āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4548

গল্প: #বিচারণ
লেখা> আবির হাসান নিলয়
...

- নিলয়
- হুমম
- ভালোবাসি।
- ওহ ভালো।
- তুমি বাসো না?
- নাহ
- কেনো?
- এমনি
- তোমার জি এফ আছে তাইনা?
- নাহ
- তাহলে আমাকে ভালোবাসো না কেনো? তোমাকে আমি খুব ভালোবাসি।

কিছু না বলে নীলাভার দিকে তাকিয়ে আছি। ক্যামপাসের কোনো এক কর্নারে বসে আছি। হাতে আছে জ্বলন্ত সিগারেট। আর পিছনে আছে গীটার ঝোলানো। আমি আমার মত করে বসে সিগারেট এর অর্থেক টানতেই আমার ক্লাসে পড়া নীলাভা মেয়েটি এসে কথাগুলো বললোম। কিন্তু আমি মোটেও অবাক হয়নি। কারনটা হল, আমি জানতাম নীলাভা কোনো একদিন আমাকে এসে এই কথাটিই বলবে।

- কি হল চুপ কেনো? (নীলাভা)
- এমনি
- নিলয়
- হু
- ভালোবাসি।
- সিগারেট খাবা?
- কিহহ,,ঐ বান্দর মেয়েরা সিগারেট খাই নাকি?
- তাহলে যাও তো এখান থেকে। ভালো লাগছে না। আর দেখছো যে আমি সব ছেলেদের মত ভদ্র না, সিগারেট খাই, খারাপ কাজ করে বেড়ায় তবুও তুমি এসব কথা বলো কেনো?
- নিলয়?
-....
- আমি তবুও তোমাকে ভালোবাসি। শোনো, ভালোবাসাটা না খারাপ ভালো এসব দেখে হয় না। ভালোবাসার জন্য একটা সুন্দর মনই যথেষ্ট। তুমি যেমনই হওনা কেনো তোমাকে আমি ভালোবাসি আর ভালোবাসবো। তুমি খারাপ, স্মোক করো তো কি হয়েছে? আমাকে একটিবার ভালোবেসে দেখো তোমাকে আমি ভালো করে তুলবোই।

আমি আর কিছু না বলে বসা থেকে উঠে দাড়ালাম। নীলাভার দিকে এবার একটু ভালো করে তাকিয়ে নিলাম। এ কি পাগল নাকি? নাকি ভালোবাসাতেই পাগল হয়ে গেছে।
আমি একটু তাকিয়ে থেকে সোজা হাটা শুরু করলাম। কালো প্যান্টের দুই পকেটে হাতগুজে মাথাটা নিচু করে হাটছি।

ভার্সিটিতে এসে খুব ঝামেলার শেষে থার্ড ইয়ারে ভর্তি হই। অবশ্য যেখানে খুশি ভর্তি হওয়াটা আমার কাছে কোনো ব্যাপারই না। কারন আমার বাপের অনেক টাকা আছে। আর আমি জানতাম এখন এসব পবিত্র শিক্ষাঙ্গনেও টাকার খেলা চলে। তাই সেই যশোর ছেড়ে ঢাকাতে এসে এই ভার্সিটিতে ভর্তি হই।

এখানে ভর্তি হয়েছি মাস সাতেক হল। কিন্তু দুই মাস আগে থেকে খেয়াল করছি নীলাভা নামের মেয়েটি আমাকে রোজ ক্লাসে, ক্যামপাসে দেখে। আমার দিকে তাকিয়ে থাকে এক দৃষ্টিতে। আমি সেটা খেয়াল করতাম। কখনও কখনও তো কথা বলার অনেক চেষ্টাও করেছে কিন্তু বলেনি। তবে আজ কোনো ব্যাপার ছাড়াই হুট করে আমার সামনে এসে ভালোবাসি কথাটা বললো। আমিও জানতাম ঠিক এটাই বলবে।

আমি চাইলে সেটা গ্রহন করে নিতে পারতাম। কিন্তু সেটা কখনই সম্ভব নয়। নাহ আমার জিএফ আছে না আছে বউ। কিন্তু এই ভালোবাসা নামক বস্তুটাকে আমি ঠিক বিশ্বাস করে উঠতে পারি না। খুব খুব অসহ্য লাগে ভালোবাসা নামক জিনিষটাকে। এর পিছনে অবশ্যই একটা কারন আছে।
এসব ভাবতে ভাবতে বাসায় আসলাম। বাড়িতে আমি একাই থাকি। এখানে কেউ থাকে না।
.
(পরেরদিন)
.
- নিলয়
- হুমম
- তুমি আজ থেকে সিগারেট খাবে না।
- কে তুমি?
- নীলাভা,,
- তো তোমার কথা আমি কেনো শুনবো? আর আমার সামনে আসবে না তো। আসলেও ভালোবাসি ভালোবেসো এসব বলবা না। এটা যাষ্ট বিরক্তিকর।
- নিলয়..?
- হু

সেইখানে আজো বসে গীটার বাজাচ্ছি আর মুখে সিগারেট এর ধোয়া উড়াচ্ছি। আনমনে বসে আছি। তখনি কোথা থেকে নীলাভা এসে আবার সেই কথাটি বললো।
আমি সেসব শুনে উঠে চলে আসতেই ডাক দিয়ে বললো....

- নিলয়, তুমি আমার সব আমি সেটা বলবো না। আমার একটা পরিবার আছে। আর সেটাতে আছে আমার ফ্যামিলি, মা বাবা ভাই। আর আরেকটি পরিবার হল তুমি। আমার একটা পৃথিবী হল আমার পরিবার আরেকটা হলে তুমি। আমার নিঃশ্বাস আমার পরিবার আর আমার বিশ্বাস হলে তুমি।
- তারপর..?
- আমি আমার আমিকে তোমাতেই খুজে পাই।
- হুম
- আমি তোমার রুপে নিজেকে সাজাতে চাই। আমি তোমার হাত ধরে আমার অচেনা পথটুকু হাটতে চাই। আমি আমি তোমার চোখের আইনাতে নিজেকে দেখতে চাই।
- ভালোতো।
- আমি তোমার ছায়া হতে চাই। আমি তোমার মুখের হাসির কারন হতে চাই। আমি তোমাতেই মিশে নিজের অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে চাই। ভালোবাসতে চাই তোমাকে।

আমি পুরো হা হয়ে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে আছি। কি বলে এসব সে? একটা মেয়ে এসব কথা একটা ছেলেকে তখনই বলে যখন মেয়েটির মনে ছেলেটির জন্য অনেক ভালোবাসা জন্ম নিতে থাকে। তবে কি সে আমাকে সত্যি ভালোবাসে? কিন্তু আমি যে এই ভালোবাসাতে বিশ্বাসই নই। কতবার চেষ্টা করেছি ভালোবাসা নামক অদ্ভুত জিনিষটার উপর মনের সবটুকু অনুভুতি বিরাজ করাব। কিন্তু সেটা করতে গেলেই মনে পড়ে পুরোনো কিছু স্মৃতি। যা আমার মনকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে তলে। পরাস্ত করে তোলে আমার মনের সব অনুভুতিগুলো। ছন্নছাড়া মানব হয়ে যায় আমি।

আমি নীলাভার দিকা না তাকিয়ে এমনকি আর কিছু না বলেই সেখান থেকে চলে আসি। আমি চাইনা কেউ আমাকে ভালোবাসুক। আমি চাইনা কেউ আমার প্রতি তার বিচরণ করুক। আমি যে সবার মত করে ভালোবাসতে পারি না। আমার মাঝে ভালোবাসা নেই।
.
(পরেরদিন)
.
গোল্ডলিফ সিগারেটটা জ্বালাতেই কেউ একজন আমার ঠোট থেকে সেটা কেড়ে ছুড়ে ফেলে দিল। আমি অবাক হয়ে সামনে তাকাতেই দেখি নীলাভা দাড়িয়ে। কিছু বলতে যাবো তখনি সে বললো...

- এই ছেলে তোমাকে না সিগারেট খেতে মানা করেছি? তবুও খাচ্ছো কেনো?
- এমনি।
- তোমাকে না ইচ্ছে করছে থাপড়াতে।
- যাও তো এখান থেকে।
- ঐ নিলয় নিজেকে কি মনে করো? একটা মেয়ে রোজ তোমাকে এসে ভালোবাসি বলছে দেখে খুব মজা পাও তাইনা। একটা মেয়ে রোজ তোমাকে এসে ভালোবাসি বলে তাকে বেহায়া ভাবো তাই না?
শোনো, ভালোবাসতে কোনো কারন লাগে না। ভালো লাগাতে কারন থাকে। তোমার চুপচাপ স্বভাব। নিরাবতার বিচরণ আমাকে আকৃষ্ট করে। তোমার মুচকি হাসি আমাকে আমার মনের ছন্দ এনে দেয়। তোমার চশমা, তোমার নিশ্বপাপ চাহনি আমার মাঝে ভালোবাসার পতন তুলে দেয়। আমি তোমাকে সত্যিই ভালোবাসি নিলয়।

কিছুক্ষণ চুপ থেকে তাকিয়ে আছি নীলাভার দিকে। আমিও এ কদিনে তার প্রতি কেমন দূর্বল হয়ে পড়েছি। কিন্তু যখনই ভালোবাসাময় সাগরে ডুব দিতে যাবো তখনি মনে পড়ে কিছু ফেলে আসা কালো রাতের কথা যা আমাকে হিংস্র করে দেয়। আমি তখনি নিজেকা সামলাতে পারি না। আমি ওর দিকে তাকাতেই সে বললো..

- নিলয় তোমার জন্য আমি সব করতে পারবো।
- হিহিহি,,,
- হাসছো কেনো?
- এমনি
- তোমার জন্য আমি মরতেও পারবো।
- হাহাহাহা,,
- এই আমি হাসির কিছু বললাম?
- শোনো, কেউ কখনও কারো জন্য মরে না বুঝলে? এটা শুধুই ফালতু একটা ডায়ালগ। যা মিরাক্কেল এ মজার জোকস বলার মত। শোনার পর হাসি ছাড়া কিছুই করার থাকে না। হিহিহিহি..
- সত্যিই সব করতে পারি আমি।
- তাই নাকি?
- হুমম...
- রুমডেট করবা আমার সাথে?
- মানে?
- মানে আমার সাথে এক রাত কাটাতে পারবা আমার রুমে। সেদিন তোমাকে যা ইচ্ছে করবো যাকে বলে রুমডেট। তারপর ভেবে দেখবো তোমাকে ভালোবাসা যায় কিনা।
- ঠাসসসসস.....ছিহ নিলয় তুমি এত খারাপ? এই তোমার উদ্দেশ্য? আমি ভাবতেই পারছি না তুমিও সবার মত।।ছিহ
- হিহিহিহি....

নীলাভা আর কোনো কথা বললো না। আমার দিকে তাকাল। আমি নিচ থেকে ফেলে দেয়া সিগারেটটা কুড়িয়ে আবার জ্বালালাম। সে আর না দাড়িয়ে থেকে সোজা চলে গেল।

মনে মনে ভাবলাম, হায়রে ভালোবাসা বিশ্বাসের একটা পরিক্ষা নিতেই সেটা শেষ করে চলে গেল। আবার একটু আগেই ডায়ালগ দিচ্ছিল আমার জন্য সব করতে পারবে। হাহাহাহা
..

এভাবেই কেটে যায় দুই সপ্তাহ। আমি রোজ ক্লাসে আসি। কিন্তু নীলাভাকে আর দেখি না। হয়ত সে আর আসছে না ক্লাসে। কেমন যেন ফাকা ফাকা লাগছে। নীলাভাকে এ কদিনে না দেখতে পেয়ে খুব খারাপ লাগছে। তবে কি আমি তাহলে ওর প্রেমে পড়তে যাচ্ছি? তবে কি আমি ওর ভালোবাসার আচ্ছাদনে নিজের বিচরণ করতে যাচ্ছি। কিন্তু সে কোথায়?

১৭ দিন পর সন্ধ্যার সময় বাড়ির দরজা খুলে বের হতেই আমি তো অবাক হয়ে যায়। আমার দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে নীলাভা। সাদা রঙের ড্রেস পরা। দেখতে বেশ লাগছে। কিন্তু সে আমার এখানে কি করছে?

- চলো.(নীলাভা)
- চলো মানে? কোথায়?
- ভুলে গেছো?
- কি,
- এত ভুলো মন? মনে করে দেখো, তুমি না বলেছিলে তোমাকে ভালোবাসতে হলে আগে রুমডেট করতে হবে। তাই চলে আসলাম। এতদিন ক্লাসে যায়নি এ বিষয়টা নিয়ে ভাবছিলাম। এখন চলো যা ইচ্ছে করতে পারো আমাকে।
- ঠাসসসস,,

আমি জোরে এক চড় দিলাম। কি বলে মেয়েটি? আমি তো এমনি আমার প্রতি বিশ্বাস আছে কিনা সেটা জানার জন্য বলেছিলাম কিন্তু এ মেয়ে তো দেখি সোজা চলে আসলো।

- তারপর তো আমাকে ভালোবাসবে তাইনা? (নীলাভা)
- ভেতরে আসো
নীলাভা আসতেই তাকে বললাম..
- তোমাকে আজ একটা গল্প বলি?
- গল্প? আচ্ছা বলো..

- আমার যখন ১৪ বছর বয়স তখন আমার পরিবারের সবই ছিলো। সুখ ছিল, টাকা ছিল। কিন্তু কোনো এক ঝটকায় তা সব শেষ হয়ে যায়।

একদিন রাতের বেলা আব্বু কোন এক মহিলাকে বিয়ে করে আনে। নিজের আম্মু বেঁচে থাকা সত্বেও তার সামনে তিনি আরো একটি বিয়ে করে আনে। তারপর শুরু হয় ঝগড়া। আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছিলাম। আব্বু সেই মহিলাটিকে নিয়ে চলে যায় অন্য জায়গায়। আম্মু আমাকে নিয়ে থাকে সেইখানে। আম্মু কদিন পর একটি চাকরি পাই ব্যাংকে। খুব ভালোই দিনগুলো চলতে থাকে। আব্বুকে খুব মিস করতাম। মাঝে মাঝে আব্বু কল দিয়ে আমার সাথে কথা বলতো। কিন্তু ওনার প্রতি ঘেন্নটা রয়েই যাই।

মাস শেষে চাওয়ার আগে তিনি টাকা দিয়ে দিত। একসময় বুঝতে পারলাম আমার আর আব্বুর সম্পর্কটা টাকা দেয়ার মাঝে সীমাবদ্ধ। এভাবেউ কেটে যায় তিন বছর। একদিন বাসায় এসে দেখি আম্মু একটি লোকের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে।

- আম্মু এই লোকটা কে?
- ওহ ইনি,,ইনি তোমার আব্বু।
- মানে?
- মানে তোমার নতুন আব্বু। আমার কলিগ ছিল। কতদিন আর বিশ্বামঘাতকের স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকবো বলো বাবা?
- এই ভালোবাসা তোমাদের?
- তোমার আব্বুও তো আমার ভালোবাসাটা নিয়ে খেলেছে।
- আমরা তো ওনার সাথে কোনো সম্পর্ক রাখিনি। তবুও তুমি আব্বুর মত এটা করলে?
- হুমম করলাম, সবাই পারে আমি কেনো পারবো না?
- ছিহ আম্মু, তোমরা তোমাদের পারাটা দেখলে আর একবারো ভাবলে না আমার কথা? আমার তো দোষ নেই। তোমাদের বিশ্বাসের খেলাতে আমি নিজেকে বারবার বলি দিচ্ছি।
- বেশি বকো না ত। আজ থেকে এটা তোমার আব্বু আর ঐ যে ওটা তোমার বোন (আমার বয়সি লোকটার একটি মেয়েকে আম্মু দেখিয়ে বললো।

আর কিছু না বলে চুপচাপ সেখান থেকে চলে আসি নিজের রুমে। খুব চিৎকার করে কাদতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু কাদিনি। ছেলেদের যে কাঁদতে নেই।

একদিন রাতের বেলা রুমে আসতেই দেখি আমার সৎ বোন আমার রুমে শুয়ে আছে। কিছু বলতে যাবো তখনি সে চিৎকার করে উঠে বলতে লাগল..

- আব্বু আমাকে বাঁচাও। এই কুত্তাটা আমাকে জোর করে ধরে এনে...

আমি খালি অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। কি হচ্ছে বোঝার আগেই..
- ঠাসসসস,,ঠাসসসসস
ছি নিলয় তুই তোর বোনকে এভাবে ছিহ।।
- আম্মু বিশ্বাস করো কিছু করিনি।
- চুপপ বেয়াদপ ছেলে। ও তোর নিজের বোন না বলে ওর সাথে তুই...ছিহ ভাবতেই পারছি না। বের হয়ে যা বাড়ি থেকে। আর কোনোদিন যেন তোকে না দেখি।
...

সেদিন কাঁদতে কাঁদতে চলে আসি। আমার নামে আব্বু টাকা রাখছিল ব্যাংকে তাই সেটা তুলে সোজা ঢাকাতেই চলে আসি। আব্বুও ঢাকাতেই থাকে। কিন্তু দেখা করিনি কোনোদিন। তারপর থেকেই আমি এমন। ভালোবাসার উপর বিশ্বাস চলে গেছে। কিন্তু বিশ্বাস করো তোমার এ কদিনে ক্লাসে না আসাতে খুব মিস করেছি তোমাকে। আমি তো এমনি রুমডেট এর কথা বলেছিলাম। আমি সেরকম ছেলে না বিশ্বাস করো প্লীজ।

কথাগুলো শেষ করে নীলাভার দিকে তাকালাম। সে আমার দিকে তাকিয়ে কাদছে। আমি ওর কাছে যেয়ে চোখের পানিটা মুছতেই সে বললো..

- আমিও জানতাম তুমি এমন না। সেদিন তোমার ডায়েরি তোমার অনুপস্থিতিতে পড়ে নিয়েছিলাম। আর সেখানে খালি আমার ব্যাপারেই অনেক কিছু লেখা ছিল।  আর আমি জানি তুমিও আমাকে ভালোবাসো। কথা দিচ্ছি তোমার বিশ্বাস আমি সারাজীবন রাখবো। একবার ভালোবাসি বলো।

নীলাভাকে নিয়ে বাইরে বের হলাম। ব্যস্ত ঢাকা শহরে রাতের বেলা অনেক ফাকা থাকে। মানুষ তার বাসাতে কান্তিময় ঘুমে কাতর হচ্ছে। ল্যামপোষ্ট এর আলোতে চারিদিক ছেয়ে গেছে। নীলাভাকে তার বাসায় পৌছে দিচ্ছি। ও আমার হাতটি শক্ত করে ধরে আছে। আমি কাছে টেনে ওর মাথাটি আমার কাধে রাখলাম।
ওর চুলের মিষ্টি গন্ধ আমার নাকে এসে লাগছে। কেমন একটা মোহনীতায় হারাতে বসছি। একটু পর ওর বাড়ির সামনে আসতেই কানে কানে বললাম...

"ভালোবাসা হয়না কখনও পুরোনো। ভালোবাসা হয়না কখনও মলিন।
ভালোবাসা বেচে থাকে হৃদয়ের মাঝে। বিরাজ করে দুজন মানবীর অন্তরস্থে।
সেই ভালোবাসাটাকে আগলে রেখে আজ তোমাকে বলছি ভালোবাসি হে মোর প্রিয়
তোমার মাঝে করতে দাও আমার বিচরণ হে মোর প্রিয়"

নীলাভা আমার দিকে তাকাল অবাক হয়ে। কিছু বলতে যাবার আগেই আমার বা গালে ছোট্ট একটি ভালোবাসার চিন্হ একে দিয়ে দৌড়ে গেটে দিয়ে বাড়িটার মধ্যে ডুকে গেল। আমি আর দাড়িয়ে না থেকে হাটা শুরু করলাম। স্পষ্ট বুঝতে পারছি নীলাভা আবার গেটের কাছে এসে আমাকে দেখছে। দেখুক সে আমি না হয় কাল থেকে সামনে থেকেই দেখবো।
(১০৬)
-------(সমাপ্ত)-------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ