āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4427

আম্মা................জা............ন,
.
আম্মাজান কইরা জোরে জোরে চিৎকার দিতাছি। কিন্তু আমার আম্মাজানের কোন সাড়াশব্দ নাই। এদিকে ঠান্ডায় যায় যায় অবস্থা। চারদিন পর গোসলে আইছি। আসার সময় শার্ট আর গেঞ্জি আনতে ভুলে গেছি।
.
আম্মাজান, ও আম্মাজান।
গলার ভয়েস বাড়িয়ে দিলাম। সাড়া শরীর ঠান্ডায় কাঁপছে। হায়রে ক্যান যে গোসলে ঢুকলাম! সাতদিন মিল হলেই ভালো হতো। কিছুক্ষণ পর আমার আম্মাজান বাথরুমের সামনে আইসা কইলো,
  -  এমন কইরা চিক্কুর দিতাছো ক্যান? গোসলখানায় কি পাগলা কুত্তায় কামড়াইছে?
  -  আম্মাজান গো, ঠান্ডায় মইরা যাইতাছি। শার্ট আর গেঞ্জিটা একটু আইনা দ্যাও।
  -  পারমু না। তরকারি চুলায় বসাইছি।
.
এই কথা কইয়া রান্নাঘরের দিকে গেল। যাবার সময় আমার ছোট বোনরে শার্ট আর গেঞ্জিটা দিতে বললো। আমি হুহু করে কাঁপছি আর মিনমিন করে শপথ করছি,
'আমি শপথ করিতেছি যে, নিজের মানসম্মান রক্ষার্থে আগামী ৭দিন নো গোসল, নো কষ্ট, নো কাঁপাকাঁপি।'
.।
শপথ শেষ না হতেই আমার ছোট বোনের আগমন।
'দাদা, তোর শার্ট আর গেঞ্জি নে।'
আমি রাগতঃস্বরে বললাম, 'ওই হারামী এত দেরি ক্যান?'
'খুঁজতেছিলাম।'
আমার বুকটা ধরাৎ করে উঠলো, 'কি খুঁজতেছিলি?'
'আরে টাকা খুঁজতেছিলাম। কিন্তু একটা কানাকড়িও পেলাম না। টাকাগুলান কই রাখছো দাদা?'
.
হঠাৎ মনে পড়ে গেল টাকাগুলো কোথায় রেখেছি। নিজেকে জয়ী মনে করে বললাম, 'না না, আমার কাছে কোন টাকা নাই।'
মুখখানা ভ্যাংচানো অবস্থায় বললো, 'যাও তোমার গেঞ্জিও পাবা না, শার্টও পাবা না।'
.
এদিকে ঠান্ডায় যায় যায় অবস্থা। ঠান্ডার পাশাপাশি লু হওয়া। বাধ্য হয়ে মিনতি করলাম, 'বইন আমার, দ্যাখ আমি আর কিছুক্ষণ হইলে মইরা যামু। দে বইন গেঞ্জি আর শার্টটা দে।'
এদিকে সায়মা কোচিংয়ে যাবার সময় হয়ে আসছে। আজ যে করেই হোক, দেখা করে প্রেমপত্রটা দিতেই হবে। কিন্তু দাজ্জালের হাতে পইড়া পুরাই ব্যাকা হয়ে যাচ্ছি।
.
'শার্ট আর গেঞ্জি দিমু, তয় পঞ্চাশ টাকা দেওন লাগবো। শর্তে রাজি থাকলে এক চাপো, না থাকলো দুই চাপো। দুই চাপলে আমি অহনি চইলা গেলাম।' এ কথা বলে মিটমিটিয়ে হাসতে লাগলো।
বাধ্য হয়ে রাজি হয়ে গেলাম। শার্ট ও গেঞ্জিটা গায়ে জড়াতে পেরে বেশ ভালো লাগছে। তাড়াতাড়ি বেড রুমে চলে আসলাম।
.
বেডরুমে চিঠিটা খুঁজতে লাগলাম। নাহ! কোথাও নেই। সায়মাকে লেখা চিঠিটা তো বালিশের তলেই রেখেছিলাম। হঠাৎ কোথায় হাওয়া গেল। মেজাজটাই বিগড়ে গেল। হঠাৎ দরজায় দেখি আমার আদরের ছোট বোন চিঠি দিয়ে মুখে বাতাস করছে।
.
'ওই হারামী, চিঠিটা তোর কাছে গেল কেমনে?'
একটু সামনে এসে বললো, 'টাকা খোঁজার সময় পাইছি। টাকা না পেয়ে টাকার চেয়ে মূল্যবান কিছু পাইছি।'
'এই দিয়ে দে বললাম। না দিলে কিন্তু ভালো হইবো না'
'আরে ভাইয়া রাগ করো ক্যান? ৫০+৫০=১০০ টাকা দিলেই তোমার চিঠি তোমাকেই দিবো।'
.
গোসলখানার সামনে ৫০টাকা চাইছিলো। আর এখন ডাবল হলো কেমনে? মনে মনে ভেবে বললাম, '৫০টাকা ডাবল হলো কেমনে?'
হিহি করে হেসে বললো, 'এটা ফাঁদ ভাইয়া, গেঞ্জি শার্ট দেয়ার জন্য ৫০, আর চিঠির জন্য ৫০। হিসাব পুরাই মিলে গেল।'
'বইন, আমার কাছে ওত টাকা নাই। আজ ৫০টাকাই রাখ।'
.
আমার সর্বশেষ বাক্য শুনে ঘর থেকে বের হবার উপক্রম হলো। আমি একটু এগিয়ে বললাম, 'এই ছুটকি, কই যাস?'
মুখখানা ব্যাকা করে বললো, 'আম্মাজানরে কইতে।'
'এই নাহ, ধর তোরে একশ টাকাই দিতাছি। তবুও কইস না।'
.
এই কথা বলে আম্মাজানের ব্যাংক ফুটা করে বের করা দু'শ টাকা থেকে অর্ধেক ছুটকিরে দিলাম। টাকাটা হাতে নিয়ে চিঠিটা আমার কাছে দিয়ে বললো, 'দাদা, মাইয়াটা কিন্তু জোস। তুমি চালাই যাও, আমি তোমার পিছনে আছি।'
.
কথাগুলো বলে নাচতে নাচতে ঘর থেকে চলে গেল। আমি আবুল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। আর ভাবলাম, 'হ্যাঁ, তুমি তো বাঁশ দেয়ার জন্য পিছনেই থাকবা।'
চোরের উপর ভালোই বাটপারি জানে ছুটকি।
.
#রম্যগল্পঃবইন_বিভ্রাট
#সাজ্জাদ_আলম_বিন_সাইফুল_ইসলাম।
উৎসর্গঃ Raz Arnon দা <3।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ