āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4400

রুমে ঢুকতেই কেমন যেন রুমটা অন্য রকম মনে হল।
সকালে অফিসে যাওয়ার সময় তো রুমটা অগোছালোই ছিল।কিন্তু এখন দেখে মনে হচ্ছে কেও হয়তো খুব যত্ন সহকারেই রুমটা পরিষ্কার করে সব জিনিস গুছিয়ে রেখেছে।
'
কিন্তু বাইরে তো তালা দেওয়া ছিল।তাহলে ঢুকলো কিভাবে।আর কেই বা ঢুকলো।
যেই আসুক,ভালই হইছে।রুমটা দেখতে এখন অনেক সুন্দর লাগছে।
"
ফ্রেশ হয়ে বের হতেই আমার ফোনটা বেজে উঠলো।এই সময় আবার কে!আমি কিছুটা বিরক্তই হলাম।ফোনটা কেটে দিতে যাওয়ার আগেই আমার হাত আটকে গেল।এতো অবনীর ফোন।
'
অগোছালো ছেলে আমার একদম পছন্দ না।
'
ফোনটা ধরতেই অবনী কথাটি বলে উঠলো।কি মেয়েরে বাবা।প্রথমে ভাল মন্দ জিজ্ঞাস করবে তো।তা না!
আমি অবনীর কথায় কিছু বললাম না।ও আবারও বললো,
রান্না করে ফ্রিজে রেখে আসছি।তুমি এখন একটু গরম করে খেয়ে নাও।
তার মানে অবনী এসেছিল আমার রুমে।কিন্তু কিভাবে!আমি বললাম,
-আচ্ছা,দরজা তো বাইরে থেকে লক করা ছিল।তুমি ঢুকলা কিভাবে?
অবনী আমার কথায় একটু জোরেই হেসে উঠলো।বুঝলাম না,এইখানে হাসির কি হলো।মেয়েটা হাসতেও পারে।
'
-বাবার কাছে থেকে চাবি নিয়েছিলাম।
অবনীর কথায় আমি একটু অবাকই হলাম।এই মেয়ে কি যে করে।আমি বললাম,
-বাবাকে কি বলে চাবিটা নিলে?
- সেইটা তোমাকে ভাবতে হবে না।তুমি এখন ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নাও।আর শোনো, তোমার কিছু প্যান্ট আর শার্ট আমার কাছে আছে।কি রকম ময়লা হয়ে গিয়েছিল।তাই নিয়ে আসছি।ধুয়ে ইস্ত্রি করে আমিই দিয়ে আসবো নে।বাই।
দম না নিয়ে কথাগুলি বলে অবনী ফোনটা কেটে দিল।পাগলী মেয়ে একটা।
"
যাক ভালই হলো।কাপড় গুলো আর আমাকে ধুতে হবে না।আর এখন রান্না করারও কোন ঝামেলা নাই।
"
অবনী।বাড়িওয়ালার একমাত্র মেয়ে আর আমার একমাত্র গার্লফ্রেন্ড।তবে মেয়েটা কিভাবে আমার প্রেমে পড়ে গেল এইটা ভাবনার বিষয়।আমি আর এটা নিয়ে ভাবতে চাই না।সেটা না হয় অবনীর বাবাই ভাবুক।চাবিটা তো উনিই দিয়েছেন।আসলে প্রত্যেক ফ্লাটের একটা করে চাবি ওনার কাছে আছে।
"
বাহ,মেয়েটা তো ভালই রান্না করতে পারে।আমার পছন্দের বিরিয়ানি রান্না করেছে।আমি তো এবার ওর রান্নার প্রেমে পড়ে গেলাম।মেয়েটাকে এবার নিজের কাছে আনার ব্যাবস্থা করতে হবে।
'
শরীরটা কেমন যেন ভাল লাগতেছেনা।তাই শুয়ে পরাই ভাল।কাল আবার অফিস আছে।তবে মেয়েটা এত রান্না করে দিয়েছে যে আমার দু তিন দিন রান্না না করলেও চলবে।
"
কখন ঘুমিয়ে গেছি সে খেয়ালই নেই।কলিং বেল বাজতেই ঘুমটা ভেঙে গেল।এত রাতে আবার কে।আমার বিরক্তির মাত্রাটা আরও একটু বেড়েই গেল।
''
দরজা খুলে অবনীকে দেখে আমি একটু অবাকই হলাম।এত রাতে ও এখানে কেন।হাতে আবার এটা কি?
অবনী ওর হাতের ব্যাগটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বললো,এইটা পড়ে দশ মিনিটের মদ্ধে ছাদে এসো।অবনী আর দাড়ালো না।সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল।
কিছুই বুঝলাম না।আমি হাত ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখি বারটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি।
"
ব্যাগটা খুলতেই দেখি একটা কালো রঙের পাঞ্জাবী। কালো আমার পছন্দের রঙ। এইটা অবনী খুব ভাল করেই জানে।
আমি আর দেরি করলাম না।পাঞ্জাবিটা পরে ছাদের দিকে রওনা দিলাম।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি প্রায় বারটা বেজে গেছে।তার মানে পাচ মিনিট লেইট।
"
এতো অন্ধকার কেন।আমি একটু এগিয়ে গেলাম।আর অবনীই বা কোথায়।এসব ভাবতে ভাবতেই ছাদের লাইট জ্বলে উঠলো।
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ
হ্যাপি বার্থ ডে ডিয়ার
আহাদ
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ।
আমি পেছনে তাকাতেই অবনী উপরের কথা গুলো বললো।তার মানে আজ আমার জন্মদিন।ভুলেই গেছিলাম।সারাদিন অফিস করে আর কি কিছু মনে থাকে।তবে মেয়েটা যে মনে রেখেছে এইটাই অনেক।
"
আমি এগিয়ে যেতেই অবনী আমার হাতে একটা চাকু ধরিয়ে দিয়ে কেকটা কাটতে বললো।আমি অবনীর হাতে চাকুটা দিয়ে পেছন থেকে অবনীর হাত ধরে কেকটা কাটলাম।মেয়েটা আমাকে এতো ভালবাসে যে আমার জন্মদিনটাও মনে রেখেছে।
"
অবনীকে আমি একটু কেক খায়িয়ে দিলে ও ও আমাকে খায়িয়ে দিল।আমার হাত থেকে পুরোনো ঘড়িটা খুলে দিয়ে ওর আনা নতুন ঘড়িটা পড়িয়ে দিল।বাহ,দেখতে তো ভালই।
"
কাল যেন তুমি কি স্ট্যটাস দিয়েছিলে।তুমি আমার বারোটা বাজিয়ে দেবে তাই না।
'
এই রে।এই বার আমি শেষ।কি বলবো এখন।কাল বিকেলে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম।
কন্যা,
আমি একদিন হাত ঘড়ি হবো।তখন তোমার বারোটা বাজিয়ে দেব।
আমি কিছু বললাম না।
এখন থেকে আমিই তোমার বারোটা বাজিয়ে দেব কথাটা বলেই অবনী আমাকে জড়িয়ে ধরলো।
"
আমি ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখি বারোটা বেজে পনেরো মিনিট।তার মানে একবার বাজিয়ে দিয়েছে।ভবিষ্যৎ এ যে কি হবে আল্লাহ ই জানে।
"
আমি অবনীর মাথা তুলে আলতো করে কপালে একটা চুমু একে দিলাম আর মনে মনে ভাবতে থাকলাম,থাকবে তো আমাদের এ ভালোবাসা।
----------------------------------
(শুভ জন্মদিন)
"
Abdul Ahad(অলস বালক)
"
#18

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ