āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4429


.
#ছোটগল্পঃ_সতীত্ব
#সাজ্জাদ_আলম_বিন_সাইফুল_ইসলাম।
.
.
'ঘরের ফ্যানের রেলিং ধরে একটা লাশ ঝুলছে। ওড়নায় পেঁচানো লাশের নিচ বরাবর একটা টেবিল। টেবিলের উপর কলমের নিচে বরাবর একটা পৃষ্টায় বেশ কয়েকটা বাক্য লেখা।'
.
অন্ধকারকে ছাপিয়ে বর্তমান যুগের সাথে তাল মেলাতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সদ্য জ্ঞান হওয়া বালক-বালিকাসহ প্রাপ্ত বয়স্করাও। মধুর সম্পর্ক নামে এই অবৈধ সম্পর্কটাকে আখ্যা দিয়ে চলে মিলনমেলা। এর পিছনে বহুলাংশে কাজ করে আবেগ। আবেগকে ছাড়াতে ব্যর্থ হয়ে এই সম্পর্কের দিকে পা বাড়ায় অনেকেই।
রিয়া টেবিলের কলম দিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করছে। বেশ কয়েক প্রকার কলমের কালি দিয়ে একটি নাম, 'আবির'। লেখার মধ্যে বেশ ক্যানভাসসূলভ আকৃতি। নামটা লিখছে আর মিটমিট করে হাসছে। ছেলেটা আসলেই অনেক দুষ্ট। তা না হলে এত কষ্ট সহ্য করার পরও কেন তাকে ছেড়ে চলে গেল না। রিয়ার কাছে ছেলেটাকে প্রথমে খারাপ লাগলেও এখন সে তাকে ভালোবাসে। মাষ্টার্সে পড়ুয়া আবির ধনী বাবার সন্তান। রিয়া এবার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার্থী, মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে।
আবিরের সাথে রিয়ার সম্পর্কটা মাস চারের। বেশ কয়েকবার নির্জনে দেখা হলেও ফোনে কথা হয় প্রতিনিয়ত। আবিরকে ছাড়া একটা মূহূর্তে নিজেকে কল্পনায় ভাসাতে পারে না রিয়া। আবিরই বা কতটুকু!
ভাবতে ভাবতে কাগজের লেখাটুকু শেষ। নাহ! যেমনটা ভেবেছিলো তার চেয়েও অনেক সুন্দর হয়েছে। আবিরের নামের পাশে প্লাস (+) দিয়ে ছোট্ট করে রিয়া শব্দটা লিখে দিলো। আগামীকাল থার্টি ফার্ষ্ট নাইটে যে করেই হোক আবিরকে এটা গিফট দিবে। গিফটের কথা শুনে লজ্জাবতীর মতন বিছানায় লাফিয়ে মুখখানা ঢেকে কল্পনায় ভাসতে থাকলো।
কল্পনায় ছেদ পড়লো টুং টুং ফোনের শব্দে। মোবাইলের স্ক্রিনে দেখে আবিরের ফোন। মনে মনে অনেক খুশি হয় রিয়া।
  -  কী খবর মহারাজ? হঠাৎ অসময়ে ফোন দিলেন যে?
  -  কেন আমি কি যখনতখন তোমাকে ফোন দিতে পারি না?
  -  অবশ্যই পারো, সে অধিকার তো দিয়েছি তোমায়।
  -  তাহলে এভাবে বলছো কেন?
নিজেকে একটু অপরাধী মনে হলো রিয়ার। হয়তো প্রথম বাক্যটা কঠোরভাবে বলে ফেলেছে। মন খারাপ করে বললো,
  -  প্লিজ তুমি মন খারাপ করো না, তোমাকে এভাবে বলিনি।
  -  আমি মন খারাপ করি নি রিয়া। তোমার কাছে একটা জিনিষ চাইবো, দিবে?
  -  অবশ্যই দিবো, তুমি চাইবে আর আমি না দিয়ে কি পারি?
  -  কালকে আব্বু-আম্মু তোমাকে দেখতে চায়।
আব্বু-আম্মুর কথা শুনে কিছুটা বিস্মিত হয় রিয়া। ব্যস্ততার সহিত বলে,
  -  তোমার আব্বু-আম্মু?
  -  হ্যাঁ রিয়া। আব্বু-আম্মুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো। প্লিজ তুমি না করো না।
  -  কিন্তু তুমি তো জানো, আমার বাসার অবস্থা কেমন। কেমন করে বের হবো?
  -  তা নিয়ে তুমি ভেব না। আমি তোমাকে সেটার বুদ্ধি দিয়ে দিবো। আব্বু-আম্মু তোমাকে দেখতে চেয়েছেন, তাহলে ভেবে দেখ তারা কিন্তু এমনি এমনি তোমাকে দেখতে চান নি। পছন্দ হলে তোমার বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলবেন।
  -  কিন্তু আমাকে যদি তাদের পছন্দ না হয় আবির। তখন কী করবো?
  -  কী সব বাজে বলো রিয়া। পছন্দ হতে বাধ্য, তুমি শুধু একটা শাড়ী পড়ে আসবে।
  -  ঠিক আছে, তবে আমার বড্ড ভয় করছে আবির।
  -  ভয়ের কিচ্ছু নেই, আমি আছি তো। আমার উপর তোমার বিশ্বাস নেই?
  -  বিশ্বাস আছে বলেই তো তোমাকে এত ভালোবাসি। এই কে যেন আসছে। পরে কথা বলবো।
মোবাইলে কল কেটে দিয়ে নিয়ে আস্তে আস্তে পড়াতে মন দিলো রিয়া। রিয়ার মা সাহেরা বানু ঘর থেকে রিয়ার অবস্থা দেখে আবার নিজকর্মে ফিরে যান। রিয়াও পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যায়।
.
পরদিন বিকেলবেলা,
রিয়া আবিরের কৌশল মতন বাসা থেকে বের হয়। রিয়ার ইচ্ছা প্রথমে আবিরের আব্বু-আম্মুর সাথে দেখা করে রাতে আপুর বাড়িতে থাকবে। বাসা থেকে বের হবার সময় গতরাতের গিফটটা নিতে ভুল করলো না। সিনএনজিতে কিছুদূর যাবার পর রিয়া বললো,
  -  আবির?
  -  কিছু বলবে?
  -  হুম।
  -  কী?
মুচকি হেসে ব্যাগ থেকে হাতের কারুকার্য খচিত বিভিন্ন কলমের সংমিশ্রণে আঁকা আবিরের নামটা আবিরের হাতে দিয়ে বললো,
  -  আমার পক্ষ থেকে তোমার জন্য গিফট।
অসাধারণ একটা গিফট পেয়ে মনে মনে অনেক খুশি হয়ে প্যান্টের পকেটে রেখে দেয়,
  -  অনেক সুন্দর ছিলো। আমার গিফটটা কিছুক্ষণ পরেই দিয়ে দিবো।
আবিরের কথায় মুচকি হেসে লজ্জায় মুখটা অন্যদিকে সরিয়ে নেয় রিয়া। আবির আজ খুব কাছে বসেছে রিয়ার।
  -  রিয়া তোমার একটু হাতটা ধরি?
  -  না মানে, রাস্তায়!
  -  কেউ তো দেখবে না। আমরা তো গাড়িতে।
অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজের হাতটা আবিরের উদ্দেশ্যে বাড়িয়ে দেয় রিয়া। নরম হাতের প্রথম ছোঁয়া! আবির আবেগে আপ্লুত। মনে মনে মুচকি হাসছে।
  -  আচ্ছা আমরা আগে কোথায় যাবো?
  -  আগে আমাদের বাড়িতে, তারপর পার্টিতে।
  -  পার্টি!
  -  হুম, আমার সব বন্ধুদের সাথে তোমার পরিচয় করিয়ে দিবো। বেশিক্ষণ থাকবো না, অল্পকিছুক্ষণ মাত্র।
রিয়া মাথা নিচু করে চুপ করে বসে আছে। মনে মনে খুব টেনশন ফিল করছে। আবিরের বাবা-মা কি আমাকে পছন্দ করবে? নাকি করবে না? ভাবনার জগতে লুটোপুটি খেলছে রিয়া। সিএনজি এসে থামলো একটা তিনতলা বাড়ির সামনে। আবির টাকা মিটিয়ে দিয়ে রিয়াকে নিয়ে নামলো। রিয়ার বুকের মাঝে কাঁপুনি শুরু হয়ে গেছে।
আবির রিয়ার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরে বলে,
  -  শাড়িতে আজ তোমাকে অসম্ভব সুন্দর লাগছে। আব্বু-আম্মুও অবশ্যই পছন্দ করবে তোমায়। না করে উপায় নেই।
  -  কি যে বলো তুমি! আমার ভীষণ টেনশন হচ্ছে।
  -  টেনশনের কিছুই নেই। নিজেকে সামলে রাখো।
অনেক টেনশন কাটিয়ে আবির রিয়াকে তার বাবা-মায়ের সামনে দাঁড় করালো। রিয়া উনাদের সালাম দিয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো।
  -  আব্বু-আম্মু রিয়ার কথাই তোমাদের বলছিলাম।
  -  মা তুমি বসো। আবির ওকে বসাও।
রিয়া সোফায় বসে আছে। আবির রিয়ার খুব কাছে। ফিসফিস করে বলছে,
  -  এত কাঁপছো কেন? আব্বু-আম্মু অনেক ফ্রেন্ডলি, ভয় পেয় না।
আলতো চোখে রিয়া আবিরের দিকে তাকায়। আবিরের আব্বু-আম্মু অনেক কথা রিয়াকে জিজ্ঞেস করলো। রিয়া শান্তমনে সেগুলোর যথার্থ উত্তর দিলো। শেষে আবিরের আব্বু বললো,
  -  মা, তুমি আগে ফাইনাল পরীক্ষা দাও। তারপর তোমার বাবা-মায়ের সাথে আমরা এ ব্যাপারে আলোচনা করবো। মন দিয়ে লেখাপড়া করো।
  -  জ্বী আঙ্কেল, দোয়া করবেন।
  -  আবির রিয়াকে একটু এগিয়ে দিয়ে আয়।
  -  জ্বী আব্বু।
রিয়াকে নিয়ে বাড়ির বাইরে চলে আসে আবির। আবির রিয়ার শুকনো মুখখানা দেখে হাহা করে হাসতে লাগলো। লজ্জাবতীর মতন লজ্জা পেয়ে রিয়া বললো,
  -  ওভাবে হাসছো কেন?
  -  তুমি ভয় পেলে অনেক সুন্দর লাগে, তাই হাসছি। চলো এখন আমরা পার্টিতে যাবো। তারপর তোমার বোনের বাসায় রেখে আসবো।
  -  আবির, সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে। তাড়াতাড়ি করবে কিন্তু।
  -  চিন্তা করো না তুমি।
সিনএজি করে দোতলা একটা বাড়িতে আসলো উভয়ে। বাড়িটা বেশ সাজানো। মিউজিকের আওয়াজ আসছে। এখন সন্ধ্যার পর বলে লাইটিংগুলো জ্বলজ্বল করে জ্বলছে।
  -  আবির!
  -  বলো।
  -  আমার বেশ ভয় করছে। প্লিজ তুমি আমাকে রেখে আসো। আমি ভিতরে যাবো না।
  -  এসব বললে চলবে? সবাইকে আমি কথা দিয়েছি।
অনেক দ্বিধান্বিত হওয়ার পরও ভিতরে ঢুকলো রিয়া। আবিরের হাতটা সে শক্ত করে চেপে আছে। আবির সব বন্ধুদের সাথে রিয়ার পরিচয় পর্ব শেষ করে উপরের দিকে যায়।
  -  উপরে যাচ্ছো কেন?
রিয়ার এমন প্রশ্নে হাহা করে হেসে উঠে আবির। গালটা টেনে দিয়ে বলে,
  -  তোমাকে না একটা গিফট দিতে চেয়েছিলাম, সেটা দেয়ার জন্যই।
  -  ওহ।
রিয়াকে নিয়ে আবির একটা রুমে ঢুকে পরে। রিয়াকে বিছানায় চোখ বন্ধ করে বসতে বলো অন্য ঘরের দিকে যায় আবির। বুকটা ধুকধুক করছে রিয়ার। তবুও চোখ বন্ধ করে বসে আছে। আবির ঘরে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দিলো খু্ব আস্তে। রিয়া টেরই পেলনা।
আবির রিয়ার পাশে বসে বুকের মধ্যে রিয়াকে টেনে নিলো। রিয়া চোখ খুলে বললো,
  -  কী করছো আবির!
  -  কিছুক্ষণ তোমাকে আদর করতে চাই। কখনো তো তোমার কাছে যাই নি। অন্তত আজকের দিনটা!
  -  প্লিজ এমনটা করো না। বিয়ের পর যা হবার হবে।
  -  আব্বু-আম্মু তোমাকে খুব পছন্দ করেছে। এতে আর বাঁধা কী?
অনিচ্ছা সত্ত্বেও শুধু বিশ্বাসের জোরে নিজের সতীত্বকে আবিরের কাছে বিলিয়ে দেয় রিয়া। সতীত্ব ভঙ্গের সময় দু'চোখ দিয়ে ঝরঝর করে কাঁদছিলো সে। কিন্তু সে যে ভালোবাসে, খুব ভালোবাসে আবিরকে।
.
আস্তে আস্তে দিন চলে যাচ্ছিলো তার আপন মোহনায়। ভালোবাসা থেমে নেই রিয়া-আবিরের। সুযোগ পেলেই আবির খেলতো অবৈধ ভালোবাসার খেলা। বেচারি রিয়া বাধ্য হয়ে সায় দিতো। এইসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন রিয়া আবিরকে দেখা করতে বলে। পরীক্ষার হল থেকে ফেরার পথে আবির রিয়াকে নিয়ে পার্কে বসে।
  -  বলো, কেন ডেকেছ?
  -  আবির তুমি আমাকে বিয়ে কবে করছো?
  -  কেন রিয়া, আমার উপর তোমার বিশ্বাস নেই?
  -  তুমি আগে বল বিয়ে কবে করছো?
  -  তোমার পরীক্ষা আগে শেষ হোক, তারপর দেখা যাবে।
  -  দেখা যাবে মানে কী আবির? আমি কনসিভ করেছি।
কনসিভ করার কথা শুনে আবির অবাক হয়ে যায়। ব্যাপারটা একদূর এগুবে সে জানই না। কিছু না বলে চুপ করে বসে থাকে। রিয়া কাঁদো কাঁদো স্বরে বললো,
  -  চুপ করে আছো কেন? কিছু তো বলো। আমি বাসায় মুখ দেখাবো কি করে?
  -  তুমি বরং বাচ্চা নষ্ট করে ফেল।
  -  কী বলছো আবির? বাচ্চা নষ্ট করবো মানেটা কী?
  -  যা বলছি ঠিকই বলছি।
আবির মনে মনে রাগ দেখানোর ফন্দি আঁটলো। যে করেই হোক রিয়াকে থামাতে হবে।
  -  আমি বাচ্চা নষ্ট করতে পারবো না। এ আমাদের ভালোবাসার নিদর্শন।
  -  যে মেয়ে তার ভালোবাসার মানুষের সাথে বিছানায় যেতে পারে সে হয়তো আরো পুরুষের সাথে বিছানায় যেতে পারে।
  -  তুমি কি বলছো, বুঝতে পারছো আবির?
  -  হ্যাঁ, আমার মনে হয় এটা আমাদের ভালোবাসার ফসল নয়, তোমাকে নিশ্চই আরো কেউ ভোগ করেছে, এ তারই ফসল। তাকে গিয়ে বলো। আমার সাথে আর যোগাযোগ করো না।
  -  আমি পতিতা নই। আমার পেটে শুধু তোমার ফসল। তুমি আমাকে গ্রহণ না করলে আমার মরণ ছাড়া আর কোন পথ থাকবে না আবির।
  -  যা ইচ্ছে করো, আমাকে আর জ্বালাতে এসো না।
আবির কথাগুলো বলে চলে গেল। পার্কের বেঞ্চে বসে কাঁদতে লাগলো রিয়া। যাকে সে বিশ্বাস করে নিজের সতীত্ব দিয়ে দিলো সে কিনা আজ তাকে প্রত্যাখ্যান করলো!
রিয়া আবিরের আব্বু-আম্মুর কাছে গেল। কিন্তু তারা যা বললো তা কোনদিনই কাম্য ছিলো না রিয়ার।
'সেদিন আবির সাহেব আমাদের টাকার বিনিময়ে ওর আব্বু-আম্মু হওয়ার জন্য বলেছিলো। আমরা তো ওর সম্পর্কে কিছুই জানি না।'
রিয়ার বুঝতে বাকি রইলো না আবির তার সঙ্গে শুধুমাত্র ভালোবাসার অভিনয় করেছে, কখনো ভালোবাসে নি।
নিজেকে শক্ত করে ঘরে ফিরে আসে রিয়া। রিয়ার মা জিজ্ঞেস করে,
  -  কি রে রিয়া, আজ দেরি হলো যে!
  -  রুবিদের বাড়ি গিয়েছিলাম মা।
  -  হাত-মুখ ধুয়ে খেতে আয়।
  -  তুমি যাও মা, আমি যাচ্ছি।
সাহেরা বানু চলে যাওয়ার পর রিয়া টেবিলে বসে চোখের পানি ফেলছে। বিষাক্ত জীবন নিয়ে বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করছে না। জীবনটা শেষ!
.
রিয়া আসতে দেরি করছে বিধায় সাহেরা বানু ছুটে এলেন। ঘরের দরজা বন্ধ। জানালা দিয়ে দেখলেন ঝুলছে, লাশ ঝুলছে। চিৎকার দিয়ে রিয়ার বাবাকে ডাকলেন।
দরজা ভাঙা হলো। রিয়া ঝুলছে, লাশ হয়ে ঝুলছে। রিয়ার মা সাহেরা বানু অজ্ঞান অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। প্রতিবেশীরা রিয়ার লাশ নামিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়েছে।
চিরকুটটার দিকে চোখ গেল রিয়ার বাবা গোলজার মিয়ার।
লেখা আছে,
'আমার সতীত্বে আমিই নষ্ট করেছি। ভুল মানুষকে সবটা দিয়ে ভালোবেসে পেটের মধ্যে বিষাক্ত বিষ বহন করা সত্যিই দুষ্কর। তাই রাশিরাশি কষ্ট নিয়ে চলে গেলাম। ভালো থেক পৃথিবী। আমাকে ক্ষমা করো।'
.
রিয়ার বাবা গোলজার মিয়া কাঁদছেন। অঝোর ধারায় কাঁদছেন। হয়তো সন্তানকে মানুষের মত মানুষ করে না তুলতে পারার ব্যর্থতা তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।
(সমাপ্ত)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ