āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4406

ঘুমের মদ্ধে ফোনটা বেজে উঠল।আমার মেজাজটাও একটু গরম হয়ে গেল।আরে ভাই ফোন দিবি ভাল কথা, তাই বলে ঘুমের মদ্ধে। তাও আবার এত সকালে।মাত্র দশটা বাজে।
"
ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি সুপ্তির ফোন। ধরবোনা ধরবোনা করেও ধরলাম।না ধরলে আবার মেয়েটা রাগ করে বসে থাকবে।এমনকি সারাদিন কিচ্ছু খাবে না।
"
ফোন ধরতেই সুপ্তি বললো,
-তুমি একটু আমার হলের সামনে আসতে পারবে।
সুপ্তির কথায় আমার মেজাজটা আরও একটু খারাপ হল।এমনিতেই রাতে ভাল ঘুম হয় নি, এখন একটু ঘুমাব তাও সমস্যা।
আমি সুপ্তিকে বললাম এখন হবে না,বিকেলে দেখা করি।সুপ্তি কিছু না বলেই ফোনটা কেটে দিল।যাক ভালই হলো।এখন একটা ভাল ঘুম দিতে হবে।
"
নাহ।ঘুম আসছে না আর।মনের মদ্ধে কেমন যেন করছে।মেয়েটাকে একটু ভাল করে বুঝিয়ে বললেই হতো।
"
আমি আর সুপ্তি এক সাথেই পড়ি।প্রথম দেখাতেই ওর প্রেমে পড়ে যাই।দেখতে অনেক সুন্দর না হলেও চেহারায় কেমন যেন একটা মায়া আছে।সবসময় চুপ চাপ থাকে।আর যখন কিছু দরকার হয় আমাকেই বলে।
'
ফ্রেশ হয়ে সুপ্তির হলের উদ্দেশ্যে বের হলাম। সুপ্তিকে ফোন দিলাম।একি বন্ধ কেন।যেটা ভাবছিলাম সেটাই হলো।রাগ করে বসে আছে হয়ত।
এবার সুপ্তির রুমমেটের নাম্বারে ফোন দিলাম।আসলে মাঝে মাঝেই এমন হয় তো,তাই এর রুমমেটের নাম্বারটা রেখে দিছি।সুপ্তির ফোন বন্ধ থাকলে ওর নাম্বারেই ফোন দেই।
'
ফোন ধরতেই বললাম,কেমন আছ।
-হুম ভাল।আপনি?
-ভাল।আচ্ছা সুপ্তির ফোনটা বন্ধ পাচ্ছি,ও কি রুমেই আছে।
-হুম, বসে বসে কান্না করছে।কিছু বলছেও না।আপনি ফোন না দিলে আমি নিজেই ফোন দিতাম।কিছু কি হয়েছে?

মেয়েটা এমন কেন।কিছু হলেই কান্না করতে হবে।একে নিয়ে আর পাড়লাম না।

-তুমি সুপ্তিকে একটু ফোন টা দাও!
-আচ্ছা দিচ্ছি।
ও কথা বলবে না বলছে।
-ওকে বলো যে,আমি ওর হলের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।ও না আসা পর্যন্ত এখানেই থাকব।কথাটি বলেই ফোন টা কেটে দিলাম।আমি জানি সুপ্তি আসবে।ওকে আসতেই হবে।
"
কিছুক্ষন পরেই সুপ্তিকে দেখতে পেলাম গেইট দিয়ে বের হতে।এসে একদম আমার সামনে দাঁড়ালো। মুখটা কেমন শুকনো শুকনো লাগছে।আমি সুপ্তিকে বললাম, কোন সমস্যা কোথাও যাবে।সুপ্তি কিছু না বলে একই ভাবে দাঁড়িয়ে রইলো।
মনে হচ্ছে কিছু একটা হইছে।সুপ্তিকে সুবিধার লাগছে না।আবার শরীর খারাপ হয়নি তো।আমি সুপ্তিকে আবারও বললাম,তোমার কি শরীর খারাপ।
সুপ্তি এবার হালকা মাথা নাড়িয়ে বলল,
-হুম,ভাল লাগছে না তাই তোমাকে আসতে বলছিলাম।মাথাটা কেমন ঘুরছে।
"
আমি সুপ্তির কপালে হাত দিয়ে যেন আৎকে উঠলাম।এত গরম কেন।জ্বরে যেন গা পুড়ে যাচ্ছে।আমি সুপ্তিকে বললাম,
-ডাক্তার দেখাইছো।
-না।
আমি আর দেড়ি করলাম না রিক্সা ডেকে সুপ্তিকে নিয়ে ডাক্তারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।কি মেয়েরে বাবা জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে তবুও বলে কিছুই হয়নি।কোন কথাই কারও সাথে শেয়ার করেনা।তাছাড়া ওর বাড়ির কোন লোকের কথাও ওর মুখে শুনি নাই।
"
ডাক্তার দেখিয়ে বের হতেই সুপ্তি আমাকে একটা চেক এগিয়ে দিয়ে বলল,টাকা তুলে ওষুধ গুলা নিয়ে আসতে।আমি সুপ্তির দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম।বলে কি মেয়েটা।আমি থাকতে ওষুধ কিনতে টাকা তুলতে হবে।
আমি সুপ্তিকে নিয়ে রিক্সায় উঠলাম।সুপ্তিকে বললাম,এই শরীর নিয়ে হলে থাকতে সমস্যা হবে তুমি বরং  বাসায় চলে যাও।সেখানে সবাই তোমার যত্ন নেবে।
"
আমার কথাটা শুনে সুপ্তির মুখটা মলিন হয়ে গেল।আমি যখনি ওর বাড়ির কথা জিজ্ঞাস করেছি তখনি সুপ্তির মুখে আমি কালো ছায়া দেখেছি।তবে আজ এর কারন জানার ইচ্ছাটা আমি দমিয়ে রাখতে পারলাম না।আমি সুপ্তির দিকে তাকিয়ে বললাম,আমি কি তোমার পরিবারের সম্পর্কে জানতে পারি না।
সুপ্তি আমার দিকে শান্ত চোখে তাকিয়ে বললো,আমি যখন ইন্টার পাস করি তখন গাড়ি এক্সিডেন্টে বাবা,মা মারা যায়।একটু থেমে সুপ্তি আবার বললো,এরপর চাচা আমাকে বিয়ে দিতে চাইলে আমি পালিয়ে এখানে চলে আসি।বাবা কিছু টাকা রেখে গিয়েছিল আমার নামে।সেটা দিয়েই ভার্সিটিতে ভর্তি হই।প্রতি মাসে কিছু কিছু করে টাকা তুলতে তুলতে এখন শেষ পর্যায়ে এসে থেমে গেছি।
সুপ্তির চোখের পানি আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম।এত কষ্টের মাঝেও কাওকে কিছুই বুঝতে দেয়নি।ছুটিতে সবাই বাড়িতে গেলেও ও যেত না।তখন বুঝতামনা কিন্তু এখন কারনটা পরিষ্কার।
"
আমি সুপ্তির হাত ধরে রিক্সাওয়ালাকে আমার বাসার দিকে যেতে বললাম।এই মেয়েকে একা কোন ভাবেই ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
সুপ্তি আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে।কিছু যেন বলতে চাইছে কিন্তু আমি সেটা শুনলাম না।সুপ্তির হাত শক্ত করে ধরে বললাম ভালবাসি।সুপ্তি এবার আমাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো।
কাঁদলে নাকি মনের কষ্টগুলা চলে যায়।মন হালকা হয়ে যায়।আমি সুপ্তিকে থামালাম না।কাদুক, মন ভরে কাঁদুক।

কিছুক্ষন পর সুপ্তি স্বাভাবিক হয়ে এল।আমার দিকে তাকাতেই বললাম,আর কাদতে দেব না,এটাই শেষ কান্না।
-------------------------------------
(শেষ কান্না)
"
Abdul Ahad(অলস বালক)
"
#12

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ