশার দিকে চোখ পাকিয়ে তাকিয়ে ঝটপট উত্তর দেয়..

"হাসুক গে..! আমাকে পাগল বললে তাতে তোর কি? আজ প্রকৃতির রংমহলে নতুন সাজে বিরাজমান প্রকৃতির রুপ আমাকে না হয় একটু পাগল করুক, তাতে ক্ষতি কী"?

"আমার কিছুই না, কিন্তু আমাকে যে পাগলের সাথে থাকতে দেখলে সবাই আমাকেই পাগলি ভাববে"

"হি হি হি..! তোর কি মনে হয়, আজ তুই যে সাজ দিয়েছিস তাতে তোকে ভালো মাথার মানুষ মনে হচ্ছে? তোকে দেখলেই মনে হচ্ছে তুই আমাদের যশোর জেলার নাম করা রজিনা পাগলির মত লাগছে...হি হি হি"

"ফালতু কথা বলিস না। তোর দেয়া এই বাজে চুড়িগুলোর জন্যই এমন লাগছে। লাল চুড়ি অসহ্যকর"

"কিহহ..! বাজে চুড়ি? ইসস তোকে ভাবলাম ফুসকা খাওয়াবো কিন্তু এখন আর খাওয়াবো না"।

"খাওয়াতে তোকে কে বলেছে হাড় কিপ্টে? আমি কি তোর মত পেটুক নাকি"?

আবির আর কোনো কথা না বলে বইয়ের স্টলের দিকে এগিয়ে গেল। প্রিয় লেখকের বই খোজাতে আবির ব্যস্ত হয়ে পড়ল। আবিরের বই কেনার প্রতি আগ্রহ দেখে আলিশা বিরক্ত হলেও সেটা প্রকাশ করলো না। তবে আবির আলিশার বিরক্তির দিকে খেয়াল করার সময় নেই। বিরক্তিটা যখন চরম পর্যায়ে তখন আলিশা খেয়াল করল একটু দুরে অনেক ভিড় জমে আছে। কৌতুহলি হয়ে আলিশা যখন সেখানে গেল তখন দেখল কোনো এক মেহেদি কোম্পানি মেহেদি লাগানোর আয়োজন করেছে মেয়েদের জন্য। কোনো চিন্তা ভাবনা ছাড়াই আলিশা নকশা পছন্দ করতে শুরু করে দিল। একটু পর দুই হাতে মেহেদির নকশাতে ভরে গেল। হঠাৎ আলিশা খেয়াল করল, ওর মাথায় কেউ জোরে আঘাত করেছে।  পুরো শরীরটা যেন শিরশির করে উঠল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আবির চিৎকার করে বলল...

"পেত্নী! তুই এখানে! আমি তোকে সারা জায়গা খুজছি। আমাকে তো একবার বলে আসতে পারতি। আমাকে টেনশনে ফেলতে খুব ভালো লাগে তোর তাই না"?

আবিরের হাতের দিকে তাকায় আলিশা। বুঝতে পারল তিনটে মোটা বই দ্বারা আঘাত করা হয়েছে তার মাথায়। অজান্তেই চোখ থেকে দু ফোটা জল গড়িয়ে পড়ল ওর গাল বেয়ে। পড়ন্ত বিকেলের হালকা রোদ এসে পড়েছে আলিশার মুখে। সে আভায় ওর দুফোটা অশ্রু মুক্তোর দানার মত ঝলমল করে উঠল। আবির আলিশার দিকে তাকাতেই ওর অশ্রু দানা খেয়াল করে যত রাগ আর ক্ষোভ ছিল নিমিষেই চলে গেছে। আলিশার অশ্রুভরা চোখের অদ্ভুত দৃষ্টি আর মায়া ভরা মুখটা আবিরের সবকিছু যেন ওলঠ পালট করে দিল।

এতটা খেয়াল করে এর আগে কখনো আলিশাকে সে দেখেনি। হঠাৎ একটি উড়ো হাওয়ায় আলিশার ঘনকালো চুলের কয়েকগাছি চুল উড়ে এসে অশ্রুভরা চোখ দুটোকে ঢেকে দিল। আবিরের মনে হতে থাকে স্বর্গ থেকে যেন কোনো এক অপরুপা নেমে এসেছে। বিমর্ষিত তার যেন রুপ। যা দেখে আবিরের সবকিছু ওলট পালট করে দিয়ে গেল। আলিশা তখনি কান্না গলায় বলল...

"তাই বলে এতটা জোরে মারবি আমাকে? জানিস কতটা ব্যাথা লেগেছে আমার? উহু"

আলিশার কাদো কাদো গলার আওয়াজ শুনে আবির তার স্বপ্নীল কল্পনার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসে। চোখ পদে আলিশার হাতের দিকে। তখনি আবির বললো..

"কি লাগিয়েছিস এসব তোর হাতে? ইয়াক..!"

"ঐ এটা মেহেদি, তুই কি বুঝবি এসবের"?

"ইয়াক, কী বাজে গন্ধ। এখন কী তুই এই গোবর হাতে লাগিয়ে ঘুরবি নাকি"?

"এই শোন, এটা গোবর না, এটা মেহেদি বুঝলি? ঘন্টা খানিক পর তুলে ফেললে হাতে রঙিন নকশা তৈরী হবে"।
"এহে, এক ঘন্টা তুই এই বাজে গন্ধওয়ালা জিনিস নিয়ে ঘুরবি"?
"এটা বাজে জিনিস না, এটা মেহেদি হাদারাম"।

এমন সময় হঠাৎ আবিরের ফোনটা বেজে উঠল। ফোন হাতে কথা বলার জন্য একটু দুরে সরে যায় আবির। কি কথা বলছে, কার সাথে কথা বলছে সেসব শোনার জন্য এগিয়ে যায় আলিশা। কিন্তু আবির তাকে দেখতে পেয়ে আরো দুরে সরে যায়। এবার ভীষণ রাহ হয় আলিশার। রাগে গম গম করতে করতে রিকশা ঠিক করে রওনা দেয় আলিশা। খোপায় গাথা গোলাপটা পড়ে যায় মাটিতে। একটু পর রিকশা চলতে শুরু করে। তখনি পিছন থেকে আবিরের গলা শুনতে পায় আলিশা...

"এই আলিশা কোথায় যাস? আরে হলো টা কী তোর? দাড়া..কই যাচ্ছিস?"

আলিশা চলতে শুরু করে। একটু পর আবছা হতে থাকে আবিরের কন্ঠ। একসময় বাতাসের সাথে তা মিলিয়ে যায়। খুব রাগ হতে থাকে আলিশার। মনে মনে ভাবে...
"কার সাথে কথা বলছিল আবির, আমাকে দেখার পর সরে গেল কেনো? ও কি ওর গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলছিল? হুহ, এরাকম একটা হাদারামকে কোন মেয়ে ভালোবাসবে শুনি? আচ্ছা আমার এত রাগ হচ্ছে কেনো"?

এসব ভাবতে ভাবতে আলিশার মনে পড়ে যায় আবিরের সাথে প্রথম পরিচয়ের কথা।
.
সেদিন ছিল বর্ষাকাল। ব্যস্ত রাস্তাটাও অঝোর বর্ষাতে ফাকা হয়ে ছিল। আলিশা রাস্তার পাশের দোকানটায় ছাতা না থাকাতে দাড়িয়ে ছিল বৃষ্টি কমে যাবার অপেক্ষায়। ঠিক তখনি শুনতে পেল
"মামা, এক কাপ চা দাও তো"

কথাটা শুনে আলিশা ঘুরে তাকায়। কাকভেজা হয়ে একটি ছেলে চায়ের অর্ডার দিল। মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলো আলিশা ছেলেটাকে চেনে। আবির ওর নাম। আলিশার বান্ধবি মিমির সাথে ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে। ঝাকড়া চুল, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা পরা। আলিশা মুচকি হেসে বললো..

"আপনি আবির না"?
"হুমম, আপনি মিমির বান্ধবি তাই তো"?

তারপর থেকে দুজনের কথা বলা শুরু। কথা বলার এক সময় আদান প্রদান হয় একে অপরের ফেসবুক আইডি। ওদের বন্ধুত্ব ফেসবুক থেকে শুরু করে আলিশার মেডিকেল কলেজ চত্বরেও। ধীরে ধীরে সেখান থেকে পৌছে যায় ধানমন্ডি লেক, রবীন্দ্র সরোবোর ও টি. এস. সির প্রাঙ্গনে।

এসব জায়গাতে প্রেমিক যুগল একে অপরের কাধে মাথা রেখে হারিয়ে যায় স্বপ্নের জগতে, সেখানে এরা দুজন ব্যস্থ থাকে একে অপরের চুল টানাটানিতে। কখনো কখনো সেটা পৌছে যায় বন্ধুত্বের মিষ্টি ঝগড়াতে ও মারামারিতে।
.
এ কেমন বন্ধুত্ব জানেনা আলিশা। যে বন্ধুত্বে একদিনের নিরাবতা মানে না। সারারাত ফোনে কথা বললেও যেন কথা ফুরাতে চাই না। আলিশা চোখ বুঝে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। চোখ বুঝতেই আবিরের ঝাকড়া চুলের চশমা পরা চেহারাটা ভেসে ওঠে আলিশার চোখের সামনে।

"একী..! আবিরের মুখ কেনো দেখলাম চোখ বোজাতে? আচ্ছা আমার কী হয়েছে? আবির ফোনে আমাকে না জানিয়ে কথা বলছিল এতে আমার রাগের কী আছে? আমি কেনো এমন পাগলামো করলাম"?

এসব বসে বসে ভাবছে আলিশা। তখনি ফোনটা বেজে ওঠে।  ফোনের স্কীনে তাকিয়ে দেখে আবিরের নাম। ফোনটা বন্ধু করে ফেললো আলিশা। ঐ মুহূর্তে পন করে যে সে আজ রাতের মধ্যে ফোন অন করবে না।
ফাগুনের প্রথম রাত আলিশা না খেয়ে, না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেয়। ফোন অন করবে কী করবে না এসন ভাবতে ভাবতে কেটে যায় সারাটা রাত।

কে এই আবির? তার প্রতি এত অনুভুতি কেনো আলিশার? এই প্রশ্নের উত্তর খুজে পাই না আলিশা।

একটু চোখ বুঝতেই বিছানার পাশের জানালা থেকে স্নিগ্ধ আলো এসে পড়ল আলিশার মুখে। ফোনটা অন করতেই কলের টিউন বেজে উঠল। আলিশা ফোন রিসিভ করতেই অপাশ থেকে আবির বলে উঠল....

"অবশেষে ফোনটা অন করলি তাহলে। পেত্নী, সারারাত জেগে তোকে কল দিয়েছি। আজ ভ্যালেন্টাইন ডে মনে আছে"?
"মনে রেখে লাভটা কী"?

আবির কথাটা শুনে চুপ হয়ে যায়। একটু থেমে কি যেন ভেবে বললো..

"কখনো তো জানতে চাসনি। তাই তো তোর চোখের দিকে তাকাতে পারি না আমি। মনে হয় যেন সব বুঝে ফেলবি আমার মনের জমানো কিছু অস্পষ্ট অনূভুতির কথা"?
"হাম্বা, তুই কি কখনো বোঝাতে ছেয়েছিস? তুই কি কখনো জানতে চেয়েছিস"?
"ঐ হাম্বা বলবি না। তোর আগেই কীভাবে জেনে নিলাম বলতো? কাল তোর চোখে হিংসের আগুন দেখেই জেনেছি তোর মনে আমার প্রতি অব্যক্ত অনুভুতিগুলো। জেনেছি কাল, তোর মনে আমার প্রতি ভালোবাসার টান। আর ওটা কারো ফোন কল ছিল না। মিমির সাথে প্ল্যান করে সাজানো কল ছিল একটা। আর সেটা রিসিভ করে দুরে সরে যেতেই পাগলামো শুরু করলি। হি হি হি.."
"হাসবি না একদম হাম্বার মত করে। তোর হাসিতে আমার গা জ্বলে"।

দুজনেই কিছুক্ষন চুপ হয়ে গেল। আলিশা নিজের বলা আবিরের সাথে এখানকার কথোপকথনে কেমন যেন হতবাক হয়ে গেল। কালকের পাগলামির জন্য কেমন বোকা বোকা মনে হচ্ছে তার। আবির আবারো বলতে শুরু করলো...

"তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে টি এস সির চত্বরে আই। আজ কিন্তু আবার বসুন্ধরা সিটিতে যাবো। তোর অনেক দিনের ইচ্ছে সেখানে যাওয়ার।
"হুমম"
" ওহ হা, তোর লাল শাড়ি আর লাল চুড়ি পরে আসিস। সাথে খোপায় গাথা লাল গোলাপও যেন থাকে।"

আবিরের কাছে এমন কথা শুনে সব যেন স্বপ্নের মত লাগছে আলিশার। কলটি কেটে এক দৌড়ে আলমারিতে থাকা লাল শাড়িটা বের করে পরে নিল।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আলিশা মনে মনে বলে...

"আমি তো লাল শাড়ি পরবো। তুই কি পরবি আজ? তোর ঐ লাল পান্জাবিটা পরলে বেশ হবে। আর সাথে সিলভার কালারের ঘড়িটা। আমার চুলগুলো না হয় ছাড়াই থাকবে আজ। চোখে হালকা কাজল, আর ঠোটে light gloss দেয়া ছাড়া আর কিছুই সাজতে পারবো না। আজ না হয় একটু খ্যাতই সাজলাম।"
.
খানিক পরে আবিরের মিসড কল পেয়ে বের হয় আলিশা। চত্বরের সামনে এসে আলিশা দেখলো, লাল পান্জাবি পরে আর হাতে লাল গোলাপ নিয়ে দাড়িয়ে আছে আবির।

আলিশা আবিরের হাতের দিকে তাকিয়ে দেখে ঘড়িটা পরেনি আজ। কিন্তু আজ একটুও রাগ হল না আলিশার।
আলিশা আবিরের কাছে হেটে যেতেই প্রথম বারের মত নার্ভাস হয়ে যায় আবির। হাত থেকে গোলাপটা কেড়ে নিয়ে আলিশা বললো..

"জানি তুই দিবি না। তাই আমি নিজেই নিলাম"।

কথাটা শেষ করেই আবিরোর চোখে চোখ পড়ে তার। অজানা এক আকুলতার দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকে আলিশা। আর সেই দৃষ্টিতে খুজে পায় আবির হাজারো অজানা,,অচেনা উদ্ভট প্রশ্ন। দুজনেই চুপ,সে সময় আলিশার light gloss লাগানো ঠোট দুটি ধীরে ধীরে বলে উঠল..

"শোন, আজ থেকে তোকে আমি তুমি করে ডাকবো। তুই কি আমার তুমি হবি"?

আবির কিছু না বলে আলিশার বাম হাতটি শক্ত করে ধরল। আজ প্রথম নয়, এর আগে বহুবার আবির আলিশার হাত ধরেছে। কিন্তু সেটা ছিল বন্ধুত্বের ছোঁয়া। আজকের স্পর্শে যেন অজানা অনুভুতি, কত নাম না জানা, কত পাওয়া না পাওয়ার সমীকরণের সমাধান রয়েছে এ স্পর্শে।

আবিরের কাধে মাথা রেখে পা মিলিয়ে চলতে শুরু করে আলিশা। আজ আলিশার দু চোখে অঝোর অশ্রু ধরেছে। কিন্তু এ অশ্রু যে কোনো অপেক্ষার নয় এটা যে কেবল প্রাপ্তির অশ্রু।
দুজনে মনে মনে গেয়ে ওঠে...

"তোমার মনের আস্তিনে আমি ভালোবাসার ঘর বানাবো।
"তোমার হাতে হাত রেখে হেটে বেড়াবো।
তোমার নিলাভ দৃষ্টিতে নিজের অস্তিত্ব খুজবো।
শুধু ভালোবেসে পাশে থেকো তুমি হে মোর প্রিয়"

(110)
"---------(সমাপ্ত)-------"

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ