āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

412

গল্পঃ মিষ্টি ভালোবাসা
.
.
-এই শুনছো। (রিয়া)
> হুম বলো (মুফতি)
-আমার টাকা লাগবে পাঁচশো (রিয়া)
> ড্রয়ারে আছে নিয়ে নাও। (মুফতি)
-পাঁচশো টাকা কেনো লাগবে, জানতে চাইলে না।
> টাকার প্রয়োজন সবার রয়েছে,তুমি তো আমার স্ত্রী
তোমার টাকার প্রয়োজন হয়েছে,সেইজন্য তুমি
চেয়েছে,এখানে জানতে চাওয়ার কি আছে?
-তুমি এমন কেনো?
> কেমন আমি।
-আমি কিছু চাইলেই সেটা তুমি জানতে না চেয়ে দিয়ে
দাও।
> তুমি আমার স্ত্রী,আর তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে
অনেক।
-হু বুঝেছি,তোমার কাজ কি শেষ হয়েছে,তাহলে সবাইকে
খেতে দিবো।
> আরেকটু সময় লাগবে,তুমি বাবা মা,আর অন্যদের খেতে
দাও আমি একটু পরে খাচ্ছি।
.
রিয়া ড্রয়ার থেকে পাঁচশো টাকা নিয়ে নিলো।কারন
বাড়ির পাশ দিয়ে যখন কোন আইসক্রিম বিক্রেতা যায়
তখন বাড়ির দুই ছোট ছেলে,
রিয়াকে এসে বলে ভাবি ভাবি,
আইসক্রিম খাবো।
.
রিয়ার কাছে টাকা না থাকাই রিয়া ওদের আইসক্রিম
কিনে দিতে পারে না,
তখন ওরা রাগ করে চলে যায় ওর কাছে থেকে।
আর সারাদিন রিয়ার কাছে আসে না।
এখন থেকে আর কোন সমস্যা হবে না,
এখন তো রিয়ার কাছে টাকা আছে।
এখন ওরা বলতেই ওদেরকে রিয়া আইসক্রিম কিনে দিতে
পারবে।
.
রিয়া আর মুফতির বিয়েটা পারিবারিক ভাবে হয়েছে।
ওদের পরিবারের সবাই এখন রিয়াকে অনেক ভালোবাসে,
কারন রিয়া সবার মনে যায়গা করে নিয়েছে।
রিয়ার ব্যাবহারে পরিবারের সবাই অনেক খুশি।
পরিবারের সবার মুখে একি কথা রিয়ার মতন লক্ষী
মেয়েই হয় না।
.
রিয়া বাড়ির সবাইকে ডেকে নিয়ে খেতে দেই,
.
-বউমা মুফতি কোথাই, ওকে তো দেখছি না (মা)
> ও বসে থেকে অফিসের কাজ করছে,কাজ শেষ হলে চলে
আসবে, আপনারা সবাই খেয়ে নিন (রিয়া)
-ভাবি তুমিও আমাদের সাথে খেয়ে নাও (রিমন)
> আমি তোমার ভাইয়ের সাথে খেয়ে নিবো, তুমি এখন
খাও(রিয়া)
.
বাড়ির সবার খাওয়া শেষ করে,শুধু মুফতি,আর রিয়া বাদে।
বাড়ির সবার খাওয়া শেষে,
রিয়া খাবার টেবিলে বসে আছে খাবার নিয়ে,মুফতির
জন্য,
কিন্তু মুফতির কোন খবর নাই।
অনেকক্ষণ বসে থাকার পরে মুফতি আসলো।
.
-এতোক্ষন লাগলো তোমার কাজ শেষ হতে। (রিয়া)
> অফিসে কাজের চাপ বেশি,সেইজন্য অফিস শেষে
বাড়িতেও এসে কাজ করতে হয়। (মুফতি)
- সবসময় তো বলো কাজের চাপ বেশি, কখনো
বলেছো,আজকে কাজের চাপ কম,না খেয়ে কাজ করতে
বসেছে,
এখন খেয়ে নাও।
> তুমি খেয়েছো।
-না ।
> আমার জন্য না খেয়ে আছো।
-সেটা তো তুমি জানই।
> পাগলী একটা।
.
রিয়া আর কিছু বলে না,
মুফতির মুখে পাগলী ডাক শুনতে রিয়ার ভালই লাগে।
রিয়া খাবার বেড়ে দেই,
দুজনে এক সাথে বসে খাবার খেয়ে নেই।
.
খাবার খেয়ে মুফতি রুমে এসে আবার অফিসের কাজে মন
দেই।
কালকে ছুটির দিন তবুও মুফতি অফিসের কাজ করে।
আজকে অফিসের কাজ শেষ করতে পারলে কালকে একটু
আরাম পাওয়া যাবে।সেইজন্য
মনোযোগ সহকারে অফিসের কাজ করতে থাকে মুফতি।
.
-এখনো তোমাকে অফিসের কাজ করতে হবে (রিয়া)
> কি করবো বলো,এখন কাজ শেষ করতে পারলে কালকে
একটু বিশ্রাম নিতে পারবো। (মুফতি)
- ল্যাপটপ বন্ধ করো,আর এখনি শুয়ে পড়বে। নইতো তোমার
ওই ল্যাপটপ ভেঙ্গে ফেলবো।
> কাজ না করলে তো টাকা আসবে না।
-এই নাও পাঁচশো টাকা এখন কাজ বন্ধ করে শুতে
চলো,রাত জেগে কাজ করতে হবে না (রিয়া)
.
মুফতি রিয়ার অভিমান দেখে মনে মনে মুচকি হাসে।
মেয়েটা যেমন ভালো,তেমন রাগী।
মুফতি ল্যাপটপ বন্ধ করে, রিয়ার দেওয়া পাঁচশো টাকা
হাতে নেই।
.
-এই তোমার না পাঁচশো টাকা লাগবে,তাহলে তুমি কেনো
টাকাটা আমাকে দিয়ে দিচ্ছো। (মুফতি)
>সারাদিন তো অফিসেই বসে থাকো,আমাকে দেবার
মতন সময় তোমার আছে বলে মনে হয়না।
-তাই বলে টাকা দিয়ে দিবে।
> কিছুক্ষন আগেই তো বললে কাজ না করলে তুমি টাকা
পাবে না,
তোমাকে কাজ করতে হবে না আমাকে একটু সময়
দাও,সময়ের বিনিময়ে তোমাকে টাকা দিলাম।
তোমার তো সময়ের অনেক দাম।
.
মুফতি বুঝতে পারে রিয়ার অভিমান,অার রাগের কারন।
মুফতির থেকে রিয়া একটু সময় চাই,
.
কিন্তু মুফতি কি করবে অফিসের কাজের চাপের জন্যই
তো সে রিয়াকে সময় দিতে পারে না।
.
.
মুফতি ভাবে এখন থেকে ওকে একটু সময় দিতে হবে।
সারাদিন তো কাজ নিয়েই পড়ে থাকি।
.
-এই নাও তোমার টাকা। (মুফতি)
>লাগবে না টাকা, তোমার কাছেই রাখো।
-রাগ করো না,আর এমন হবে না, টাকাটা এবার নাও।
.
মুফতি রিয়াকে টাকাটা দিয়ে রিয়াকে জড়িয়ে ধরে।
মুফতিও কিছু বলে না,
সব মেয়েরাই তো চাই তাদের স্বামী তাদেরকে
ভালোবাসুক,
কাজের ফাকে ফাকে তাদেরকে একটু সময় দিক।
.
মুফতি রিয়াকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে,মুফতি হারাতে
চাই না রিয়াকে।
.
দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ে।
হারিয়ে যায় স্বপ্নের দেশে।
.
পরের দিন,
.
.
-ভাবি ভাবি ভাবি,আইসক্রিম খাবো,আজকে কিনে
দিতেই হবে (রিমন ও রাইসা)
> আইসক্রিম বিক্রেতাকে থামতে বলো আমি আসতেছি
(রিয়া)
.
রিয়া রুমে এসে টাকা নিয়ে যায়।
রিমন ও রাইসাকে রিয়া আইসক্রিম কিনে দেই।
.
-ভাবি তুমিও নাও (রাইসা)
> আচ্ছা নিচ্ছি (রিয়া)
-ভাবি আম্মু বলেছে আইসক্রিম খেলে ঠান্ডা লেগে জ্বর
চলে আসবে,
সেইজন্য আম্মু আইসক্রিম কিনে দেই না,আর আইসক্রিম
খেতে দেখলে মারবে বলেছে।(রাইসা)
> তোমরা আমার রুমে গিয়ে আইসক্রিম খাও,তাহলে
তোমার আম্মু দেখতে পাবে না তোমাদের,আর তাহলে
তোমাদেরকে মার খেতে হবে না (রিয়া)
.
রাইসা আর রিমন,দুজনেই রিয়ার দুইগালে দুইজন চুমু দিয়ে
চলে যায়।
আর আ
এটা দেখে রিয়ার দুচোখে একটু জ্বলের অার্বিভাব হয়।
রিয়া বুঝতে পারে
এরা দুইজন রিয়াকে অনেক ভালোবাসে,রিয়া ওদের
ভালোবাসা দেখে আনন্দিত হয়ে যায়।
.
রিয়াও একটি আইসক্রিম কিনে বাড়ির ভিতরে চলে
আসে।
.
-কি ব্যাপার একা একা আইসক্রিম খাচ্ছো,আমাকে কি
দেখতে পাচ্ছো না (মুফতি)
> আমি কি জানতাম নাকি,তুমি আইসক্রিম খাবে এখন।
(রিয়া)
-এখন তো জানলে,রাইসা, আর রিমন কে ঠিকি আইসক্রিম
কিনে দিলে, আর আমার বেলাতে শুন্য,আমাকে তুমি
একটুও ভালোবাসো না (মুফতি)
> হু,তোমাকে ভালোবাসতে আমার বইয়েই গেছে,
আর এখন তো আইসক্রিম বিক্রেতা চলে গেছে,তুমি
আমার টাই নাও।(রিয়া)
-তাহলে তোমার তো আর খাওয়া হবে না।
> আমি অন্যদিন খাবো।
-একটা আইসক্রিম দুজনেই ভাগ করে খাবো,তাহলে
তোমার ও আমার দুজনের খাওয়া হয়ে যাবে। (মুফতি)
.
> আমি ভাগ করে আইসক্রিম খাবো না (রিয়া)
-কেনো? (মুফতি)
> আমার টাকার আইসক্রিম খেলে আমি একাই
খাবো,পারলে নিজের টাকা দিয়ে কিনে খাও।
-কিইইই বললে,তোমার টাকার আইসক্রিম।
> হ্যাঁ আমার টাকার আইসক্রিম।
-তার মানে তুমি ভাগ করে আইসক্রিম খাবে না।
>না ভাগ করে আমি আইসক্রিম খাবো না,খেলে আমি
একাই পুরোটা খাবো,নইলে তুমি একাই পুরোটা খাবে।
-না আমি তোমার আইসক্রিমটা দুজনে ভাগ করে খাবো।
> না আমি তাহলে দিবো না,
কথাটি বলেই রিয়া নিজের রুমের দিকে দৌড় মারলো
আইসক্রিম নিয়ে,
আর মুফতিও দৌড় দিলো রিয়ার পেছন পেছন,
সে আজকে রিয়ার থেকে আইসক্রিম নিবেই।
.
মুফতির বাবা মা সেটা দেখে অনেক খুশি,ও তারাও
হাঁসতেছে।
.
মুফতির বাবা মা অনেক খুশি,
কারন রিয়ার কারনেই আজকে তাদের পরিবার অনেক
সুখি,
তারা নিজেও অনেক সুখি, রিয়ার মতন মেয়েকে নিজের
ছেলের বউ বানাতে পেরে।
এভাবে হাসি,খুশি, অভিমানের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত
হচ্ছে তাদের দিনগুলো।
.
.
লিখা :- রাফি ( পড়া চোর)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ