āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4432


অনুগল্প: বিজয় তুমি
লেখা: সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম
.
.
ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠলাম। উঠলাম বললে বড় ভুল হবে। উঠানো হয়েছে আমাকে। তানহা আমাকে উঠিয়েছে। তানহা আমার স্ত্রী। বিয়ের পিঁড়িতে বসার বেশিদিন হয় নি আমার। তাইতো বউকে বেশি রাগ দেখাতে পারি না। হাজার হোক বিয়ের প্রথম অবস্থা তো তাই।
.
তানহা নাকি আমাকে নিয়ে সকাল সকাল ঘুরে বেড়াবে। কারণ একটাই,আজকে বিজয় দিবস। মেয়েটা বড্ড ভালোবাসে আমাকে। তাইতো ওর সাথে বেশিক্ষণ রাগ করে থাকতে পারি না আমি। একবার রাগ হলে কিছুক্ষণ পর নিজেই আমার সাথে সুরে সুর মিলাবে।
.
রিকশায় তানহাসহ ঘুরছি। তানহা ওর হাতটা দিয়ে আমার হাতটা জড়িয়ে রেখেছে। এমনিতেই আমি ওকে বেশি সময় দিতে পারি না। সপ্তাহের ৭ দিনের ৬ দিনই অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। উদ্দেশ্য একটাই, শান্তি মোতাবেক জীবনযাপন করা।
.
ঘণ্টাখানেক ঘোরার পর ওর খুব ইচ্ছে হলো সাথীদের বাড়িতে যাবে। সাথী আমার ছোট বোন। সাথীর বিয়ের কাজটা সম্পূর্ণ করেছি আমার বিয়ের আগেই।তাই তানহাকে সাথীর শ্বশুর বাড়ির গেটে রেখে আমি জরুরী কাজ আছে বলে অন্যখানে রওয়ানা দিলাম।
.
এবার রিকশা নয়। হেঁটে হেঁটেই। হাঁটতে আমার বেশ ভালো লাগে। ছোটবেলায় বন্ধুদের সাথে হাঁটতাম কিংবা কলেজের ক্যাম্পাসে বন্ধু- বান্ধুবীদের সাথেও। হাঁটছি তো হাঁটছি। আনমনে হেঁটেই চলেছি। চারিদিকে বিজয়ের উৎসব চলছে। ছোটবড় সকলের হাতে, কপালে বিজয়ের নমুনা আঁকা।
.
একসময়ে আমিও বাবার সাথে এভাবে ঘুরতাম, বিজয়ের নমুনা আঁকতাম। এখন আর এসব হয়ে ওঠে না। অফিসের কাজটাই এর জন্য দায়ী। এখন জীবন আমার বাঁধা। অফিস ও সংসারের যুগলবন্দীতে। মাঝে মাঝে মনে হয় কোথাও গিয়ে শান্তিতে বসবাস করি।
.
হাঁটতে হাঁটতে চোখদুটো গেল দূরের একটি বটগাছের দিকে। একজন ভিক্ষুক বসে বসে ভিক্ষা করছেন। মানুষের কাছে হাত পাতছে। কেউ মন চাইলে দিচ্ছে, আবার কেউ না। এগিয়ে গেলাম তার দিকে। খুব চেনা মনে হলো তাকে। ভালোভাবে দেখে বুঝলাম, ইনি করিম চাচা। মুক্তিযুদ্ধের সময় পা দু'টো হারিয়েছেন। তিনি কিনা আজ বিজয় দিবসে বসে বসে ভিক্ষা করছেন। অথচ তার মতো মানুষের জন্যই আমরা পেয়েছি এই বিজয়।
.
করিম চাচাকে পাঁচ শো টাকার একটা নোট ধরিয়ে দিয়ে তার সাথে বসে কিছুক্ষণ গল্প করলাম। বর্তমান তার ছেলে তাকে দেখে না। বউ নিয়ে পৃথক হয়ে গেছে। অথচ করিম চাচার জন্যই তার চাকরিটা হয়েছে। কারন একটাই,মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। চাচার জন্য খুব খারাপ লাগলো।
.
আবার হাঁটতে শুরু করলাম। কিছুদূর হাঁটার পর বেশ ক্লান্ত হয়ে গেছি। তাইতো পার্কের একটা বেঞ্চের নিচে বসে পড়লাম। চারদিকে কপোত-কপোতিতে পরিপূর্ণ। চলছে তাদের বিজয় দিবসের রঙলীলা। কিছুই বলার নেই। এটিই আমাদের স্বাধীনতা।
.
আমার বন্ধু শাহেদ, মালয়েশিয়া প্রবাসী। হঠাৎ আজকে ফোন দিয়েছে আমাকে। কথা বলছিলাম শাহেদের সাথে। খুব ভালো বন্ধু আমার। মাঝে মাঝেই সে ফোন করে আমাকে। অনেক ধরনের কথাই আমাদের মধ্যে হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে শাহেদ আমার পরামর্শ নেয়।
.
যাইহোক, শাহেদের সাথে কথা বলার শেষপ্রান্তে একটা ছোট ছেলেকে আমার পাশে দেখতে পেলাম। ফোনটা পকেটে রেখে ছেলেটাকে কাছে ডাকলাম। ছয় বা সাত বছর হবে ছেলেটার। ছেলেটা আমার কাছে এসেই বললো, 'স্যার দশটা টাকা দিবেন? সকাল থাইকা কিছুই খাই নাই।'
ছেলেটার কথা শুনে বেশ মায়া হলো আমার। ছেলেটার বাবা-মা নাকি কেউই নাই। দু'জনে দু'টো বিয়ে করে পৃথক। ছোট ছেলেকে দেখার কেউ নাই।
.
ছেলেটা তার বৃদ্ধ নানীর সাথেই থাকে। নানী অসুস্থ, তাই খাবার করতে পারে নাই। তাই তো, পঞ্চাশ টাকার নোট তাকে বের করে দিলাম। ছেলে খুব খুশি হয়ে চলে গেল। মনে মনে ভাবতে লাগলাম, হায়রে স্বাধীনতা! বিজয়ের কি দরকার ছিলো? এখনো সেই বিজয় ছড়াতে পারে নি, একজন মুক্তিযোদ্ধার পাশে, একজন ছোট্ট পথশিশুর পাশে। বিজয়ের নামে চলছে কপোত-কপোতিদের অবৈধ বিজয়।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ