আপুরা বিশেষ করে পড়বেন.....
.
ঘটনা এক:
ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার সময় আব্দুল্লাহপুর বাস স্টান্ডে বসে আছি। একটা মেয়ে আর একটা ছেলে আসলো। মেয়েটা জিন্সটপ আর একটা গেঞ্জি পরেছে। মনে হয় বাথরুমে যাবে। আমি মেয়েটাকে দেখার সাথে সাথে চোখ নিচু করে নিলাম। অন্যান্য ছেলেরা দেখতেই আছে।
.
ঘটনা দুই:
কোচিং থেকে অটোতে করে বাড়ি যাচ্ছি। মাঝপথে একটা রিকশা আমাদের অতিক্রম করে বিপরীত দিকে চলে গেল। দু'জন মহিলা রিকশায় ছিলো। রিকশা চলে যাবার পর অটোর ড্রাইভার নিজে নিজে বলতে লাগলো, 'লুইচ্চা, এদের জন্য রাস্তাঘাটে ভালো করে চলাও যায় না। তাকিয়ে থাকলে দোষ তখন আমাদেরই।'
কথাটা শুনে বুঝলাম রিকশার একটা মেয়েকে লক্ষ করে কথাটা ছুঁড়েছেন। মেয়েটা গলায় চিকন একটা ওড়না পেঁচিয়েছেন। বুকটা পুরোটা খোলা। সবকিছু স্পষ্ট টের পাওয়া যাচ্ছিলো।
.
ঘটনা তিন:
মাদরাসায় ছিলাম, হঠাৎ খবর এলো কে যেন মারা গেছে। ঘটনা ঠিক এমন, মেয়েটা তার স্বামীর বাইকের পিছনে বসে ছিলো। ওড়না বাইকে লেগে গলা পেঁচিয়ে যায়। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে পরপাররর টিকিট কাটতে বাধ্য হয় মেয়েটি। বস্তুতপক্ষে মেয়েটা গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মডেল করে স্বামীর পিছনে বসেছিলো। এক ব্যক্তি তার ওড়না বাইকের চাকায় পেঁচিয়ে যাবার জন্য অন্য বাইক নিয়ে দ্রুত ছুটে এসেছিলো। কিন্তু তার নাগাল পাওয়ার আগেই যা হবার তাই হয়েছে।
.
বিশ্লেষণ:
উপরোক্ত ঘটনার মতন ঘটনা প্রতিদিন অহরহ ঘটছে। মিথ্যা মনে হলে চারদিকে ভালোভাবে তাকান।
অপসংস্কৃতির জালে আবদ্ধ আমাদের সোনার বাংলাদেশ। বর্তমানে যে যত শর্ট করতে পারে ততই ভালো। ডিজিটালের ছোঁয়া ছুঁইয়ে দিয়েছে আমাদের সমাজকে। যার ফলে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ হচ্ছে, দিনদিন বেড়েই চলছে। পুরুষজাতিকে সবটা দোষ দিলে কেমনে চলবে বোন?
বর্তমান পোশাকের কথা বলতে গেলে এমন পোশাক, যা না পড়লেই বেটার।
নিজের শরীরকে আকর্ষণীয় করে তুলে পথঘাটে হাঁটা কিন্তু বাঙালী কালচারের মধ্যে পড়ে না। আমি একটা কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি,
'কোন মেয়ে যদি নগ্ন হয়ে রাস্তায় চলাচল করে তাহলে তার প্রতি মানুষ বা পুরুষজাতি যতটা না আকর্ষিত হবে, তার থেকে ছোট ছোট পোশাক পড়ে নিজেকে আকর্ষণীয় করলে পুরুষেরা বেশি আকর্ষিত হবে।'
উপরের ঘটনাগুলো আমার চোখের সামনে ঘটা, যদিও ঘর থেকে খুব বেশি বের হইনা তবুও মাঝে মাঝে এসব দেখলে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে যায়।
কিছু কিছু মেয়েদের প্রাচ্যের সংস্কৃতির ছোঁয়ায় সমাজের অধিকাংশ পুরুষ দিশেহারা। যার ফলে নিজেকে সংবরণ করতে না পেরে শিশুকেও নিজের খাদ্য করাতে দ্বিধাবোধ করে না।
কুরআনের হাফেজা কিংবা মাদরাসার শিক্ষিকাও ছাড় পায় না। অথচ যখন আমরা ছোট ছিলাম, যখন সমাজের চোখের মণি বোনগুলো শুধুমাত্র সালোয়ার কামিজ ও তার সাথে মাথায় ওড়না দিয়ে যাতায়াত করতো তখন কিন্তু এত ধর্ষণ ছিলো না।
ইসলাম মেয়েদেরকে যথার্থ সম্মান দিয়েছে। মেয়েদের সবকাছেরই হুকুম দিয়েছে তবে পর্দার সাথে। আপনি পর্দা করে চলুন দেখবেন আপনার প্রতি অবিচার হবে না। ইসলাম আপনাকে আপনার সম্মানের দিক থেকেই কিন্তু পর্দা করতে বলেছে।
আপনি যদি "উল্টা বুঝিলো রাম" উক্তিটির মতন আচরণ করেন তাহলে কিন্তু ব্যর্থতা আপনারই।
তবুও যদি পর্দাও করতে না পারেন তবে ছোট ছোট পোশাক না পরিধান করে সামাজিক পোশাক পরিধান করুন, মাথায় ওড়না দিয়ে নিজেকে আবৃত করুন।
দেখবেন এত অনাচার হবে না।
রাস্তাঘাটে এত অবিচার,অনাচার দেখলে সত্যি বড়ই কষ্ট হয়। মাঝে মাঝে দীর্ঘশ্বাস ফেলে খুব বলতে ইচ্ছে করে, 'কোথায় আছি আমি/আমরা।'
সবশেষে কিন্তু আপুরা দোষটা পুরুষজাতিকেই দিবেন।
.
কবে পাবো সুখের দেখা?
দেখবো না এত ধৃষ্টতা!
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4438
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧝:ā§Šā§Ŧ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ