āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

413

---»»» "" মায়াবিনী ""
..
---»»» ShahRiyar DhRubo(ছদ্মবেশী লেখক)
||
||
আমি(ধ্রুব), সীমান্ত ও মেঘ। একই শহরে থাকি। তিন বন্ধু। শুধু বন্ধু বললে ভুল হবে কারন আমাদের মতো বন্ধুত্ব শহরে আর কোথাও নেই। যেখানেই যাই তিনজন একসাথে। আর ঘুরতে যাওয়ার কথা শুনলে তো আমরা এক পায়ে খাড়া।
..
যদিও পহেলা বৈশাখের পরের দিন ঘুরতে যাওয়ার প্লান করছি।তারপরও খুব ইচ্ছে করছিল কোথাও ঘুরতে যেতে। ফোন দিলাম মেঘকে.....
..
-- হ্যালো...
-- দোস্ত কই তুই??
-- এইতো স্কুল মাঠে..
-- সীমান্ত কি তোর সাথেই আছে??
-- হুমম.. আছে।  কেন??
-- তোরা থাক আমি আসতেছি।
-- ওকে আই।
..
বলেই ফোনটা কেটে দিল।  আমি আর দেরি না করে রওনা হলাম স্কুল মাঠের দিকে। গিয়ে দেখি দুজন বসে আছে।
..
-- কিরে দোস্ত ফোনে মনো হলো কিছু বলবি?? (মেঘ)
-- আরে এভাবে কি বাড়িতে বসে থাকা যায়।। (আমি)
-- চল কোথাও থেকে ঘুরে আসি?? (সীমান্ত)
-- ঠিক বলেছিস।(আমি)
-- কিন্তু কোথায় যাবি??(মেঘ)
-- চল পাকশী যায়??(সীমান্ত)
-- আচ্ছা চল.... (আমি)
..
তিনজন রওনা হলাম। গন্তব্য পাকশী হাডিং ব্রীজ। কারন সেখানে সব সময় ছোট খাটো মেলার মতো লেগেই থাকে।
বাইকটা পার্কিং করে,  তিনজন দোকান গুলো ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। ছোট খাটো অনেক কিছুই পাওয়া যায় এইসব দোকানে তবে মেয়েদের জিনিস একটু বেশি। তাই জন্য মেয়েদের ভীড়টা একটু বেশী।
এদিকে মেঘ আর সীমান্ত আমাকে একা রেখে কোথায় যেন চলে গেল। মনে হয় কোনো মেয়ের পিছু নিয়েছে। আমাকেও নিতে পারতো। শালা বন্ধু নামের কলঙ্ক।
কি আর করবো তাই ফেসবুকটা একটু ঘাটছিলাম...
..
"ভাইয়া নুপুরটা দেখি তো"
মেয়েলি কন্ঠে পাশে ফিরে তাকালাম। একটি মেয়ে নুপুর কিনতে এসেছে।যদিও দোকানটিতে আরো মেয়ে আছে।তবে এই মেয়ের কন্ঠে কেনো জানি হঠাৎ করেই হৃদয়টা ষ্পন্দিত হলো।বুকের বাম পাজরে কম্পন এসে ধাওয়া করল।
..
কন্ঠটা এতো মিষ্টি বলে বুঝানো যাবে না। কে যানে! মেয়েটি জন্মের পর মেয়েটির মা কতখানি মধু খাইয়েছে। ভাবতে ভাবতেই দেখি মেয়েটি কয়েকটা
নুপুর দেখছে।কিন্তু একটাও তার পছন্দ হচ্ছে না এমনি বুঝা যাচ্ছে।চেহারায় কেমন যেনো একটা অস্থিরতা ভাব। যদিও চেহারার পুরুটা দেখতে পারছি না। তাই হাত বাড়িয়ে একটি নুপুর নিয়ে মেয়েটিকে বললাম,
-- এটা নিন। আপনাকে খুব মানাবে"
মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে এক কথায় উত্তর দিলো,
-- নাহ।এটা আমার পছন্দ না"
..
আশ্চর্যের ব্যাপার আমি মেয়েটির চোখের দিকে তাকিয়ে আর চোখ ফেরাতে পারছি না। দুটি চোখে টানা কালো কাঁজল দেয়া।মায়া মাখানো দুটি চোখ।
মেয়েটির মায়াবি চোখে তাকালেই মনে হয় পৃথিবীর সব সুখ যেনো তার চোখে এসে থেমে গেছে। চিকন দুটি গোলাপি ঠোঁট। ঐ গোলাপী ঠোঁট দুটোই মেয়েটির মায়াবী ভাবটা আরো লক্ষগুন বাড়িয়ে দিয়েছে।চোখের এক পলকেই আবিষ্কার করে ফেললাম, গোলাপী দুটো ঠোট ও আর কাজল কালো চোখ মিলিয়ে মায়াবিনী সে। চুল গুলো খুব লম্বা ও সিল্কি।
..
দোকান থেকে বেড়িয়ে চলে যাচ্ছে মেয়েটি।ইচ্ছে করছে আমার রাখা সেই প্রিয় নামটি ধরে ডাকতে।বলতে ইচ্ছে করছে তোমার নামটি বলে যাও "মায়াবিনী........."
..
মেঘ আর সীমান্ত টাও সেই যে গেছে এখনো আসার নাম নেই। না ওদের জন্য অপেক্ষা করলে হবে না।
ঐ মায়াবিনীর পিছু নিতেই হবে ।
হাঁটতে হাঁটতে রিক্সা ষ্টান্ড পর্যন্ত এলাম।মেয়েটা রিক্সায় চড়ে বসল।মেয়েটাকে ডাকতে ইচ্ছে করছে প্রবল। শহুরে পথঘাট ব্যস্ততায় মোটামোটি ভালো জ্যাম লেগেছে। ওভারব্রীজের কাজ চলছে তাই কিছুক্ষনের জন্য নাকি রাস্তা বন্ধ থাকবে।
..
মেয়েটা রিক্সা থেকে নেমে গেছে।দ্বিতীয় বারের মত মেয়েটার মায়াবি মুখটা আবারো দেখলাম।
অস্বস্থ্যির ছায়া পরেছে তার মুখের উপর।তবুও যেন সে সব দিক থেকেই মায়াবিনী।কয়েক পলক মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে হন হন করে সামনের দিকে পা ফেলে হাঁটা ধরল।
..
সূর্যের প্রখরতায় ঘেমে যাচ্ছে সে।পিছু পিছুু খানিকটা ভয় নিয়ে হাঁটছিলাম আমি।ফুল হাতা জামা পরেছে সে।
হাতার শেষাংশের কাপড় দিয়ে মুখের ঘাম মুছার বৃথা চেষ্টা করছে সে।মনে হল তার সাথে কথা বলার একটা সুযোগ পেলাম।
তার পাশাপাশি গিয়ে একটা টিস্যু বাড়িয়ে দিলাম তার দিকে।সাথে ছোট্ট একটা হাসিও দিয়েছিলাম তখন।
সে আমার দিকে তাকিয়ে সাধরে টিস্যুটা গ্রহন করল।ভয়ের রেশ কেটে কিছুটা সাহসের ছায়া পরল মনে প্রান্তরে।সে টিস্যু দিয়ে মুখটা মুছে প্রশ্ন করল,
-- কোথায় থাকেন আপনি??
..
তার এই প্রশ্নের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না তখন।ভেবেছিলাম হয়ত একটা হাসি দিয়ে ধন্যবাদ দিবে।
-- জ্বী... কলেজ পাড়া।
-- তা মিরকামারির দিকে কোথায় যাচ্ছেন?
..
আবারো সে প্রশ্ন করল। হাটতে হাটতে তো রুপপুর পেরিয়ে মিরকামারির সম্মুখীন হচ্ছি তা খেয়াল ই করি নি।
-- না মানে,ঐদিকে একটা কাজ আছে।
মিথ্যার আশ্রয় নিলাম।
-- তা কাজটা কি জানতে পারি?
-- অবশ্যই।কেন নয়।
-- বলুন কাজটা কি?
-- মানে গ্রামীনফোন কাষ্টমার কেয়ারে যাব।
-- এটা তো ঈশ্বরদী!!" ভালো ভাবে মিথ্যা বলতেও শিখেন নি!
..
ইস! মিথ্যা বলতে গিয়ে মাথা ঘুলিয়ে গিয়েছিল! চুপ করে রইলাম কিছুক্ষন।নিরবতার আপৃষ্ঠে সে বলল...
-- আমি বাসার কাছাকাছি এসে গেছি
-- কিছু বলার ছিল আপনাকে
-- সেটা আগেই বুঝতে পেরেছি। মিথ্যা বলে এতক্ষন সময় নষ্ট না করলেও হতো
-- আপনার নামটা জানতে পারি?
উচ্ছাস ভরা মুখে হেসে দিল সে।তার হাসির কারনটা বুঝলাম না।বোকার মত কিছু বলি নি তো!!
-- আপনি নাম জানার জন্য এতখানি পথ পিছু পিছু হেঁটে এসেছেন!
-- চুপ করে রইলাম।
-- আমি জান্নাত ।পুরো নাম তাসফিয়া জান্নাত আদিবা। আর কিছু?
--"উহু"
--কিসের উহু! শুধু নাম জানতে এসেছেন নাকি নাম্বারটাও নিতে এসেছেন!
..
মেয়েটার কথায় মাথার মধ্যে ভাজ পরলো।
সে কিভাবে বুঝল নাম্বার চাইতে এসেছি!!! কিছু বলার আগে বুঝে যাওয়ার ক্ষমতাও হয়ত সৃষ্টিকর্তা তাদের মধ্যে বৃদ্ধমান রেখেছে।
-- দেখি মোবাইলটা দিন?
..
বাধ্য ছেলের মত তার কথা অনুসারে মোবাইলটা তার হাতে দিলাম।কিছু টাইপ করে মোবাইলটা আবার আমার হাতে হস্তান্তর করল।
-- নাম্বার দিয়েছি।ডায়াল লিষ্টেই আছে।সেভ করিনি।সেভ করে নিয়েন।
..
ঘাড়টা নাড়িয়ে মাথাটা কিঞ্চিত কাত করে ছোট্ট করে বললাম,,
-- আচ্ছা
-- আর অত বোকা-সোকা হলে চলবে না কিন্তু! যাই তাহলে,বাসার কাছে এসে গেছি।
-- আচ্ছা ফোনে কথা হচ্ছে তাহলে?
-- হুম,যাই
বলেই হন হন করে হেঁটে চলে গেল সে।
..
এক বছর পর...
বাইক ড্রাইভ করে জয়নগর পার্কের দিকে যাচ্ছি।
জান্নাত সেখানে দেখা করতে বলেছে।এই এক বছরের মধ্যে অবশ্য কয়েকবার ই দেখা হয়েছে।তবে ভালোবাসা নামক সম্পর্কের পর এই ই প্রথম পার্কে যাচ্ছি।
..
ব্যাঞ্চিটার উপর বসে আছে সেই মায়াবিনী জান্নাত ।
ব্যাঞ্চিটার উপর পিষ্ঠে পিঠ লাগিয়ে জান্নাতের উরুর উপর মাথা রেখে শুয়ে আছি বেশ কিছুক্ষন ধরেই! চুল গুলো নিয়ে খেলা করছে সে।
আর তার চুলগুলো নিয়ে খেলা করছে শূন্য বাতাসের প্রখট। তাকিয়ে আছি সমস্ত চেহারা জুড়ে।
আরো দেখতে ইচ্ছে করে মায়াবিনীকে।দেখার স্বাদ যেন ফুরায় না।বিকেলের লালচে সূর্য কিরন এসে পরছে জান্নাতের নাকের ঢগায়।দূর গগনের রোদ্দুরও মায়াবিনীকে ছোঁয়ে যেতে চায়.....................

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ