āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4404

আমি সুপ্তির কথায় কিছু বললাম না।কি বলবো আমি।
সুপ্তি আবারও বললো,
-কাল আমাকে দেখেও কেন কথা না বলে চলে গেলে?
আমি এবারও কিছু বললাম না।আসলে ওর সাথে আমার কথা বলতেই ইচ্ছে করছে না।আমি কিছু না বলে চলে এলাম।
'
সুপ্তি আর আমি একই সাথে পড়ি।আমার বন্ধু বলতে সুপ্তি ছাড়া আর কেও নেই।নেই বলতে সুপ্তিই আমাকে অন্য কারও সাথে মিশতে দিত না।আমারও ভালই লাগতো সুপ্তির সাথে থাকতে।কিন্তু এই ভালোলাগা কখন যে ভালবাসায় পরিনত হয়েছে সেটা আমিও বুঝতে পাড়িনি।
"
কাল যখন ক্লাসে ঢুকতে যাব তখনই দেখি সুপ্তি একটা ছেলের সাথে  বসে কথা বলছে।শুধু কথা বললেই সমস্য হত না।এমন ভাবে বসে আছে যেন দুজন কাপল।একদম গা ঘেসে।ছেলেটাও দেখি মাঝে মাঝে হাসতে হাসতে সুপ্তির গায়ের উপর পড়ছে।
'
তবে ছেলেটাকে চিনতে আমার বেশি সময় লাগলো না।গেইটের পাশে কালো পাজেরোটা ওর বাবারর কেনা।ছেলেটার নাম রনি।
বুকের ব্যাথাটা কেমন যেন বেড়ে গেল।ক্লাসে না ঢুকে বাসার দিকে রওনা দিলাম।তখনই সুপ্তি পেছন থেকে ডাক দিল।কিন্তু আমি এমন ভাব করলাম যে আমি ওর ডাক শুনতে পাইনি।
"
সুপ্তিদের মত ধনীর দুলালীদের সাথে আর যাই হোক আমাদের মত মধ্যবিত্তদের মানায় না।তাই আজ আর সুপ্তির কথার কোন উত্তর দিলাম না।

সুপ্তির মায়া আমাকে ছাড়তেই হবে।সুপ্তির সাথে আমার কোন দিক দিয়েই যায় না।এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেলাম নিজেও জানি না।
"
আজ ক্লাসে আসতেই সুপ্তি আমাকে হাত ধরে টেনে বাইরে নিয়ে গেল।তবে ওকে কিছু বলতে না দিয়ে আমিই বলতে শুরু করলাম।
দেখ তোমার সাথে আমার যায় না।কোথায় তুমি আর কোথায় আমি।তোমার পাশে রনিকেই মানায়।আরও অনেক কিছুই বলে চলে আসলাম।তবে আসার সময় সুপ্তির চোখের পানি আমার চোখ এড়ালো না।
"
আর থাকা যাবে না এখানে।এখানে থাকলে আমি সুপ্তিকে ভুলতে পারব না।আর আমার সামনে সুপ্তির হাত ধরে অন্যকেও ঘুরে বেড়াবে এইটা মেনে নিতে পারব না।
'
আমি সুপ্তির থেকে অনেক দূরে চলে যাই।নতুন জায়গায় গুছিয়ে উঠতে একটু সময় লাগলো। তবে সবসময় সুপ্তিকে মনে পড়তো।
'
পড়াশোনা শেষে এখন চাকরির জন্যে বিভিন্ন জায়গায় ইন্টার্ভিউ দিচ্ছি।আজও এক জায়গায় যেতে হবে।শুনলাম কোম্পানিটা নাকি নতুন খোলা হইছে।
ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে বেড়িয়ে পড়লাম।অফিসে ঢুকতেই কেও একজন আমার নাম ধরে ডাক দিল।এখানে আবার কে আসলো।আর আমাকে তো এখানে কেও চেনার কথা না।
আমি পেছনে তাকিয়ে কিছুটা অবাক হয়ে গেলাম।এতো আফজাল সাহেব।মানে সুপ্তির বাবা।কিন্তু ইনি এখানে কি করছেন।আমার জানামতে সুপ্তিদের এইখানে কোন অফিস নেই।
"
আমি কিছু বলার আগেই উনি বললেন,
-ইন্টার্ভিউ দিতে আসছো?
আমি কোন মতে মাথা নাড়ালাম।উনি আবারও বললেন,
-আচ্ছা ভেতরে যাও আর যাওয়ার সময় আমার সাথে একটু দেখা করে যেও।আমি হুম বলেই ভেতরে চলে গেলাম।
"
একটা প্রশ্নের উত্তরও ঠিক ভাবে বলতে পারতেছিনা।কিভাবে বললো।রুমে ঢুকেই দেখি সুপ্তি বসে আছে।ওর পাশে আরও  দুইজন বসে আছে।আগের থেকে অনেক সুন্দর হলেও চেহারায় কেমন যেন কষ্টের আভা দেখতে পেলাম।তবে আমাকে দেখার পর ওর মুখে হাসির রেখাটা ফুটে উঠলো।আমার বুকের ব্যাথাটা যেন একটু বেড়ে গেল।কারন এতদিনে হয়তো ওর বিয়ে হয়ে গেছে।স্বামী সন্তান নিয়ে সুখেই আছে।
'
সেই তখন থেকেই আমার দিকে তাকিয়ে আছে।আমি ওর চোখের দিকে তাকাতেই সবকিছু গুলিয়ে ফেলছি।আমার মনে হলো  এইখানে আর থাকা যাবে না।আমি উঠে বাহিরে  চলে আসলাম।জানি কাজটা ঠিক হয়নি কিন্তু আমার চাকরি টা হয়ে যাবে এইটা আমি শিওর।
'
আমি বাইরে বের হয়ে দেখি সুপ্তির বাবা এখনও দাঁড়িয়ে আছে।আমার আর বুঝতে বাকি রইলোনা এইটা সুপ্তিদের নতুন অফিস।আফজাল সাহেব আমাকে দেখেই এগিয়ে এসে বললেন,চলো আমার রুমে চলো।আমি উনাকে অনুসরণ করলাম।রুমে ঢুকেই তিনি আমাকে বসতে বললেন।
"
সেদিন তুমি যা দেখেছিলে তা ঠিক ছিল কিন্তু তোমার ধারনা ভুল ছিল।
'
সুপ্তির বাবার কথায় আমি ওনার দিকে তাকালাম।তবে ওনার কথা বুঝলাম না।তিনি আবারও বললেন,
-তুমি চলে আসার পর থেকে আমার মেয়েটা একদম একা হয়ে যায়।ও সবসময় তোমার কথাই বলতো।ও ওর সবকিছুই আমার সাথে শেয়ার করে।প্লিজ তুমি ওকে ভুল বুঝ না।ও তোমাকে অনেক ভালবাসে।
আমি আফজাল সাহেবের চোখে তার মেয়ের আগের অবস্থান ফিরে পাওয়ার আকুতি দেখলাম।তাহলে কি আমি সেদিন ভুল ছিলাম।আমি আর কিছুই ভাবতে পারছিনা।আমি উঠে দাড়ালাম।আফজাল সাহেব আমার হাত ধরে কেদেই ফেললেন।
"
অফিস থেকে বের হয়েই দেখি সুপ্তি গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আমাকে দেখেই গাড়িতে বসতে বললো।এতদিন পর দেখা তবুও ওর আচরনে মনে হচ্ছে প্রতিদিনই দেখা হয়।আমি গাড়িতে উঠে বসতেই গাড়ি চলতে শুরু করলো।
"
সুপ্তিকে চশমায় দারুন লাগছে।আগে পড়তো না কিন্তু এখন। সুপ্তিকে সরি বলা উচিত।আমি কিছু বলার আগেই গাড়িটা থেমে গেল।জায়গাটা কেমন যেন অচেনা লাগলো।আগে হয়তো আসা হয়নি।সুপ্তির ইশারায় আমি গাড়ি থেকে নেমে পড়লাম।
এমা,এতো কাজি অফিস।এখানে কেন।সুপ্তি আমার মনের ভাব বুঝে গেল।আমার সামনে এসে বললো,
-আমি আর তোমাকে হারাতে চাই না।তুমি চাইলেই আমরা একসাথে থাকতে পারি।কথাটি বলেই সুপ্তি কাজি অফিস এর ভিতরে চলে গেল।
আমি বুঝে গেলাম এখন কি করা উচিত।মেয়েটাকে আর কষ্ট দেওয়া যাবে না।
"
সুপ্তির পাশের চেয়ারে বসতেই সুপ্তির মুখে হাসির রেখা ফুটে উঠলো।পবিত্র কাজটা সম্পন্ন করে সুপ্তিকে নিয়ে বের হলাম।মেয়েটা আমার হাতটা এমন ভাবে ধরে আছে যেন ছেড়ে দিলেই আমি হারিয়ে যাব।
"
গাড়ি চলছে তার নিজস্ব গতিতে।সুপ্তি আমার হাত জড়িয়ে ধরে কাধে মাথা রেখে বসে আছে।আমি সুপ্তির কপালে একটা চুমু একে দিলাম আর মনে মনে বললাম এই ভালবাসা হারাতে নেই।
-------------------------------------
(ফিরে পাওয়া ভালবাসা)
"
Abdul Ahad(অলস বালক)
"
#14

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ