গল্পঃ "কাঁচের ঘর"
লেখাঃ সাজ্জাদ আলম বিন সাইফুল ইসলাম
.
.
(১)
ঘরের বাইরে বারবার আল্লাহর নাম জপ করছেন গোলজার মিয়া। মাঝে মাঝে মেঘলা আকাশের দিকে তাকাচ্ছেন। হয়তো কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টির পশলা অশান্ত পৃথিবীকে শান্ত করে দিবে। মেঘলা এই দিনে কতটুকু শান্ত থাকবে তার মন, কে জানে! পরপর তিনজন সন্তানের বিয়োগ যেন তার মনকে অতৃপ্ত করে দিয়েছে। আল্লাহ যেন তার পরীক্ষা নিচ্ছেন, কঠিন পরীক্ষা। কোরআনে একটি আয়াত পড়েছিলেন গোলজার মিয়া, 'তোমরা উত্তমভাবে ধৈর্য্যধারণ করো।'
আয়াতটা মনে পড়তেই শান্ত হবার চেষ্টা করেন তিনি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা তিনি ভুলেন না।
ঘরের ভিতর থেকে রাবেয়া বেগমের কষ্টসহিষ্ণু আলতো চিৎকার ভেসে আসছে। শরিফার মা এসেছেন সন্তান খালাস করার জন্য। দাঈ মা হিসেবে গ্রামে বেশ নামডাক তার। বারবার রাবেয়া বেগমের মাথা হাত বোলাচ্ছেন আর বলছেন, 'আল্লাহকে ডাক মা,আল্লাহকে ডাক।'
পরপর তিন সন্তানদের জন্মকালীন মৃত্যু তাকেও অশান্ত করে তুলেছে। দু'চোখ দিয়ে তার টপটপ করে অশ্রু ঝরছে। মেঘলা আকাশ ফেটে পানি ঝরতে শুরু করেছে। গোলজার মিয়া তড়িঘড়ি করে বাইরের ঘরে বসে কিছু একটা ভাবতে লাগলেন। একটু পর বৃষ্টির পানি দিয়ে ওজু করে নফল নামাযে বসে পড়লেন। কাঁদতে লাগলেন মুনাজাতে, 'হে আল্লাহ! পরপর তিনটা সন্তানকে কেড়ে নিয়েছো, ধৈর্য্যধারণ করেছি। এবারের সন্তানটাকে নিয়ো না। বুকটা যে আমাদের খাঁ খাঁ করে।এবার সন্তানটা যদি পৃথিবীর আলো দেখে আর ছেলেসন্তান হয়,কথা দিচ্ছি তোমার দ্বীনের খেদমতে মাদরাসায় পড়াবো।'
ঝুম বৃষ্টি বেশ ভালোই হচ্ছে।মাঝে মাঝে বিদ্যুৎও চমকাচ্ছে। মেঘের গুড়ুম গুড়ুম শব্দে ভীত অনেকেই।
এরই মধ্যে শরিফার মায়ের ডাক পড়ল, 'কই রে গোলজার, এদিকে আয় বাপ। তোর আশা পূর্ণ হইছে রে। তোর ফুটফুটে একটা ছেলে হইছে।'
মুনাজাত শেষ করে খুব দ্রুত এগিয়ে গেলেন গোলজার মিয়া। মুখে তার স্মিত হাসি। মেঘের গুডুম গুডুম শব্দেও নবজাতকের কান্নার আওয়াজ পৌঁছে গোলজার মিয়ার কানে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানায় রাবেয়া বেগম। কিছুক্ষণপর ঘরের ভিতরে ঢুকেন গোলজার মিয়া। নতুন অতিথির মুখে দেখে জানালার ফাঁক দিয়ে আকাশের দিকে চাহনি দেন। এ চাহনিতে রয়েছে সৃষ্টার প্রতি শুকরিয়া,এ চাহনিতে রয়েছে একজন অতৃপ্ত পিতার হৃদয়ের তৃপ্ত অনুভূতি।
.
(২)
বাড়িতে আজ লোকজনে পরিপূর্ণ। গোলজার মিয়া ছেলের আকিকার জন্য দু'টি ছাগল কোরবানি দিয়েছেন। ইসলামের রীতিমতো বন্টন করে দিয়েছেন দরিদ্রজনের মধ্যে। আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ছোটখাটভাবে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থাও করেছেন। সকলেই অনেক দোয়া করছে আব্দুর রহমানের জন্য। হ্যাঁ, গোলজার মিয়া একমাত্র ছেলের নাম আব্দুর রহমান রেখেছেন। হাদীসে পড়েছিলেন, "মহান আল্লাহর নিকট দুটি নাম সবচেয়ে প্রিয়, আব্দুর রহমান এবং আব্দুল্লাহ।" সেজন্যই ছেলের নাম আব্দুর রহমান রাখা। সুখের হাসি যেন লেগেই আছে নবজাতকের বাবা-মায়ের মুখে। গোলজার মিয়া মনে মনে ভাবেন, " যথেষ্ট পরীক্ষার পর আল্লাহ আকাশের চাঁদ যেন তার ঘরে দান করেছেন। ধৈর্য্যের ফল সুমিষ্ট হয়, দীর্ঘ সময় পরে কথাটি বাস্তবতায় রুপান্তরিত হলো।"
নবজাতককে পেয়ে যেমন খুশি হয়েছেন রাবেয়া বেগম, তারচেয়ে যেন বেশিই খুশি হয়েছেন গোলজার মিয়া। একজন পিতা বুঝি এভাবেই তার সন্তানের জন্য নিজের সবটুকু ঢেলে দেয়।
সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। সময় যেমন তার আপন গতিতে টিকটিক করে বয়ে চলে ঠিক তেমনি সমুদ্রের জলরাশি স্রোতের টানে দিগন্তে ছুটে চলে যায়। ছোট্ট আব্দুর রহমানও আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। একসময় বাবা-মায়ের কোল ছেড়ে একপা দু'পা করে হেঁটে বেড়ায় পুরো বাড়িতে। মুখে ফুটে আধো আধো ভাষায় বলতে শিখে মা কিংবা বাবা। নিজেদেরকে বাবা-মা বলে ডাকছে! ভাবতেই মনের মনে শান্তি অনুভব করেন গোলজার মিয়া ও রাবেয়া বেগম। আনন্দ যেন মৌ মৌ করতে থাকে গোলজার মিয়ার সংসার। রাবেয়া বেগমও আল্লাহর দরবারে আব্দুর রহমানের জন্য দোয়া করেন, যাতে সহীহ সালামতে সে বেড়ে উঠে। কোন অশুভ ছায়া যেন আব্দুর রহমানের শরীরে চাপতে না পারে।
" এই শুনছেন?" প্রাণপ্রিয় স্বামীকে নিচু গলায় ডাকতে থাকে রাবেয়া বেগম। ১০ বছরের সংসারে কোনদিন কোন কারণে স্বামীর বিরুদ্ধে উঁচু করে কথা বলে নি রাবেয়া বেগম। সে হিসেবে গোলজার মিয়া অনেকটা সুখি। রাবেয়া বেগমও গোলজার মিয়ার মতো একজন ন্যয়বান স্বামী পেয়ে খুশি।
'বলো, শুনছি।' চোখ দু'টো অর্ধেক মেলানো অবস্থায় উত্তর দিলেন গোলজার মিয়া।
'আব্দুর রহমানের তো ৬ বছর হতে চললো, আল্লাহর নিকট আমাদের প্রতিজ্ঞার কথা কি ভুলে গেছেন?' - শান্তস্বরে বললো রাবেয়া বেগম।
রাবেয়ার কথা শুনে বিছানায় উঠে বসলেন গোলজার মিয়া। রাবেয়া বেগমও উঠে পড়ে। 'কি যে কও না তুমি! সেই প্রতিজ্ঞার কথা কি ভুলে থাকা যায়! আমি কিছুদিন আগে হুজুরের সাথে আলাপ করেছি। উনি বলেছেন রমযান মাসের পর যোগাযোগ করতে। এ নিয়ে তুমি কোন চিন্তা করো না আব্দুর রহমানের মা।' -বললেন গোলজার মিয়া।
স্বামীর কথায় কোনরুপ উত্তর দেয় না রাবেয়া বেগম। কিছুক্ষণ চুপ থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আবার ঘুমিয়ে পড়ে।
.
(৩)
'এবারে পাগড়ী নেয়ার জন্য আহ্বান করছি হাফেজ মোহাম্মাদ আব্দুর রহমানকে, পিতা মোহাম্মাদ গোলজার মিয়া।' পাগড়ী বিতরণের মাহফিল চলছে। স্টেজের সামনে কয়েক শতাধিক মানুষ। সবাই পাগড়ী বিতরণ অনুষ্ঠান দেখছে। নিজের ছেলের নাম জনসম্মুখে শুনে মনটা তৃপ্ত হয়ে যায় গোলজার মিয়ার। সৃষ্টিকর্তার দরবারে পুনরায় শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। মহামান্য মেয়র সাহেবের নিকট থেকে পাগড়ী নিলেন আব্দুর রহমান। চিরাচরিত নিয়মানুযায়ী কোরআন তেলাওয়াত করার পালা। জনসম্মুখে মাইকের মাধ্যমে ভাসতে থাকে ১০ বছরের একজন কোরআনের হাফেজের সুমধুর তান। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে সাদা পায়জামা ও জুব্বা পরিহিত ছেলেটার দিকে। স্টেজের নিচ থেকে চোখের কোণা দিয়ে অশ্রুজল পরতে থাকতে টপটপ করে। হৃদয়টা যেন আরেকবার ভরে যায় গোলজার মিয়ার। হঠাৎ মাউথ পিসটা হাত থেকে পড়ে যায় আব্দুর রহমানের। মাইকে শুধু শেষবারের মতো একটা শব্দ উচ্চারিত হয়, 'মাগো'। স্টেজের উপরেই কাতরাতে থাকে আব্দুর রহমান। চারদিকে কানাঘুষা হতে থাকে। গোলজার মিয়া খুব দ্রুত স্টেজে উঠে ছেলেকে কোলোয় তুলে পাশের ঘরে নিয়ে যান। হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়াকে বেশ অদ্ভুত মনে হলো গোলজার মিয়ার কাছে। কাল বিলম্ব না করে ডাক্তারের কাছে ছুটে গেলেন। ডাক্তার সাহেব আসলেন, পরীক্ষা করে কয়েকটা টেষ্ট করাতে বললেন। ইতিপূর্বেও দু'বার এমনি হয়েছিলো। প্রথমবার সর্তক হন নি, এবার ব্যপারটাকে সিরিয়াস মনে করে তাই ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছেন। ডাক্তার সাহেবের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দেখে তার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলেন গোলজার মিয়া। অবাক হয়ে ডাক্তার সাহেবকে জিজ্ঞেস করলেন, 'ডাক্তারবাবু আমার আব্দুর রহমানের কিছু হবে না তো?' ব্যাগ গোছাতে গোছাতে ডাক্তারবাবু বললেন, 'আগে টেষ্টগুলো করান,তারপর দেখি।' কথাটা বলেই ডাক্তারবাবু চলে গেলেন। আশেপাশের আট-দশটা গ্রামের মানুষেরা ডাক্তারবাবুর উপর খুব ভরসা করেন। প্রতিদান স্বরুপ লাভ করে যোগ্য চিকিৎসা।
.
(৪)
আজ আবার বিষণ্ণতার ছাপ গড়ে উঠেছে গোলজার মিয়া ও রাবেয়া বেগমের উপর। সৃষ্টিকর্তার লিখনকে মেনে নিতে হয় নীরবে। বাড়ির আনন্দঘন পরিবেশটা যেন আজ থমথমে। কোথায় শুরু করবেন আর কোথায় শেষ করবেন কিছুই জানেন না গোলজার মিয়া। আব্দুর রহমানকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। রাবেয়া বেগম পাগলের মতো হয়ে গেছেন। রিপোর্টগুলোতে ডাক্তার সাহেব যা পেয়েছিলেন তার জন্য কোনভাবেই প্রস্তুত ছিলেন না গোলজার মিয়া। ডাক্তার সাহেবের সামনেই কেঁদে দিয়েছিলেন তিনি। বাবারা নাকি কঠিন হৃদয়ের মানুষ হয় কিন্তু গোলজার মিয়া তার বিপরীত। হয়তো সব বাবারাই এরকম তবে সব প্রকাশ করতে অক্ষম। আবারও সেই পরীক্ষা! রাবেয়া বেগম এখনো জানেন না আব্দুর রহমানের অসুখটা কি? শুধু তার একটাই চাওয়া, 'আমার ছেলের যেন কিছুই না হয়। আমার মানিককে আমি আবারও আমার বুকে ফেরত চাই।' রাবেয়া বেগমের কথায় উত্তর খুঁজে পান না গোলজার মিয়া। রাবেয়া বেগম তো তার কাছে অভিযোগ পেশ করছেন কিন্তু তিনি কার কাছে অভিযোগ পেশ করবেন? তিনি তো বাবা। বাবাদের হয়তো অভিযোগ পেশ করার অধিকার থাকতে হয়না। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বলেছেন, 'কোষগুলো আস্তে আস্তে সবকিছু নষ্ট করে দিচ্ছে। যা করার খুব দ্রুত করতে হবে। এ জাতীয় রোগের জন্য সিঙ্গাপুর সবচেয়ে ভালো।'
আনমনে হাঁটছেন গোলজার মিয়া। পথ যেন আজ ফুরাতেই চাচ্ছে না। সৃষ্টিকর্তা কেন বারবার কেন তাকে এভাবে পরীক্ষা করেন! সেই স্মিত হাসি হাসলেন। ডাক্তার সাহেব টাকা পরিমাণ বলেছেন ৫ লাখ। এতো টাকাই বা তিনি কোথায় পাবেন। তবে হ্যাঁ সব জমিটুকু বিক্রি করলে হয়তো হয়ে যাবে। যার জন্যই এই জমিগুলো,সেই যদি বেঁচে না থাকে তাহলে কি হবে এসব দিয়ে। খুব দ্রুত জমিগুলো বিক্রি করার বন্দোবস্ত করলেন। গ্রামের আর দশটা মানুষ এমন এক মানুষকে দেখছে, যে কিনা আজ অসহায়। আজ যদি বাবা-মায়ের অবাধ্য না হতো তাহলে এই কষ্ট স্বীকার করতে হতো না। কেউ কেউ তার পাশে দাঁড়াতো। তবে বাবা-মায়ের বাধ্য হলে রাবেয়াকে পাওয়া হতো না। আজ সকলেই থেকেও যেন তিনি একা, বড্ড একা।
.
(৫)
সৃষ্টিকর্তা যে কিভাবে অসম্ভবকে সম্ভবে রুপান্তরিত করেন, তা তিনিই ভালো জানেন। একজন বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসাটুকু উপলব্ধি করতে পেরেছেন গোলজার মিয়ার বৃদ্ধ বাবা-মা। তাইতো শেষমুহুর্তে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন তার ছোট ভাই ও বাবা-মা। বহুবছরপর বাবা-মাকে কাছে পেয়ে খুশিতে কেঁদে দিয়েছেন তিনি, ভাবতেও পারেননি এমনটা হবে। সব রেডি। শুধু ফ্লাইটটা বাকি। বৃদ্ধ বাবা-মা একমাত্র হাফেজ নাতির অপারেশনের সব টাকা দিচ্ছে। তাইতো অন্যকোন পথ অবলম্বন করতে হয়নি গোলজার মিয়ার। সবকিছু গোজগাজ করে নিয়েছেন রাবেয়া বেগম। এতো আয়োজন দেখে কিছুটা বিচলিত হয়েছে আব্দুর রহমান। একবার তার বাবাকে কাছে জিজ্ঞেস করেছিলো, 'বাবা আমরা কোথায় যাচ্ছি?'
মেকি হাসি দিয়ে গোলজার মিয়া বলেছিলেন, 'সিঙ্গাপুর যাচ্ছি বাবা। তোমার আরো উন্নত চিকিৎসা করাব। তুমি আবারও সুস্থ হয়ে মাদরাসায় যেতে পারবে। তোমাকে তো বড় আলেম হতে হবে বাবা। সিঙ্গাপুরে ভালো ডাক্তার দেখানো হলে তোমায় নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা ঘুরে বেড়াবো।' ছেলের দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারেন না গোলজার মিয়া। এরই মাঝে চোখের কোণে জমে গেছে পানি। লুকাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ঘর থেকে বের হবার জন্য সামনের দিকে হাঁটা দেন।
এমনসময় আব্দুর রহমান আবার ডাকে, 'বাবা আমি বাঁচব তো?'
ছেলের কথা শুনে কিছুটা অবাক হয়ে যান তিনি। তাহলে কি আব্দুর রহমান সবটা জেনে গেছে? চোখের হালকা জলকে এবার আর আটকাতে পারেন না তিনি। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে ঝরঝর করে কেঁদে দেন।
আব্দুর রহমানের আবারো বাবার কাছে আকুতি করে উঠে, 'বাবা আমি বাঁচতে চাই,আমি বাঁচতে চাই বাবা।'
কান্নাজনিত কন্ঠে গোলজার মিয়া উত্তর দেন, 'তুমি বাঁচবে বাবা,তুমি বাঁচবে। তোমাকে যে দেশের মুসলমানদের স্বার্থে বাঁচতেই হবে।'
আব্দুর রহমানকে নার্স ঘুমের ইনজেকশন পুস করে দেয়। ঘুমিয়ে পড়ে সে। গোলজার মিয়া আবারও ভঙ্গুর জর্জরিত হৃদয় নিয়ে হাঁটা দেয়। মনের ভিতরে অনেক প্রশ্ন, '
শেষপর্যন্ত কি তার কাঁচেরঘর টিকবে নাকি ভেঙে যাবে? এভাবে যদি সৃষ্টিকর্তার সম্পদ সৃষ্টিকর্তা কেড়েই নিবে তাহলে দু'দিনের অতিথি করে পাঠানোর কি দরকার ছিলো! কি দরকার ছিলো দু'দিনের মায়া আর ভালোবাসার? নাকি সপ্ত আসমানের উপর বসে মজার খেলা খেলছেন আর মিটমিট করে হাসছেন!' অন্যকিছু ভাবনাতে আসে না। শুধু মনের মধ্যে একটাই চিন্তা ধৈর্য্যধারণ করতে হবে, উত্তমভাবে ধৈর্য্যধারণ।
(সমাপ্ত)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4421
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ž:ā§Ēā§Ž AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ