______"কষ্টের উপর আবছা হাসি"
.
.
.
গতকাল সারারাত অনেক কেঁদেছি।অথচ কাউকেই বিন্দুমাত্রও বুঝতে দেই নি। বুঝতে দিলে কি বা লাভ হতো!
যা চলে যাবার সে তো চলে গিয়েছে। বৃথা তার জন্য কষ্ট পাচ্ছি। আসলে ভূলটা আমারই। আমি যে এখনো বেকার।
.
সকালবেলা নাস্তা খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। মনটা আজো ভালো নেই। তাই তো ভার্সিটিতেও ক্লাস মিস দিয়েছি। সহজে ক্লাস মিস কিংবা ফাঁকি দেয়ার পাত্র আমি নই। তবে অসুস্থ হলে ভার্সিটিতে যাওয়া হয় না।
.
যখন আমার ঘুম ভাঙ্গলো তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছে। চোখদুটো খুলে দেখি আমার মাথার কাছে অনিক বসে আছে।
"কি রে কখন এসেছিস?"
বিছানায় উঠে বসলাম
"আজ যে ভার্সিটিতে গেলি না কেন?"(অনিক)
"শরীরটা একটু খারাপ রে।(আমি)
"চল বাইরে থেকে বেরিয়ে আসি। মনটা ভালো লাগবে।"(অনিক)
.
অনিকের কথায় রাজি হয়ে গেলাম। অনিক আমার ব্যপারে সব কিছু জানে। তাই তো তাড়াতাড়ি বাথরুম থেকে হাত-মুখ ধুয়ে আসলাম। অতঃপর এক সাথে কিছুক্ষণ রাস্তার ধারে দুজনে হাঁটলাম। নিজেদের মধ্যে অরোক কথা শেয়ারও করলাম।
.
কিছুক্ষণ পর অনিক কার যেন ফোন পেয়ে চলে যায় আমাকে একা রেখে। অনিক চলে যাওয়ার পর আমিও আমার গন্তব্যের উদ্দেশ্য রওয়ানা হই হেঁটে হেঁটে। একটা দোকান থেকে দুটো সিগারেট কিনলাম। একটা পকেটে রেখে অপরটা শুরু করলাম।
.
আমি সাধারনত সিগারেট খাই না। তবে খুব কষ্টে থাকলে নিকোটিনের ধোঁয়া আমার একমাত্র সঙ্গী হয়ে ওঠে। আমি জানি, এটা আমার জন্য উপযুক্ত নয়। তবুও আজ আমি নিরুপায়। বুকটা আমার ফেটে যাচ্ছে। কোন এক অদৃশ্য শক্তি আমাকে আস্তে আস্তে গ্রাস করে ফেলছে। কিন্তু এখন আমার কিছুই করার নেই।
.
বসে আছি পার্কের সেই চিরচেনা গাছের তলায়। এরি মধ্যে দ্বিতীয় সিগারেটটা আমার সঙ্গী হয়েছে। অথচ এর আগে একা কখনো এই পার্কে আসি নি। এই প্রথম একা আসলাম।কতদিন কতটা সময় মায়ার সাথে কাটিয়েছি এই গাছের তলায়। কত জোকস, মজা করেছি তার ইয়ত্তা নেই।
.
এই তো গতকালের কথা,
গতকাল থেকে মায়া আর আমি চিরজীবনের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়েছি। কিন্তু তারপরও সে আমার হৃদয় থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারে নি। বিয়ে হয়ে গেছে মায়ার। হয়তো আমার থেকেও ভালো ছেলের সাথে। কিন্তু পুরো দোষই ছিলো আমার। মায়ার কোন দোষই ছিলো না। খুব ভালো এবং মায়াশীল ও।
.
একদিন হঠাৎ মায়া আমাকে বলে
"বাবা তোমাকে আমার সাথে আমাদের বাড়িতে যেতে বলেছে।"
আমি অনেকটা আনন্দিত হয়ে মায়ার সাথে গেছিলাম মায়াদের বাড়িতে।
কথা বলেছিলাম মায়ার বাবার সাথে। উনি খুব ভালো মানুষ। যা দেখে আমি বুঝে ফেলেছিলাম।
.
উনি আমাকে বললেন,
"দেখ বাবা, তুমি যদি আগামী দু মাসের মধ্যে একটা চাকরি যোগার করে মায়াকে বিয়ে করতে পারো তাহলে তোমাদের সম্পর্কটাকে আমি মেনে নিবো। যদি না পারো তবে আমি অন্য কারো সাথে বিয়ে দিতে বাধ্য হবো।"
উনার ঠান্ডা মাথার কথা শুনে আমি ক্রাশ খেয়ে গেলাম। তবুও উনার কথায় হ্যাঁ বোধক শব্দ উচ্চারন করলাম।
.
মায়াকে খুব ভালোবাসি। তাইতো গত দুমাস অনেক খুঁজেছি একটা চাকরি। কিন্তু যেখানেই গিয়েছি সেখানেই ঘুষ নামক অসহ্য শব্দটি শুনেছি। তারপরও নিজে যোগ্যতায় ছোটখাট একটা চাকরি পাই নি। তাই তো মায়ার বাবা নিরুপায় হয়ে গতকাল মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। অবশ্য মায়া ফোন করেছিলো আমাকে। অনেক কেঁদেছিলো বেচারী।
.
এমন সময় ভাবনার আকাশ থেকে ছিটকে পড়লাম। এরি মধ্যে সিগারেটাও শেষ হয়ে গেছে। কে যেন আমার পাঞ্জাবির লেজ ধরে টান মারছে। পিছনে ফিরে দেখি ৪ বছরের একটি মেয়ে। ফুটফুটে চেহারা তার। পরনে ছেড়া একটা জামা। দেখে বোঝা যাচ্ছে খুব গরিব ঘরের সন্তান সে।আমি তাকে আমার পাশে বসালাম। সে আমাকে ঝালমুড়ি দোকানের দিকে ইশারা দিচ্ছিলো। এরুপ দেখে বুঝতে পারলাম সে খুব ক্ষুদার্থ।
.
ওর হাতটা ধরে পাশের দোকান গেলাম এবং বড় একটা বিষ্কিটের প্যাকেট নিয়ে ফের পূর্বের জায়গায় ফিরে আসলাম। এসে খানিকা ছিঁড়ে দিলাম। মেয়েটা গবগব করে বিষ্কিট খাচ্ছিলো। ওর খাওয়া বেশ ভালোই লাগছিলো আমার।
মাঝে মাঝে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম।
.
≈≈Sajjad Alam Bin Saiful Islam(কাশফুল)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4541
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§§ā§Ļ:⧧⧝ PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ