āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

414

»»»»»»»» ধনী-গরীবের ভালোবাসা

»»»»»»»» ShahRiyar DhRubo(ছদ্মবেশী লেখক)
¦¦
অচেনা শহর, সব কিছুই অচেনা। কিন্তু তার মাঝেই কি যেন খুঁজে পেতে চাই মন। হয়তো একটু ভালোবাসা, একটু সুখ।

আমি ধ্রুব। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। পড়াশোনার জন্য চেনা শহর ছেড়ে এই অচেনা শহরে। যদিও এখানে আসার কথা ছিল না তবুও কিভাবে যে চান্স পেলাম বুঝলাম না। আসলে পড়াশোনা করতে ইচ্ছে করতো না। কিন্তু বাবা মা কষ্ট করে পড়াশোনা করাচ্ছে সেটা ভেবেই পড়তাম। তাই হয়তো চান্স পেয়েছি।

আপনাদের নিশ্চয়ই অনেক কৌতুহল হচ্ছে, কখন থেকে বলেই যাচ্ছি অচেনা শহর অচেনা শহর কিন্তু নামটাই বলছি না। আসলে আমি ঢাকার কথা বলছি। জাহাঙ্গীর নগর ভার্সিটিতে চান্স পেয়েছি তো তাই।

যথারীতি ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে গেলাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, তার উপর এমনিতেই বাবা অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করাচ্ছে। সব কিছু ভেবে মেসে না উঠে ভার্সিটির হোস্টেলে উঠলাম।

ক্লাস শুরু হয়ে গেল। রেগুলার কলেজ যেতাম। কিছু দিনের মধ্যেই আমার অনেক গুলো বন্ধু হয়ে গেল। আসলে আমি একটু চঞ্চল তো তাই। তাইতো গিটারটা নিয়ে সব সময় বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতাম।

দেখতে দেখতে ১ বছর পার হয়ে গেল। ১ম বর্ষ পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়ে দিল। ফাস্ট ক্লাস নিয়ে পাস করলাম। সবাই তো অবাক ধ্রুব কি না পাস করলো ফাস্ট ক্লাস নিয়ে। যে তার গিটার আর আড্ডা দুটো নিয়ে সব সময় পরে থাকতো।

যাইহোক রেজাল্টের কিছু দিন পরেই ২য় বর্ষের ক্লাস শুরু হয়ে গেল। ক্লাস করতে করতেই জান্নাত নামের একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হলো আমার। আমাদের সাথেই পড়ে। আসলে মেয়েটি অনেক ধনী ছিল। আর আমি ধনী মানুষদের একটু এড়িয়ে চলতাম।
কিন্তু জানি না কি ভেবে মেয়েটি আমাকে ডাক দিল....

- ধ্রুব.......
- আমাকে ডাকছো??
- আমাদের কলেজে ধ্রুব নামের কি আর কেউ আছে??
- জানি না... থাকতেও পারে?
- থাকলে থাকবে। কিন্তু আমি তোমাকেই ডাকছি...
- ও... আচ্ছা কি বলবা বলো??
- আমি দেখেছি তুমি কলেজের প্রায় সবার সাথে কথা বলো, কিন্তু আমার সাথে কথা বলো না.. কেন জানতে পারি কি??
- আসলে আমি ধনী মানুষদের কে একটু এড়িয়ে চলি...
- আমি যে ধনী তোমাকে কে বললো?
- ওইতো কে যেন বলেছিল...
- আচ্ছা, আমি যদি নিজে থেকে তোমার সাথে বন্ধুত্ব করতে চাই, তুমি কি আমার বন্ধুত্ব এক্সেপ্ট করবে?
- হুমমমম... কেন না??
- আচ্ছা, তাহলে আজ থেকে আমরা ফ্রেন্ডস্....
- ওকে....

এভাবেই পরিচয় হয় জান্নাতের সাথে। বন্ধুত্বও হয়।
¦¦
এভাবেই কয়েক দিন কেটে গেল। জান্নাত এখন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। কলেজে আসলেই দুজন একসাথে। শুধু দুজনই না বেশিরভাগ সময় আমরা কয়েকজন ফ্রেন্ডস্ মিলে বসে যেতাম আড্ডা দিতে। আর আড্ডা মানেই আমার গান। গিটার টা সব সময় সঙ্গেই থাকতো। শুরু করে দিতাম গান। অন্য সবার ভালো লাগতো কি না জানি না তবে আমরা কয়েকজন খুব মজা করতাম।
..
কিন্তু এভাবে তো জীবন চলে না তার উপর আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। অনেক ভাবলাম কিন্তু কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। কিছু তো একটা করতেই হবে। হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠলো, দেখি কলেজের এক বড় ভাই ফোন দিছে...
.......
- আস্সালামুআলাইকুম ভাইয়া..
- অলাইকুমআস্সালাম..
- কেমন আছেন ভাইয়া??
- ভালো.. তুই??
- ভালো আছি ভাইয়া।
- শোন, তোকে যে জন্য ফোন দিছি...
- জ্বী, ভাইয়া বলেন..
- আমার এক ফ্রেন্ডের ছোট ভাইকে পড়াতে হবে.. পারবি??
- জ্বী, ভাইয়া পারবো। (খুশি হয়ে বললাম) -
- ওকে,, কালকে দেখা করিস...
.......
বলেই ফোনটা কেটে দিল। পরের দিন রেডি হয়ে চলে গেলাম। বড় ভাইয়া সাথে করে নিয়ে গেল তার ফ্রেন্ডের বাসায়।
সব কিছু ঠিক হয়ে গেল। যাকে পড়াতে হবে সে ক্লাস ফাইভে পড়ে। সপ্তাহে ৪ দিন। পাঁচ হাজার টাকা দিবে। কিন্তু পড়াতে হবে সন্ধ্যার সময়।
ভালোই হলো একটা কিছু করার কথা ভাবছিলাম সেটা হয়ে গেল (মনে মনে ভাবলাম)।
,,
বিকেলে কলেজ মাঠে বসে ছিলাম বন্ধুদের সাথে। ঠিক ওই সময়ে জান্নাতের ফোন...

- কিরে কই তুই??
- এইতো কলেজ মাঠে বসে আছি।
- চৌরাস্তার মোড়ে আইতো একটু।
- পারবো না।
- আচ্ছা থাক আমি নিয়ে আসতেছি...
- হুমমমম... তাই আয়......

কিছুক্ষণ পরেই জান্নাত রিক্সা নিয়ে চলে এলো...

- উঠে আই...
- কই যাবি??
- আগে ওঠ... বলতেছি..
- ওকে চল...
- ওই মামা, চলেন।
- কিরে কই যাচ্ছি বলবি তো??
- শপিং করতে।
- তো আমাকে নিয়ে যাচ্ছিস কেন??
- তুই পছন্দ করে দিবি তাই.....
- ও...
অবশেষে রিক্সা থেকে নামলাম। জান্নাত ভাড়াটা দিয়ে আমার হাত ধরে নিয়ে গেল এক মস্ত বড় শপিং মলে। অনেকক্ষণ ঘুরাঘুরি করে একটা দোকানে ঢুকলাম।
- কি রে দোস্ত তুই এখানে কি কিনবি??
- দেখতো শার্টটা কেমন??
- ভালো.. কিরে কার জন্য..? বয়ফ্রেন্ড নাকি?
- হুমমমম...
(কথাটা শুনে কষ্ট হচ্ছিল , আসলে মনে মনে ওকে ভালোবাসতাম কি না তাই। ধুরর কি ভাবছি আমার মতো গরীব ছেলেকে ও কেন ভালোবাসবে।? ওতো ভালোবাসবে কোনো ধনীর রাজপুত্রকে।)
- নীল রঙটা কি তার খুব প্রিয়??
- তাই শুনেছিলাম।
- ও... আচ্ছা চল...
বলেই বাইরে বেরিয়ে এলাম। জান্নাত বিলটা দিয়ে তারপর আসলো।
- কিরে রিক্সা ডাক একটা??
(রিক্সা ডাকলাম একটা)
- যা ওঠ...
- তুই উঠবি না?
- না তুই যা.. আমি পরে যাবো।
- না আমার সাথেই যাবি..পকেটে টাকা আছে তোর যে একা যাবি? ওঠ বলছি?
(আর কিছু না বলে উঠে পরলাম)
.........
- কি রে নাম.....
- কেন??
- তোর হোস্টেলে সামনে এসে পরছি...
- ওও...
রিক্সা থেকে নেমে হোস্টেলের দিকে যাবো.. এমন সময়..
- ধ্রুব.... শোন..
- বল?
- এইটা তোর...
- এইটা আমি কি করবো? এটা তো তোর বি এফ এর?
- ওই... আমার বি এফ থাকলে তুই জানতি না? এটা তোর জন্যই কিনছি। আর শোন, কালকে থেকে এই নীল শার্টটা পরে আসবি? কি একটা গেঞ্জি পরে আসিস.....
কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই ওখান থেকে চলে গেল...
||
এদিকে আমি যে একটা টিউশনি পেয়েছি এটা জান্নাত কে বলি নাই। ভেবেছি টিউশনির টাকা থেকে একটা গিফট নিয়ে গিয়ে সারপ্রাইজ দিবো।
এই থামেন থামেন জান্নাত ফোন দিছে....
- হ্যালো...
- কই তুই??
- বাসায়... কেন?
- তোর ফোন অফ ছিল কেন?? আর প্রতিদিনই এই সময় ফোন অফ থাকে.. কি জন্য বল??
- আরে কই.. হয়তো নেট প্রবলেম...
- প্রতিদিনই নেট প্রবলেম থাকে?
- জানি না.. বাদ দেতো.. কি করছিস বল??
- কিছু না.. তুই??
- তোর জন্য একটা চিঠি লিখছি...
- সত্যি....
- তোর জন্য চিঠি লিখবো.. আমার কি মাথা খারাপ নাকি?. এমনি বললাম..
- তুইইইই.... তুই একটা ফালতু। তোর সাথে কোন কথা নাই। বাই
- এই শোন শোন....
যা কেটে দিলো....
মনে হয় খুব রেগে গেছে। জানি না কেন জানি ওকে রাগাতে খুব ভালো লাগে। আসলে আমি রাগালেও ও বেশিক্ষণ রেগে থাকতে পারে না। ভালোবাসে তো আমায়। আমিও ভালোবাসি। কিন্তু বলতে পারি না কারন জান্নাত খুব ধনী পরিবারের মেয়ে আর আমি মধ্যবিত্ত। কেউ মেনে নিবে না আমাদের সম্পর্ক।
.....
যাইহোক দেখতে দেখতে এক মাস কেটে গেল। আজকে আমার টিউশনির টাকা দিবে। অনেক ভেবে দেখলাম মেয়েটা আমায় অনেক ভালোবাসে। না এভাবে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানেই হয় না। বলে দিবো আমিও ওকে খুব ভালোবাসি।
টিউশনির টাকা নিয়েই চলে গেলাম মার্কেটে। অনেক খুঁজে ওর জন্য এক জোড়া পায়েল কিনলাম। আর সাথে কিছু গোলাপ ফুল। প্রোপজ করার জন্য।
রাত্রেই চলে গেলাম ওর বাসার সামনে। ফোন দিলাম ওকে...
- হ্যালো..
- বাসার নিচে আই...
- মানে কি এতো রাতে বাসার নিচে কেন?
- আসতে বলছি আই..
- কিরে এতো রাত্রে তুই এখানে কেন?
(কিছু না বলে হাটু গেরে নসে পরলাম। গোলাপ গুলো দু হাতে নিয়ে ওর সামনে ধরে)
- তোর পাশে সারাজীবন থাকার অধিকার টুকি দিবি, সারাজীবন এক সাথে পথ চলার সঙ্গী করে নিবি, আমায় একটু ভালোবাসবি??

দেখি ওর চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে পরছে। আমার বলা শেষ হতেই আমার বুকে ঝাপিয়ে পরলো। জড়িয়ে ধরে বললো...
- আমাকে কখনো ছেড়ে ষাবি নাতো??
- কখনো না... শোন না তোর জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে..
- কি.. বল?
- চোখ বন্ধ কর?
- ওকে করলাম...
আমি ওর পায়ে নুপুরটা পরিয়ে দিলাম
- কি রে... এতো টাকা কই পাইলি?
- আমি একটা টিউশনি করতাম.. আজ টাকা দিছে।
- আমাকে তো বলিস নাই?
- সারপ্রাইজ দিবো বলে...
- সারপ্রাইজ না... দাড়া...
বলেই আমাকে ধরতে আসছিল.. আমি দিলাম দৌড়। ও পিছনে ছুটতে লাগলো। ভুলেই গেছিলাম যে রাত।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ