āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4398

আমি অবনীকে দেখে বেশ ভালই অবাক হলাম।এত সকালে এইখানে।আর আমি যে এইখানে থাকি সেটা ও কিভাবে জানলো।ওর তো জানার কথা না।
"
শরীরটা একটু খারাপ। তাই শুয়েই ছিলাম।তখনি কলিং বেলটা বেজে উঠলো।আমি কিছুটা অবাকই হলাম।কেননা আমার কাছে আসার মতো বা এই খানে আমাকে কেও ভালোভাবে চেনেও না।তাহলে কে বেল বাজালো।
হয়তো ভুলে হয়ে গেছে।আমি অপেক্ষায় রইলাম আরও একবার বেল বাজার।তা না হলে খুলবো না।আসলে শুয়ে আছি তো,তাই উঠতে ইচ্ছে করছে না।এক প্রকার আলসেমিই বলা চলে।
তবে আমাকে অবাক করে দিয়ে বেলটা আবার বেজে উঠলো।এবার আর থাকতে পাড়লাম না।
দড়জা খুলতেই আমি অবনীকে দেখতে পেলাম।
"
অফিস থেকে বের হতেই দেখি বিশাল একটা সাইনবোর্ড। সেখানে বড় করে লেখা ল্যাপটপের মেলা।সাথে ১৫% ছাড়।শুনেছি এই সব জায়গায় নাকি ল্যাপটপ এর দাম একটু কম হয়ে থাকে।অনেক দিন হলো ভাবছি নতুন একটা ল্যাপটপ কিনবো।আগের টা পুরোনো হয়ে গেছে।কিন্তু সময় ই পাচ্ছি না।আজ যেহেতু একটু তাড়াতাড়িই বের হয়েছি তাহলে আর দেড়ি না করে রওনা দেওয়াই ভালো।
"
স্যার এইটা নতুন এসেছে।অনেক ভালো স্যার।ল্যাপটপের সমন্ধে আরও অনেক কিছুই বললো মেয়েটি।কিন্তু আমার সেদিকে কোন খেয়াল নেই।আমি তাকিয়ে আছি মেয়েটির দিকে।কি সুন্দর চোখ দুটি,যেন এখনি ওই চোখের মাঝে হারিয়ে যাই।আহ মনে হচ্ছে মায়ের জন্যে বওমা পেয়েই গেলাম।
মেয়েটি আর দাড়ালো না।অন্য দিকে চলে গেল।তবে মুখ দেখে মনে হচ্ছে একটু অস্বস্থিতেই পড়ে গেছে।এই ভাবে তাকিয়ে থাকলে যে কেও অসস্থিতে পড়বে।
"
দোকানে ঢুকে আমি ল্যাপটপ গুলা দেখছিলাম।স্যামসাং এর একটা পছন্দও হলো।তখনি মেয়েটি এসে ল্যাপটপ টার গুনগান শুরু করে দিল।
"
দাম দেখলাম ৪৫৭০০ টাকা দেওয়া আছে।এটা কোন সমস্যা না।সমস্যা হলো মেয়েটা।আমি যদি আজই ল্যাপটপটা নিয়ে যাই তাহলে হয়তো ওর সাথে আর দেখা হবে না।
ওকে আর দেখতে পারবো না।আমি ল্যাপটপটা না নিয়েই বেড়িয়ে পড়লাম।তবে বেড়োনোর আগে মেয়েটার দিকে আবারও তাকালাম।আমি তাকাতেই ও চোখ সড়িয়ে নিলো।
"
কখন বিকেল হবে আর কখন আমি মেয়েটাকে দেখবো এইটা ভেবেই রাতটা কেটে গেল।ফ্রেশ হয়ে অফিসের দিকে রওনা দিলাম।
অফিসে বসেও মন বসাতে পারছি না।শুধু মেয়েটার কথাই মনে পরছে।কি সুন্দর চোখ দুটো।হাসলে আবার গালে টোল পড়ে।আহ।
অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে মেয়েটার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।
"
স্যার আজ কি ল্যাপটপটা নিয়ে যাবেন?
"
আজ যখন আবারও আমি ল্যাপটপটা দেখছিলাম তখনি মেয়েটা এসে কথাটি বললো।বাহ,কি সুন্দর কন্ঠ।আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম,আসলে এই মাসের বেতনটা পেলেই আমি ল্যাপটপটা নিয়ে যাব।মেয়েটার মুখ দেখে মনে হলো ও আমার কথা বিশ্বাস করতে পারলো না। কিছুটা বিরক্ত।
"
আমি তাকিয়েই আছি মেয়েটার দিকে।সারাদিনের সব ক্লান্তি যেন মেয়েটার মুখ দেখেই এক নিমিশে শেষ হয়ে যায়।মেয়েটা আর কিছু বললো না।অন্য দিকে চলে গেল।
"
মেয়েটার নাম ঠিকানা প্রায় জোগার করে ফেলেছি।এখন শুধু বলার অপেক্ষায় আছি।
""
কাল থেকে আপনি আর আসবেন না।
"
আজ দিয়ে প্রায় পনেরো দিন হলো আমি এই খানে আসছি,মেয়েটাকে দেখছি আর শেষে ল্যপটপটা দেখে চলে যাচ্ছি।কিন্তু আজ যখন এসে ল্যপটপটা চালু করলাম তখনি মেয়েটা এসে কথাটি বললো।আমি কিছু বলতে যাব তখনি মেয়েটা আবারও বললো,বেতন পেয়ে একেবারে আসবেন।এতদিন যেহেতু আপনার জন্যেই অন্য কারও কাছে ল্যাপটপটা বিক্রি করি নি সো ভবিষ্যতেও করবো না।কথাটি বলেই মেয়েটা চলে গেল।
আমার মুখটাও মলিন হয়ে গেল।তার মানে কি এর সাথে আমার আর দেখা হবে না।আমি আর দাড়ালাম না।
"
আহাদ সাহেব আমি কিন্তু আপনার অপেক্ষায় থাকবো।
'
যখনি বের হতে যাব তখনি কেও কথাটি বলে উঠলো।আমি পেছনে তাকাতেই দেখি মেয়েটা হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
"
আরে ও আমার নাম কিভাবে জানলো।আর আমার জন্যেই বা কেন ও অপেক্ষায় থাকবে।তাহলে কি ও ও আমার। নাহ,এটা কিভাবে সম্ভব।
""
আজ প্রায় দশ দিন পর আমি ওর কাছে যাচ্ছি।মানে ল্যাপটপটা কিনতে।কিন্তু আমার খুশীর থেকে কষ্টই বেশী হচ্ছে।আজকের পর থেকে ওকে আর দেখতে পারবো না।তবে এতদিন আমি ওর ভেতরে না গিয়েই বাইরে থেকে লুকিয়ে ওকে দেখেছি।
কিন্তু এভাবে আর কত দিন।
""
কোথায় ছিলে এতদিন?
'
আজ ঢুকতেই মেয়েটি আমার সামনে এসে কথাটি বললো।কেমন যেন অস্থির হয়ে আছে।মনে হচ্ছে মরুভূমিতে পানি পেয়েছে।কিন্তু ও আমাকে তুমি করে বলছে কেন!
-আসলে আপনিই তো আসতে নিষেধ করেছেন।
আমার কথায় ওর মুখটা কেমন যেন মলিন হয়ে গেল।
-আমি আসতে নিষেধ করলেই তুমি কেন আসবা না।এবার আমি মেয়েটার মুখে লুকিয়ে থাকা অভিমানটুকু লক্ষ করলাম।তার মানে আমাকে এতদিন না দেখাতে ওর ও কষ্ট হয়েছে।ও কি আমাকে তাহলে সত্যি ই ভালবেসে ফেলেছে।
"
আজ কি ল্যাপটপটা নিয়ে যাবা?
আমি ওর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালাম।তবে মনে হচ্ছে ও খুশি না।
"
মেয়েটা ল্যাপটপটা প্যাক করছে আর আমি ওর দিকে তাকিয়ে আছি।তবে আজ আর আমি তাকিয়ে থাকাতে ওর মাঝে বিরক্তি ভাবটা দেখলাম না।ও প্যাকিং করতে করতে বললো,মাসের মাঝখানে কোন অফিসে যে বেতন দেওয়া হয় সেইটা আমার জানা ছিল না।
ওর কথায় আমি কিছু বললাম না।আসলে আমার কাছে টাকা আগে থেকেই ছিল।শুধু ওকে দেখার জন্যেই আমি বলেছিলাম এই মাসের বেতন পেলেই ল্যাপটপটা নিয়ে যাব।
"
এই নাও।
ও আমার দিকে ল্যাপটপটা এগিয়ে দিল।আমি টাকা বের করতেই ও বললো,
-পঞ্চাশ হাজার দাও।
আমি বললাম,
ল্যাপটপের দাম তো পঁয়তাল্লিশ হাজার তাহলে পঞ্চাশ কেন।
-গালফ্রেন্ডকে ঈদে শপিং এর টাকা দিবা না!
আমি কিছু না বলে পঞ্চাশ হাজার টাকা বের করে দিয়ে যখনি বাইরে বের হতে যাব তখনি কথাটি আমার কানে আবার বেজে উঠলো।কি বললো মেয়েটি।
গালফ্রেন্ড!আমি পেছন দিক ঘুরতেই অবনী এসে আমার হাত চেপে ধরলো।বাহ,হাতটা তো ভালই নরম।কেমন যেন তুলতুলে।আমি ওর চোখের দিকে তাকাতেই আমার প্রতি ওর ভালোবাসা দেখতে পেলাম।
এটার জন্যেই তো এতদিন অপেক্ষা করলাম।
"
-কাল কি আবার আসবে।
-অবশ্যই।এখন থেকে তুমি না বললেও আমি ঠিকই তোমার কাছে চলে আসবো।আমি আর দেড়ি করলাম না।মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে।ভিজলে আবার জ্বর বাধবে নিশ্চিত।
"
এতদিন আমার সাথে দেখা করো নাই কেন।আমাকে ভুলেই গেছ।কথাটি বলেই অবনী আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করলো।
'
আসলে সেদিন বৃষ্টিতে ভেজার কারনে জ্বর আর ঠান্ডা আমাকে না বলেই চলে এলো।তবে তা মাত্র দুইদিন হলো,বেশী দিন তো না।এর মাঝে অবনীর কথা যে মনে পড়ে নাই তা না।সবসময় ই ওর কথা মনে পড়তো কিন্তু এই অসুস্থ শরীর নিয়ে আর দেখা করতে যেতে পাড়িনি।অফিসও ছুটি নিয়েছি।
'
আমি অবনীর মাথা তুলে চোখের পানি মুছে দিয়ে বললাম,
-সেদিন বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর আর ঠান্ডায় বিছানা থেকে উঠতেই পারিনি,
অবনী আর আমাকে কিছু বলতে না দিয়ে আমার কপালে হাত দিয়ে বললো,আসলের তো অনেক জ্বর। তুমি আমাকে একটু বলবা না।ডাক্তার দেখাইছো,ওষুধ খাইছো।আমি মাথা নাড়িয়ে বুঝিয়ে দিলাম এইসব কিছুই করিনি।অবনী এবার মুখে রাগি ভাব আনার চেষ্টা করলো।কিন্তু ওই মিষ্টি মুখে রাগটা ঠিকভাবে দেখা গেল না।
-চলো।
-কোথায়।
-ডাক্তারের কাছে।
-আরে লাগবে না।এমনিই ঠিক হয়ে যাবে।
অবনী এবার বেশ ভালই রেগে গেল।রুমে ঢুকে একটা শার্ট এনে পড়িয়ে দিয়ে টানতে টানতে রুম থেকে বের করে আনলো।
""
আমি আর অবনী রিক্সায় বসে আছি।রিক্সা চলছে তার আপন গতিতে।গন্তব্য হাসপাতাল।অবনী আমার হাত শক্ত করে ধরে আছে।মনে হচ্ছে ছেড়ে দিলেই পালিয়ে যাব।আমি অবনীর হাত ধরতেই ও আমার দিকে তাকিয়ে ওর মাথাটা আমার কাধে রাখলো।আমিও গুনগুন করে গান গাইতে থাকলাম,
এই পথ যদি না শেষ হয়
তবে কেমন হতো তুমি বলো তো।
তুমিই বলো।
আমি অবনীর তাকিয়ে দেখি ফাজিল মেয়েটা মিটিমিটি হাসতেছে।
-------------------------------------
(কাছে পাওয়া)
""
Abdul Ahad(অলস বালক)
"
#20

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ