āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4536


.
❑ গল্পঃ কষ্ট তবুও কষ্ট

.
.
পূর্ব আকাশে কিছুক্ষণ আগে সূর্য উদিত হয়েছে।শহরের মানুষেরা আস্তে আস্তে উঠতে শুরু করেছে।ব্যস্ততম হয়ে উঠবে নগরী।কর্মমুখী আপামর জনতা।দু একজন করে রাস্তায় মানুষের আনাগোনা লক্ষ করা যাচ্ছে।
.
খুব ভোরে চায়ের ড্যগ ও কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নিয়ে দোকানের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় সাহেরা বানু ও হাবীব। সাহেরা বানু একমাত্র ছেলে হাবীব।অপরদিকে তার একটি মেয়েও রয়েছে।নাম মাইশা খাতুন।শহরে তারা নতুন।এসেছে মাসখানেক পূর্বে।শহরের অলিগলি তাদের এখনো অচেনা।
.
সাহেরা বানুর স্বামী হাসু মিয়া মারা যাবার পর পোটের দায়ে শহরে এসেছে তারা।শুধু তারাই নয়,তাদের মতো অনেক অভাগা-অভাগিনী পেটের দায়ে গ্রাম থেকে আজ শহরে।গ্রামে এখন আর শহরের মতো এতো কাজ নেই।
.
ছোট্ট একটা দোকান ভাড়া নিয়েছে হাবীব ও সাহেরা বানু। গতকাল থেকে তাদের দোকানের কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছে।আলহামদুলিল্লাহ! প্রথম দিনে চা,পান ও বিস্কুট বিক্রি করে ভালো উপার্জন করেছে।তাইতো এখন তাদের মুখে আশার বানী।মুখে সুখের হাসি।"কষ্টের পর সুখ আসে।" কথাটা আসলেই বাস্তব। মনে মনে ভাবলেন সাহেরা বানু।
.
সাহেরা বানু চায়ের দোকানের সাথে ভাপা পিঠা নিয়ে বসেছেন।নিশ্চয়ই শহরের লোকেরা ভাপা পিঠা পছন্দ করে।কারন তারা তো গ্রামের মতো ভাপা পিঠা খেতে পারে না।ভাপা পিঠার দোকান দেখলে কৌতূহল হয়ে আসবে খেতে।মনে মনে ভাবে সাহেরা বানু। তিনি আরো ভাবতে থাকেন, ভাপা পিঠার সিজন উঠে গেলে অন্য কিছু নিয়ে এখানে বসতে হবে।তাহলে দুটো দোকানের উপার্জন দিয়ে তার সংসার ভালো মতোই চলবে।
.
একজন,দুজন করে দোকানে আসতে থাকে পথচারীরা।উদ্দেশ্য কর্মব্যস্ততার পূর্বে এক কাপ চা।এভাবেই চলতে থাকে দুপুর বারোটা অবধি।সাহেরা বানু এখন আর ভাপা পিঠা তৈরি করছে না।কারণ,যেটুকু আটা নিয়ে বসেছিলেন তার সবটুকুই শেষ।আলহামদুলিল্লাহ! লাভ হয়েছে বেশ।
.
হাড়ি,পাতিল দোকানের এক পার্শ্বে রেখে হাবীবকে সাহায্য করতে থাকে সাহেরা বানু।মনে মনে আল্লাহর শুকরিয়া করতে থাকে।কারন,ইমাম সাহেবের বক্তব্য থেকে শুনেছেন,যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ তায়ালা সেই ব্যক্তিকে বেশি করে দেন,যে ব্যক্তি তার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে।এছাড়াও সাহেরা বানুও কোরআনুল কারীম পড়তে পারেন বিশুদ্ধভাবে।গ্রামে থাকাকালীন একজন হুজুর সাহেবের কাছে শিখেছিলেন।
.
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হওয়ার উপক্রম।সাহেরা বানু চা বানানোর কাজে ব্যস্ত।এমন সময় ৪ জন ছেলে এসে দোকানে ঢুকে পড়লো।বিস্কিট, চা খেয়ে বেরিয়ে যাবার উপক্রম।
- ভাইজান টাকা দিলেন না। (নরম গলায় প্রশ্ন করলো হাবীব)
- টাকা! আমাদের কাছে টাকা চাচ্ছিস? তুই জানিস! আমরা কে? (তাদের মধ্যে পিছনে তাকিয়ে উত্তর দিলো।)
- কি বলেন ভাইজান, খাবার খেলেন আর টাকা না দিয়েই চলে যাবেন? এটা কেমন কথা?
.
- কদিন হলো এখানে দোকান দিয়েছিস?
- গতকাল থেকে ভাইজান।
- এখানে দোকান দিয়ে থাকতে হলে প্রতিদিনই আমাদের ১ বেলা চা,বিস্কিট খাওয়াতে হবে।নতুবা দোকান তুলে দিবো
আর হ্যাঁ মাসে মাসে ভাড়ার টাকা বাদেও আমাদেরকে ৫০০ টাকা দিবি।
- আমাদের কষ্টের টাকা আপনারে দিমু কেন? আমি দিমু না।
(এমন সময় দোকান থেকে সাহেরা বানু বের হয়ে আসে।
- কি হইছে বাজান?
- মা এরা কইতাছে,এদের নাকি প্রত্যেকদিন চা,বিস্কিট ফ্রি ফ্রি খাওয়াতে হবে।মাস শেষে ৫০০ টাকাও দিতে হবে।
.
বিদ্রোহী ভাব দেখে শয়তান টাইপে ছেলেগুলোর মধ্যে দুজন এগিয়ে এসে দোকানের সব কিছু রাস্তার মধ্যে ছুড়ে দেয়।আর বলতে থাকে, "এখানে দোকান করতে হলে আমাদের কথা মেনে চলতে হবে।নতুবা প্রতিনিয়ত এভাবেই ছুড়ে ফেলে দিব।"
.
প্রতিবাদ করার জন্য মা, ছেলে এগিয়ে যায়।কিন্তু নাহ! কাজ হলো না।ছেলেগুলো হাবীবকে কয়রকটা চড়,কিল,ঘুষি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায়।মাথা কিছুটা ফেটে রক্ত বের হয় হাবীবের।সাহেরা বানু এগিয়ে গিয়ে হাবীবকে তুলতে তুলতে বলে, "মানুষের কষ্টের পর সুখ আসে,কিন্তু আমাগো কষ্টের পর কষ্টই আসে।"
.
.
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম (কাশফুল)

.
.
সামিহা আর হৃদয়ের সম্পর্ক এগারো মাস থেকে।দুজন দুজনের সাথে ফেবুতে সম্পর্ক শুরু হলেও এখন অবধি তা ফোন পর্যন্ত গড়িয়েছে।সামিহা ও হৃদয়ের প্রথম কথাবার্তা ফেসবুক থেকে। সামিহা ফেসবুকে টুকটাক লিখতো।আর সেই লিখাগুলো প্রকাশ পেত বড় বড় পেজ ও গ্রুপে।
.
বেশ সুন্দর ও ভালো লিখতো সামিহা।পেজ ও গ্রুপে গল্প পড়ে অনেকেই তাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দিতো।এমনি ভাবে "মেঘের গল্প" নামক একটি গল্প পড়ার পর সামিহাকে রিকুয়েস্ট দেয় হৃদয়। সামিহাও পাঠক হিসেবে তাকে এড করে নেয়।সেই থেকে শুরু একটু একটু করে।
.
প্রায়ই চ্যাট হতো তাদের মধ্যে।হৃদয় লেখাপড়ার পাশাপাশি জব করতো। বেশ স্মার্ট ছিলোও বটে।সামিহা হৃদয়ের ছবি প্রোফাইলে দেখে।কিন্তু সামিহা কখনোই পিকচার দিতো না।অনেকদিন চাওয়া সত্বেও রাজি হয় নি সে।সামিহা অনেক ভালোবাসতো হৃদয়কে।কেন জানি সবসময় তার কথা মনে পড়তো।
.
এভাবে চ্যাট থেকে ফোন অবধি গড়ায় তাদের সম্পর্ক।জীবনের প্রান্তে সামিহার এটিই প্রথম ভালোবাসা।যা আস্তে আস্তে হৃদয়ের কাছ থেকে সে শিখেছে।হৃদয়ও মোটামুটি সামিহার খোঁজ খবর নিতো।কখন কি করছে, কোথায় যাচ্ছে,ঠিকমত খাওয়া-দাওয়া করছে কি না ইত্যাদি ইত্যাদি।
.
সামিহা বাবার একমাত্র মেয়ে।তার থেকে এক ভাই বড় ও একজন ছোট রয়েছে।মা নেই।কয়েকবছর আগে হৃদ যন্ত্রে আক্রান্ত হয়ে চলে গেছে না ফেরার দেশে।যেখান থেকে কেউ কখনো ফিরে আসে না।তিনি গত হবার পর সামিহার বাবা আকরাম চৌধূরী দ্বিতীয়বার আর বিয়ে করেন নি।
.
পুরো সংসার সামিহাকেই দেখতে হয়।আকরাম চৌধূরী শহরের প্রভাবশালীদের অন্যতম ব্যক্তি।বেশ দয়ালুও বটে।
যাইহোক, এভাবে ফোন আর চ্যাটিং এর মধ্যে দিয়ে গত হয় দুটি বছর। একদিন খুব জোর করে হৃদয়, সামিহার ছবি দেখার জন্য।তাই তো সামিহা বাধ্য হয়ে একটা ছবি দিয়ে দিলো।তবে রিয়েল নয়,একটা কালো মেয়ের।নিজের পিকচার নয়,অন্যকারোর।উদ্দেশ্য, হৃদয়কে পরীক্ষা করা।
.
সামিহার পিকচার দেখে মনটা খারাপ হয়ে যায় হৃদয়ের।হৃদয় দেখছে এ যে শ্যামলা বরনের একটি মেয়ে! একে কেমন করে সে ভালোবাসতে পারে! সামিহাকে বিয়ে করে ঘরে তোলার স্বপ্ন আস্তে আস্তে বিলিন হয়ে গেল তার থেকে।প্রায়শই সামিহার শ্যামবর্ন মুখটা ভেসে হয়ে তার সামনে।
.
আস্তে আস্তে চ্যাট ও ফোন দেয়া কমিয়ে দিয়েছে হৃদয়।খুব খারাপ লাগতো সামিহার।সে এখন আগের মতো গল্প লিখে না।শুধু হৃদয়ের এভয়েডের চিন্তা নিয়ে সবসময় ব্যতিব্যস্ত থাকে।এদিকে পাঠকরা গল্প পড়ার জন্য ইনবক্সে নক করতে থাকে সামিহার।সামিহা শুধু সিন করতো কিন্তু উত্তর দিতে পারতো না।
.
সব গল্পের টপিকস হারিয়ে গেছে সমুদ্রের স্রোতে।এখন শুধু ভাবনা আর ভাবনা।সামিহা মনে মনে ভাবতে থাকে, "জেনে শুনে নরকে পা দিয়ে কি না ভুল করলাম।আমার চেহারা দেখে হৃদয় অবশ্যই ভুল বুঝেছে।নিশ্চয়ই সে মনটাকে নয়,দেহটাকেই ভালোবাসতো।"
.
সব হতাশা ঝেড়ে ফেলে আজ পুনরায় গল্প লিখছে সামিহা।গল্পটা তার বাস্তব জীবনের হৃদয়ের গল্প।নিশ্চয়ই হৃদয় তার গল্পটা পড়বে।পড়লেই বুঝতে পারবে,আসে ঘটনা কি! এতোদিন কাল্পনীক গল্প লিখেছে সামিহা।আজ নিজের জীবনের গল্প লিখতে চোখের পানি বেরিয়েছে।গল্পটা শেষ করে টাইমলাইনে পোষ্ট করে দিলো।সাথে হৃদয়ের ইনবক্সে একটি মেয়ের রিয়েল পিকচারও।
.
পাঠকরা সামিহার গল্পটাকে কাল্পনিক হিসেবেই গ্রহন করে নানান সুন্দর সুন্দর কমেন্টস করতে থাকে।সামিহা রিপ্লে দেয় আর চোখের জল ফেলে।হঠাৎ হৃদয়ের একটি কমেন্টস, "সরি ফর দ্যাট।"
নাহ সামিহা আর জড়াবে না।সে পাঠকদের হৃদয়েই থাকতে চায়,কোন হৃদয়ের হৃদয়ে পারসোনাল ভাবে নয়।
তাই তো সামিহা কমেন্টসটির রিপ্লে দেয়, "সরি ভাইয়া,কানেকশন ফেইলড।"
.
.
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম (কাশফুল)

.
গল্পঃ বন্ধুত্ব এমনি হয়
.
.
.
সজল আর ফাহিমের পরিচয় ছোট বেলা থেকেই।দুজন দুজনকে খুব ভালো ভাবেই চিনে।খুব কাছের দুজন।অনেক বিষয় থেকে পার্থক্য থাকলেও দুজন দুজনকে ছাড়া অনেকটাই অচল।ছোট থেকেই একসাথে বড় হচ্ছে।একই কলেজে পড়ছে। একই স্কুলে থেকে দুজনে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ ইত্যাদি ভাগাভাগি করে নেয় দুজনই।
.
পার্থক্যের বিষয় হলো, ফাহিম বড়লোক বাবার একমাত্র সন্তান।ছাত্র হিসেবে মোটামুটি ভালো।অপরদিকে সজলে মধ্যবিত্ত পরিবারে ছেলে।ক্লাসে যে ছেলেটার দুই রোল।সেই ছেলেটাই হচ্ছে সজল।পুরো নাম মোহাম্মদ জাবেদ সজল।সজল এবং ফাহিমের বন্ধুত্ব দেখলে যে কেউই হিংসা করবে।বড়লোক বাবা সন্তান হয়েও কখনো ফাহিম কখনো বিলাসিতা পছন্দ করে না।সে জানে,সবাই মানুষ।আর এটাই বড় পরিচয়।
.
রাতে লেখাপড়া শেষ করে ফেসবুক আইডিটা কয়েক মিনিটের জন্য ওপেন করে সজল।যদিও তার মোবাইলটা এন্ডুয়েড নয়।কিছুদিন আগেই তার বাবা ১২০০ টাকা দিয়ে কিনে দিয়েছে।অনেক জোরপূর্বক ফাহিম জাবেদকে এই আইডিটা ওপেন করে দিয়েছে।একটিভ হিসেবে কয়েকজনকে দেখতে পায়।তার মধ্যে ফাহিমও ছিলো।তাইতো ফেসবুক আইডি ক্লোজ করে ফাহিমকে ফোন দেয় সে।
- কি রে সজল? তুই এখনো ঘুমাস নি? এতো রাতে যে ফোন দিলি?
- পড়া শেষ করে ফেবুতে ঢুকেছিলাম কিছুক্ষণের জন্য,তাতে তোকে দেখতে পেলাম।তাই ফোন দিলাম।
- তুই তো বলেছিলি,ফেসবুক চালাবি না।তারপরও?
- আমি কি তোকে সেটা বলেছি নাকি? ফেসবুক তো আমি চালাই,কিন্তু তোর মতো না।মাঝে মাঝে ৫,১০ মিনিটের জন্য ঢুকে আবার বের হয়ে আসি।
- ওহ।তা এসময়ে ফোন দিলি যে।
- এমনিতেই দিলাম।তুই এতো রাতে ফেসবুকে কি করছিস? নাকি পড়ছিলি?
- কি যে বলিস! পড়ছিলাম না রে।আয়নাবাজি মুভিটা ডাউনলোড দিচ্ছি।ছবিটা নাকি জব্বর।
- তোর আর কি! সবসময় ছবি,ওয়াইফাই,ফেসবুক।
- আরে দোস্ত,পড়ালেখার অনেক সময় পাবো।কিন্তু জীবনে এগুলো ব্যবহার না করলে জীবনটাই তো বৃথা।
- আমি তোকে এগুলো ব্যবহার করা নিষেধ করছি না।এগুলো সময়ের চাহিদা।মানুষ ব্যবহার করবেই।তবে এতো সময় ধরে ব্যবহার করা ঠিক না।ব্যবহার করবি,সময় অনুপাতে।তুই তো সবসময় এসব নিয়েই ব্যস্ত থাকিস।
- দোস্ত,এগুলো আমাকে খুব ভালো লাগে রে।
- ভালো তো লাগবেই।এসবের জন্য এসএসসিতে এ প্লাস পাস নি।দেখ,তুই যদি আরেকটু পড়তি তাহলে হয়তো এ প্লাস পেতি।আর তুই এ প্লাস পেলে তোর পরিবারের চেয়েও বেশি খুশি হতাম আমি।
.
- জানি রে দোস্ত।যদি ইংলিশে মাইনাস না হয়ে এ গ্রেড হতো তাহলেই হয়ে যেত।আমি ইংলিশ তেমন বুঝি না।তুই তো জানিস।
- তুই তো বুঝিস না,বুঝার চেষ্টাও করিস না।প্রাইভেট পড় একটা।নতুবা আমার কাছেও কিছুটা বুঝিয়ে নিতে পারিস।তাও তো নিস না।এইচ এসসির পর ভার্সিটিতে এডমিশন।তুই যদি ভার্সিটিতে চান্স না পাস তাহলে কি হবে, একবার ভেবে দেখেছিস!
- নিবো রে।কাল থেকে তোর সাথে প্রাইভেটে যাবো।তুই স্যারকে বলিস।
- সত্যিই যাবি তো?
- হুম যাবো রে।
- ঠিক আছে।আমি স্যারকে সকালে ফোন করে বলে দিবো।বাকি ৪টা মাস একটু না হয় পড়।ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর তারপরও না হয় সারাদিন থাকিস।তখন তোকে নিষেধ করবো না।
.
- তোর মতো যার বন্ধু আছে,তার তো কোনই চিন্তা থাকতে পারো না।আমি বাবা আমাকে টাকা পয়সা দিয়েই খালাস।কোনদিন খোঁজও নেয় না।মাও তার চাকরি নিয়েই ব্যস্ত।
- নিজে ঠিক তো জগত ঠিক।আচ্ছা এখন ঘুমা।আমিও ঘুমাবো।কাল ভোরে উঠতে হবে আবার।
- ঠিক আছে দোস্ত।আমারো ডাউনলোড দেয়া শেষ।
.
অতঃপর ফোনটা কেটে দিলো সজল।মশারিটা টেঙে শুয়ে আল্লাহর কাছে সারাদিনের খারাপ কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলো।ফাহিমের জন্যও দুয়া করলো,যাতে আল্লাহ ওকে সঠিক পথ প্রদর্শন করে।
.
.
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম (কাশফুল)

.
গল্পঃ ল্যাম্পপোস্টের আলো
.
.
.
পার্কের পাশে ছোট একটা বস্তি।নানান রকম
গরিব মানুষের বসবাস সেখানে।জীবনে বাঁচার
তাকিদে বসবাসরত তারা।হয়তো আর চার পাঁচটা
সচ্ছল পরিবারের মতো তার সচ্ছল নয়।তবে দিনে
এনে দিনে খাওয়াটাই তাদের প্রত্যেহ রুটিন।
হয়তো দুবেলা,নয়তো এক বেলা গরম ভাত জুটে
তাদের কপালে।এমন সংগ্রামী মানুষগুলোর স্বপ্ন
থাকাটাই যেন অপরাধ।তারপরও কেউ কেউ স্বপ্ন
দেখে।জীবনে বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন।
.
নয়ন তাদেরই একজন।থাকে ছোট্ট সেই বস্তিতে।
সে ছাড়াও তার আরো দুটো ছোট ভাই বোন আছে।
ওদের নাম নিঝুম ও মায়া।বাবা স্কুলে স্কুলে
ঝালমুড়ি বিক্রি করে।মা সাহেরা বানু
বাড়িতেই থাকার চেষ্ঠা করে।তবে মাঝে মধ্যে
বড় বড় বাড়িতে তার ডাক আসে কাজ করার জন্য।
নয়ন স্বপ্ন দেখে। খুব বড় স্বপ্ন।একদিন সে
প্রতিষ্ঠিত হয়ে চাকরি করবে।বাবা-মায়ের দুঃখ
দূর করবে।সেজন্য সে একটি স্কুলে ক্লাস নাইনে
অধ্যায়ন করছে।সারাদিন স্কুলে থেকে বিকেলে
পার্কে যায় বাদাম,বুট নিয়ে। উদ্দেশ্য তা
বিক্রি করে বাবাকে একটু সহযোগীতা করা।
এদিয়ে তাদের সংসারে দুবেলা দুমুটো গরম ভাত
হয়ে যায়।রাত্রিবেলা বই নিয়ে পার্কের ধারে
পড়তে যায় নয়ন।গত দুবছর থেকে এভাবেই
ল্যাম্পপোস্টের আলোতে বইয়ের কালো কালো
অক্ষরগুলো পড়ছে।
.
এভাবেই তার চলে গেছে অনেকটা দিন।বস্তিতে
একটা ঘরে থাকার কারনে ঘরে পড়ার সুযোগ পায়
না নয়ন।কারন তার বাবা সিরাজুল মিয়া
সারাদিন খাটনির পর রাত্রে ঘুমান।এতে করে
যদি কুপি জ্বালিয়ে পড়াশোনা করে তাহলে
হয়তো তিনি রেগে যাবেন।কারন তিনি চান
না,নয়ন লেখাপড়া চালিয়ে যাক।তার ধারনা
লেখাপড়া কেবল বড় লোক বা সচ্ছল ব্যক্তিদের
জন্য।এক্ষেত্রে গরিবরা শুধু কালো কালো
অক্ষরগুলো রিডিং পড়তে পারলে আর হিসাব
করতে পারলেই হলো।
.
ক্লাস নাইনের ফাইনাল পরিক্ষা চলছে।নয়ন
তাইতো বই নিয়ে প্রতিদিনেরর মতো
ল্যাম্পপোস্টের আলোতে পড়ছে।চারদিকটা
নিরিবিলি।পরিবেশটা অনেক শান্ত।রাত এখন
মধ্যরাত্রী।লোকের আনাগোনা কমতে শুরু করেছে।
মাঝে মাঝে দু একটা গাড়িকে দেখা যাচ্ছে।
সেদিকে খেয়াল না করে নয়ন শুধু পড়ছে।
.
- ওই তুই এইখানে কি করস? (দুটো লোক নয়নের
পাশে এসে বসে পড়লো।মনে হচ্ছে তারা মদ
খেয়েছে।কারন মুখ দিয়ে তাদের দুর্গন্ধ বের
হচ্ছে।)
- এই তো ভাই পড়ছি।
- পড়া! বাড়ি ঘর নাই তোর? যাহ সেখানে গিয়ে
পড়।
- কি বলেন ভাই,আমি গত দুবছর থেকে এই
ল্যাম্পপোস্টের আলোতে পড়ছি।আর আজ কি না
বলছেন,বাড়িতে যেতে!
- ওই ছেলে,কথা শুন না হলে কিন্তু!
- প্লিজ ভাই, আপনার এখান থেকে যান।কাল
আমার ইংরেজি পরিক্ষা।খুব কঠিন সাবজেক্ট।
এখনো অনেক পড়া বাকি।
- বাড়ি গিয়ে পড়।যাহ ভাগ।
- বাড়িতে তো পড়ার মতো জায়গা নাই।সেজন্য
তো এখানে পড়ছি।
- শালা,গরিব হয়ে লেখাপড়া! লেখাপড়া তোদের
জন্য নাহ।
.
অতঃপর বইগুলো নিয়ে ছিড়ে ফেললো তারা।
মাতাল মানুষ, কি বা করবে নয়ন।বইগুলো কুড়িয়ে
নিয়ে আবার জোড়া লাগাতে থাকে সে।কাঁদছে
খুব কাঁদছে।ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদছে।এই মধ্য রাতে
কান্না শোনার মতো কেউ নাই এই
ল্যাম্পপোস্টের আশে পাশে।
খুব কষ্ঠ করে বইগুলো কিনেছিলো নয়ন।বইগুলো
কেনার জন্য সিরাজুল মিয়ার পিটুনিও খেয়েছে।
কারন বাদাম বিক্রি করা টাকা সেদিন তার
বাবাকে দেয় নি সে।
.
ল্যাম্পপোস্টের আলো ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে।
কিন্তু ছড়ায় নি নয়নের মতো ছেলেদের প্রতিভা।
যে কোন প্রকারেই নিভু নিভু করছে।যে কোন সময়
ল্যাম্পপোস্টের আলো নিভানোর মতো নিভে
যেতে পারে আজীবনের জন্য।
.
.
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম
(কাশফুল)
__________________সমাপ্ত

.
গল্পঃ জবরদস্তী
.
.
.
- আপন কোথায় গিয়েছিলি? (সিরাজুল ইসলাম)
- এই তো বাবা খেলতে গিয়েছিলাম। (আপন)
- কাল থেকে আর খেলতে যাবা না।
- কেন বাবা?
- আমি চাই তুমি নিয়মিত লেখাপড়া করবে।
- আমি তো নিয়মিতভাবে লেখাপড়া করি।শুধু বিকালের সময়টাতে একটু খেলি।
- আমি চাই তুমি বিকালে ঘুমাবা।আর রাত্রে একটু বেশিই বেশিই পড়বে।তোমার সামনে পরীক্ষা, তুমি নিশ্চয়ই ভুলে যাও নি।
- জ্বী বাবা।কিন্তু বিকালে একটু খেললে ক্ষতি কি?
- মুখে মুখে তর্ক করো না।যাও গিয়ে পড়তে বসো।কাল থেকে আর মাঠে যাবা না।
.
অতঃপর আপন মাথা নিচু করে নিজের ঘরে চলে গেল।ব্যাটটা রেখে হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বসে নিজের টেবিলে।সিরাজুল মিয়া একজন সরকারী চাকুরীজীবী। তিনি আপনের বাবা।আপন তার একমাত্র ছেলে।তিনি চান, আপনকে বড় ডাক্তার বানাবেন।তার সব আশা আপনকেই ঘিরে।তাইতো তিনি চান না,আপন খেলার পিছনে অযথা সময় ব্যয় করুক।
.
আপন টেবিলে পড়ছিলো।এবার সে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবে।স্কুলে ভালো ছাত্র হিসেবে বেশ নাম আছে তার।শিক্ষকদের বিশ্বাস আপন ভালো রেজাল্ট করবে।এটি তাদের আত্মবিশ্বাস।কারন তারা দেখেছে,গত ১০ বছরে বরাবরই ক্লাসে প্রথম হয়ে এসেছে আপন।তাই সে হিসেবে প্রত্যাশা একটু বেশি।
.
এদিকে আপন সবকিছুই করতে চায়। কারন সে জানে,মানুষের জীবন মাত্র একটাই।শুধু লেখাপড়াকে আঁকড়িয়ে ধরলে হবে না।কারন শুধু লেখাপড়াতেই স্বার্থকতা নিহিত নেই।বরং জীবনে সব কিছুই মূল্যায়ন করা দরকার।যেমনঃ খেলাধূলা, আর্ট কিংবা নিজেকেকে যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন।কিন্তু সিরাজুল মিয়া সেটা বুঝতে চান না।তিনি চান আপন শুধু লেখাপড়া নিয়েই ব্যস্ত থাকুক। কারণ তাকে ডাক্তার হতেই হবে।সেজন্য প্রয়োজন ভালো একটা ভার্সিটিতে এডমিশন।ভালো ভার্সিটিতে ভর্তি হতে হলে প্রয়োজন ভালো লেখাপড়া।
.
পরদিন.......
- আপন কোথায় গিয়েছিলেন? (রাগান্বিত অবস্থায় প্রশ্ন করলেন আপনকে।)
- এই তো বাবা মাঠে। (অনেকটা কাঁপতে কাঁপতে উত্তর দিলো আপন।কারন সিরাজুল মিয়া রাগান্বিত হলে যে কোন কিছু করে বসতে পারেন।আর এটা আপন খুব ভালো করেই জানে)
- তোমাকে না কাল বারন করেছি খেলতে যেতে।তারপরও কেন গিয়েছো?
(আপন চুপ থাকে কিছুক্ষণ। কোন কথা মুখ ফুটে বলতে পারে না।মনে মনে আল্লাহর নাম জপতে থাকে।)
- তোমার ব্যাট, বল কই?
অতঃপর ব্যাটটা আপন তার বাবার হাতে ধরিয়ে দিলো।তার হাত কাঁপছে।হয়তো আজ তার কপালে কয়েকটা পিটন আছে।
- বল কই?
- বল আমার নাই।শুধু ব্যাটই আছে।
- কার বল দিয়ে খেলেছো?
- সুমনের বল দিয়ে।আমারটা ফেটে গেছে কয়েকদিন আগে।
.
অতঃপর বাড়ির প্রাচীরে ব্যাটটা কয়েকবার আছাড় দিলো
সাথে সাথে ব্যাটটা কয়েকটা টুকরো হয়ে গেল।আপনের দিকে এগিয়ে গিয়ে কয়েকটা চড় তার গালে বসিয়ে দিলো।ছেলের প্রতি বাবার এমন আচরন দেখে আপনের মা রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে আসলো এবং আপনকে নিয়ে তার ঘরে গেল।আপনের গালে চড়ের দাগ বসে গেছে।আপন কাঁদছে।খুব কাঁদছে।শেষপর্যন্ত আপনের স্বাধীনতা পরাধীনতার শিখলে আবদ্ধ করে রাখলো সিরাজুল মিয়া।এভাবে শুধু সিরাজুল মিয়াই নয়,বরং অনেক পিতামাতা নিজেদের ইচ্ছাকে সন্তানের উপর চাপিয়ে দেন।
.
.
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম (কাশফুল)
____________________________সমাপ্ত

.
গল্পঃ দাড়ি
.
.
.
আকরাম মিয়া একজন সৌদি প্রবাসী ব্যক্তি।গত দুদিন হলো তিনি দেশে এসেছেন।অবশ্য দেশে আসার একটাই কারণ, তিনি বিবাহ করবেন।কারণ তার এখন বিয়ের উপযুক্ত বয়স।তার বাবাও চান তিনি বিবাহ করুক।পৃথিবী আপন বলতে ২ ভাই ও তার বাবাই বর্তমান।মা অনেকদিন আগেই গত হয়েছেন। বিদেশে যাওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ তিনি ভালো উপার্জন করছেন।করবেন নাই বা কেন?
যে ব্যক্তি সবসময় আল্লাহর উপর ভরসা করে,আল্লাহর বিধানগুলো নিয়মিত মানে আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তাকে ফিরিয়ে বা বিমুখ করেন না।
.
আকরামের জন্য মেয়ে দেখা হচ্ছে।তিনিও বাড়ির দু এক মাইল আশেপাশে পরিচিতদের মাধ্যমে খোঁজ লাগিয়েছেন বিবাহে বসবেন বলে।ছেলে হিসাবে কোন অংশেই খারাপ না তিনি।পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করেন,বেশ স্মার্ট দেখতে,সুন্দর দেহের অধিকারী,মুখে হালকা দাড়ি আছে,টাকা পয়সা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
.
বাজারে যাবার প্রাক্কালে একদিন এক নজর একটি মেয়েকে দেখে পছন্দ হয়ে যায় আকরামের।পরবর্তীতে মেয়েটির বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো হয়।প্রথমে মেয়েটি রাজি হলেও,বিরোধ বাধে যখন একে অপরকে দেখে।
মেয়েটির একটি চাওয়া,সে দাড়িওয়ালা ছেলেকে বিয়ে করবে না,ঘর সংসার করবে না।তার কাছে জানতে চাওয়া হয় কেন এটি সে বলছে?
উত্তরে সে বলেছিলো, দাড়িওয়ালা ছেলে তার মোটেই পছন্দ না।তাই সে আকরামকে বিয়ে করতে পারবে না।
.
এদিকে মেয়েটিকে নিয়ে অনেক ভেবেছে আকরাম।মেয়েটি বেশ সুন্দর।তার চেয়ে বেশি সুন্দর তার মুখের হাসিটি।যে করেই হোক মেয়েটিকে তার পেতেই হবে।ও বলাই হয় নি,মেয়েটির নাম সায়মা।সায়মাও অনেক মেধাবী ছাত্রী।এসএসসি ও এইসএসসিতে অনেক ভালো রেজাল্ট করেছে।সেই সুবাধে আজ সে রোকেয়া ভার্সিটির ছাত্রী।
.
দাড়িওয়ালা ছেলে সায়মার পছন্দ না!
একথা শুনেই মনটা খারাপ হয়ে যায় আকরামে।অথচ পুরুষের আসল সৌন্দর্য তার দাড়ি।আকরাম সায়মার বাবার পারমিশন নিয়ে সায়মাকে অনেক বুঝায়।দাড়ি রাখার ব্যাপারে রাসূল (সা) এর হাদীসসমূহ পাঠ করে শোনায়।কিন্তু আল্লাহ যাকে সুমতি দান করবেন না,তাকে আকরাম কিভাবে সঠিক পথে পরিচালিত করবে!
.
কিন্তু নাহ! এর পরেও সায়মা রাজি হয় নি।সায়মার একটাই শর্ত,তাকে বিয়ে করতে হলে আকরামকে দাড়ি সেফ করতে হবে।
দাড়ি সেফ করতে হবে!
কথাটা শুনেই অনেক খারাপ লাগছিলো আকরামের।কিন্তু কি করবে সে? কিবা করার আছে?
অপরদিকে,এ কয়েকদিনে অনেক ভালোবেসে ফেলেছে মেয়েটাকে।
.
হঠাৎ একদিন আকরামের মাথায় একটা বুদ্ধির আবির্ভাব ঘটলো। তাই তো তাহাজ্জুদেরর সময় তার এ কাজের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করলো।অবশেষে দাড়িগুলো মুখ থেকে সেফ করে ফেললো আকরাম।সায়মাও খুশি হয়ে আকরামের সাথে বিয়েতে মত দিলো।
.
বিয়েটা ভালোভাবেই সম্পূর্ন হলো সায়মা আর আকরামের।যদিও আকরাম তার পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করেছে তবুও তার দাড়ি কাটার জন্য সবসময় একটা পাপ তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিলো।তাই তো বাসর ঘরে ঢুকেই সায়মাকে বলতে লাগলো।
- আসসালামু আলাইকুম। (আকরাম)
- ওয়ালাইকুম আসসালাম। (সায়মা)
- আমি জানি নাহ,দাড়ি তোমার এতো অপছন্দ কেন! কিন্তু তুমি মনে হয় জানো না,দাড়ি হচ্ছে পুরুষদের সৌন্দর্যের মূল ভিত্তি।যখন তুমি আমার দাড়িকে শুধু অপছন্দ করলে তখন আমি খুব কষ্ঠ পেয়েছিলাম।কারণ আমি এটা কখনো আশা করি নি।তোমাকে দেখার পর থেকে শুধু তোমাকেই নিয়ে ভেবেছি।তুমি হয়তো ভাবছো,দাড়ি সেফ করেছি বলে কি সারাজীবন সেফ করেই যাবো? তুমি যদি এটা ধারনা করে থাকো তাহলে ভুল তোমার ধারনা।কারণ আমি শুধু দুটি কারনে দাড়ি সেফ করেছি।একটি হচ্ছে,তোমাকে পাবার জন্য এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে,তোমাকে শিক্ষা দেয়ার জন্য।কারণ তুমি বলেছিলে,দাড়িওয়ালা ছেলেকে তুমি কখনোই বিয়ে করবে না।তাই তো সেফ করেছি।এবার আমি আমার দাড়ি রেখে দিবো।এতে যদি তুমি আমার সংসার সাথে সংসার না করো তাহলে আমার কিছুই করার নেই।তবে আমি আশাকরি, তুমি আমাকে ছেড়ে আর যাবে না,আমার সবটা কথা তুমি বুঝতে পেরেছো।
.
আকরামের কথাগুলো শুনে শুধু কেঁদেই যাচ্ছে সায়মা।কারন তার বলার কিছুই নেই।থাকবেই বা কি করে!
তার অহংকারের তো পতন ঘটেছে।
.
.
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম (কাশফুল)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ