āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4414

এক..
তুমি আবার আসছো এই সময়।কথাটি বলেই সুপ্তি মুখে রাগি ভাবটা আনার চেষ্টা করলো।

আমি সুপ্তির কথায় কিছু বললাম না।তবে মনে হলো আমি আসাতে সুপ্তি রাগ করে নাই বরং অনেক খুশিই হইছে।
"
সুপ্তি আবারও বললো,
- বাবা দেখে ফেললে কি হবে সেটা তুমি জানো।
আমি আমতা আমতা করে বললাম,
-আসলে চাদর টা দিতে আসছিলাম।ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখি সকাল ৮:১৫।

সুপ্তি এবার আমার হাত টা ধরে বললো,
চলো ওইদিকে চলো।আমি কিছু না বলে সুপ্তির সাথে হাটতে লাগলাম।

সুপ্তি আমার বন্ধুর মামাতো বোন।সেই সুবাদে সুপ্তির সাথে আমার পরিচয়।

দুই...
এই আহাদ সাহেব।
"
কোন এক মেয়েলি ডাকে আমি দাড়িয়ে পড়লাম। আশেপাশে ভালভাবে লক্ষ করলাম কিন্তু কেও নেই।মনে হলো মনের ভুল।হয়তো ভুল শুনছি।
'
অনেক শীত পড়েছে তার উপর শুধু একটা শার্ট গায়ে দিয়ে বের হয়েছিলাম।শীতে একদম কাপাকাপি অবস্থা। তাই আর দেড়ি না করে যখনি হাটার জন্যে পা বাড়াবো তখনি আবার ও আহাদ সাহেব বলে কেও ডাক দিলো।

আমি এবার খুব ভালোভাবে আশেপাশে লক্ষ করলাম কিন্তু কাউকেই দেখতে পেলাম না।এই শীতে কেই বা বাইরে বের হবে।

এসব ভাবতে ভাবতে যখনি পা বাড়াবো তখনি কেও যেন বললো উপরের দিকে তাকান।

তিন....
সুপ্তির সাথে হেটে প্রায় ওদের বাড়ি থেকে অনেক দূর চলে এসেছি।সুপ্তি এখনও আমার হাত ধরেই আছে।আমি শুধু ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি।

কেমন যেন ভয়ংকর সুন্দর ও।হাসলে গালে টোল পড়ে। যখন চুল গুলো মুখের সামনে থেকে সড়িয়ে দেয় তখন আরও বেশী সুন্দর লাগে।
"
এইভাবে তাকিয়ে কি দেখ।
'
সুপ্তির কথায় একটু লজ্জাই পেলাম।
মেয়েটা কখন দারিয়ে গেছে বুঝতেই পারিনি।আমি কোন মতে বললাম কোই কিছু না তো।

সুপ্তি একটু মুচকি হাসলো।আমি কিছু না বলে আমার শরীর থেকে চাদর টা নিয়ে সুপ্তির দিকে বাড়িয়ে দিলাম।

সুপ্তি চাদরটা না নিয়ে মুখে একটু রাগ ভাব নিয়ে বললো  চাদরটা নিলে তো তোমার শীত লাগবে।তুমি আজও শীতের কাপড় না পড়ে শুধু চাদর পড়ে এসেছো।

চার..
আমি উপরে তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে বেলকুনিতে দাড়িয়ে আমার দিকে হাত নাড়ছে।

আমি কিছুটা অবাক হলাম।মেয়েটার চেহারাও ভালভাবে দেখতে পারছি না।আমাকে দাড়াতে বলে মেয়েটা ভেতরে চলে গেলো।
"
আমি সুপ্তিকে দেখে কিছুটা অবাক হলাম।আমি যখন বাসাটার নিচে দাড়ালাম তার কিছুক্ষন পর ই গেইট দিয়ে সুপ্তি বেড়িয়ে এলো। তার মানে এইটাই সুপ্তিদের বাসা।

এর আগে সুপ্তির সাথে দেখা হলেও আমি তাকে এড়িয়ে চলতাম।কেননা সুপ্তিই আমার প্রথম ক্রাস ছিলো।তার উপর বন্ধুর মামাতো বোন।এর জন্যে বন্ধুত্ব হারাতে চাই না আমি।

সুপ্তিও অনেক বার বুঝাতে চেয়েছে সে আমাকে ভালবাসে।কিন্তু আমি বুঝতে চাই নি।
"
সুপ্তি আমার একদম সামনে এসে  মুখে কপট রাগ দেখিয়ে বলল সেই কখন থেকে ডাকতেছি,আর আপনি অন্য দিকে তাকিয়ে আছেন।

আমি কিছু বললাম না।

সুপ্তি আবারও বলল তো কেমন আছেন?
আমি একটু হাসার চেষ্টা করলাম।এইতো ভাল।তুমি?

সুপ্তি উত্তর না দিয়ে বলল একি আপনি তো শীতে কাপতেছেন।রাগী গলায় বললো এই শীতে শুধু একটা মাত্র শার্ট পড়ে বের হয় কেউ।শীতের কাপড় পড়েন নাই কেনো।

আমি মনে মনে বললাম এই রকম শাষন যদি সাড়া জীবন করও তাহলে আমি শীতে কাপতেও রাজি আছি।
আমি তো এই রাগী কন্ঠের প্রেমে পড়ে গেলাম।
"
আপনি একটু দাড়ান আমি আসছি।যদি একটু এদিক ওদিক হন তাহলে কিন্তু মেরে পা ভেঙে দেব।সুপ্তি কথাটি বলে আবার ভেতরে চলে গেল।
কি মেয়েরে বাবা।

একবার ভাবলাম চলে যাই। মেয়েটাকে যতই দেখছি ততই প্রেমে পড়ে যাচ্ছি।কিন্তু পা ভাঙার ভয়ে আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলাম।

পাচ....
আমি মাথা নিচু করে বললাম,,
শীতের কাপড় পড়লে তো তোমার গায়ের স্পর্শ পেতাম না।গায়ের সুবাসটাও মিস করতাম।কথাটি বলেই আমি সুপ্তির দিকে তাকালাম।মনে হলো একটু লজ্জা পাইছে।

মেয়েটি লজ্জা পাওয়ায় মুখে লাল আভাটি ফুটে উঠেছে।আহ কি সুন্দর লাগছে মেয়েটিকে।মনে হয় এই মুখের দিকে তাকিয়েই আমি আজীবন কাটিয়ে দিতে পারব।
"
সুপ্তি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে বলল যাও এখন বাসায় যাও।
আমি সুপ্তির দিকে তাকিয়ে বললাম চাদরটা।
সুপ্তি একটু হেসে বললো কাল দিও।

আমি চাদরটা গায়ে জড়িয়ে হাটতে লাগলাম।পেছনে তাকিয়ে দেখি সুপ্তি এখনো দারিয়ে আছে।আমি না যাওয়া পর্যন্ত মেয়েটা এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে।

ছয়...
কিছুক্ষন পর সুপ্তি হাতে একটা চাদর নিয়ে বের হল।
আমার সামনে এসে বললো এই নাও এটা গায়ে জড়িয়ে নাও।আর শোনো চাদর টা কিন্তু আমার। কাল এসে চাদরটা দিয়ে যাবা।সকালে বাবা বাসায় থাকে তুমি বিকেলে দিয়ে যাবা।

আমি শুধু মাথা নাড়ালাম। কথায় কথায় সুপ্তি আমাকে কখন যে তুমি বলে ফেলছে এইটা মনে হয় খেয়াল ই করে নাই।
"
চাদরটা গায়ে দিয়ে হাটছি আর সুপ্তিকে অনুভব করছি।মনে হচ্ছে সুপ্তি আমার গায়ের সাথেই জড়িয়ে আছে।সুপ্তির গায়ের মিষ্টি গন্ধটা বার বার নাকে এসে লাগছে।

সকালে শীতের কাপড় না পড়েই সুপ্তির চাদরটা গায়ে জরিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম।

সুপ্তি আমাকে দেখেই উপর থেকে নিচে নেমে আসলো।
সুপ্তি কিছু বলার আগেই আমি চাদরটা ওর দিকে বাড়িয়ে দিলাম।
"
ধন্যবাদ দিয়ে যখনি ঘুরলাম তখনি সুপ্তি আবার ডাক দিল।আজও তো শুধু টিশার্ট পড়ে আসছ।শীতে তো এখনো কাপতেছ কথাটি বলেই সুপ্তি থামলো।

আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই সুপ্তি চাদরটা এগিয়ে দিয়ে বলল এইটা গায়ে জড়িয়ে নাও কাল না হয় ফেরত দিয়ে দিও।

আমি একটু মুচকি  হেসে চাদরটা জরিয়ে নিলাম।আমি জানতাম সুপ্তি আমাকে চাদরটা আবার দেবে।

পরিশিষ্ট... .
আজ দিয়ে প্রায় পনেরো দিন হল আমি সুপ্তিকে চাদর ফিরিয়ে দেই আর ফিরে আসার সময় সুপ্তি আমাকে আবার চাদর‍টা দিয়ে বলে কাল অবশ্যই ফেরত দিবা।

আমি ইচ্ছে করেই শুধু টিশার্ট পড়ে যাই যাতে সুপ্তি আমাকে আবারো চাদর টা দেয় আর আমি আবারও সুপ্তিকে গায়ে জড়িয়ে রাখতে পাড়ি। মিষ্টি গন্ধটা আবারও পেতে পারি।
""
তুমি যে প্রতিদিন আমার চাদরটা আবার নিয়ে যাওয়ার জন্যে টিশার্ট পড়ে আসো এইটা কিন্তু আমি বুঝতে পাড়ি।
'
আজ যখন আবার চাদরটা দিতে আসলাম তখনি সুপ্তি মিষ্টি হেসে উপরের কথাটি বলল।
মেয়েটাযে কখন কিভাবে আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় আমি এইটাই বুঝে উঠতে পারিনা।

আমি আমতা আমতা করে বললাম আসলে চাদরটা কাছে থাকলে মনে হয় তুমি আমার শরীরের সাথে মিশে আছো।

সুপ্তি এবার আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল আমি চাদর হয়েই তোমাকে আজীবন  জড়িয়ে রাখতে চাই।
"
আমি নিলয়ের কথা বলতেই(আমার বন্ধু আরর সুপ্তির ভাই)সুপ্তি আমাকে বলল ভাইয়া সব জানে,সে রাজি।

খুশিতে বলেই ফেললাম, সালা বাবু রাজি তাহলে ডাকো কাজী। কথাটি বলেই আমি জিব্বায় কামড় দিলাম।কি বললাম আমি।

সুপ্তির দিকে তাকিয়ে দেখি ও হাসছে।আমার দিকে চাদরটা এগিয়ে দিয়ে বলল আজ থেকে এইটা তোমার আমার।

আমি চাদরটা গায়ে জড়িয়ে নেওয়ার আগেই সুপ্তি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো নেবে না আমাকে তোমার চাদরে।

আমি সুপ্তির কপালে একটা চুমু একে দিলাম আর মনে মনে বললাম ধন্যবাদ চাদর।
"
আমি আর সুপ্তি হাটছি।সুপ্তি আমাকে জরিয়ে ধরে আছে।
এখন শুধু একটা গান ই গাইতে ইচ্ছে করছে,,,

এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হত তুমি বল তো।
------------------------------------- (ভালোবাসার চাদর)
"
Abdul Ahad(অলস বালক)
"
#04

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ