ফারিয়াকে আজকে আমি একলা রুমে পেয়েছি। কিছু একটা তো করতে ই হবে। আমি ও সব কিছু আগে থেকে ঠিক করে রেখেছি। একটা পুরনো বাংলোতে আছি দুজন। না না আমি ফারিয়াকে এখানে আনিনি।
ফারিয়া নিজে ই আমাকে এনেছে। বাড়ি টা জঙ্গলের মধ্যে। শুনশান নীরবতা চারদিকে বিরাজমান থাকে সবসময়। মানুষ এই জঙ্গলের ত্রিশ মাইল ভিতর দিয়ে ও যাওয়া আসা করে না। গোপন বাংলো বলা যায় আরকি।
ফারিয়া আমার হাত টা ধরে বললো, জান আমার জন্য কী কী আনছো?
আমি মুচকি হেসে বললাম, আজকে তোমার জন্য এমন এমন সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে যা তুমি জীবনে দ্বিতীয়বার পাবে না।
ফারিয়া খুশিতে আমার গালে চুমু এঁকে বললো, আই লাভ ইউ বাবু টা।
রুমের চারপাশ টা দেখে স্পষ্ট বুঝা যায় এখানে মানুষ কী করতে আসে। আমি ও এই ব্যাপারে অদক্ষ নই। ফারিয়াকে বললাম, জান আজকে আমি যা চাই দিবা?
ফারিয়া মুচকি হেসে বললো, আমার কাছে তো আমার কিছু নাই। সব ই তো তোমার। আর নিজের সম্পদ কী অন্যের কাছে চাইতে হয়?
আমি ফারিয়ার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললাম, জান তোমাকে কিছু দেখানোর আছে আমার।
ফারিয়া কৌতূহলী হয়ে বললো, জলদি বাবু।
আমি আমার ব্যাগ থেকে একটা পেপার বের করলাম। পেপার টা বের করে ফারিয়ার সামনে রাখলাম। ফারিয়া পেপার টা দেখে নড়েচড়ে বসলো! আমি বললাম, ছেলেটাকে চিনো?
ফারিয়া সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিলো, না, কেনো বলো তো?
আমি আস্তে আস্তে বললাম, ছেলে টা একটা মেয়েকে ভালোবাসতো। নিজের ভালোবাসা প্রমাণ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাপের বাড়ি বিক্রি করে মেয়েটাকে সোনার চেইন, নেকলেস ইত্যাদি গহনা কিনে দিয়েছিলো।
কিন্তু মেয়ে টা ছেলেটাকে নিঃস্ব করে কোনো এক কোটিপতির ছেলের হাত ধরে চলে যায়। সে দুঃখ সহ্য করতে না পেরে অবশেষে আত্মহত্যা করেছিলো!
ফারিয়া দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললো, কী খারাপ মেয়ে রে বাবা। ঐ মেয়ের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নাই।
আমি হেসে বললাম, সত্যি ই বলছো।
ফারিয়া আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো, এসব রাখো তো জান। আগে আমার সারপ্রাইজগুলা দাও।
আমি আমার ব্যাগ থেকে আরেক টা কাগজ বের করলাম। সুইসাইড লেটার! বের করে ফারিয়াকে দেখালাম। ফারিয়া বিরক্ত হয়ে বললো, কী শুরু করছো এগুলা? কার না কার সুইসাইড লেটার আমাকে দেখাচ্ছো কেনো বলো তো?
ফারিয়ার প্রতিক্রিয়া দেখে সুইসাইড লেটার টা রেখে দিলাম। আমার ব্যাগ থেকে এবার এক টা ছবি বের করলাম। একজন পুলিশের ছবি। যিনি প্রেমিকার জন্য নিজের চাকুরী ছেড়ে দিয়েছিলেন।
কারণ প্রেমিকার পুলিশের চাকুরী পছন্দ না। কিন্তু তবু ও প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো কোনো এক নামকরা গায়কের হাত ধরে। অতঃপর আরেক টা আত্মহত্যা!
ফারিয়া এবার আমার প্রতি প্রচণ্ড রাগ করে বললো, এসব বুঝি আমার সারপ্রাইজ?
আমি আবারো ফারিয়ার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললাম, অস্থির হয়ো না জান। সারপ্রাইজ তো দিবো ই।
বলে ব্যাগ থেকে সর্বশেষ একটা কাগজ বের করলাম। কিডনি বিক্রি করার ডকুমেন্ট। ছেলে টা কিডনি বিক্রি করেছিলো কারণ তাঁর প্রেমিকার দরকার ছিলো অনেক টাকা। গাড়ি দুর্ঘটনায় মেয়েটার পা দুটো ভেঙ্গে গিয়েছিলো।
অতঃপর দুদিন পর আরেক নবীনের মৃত্যুর সাক্ষী হলো এই প্রকৃতি! কিন্তু মেয়ে টা সুস্থ হবার পর ঠিক ই অন্য ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায়।
ফারিয়া এবার নিজের মাথায় হাত দিয়ে টেবিলের ওপাশে চেয়ারে গিয়ে বসলো। আমি দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললাম, এই প্রত্যেক টা ছেলের প্রেমিকার নাম ফারিয়া শশী। যে আমার সামনে এখন বসে আছে।
ফারিয়া চেয়ার থেকে উঠতে চাইলো কিন্তু পারলো না। কারণ ইতিমধ্যে তাঁকে আমি বেঁধে ফেলেছি খুব ই কৌশলে! ফারিয়া স্তব্ধ হয়ে বসে রইলো। আমি ফারিয়ার কপালে চুমু খেয়ে বললাম, তোমার জন্য আফসোস। তুমি আমার জীবন টা নষ্ট করতে পারলে না। আমাকে ভোগ করার সিদ্ধান্ত টা তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ ভুল ছিলো। শুধু জানতে চাই ফারিয়া, কেনো তুমি এই ছেলেগুলোর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেললে? কেনো তাঁদের স্বপ্ন ভেঙ্গে নিজে প্রাচীরে বাঁচতে চাইলে? কেনো ফারিয়া কেনো?
ফারিয়া অস্পষ্ট ভাবে উত্তর দিলো, আমি এখন শুধু তোমাকে ভালোবাসি জান।
আমি হো হো হো করে হেসে বললাম, সেজন্য ই তো তোমার জন্য এসব সারপ্রাইজের ব্যবস্থা করলাম।
ফারিয়া কাঁদছে। চোখ বেয়ে পানি ঝরছে অবিরত। আমি হাতে একটা কেঁচি নিলাম ব্যাগ থেকে। টেবিলের দুপাশে দুই হাত টা বাঁধলাম ফারিয়ার। তারপর ফারিয়ার বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুল টা ক্যাঁৎ করে কাটলাম!
ফারিয়া লম্বা একটা চিৎকার দিয়ে বললো, আমাকে ছেড়ে দাও। তুমি যা চাও আমি সব দিবো। বলো কী চাও? কতো টাকা চাই তোমার?
আমি ফারিয়ার ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুল টা কেটে বললাম, ছেলেগুলোর জান চাই।
ফারিয়া আর কথা বলতে পারছে না। শুধু চিৎকার করছে। একটা একটা করে দুহাতের সব গুলো আঙ্গুল কাটলাম। রক্তে রুম টা গড়াগড়ি করছে। এরপর ব্যাগ থেকে লাল মরিচের গুঁড়ার প্যাকেট টা বের করে ফারিয়ার হাত দুটোয় ঢেলে দিলাম!
ফারিয়া আরো জোরে জোরে চিৎকার করছে। পকেট থেকে কলম টা নিয়ে ফারিয়ার একটা চোখ কানা করলাম! আর এক চোখ রেখে দিলাম তাঁর সারপ্রাইজ গুলো দেখার জন্য। কানা হওয়া চোখ টা থেকে এখন আর পানি আসছে না!
আসছে তাজা তাজা লাল রক্ত! রুমের বাইরে থেকে একটা ইট আনলাম। এনে জোরে একটা বারি দিলাম ফারিয়ার মাথায়। কী আশ্চর্য মাথা টা ফাটলো না! তাই চেয়ারের পায়া টা ভেঙ্গে দিলাম আবারো বারি!
মেজাজ খারাপ হলো। এবারো মাথা টা ফাটলো নাহ। তাই শেষ পর্যন্ত হাতুরির সাহায্য নিয়ে মাথা টা ফাটাতে হলো। হ্যাঁ এবার ঠিক আছে। মাথা থেকে পরিপূর্ণভাবে রক্ত ঝরছে। ফারিয়ার পা দুটো রক্তে ভিজে গিয়েছে!
তাই আগে হাতুরি দিয়ে পা দুটো তচনচ করে ভাঙ্গলাম। অবাক কাণ্ড এখনো ফারিয়া কথা বলার চেষ্টা করছে! আমার আর সহ্য হলো না। ছুরি দিয়ে ফারিয়ার জিহ্বা টা কেটে এনে টেবিলের উপরে রেখে দিলাম।
এর পর শুরু হলো রক্ত মাংস আলাদা হওয়ার পালা। পা থেকে কুপানো শুরু করেছি পেট পর্যন্ত এসে থেমে গেলাম। নাহ এতো সহজে মেরে ফেললে হবে না। ব্যাগ থেকে একটা ইঁদুর মারার বিষ বের করে ঢেলে দিলাম ফারিয়ার মুখে!
ফারিয়ার আহত শরীর টা শুধু নড়াচড়া করছে। আমার দেখে সুখ সুখ লাগছে। বিছানার উপরে দাঁড়িয়ে ফ্যানের সাথে একটা ফাঁশির দড়ি বাঁধলাম। ফারিয়ার নরম শরীরটার মাথা টা সেই ফাঁশিতে ঝুলিয়ে দিলাম।
আহারে মেয়েটার পা দুটো নিচে পরে আছে! এখনো তো মাথা টা নড়ছে। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফারিয়ার নিঃশেষ দেখছি। হ্যা মাত্র পাঁচ মিনিট পর ফারিয়ার মাথাটার নড়াচড়া করা বন্ধ হলো।
বলতে হবে মেয়েটার কৈ মাছের জান! এবার একটু শান্তি লাগছে মনে। পনেরো নাম্বার মুখোশদারী বেশ্যাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করা শেষ হলো!
Collected
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ