āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

32

-এটা কিন্তু ঠিক করলি না তুই। (আবিদ)
>কেনো, আমি কি কোন ভূল করলাম( অনু)
-হ্যাঁ,তুই আমার বন্ধু।
কিন্তু আজকে থেকে বউ।আমাকে বিয়েটা করা তোর
ঠিক হয়নি।
> কেনো যাকে ভালোবাসি তাকে কি বিয়ে করা যাবে
না।
-হ্যাঁ যাবে,তবে আরাকজনের মতামত নিতে হবে।
> তোর অমত থাকলে তুই না করে দিতি।
-বাবা মায়ের জন্য পারিনি।
> এখন তো আর ভেবে লাভ হবে না। বিয়ে যখন হয়ে গেছে
তখন নতুন করে শুরু কর। আর আমি তোকে অনেক
ভালোবাসিরে অাবিদ।
-কিন্তু আমি তো তোকে ভালোবাসি না।
> আমি তো বাসি।
-সেটাতো তোর ব্যাপার,কিন্তু আমি তোকে ভালোবাসি
না আর ভালোবাসতেও পারবো না।
তোকে আমি শুধু বন্ধু ভাবতাম।
আর তুই সেই সুযোগ টা কাজে লাগিয়ে আমাকে বিয়ে
করলি।
> দেখ আবিদ সত্যিই আমি তোকে ভালোবাসি,আর
তোকে কখনো হারাতে চাই না, সেইজন্য তোকে বিয়ে
করলাম।এখন থেকে আর তোকে হারানোর কোন চিন্তা
নাই, এখন তুই শুধু আমার।
-বললেই হলো,আমি তোর।
> তা নইতো কি? আমাকে বিয়ে করলে তুই আমার
স্বামী,আমি তোর স্ত্রী। এক কথায়
বলতে গেলে তুই আজকে থেকে আমার পৃথিবী।
-তাহলে আমি আজকে থেকে যা বলবো সেটা তুই শুনবি ।
> হ্যাঁ, তুই আজকে থেকে যেটা বলবি সেটাই শুনবো ।
-যেহুতু তুই আমাকে ভালোবাসিস,আর তুই আমার বিয়ে
করা বউ,সেহুতু তুই আজকে থেকে আমার সাথেই থাকবি।
তবে একসাথে বিছানাতে নয়।তুই
ফ্লোরে থাকবি,আর বউয়ের অভিনয় করবি।
>তুই এভাবে বলতে পারলি(অসহায়ের মতন বললাম
কথাগুলো)
-হ্যাঁ পারলাম, এখন থেকে যেটা বলবো সেটা শুনবি।
এখন এইনে বালিশ গিয়ে শুয়ে পড়।
> অনু অসহায়ের মতন বালিশ নিয়ে দাড়িয়ে আছে।
আবিদ আর কোন কথা না বলে বিছানায় শুয়ে পড়লো।
অনুর কান্না পাচ্ছে কারন বাসর রাতটা যদি কারো
জীবনে এমন ভাবে পার হয় তাহলে কতটা কষ্ট লাগে
একমাত্র সেই জানে যে এমন ভাবে পার করেছে।
.
বালিশ নিয়ে অনু ফ্লোরে শুয়ে পড়লো।
বালিশের উপর মুখ বুঝে কান্না করছে অনু।
আবিদকে ভালোবাসে অনেক।
আবিদকে কখনো হারাতে চাই না অনু। সেইজন্য আবিদের
বাবা মার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় অনুর বাবা মা।
আবিদের বাবা মা রাজী হয় যায়।
এরপরে বিয়েটাও দ্রুতভাবে হয়ে যায়।
.
কিন্তু বাসরঘরে ঢুকে আবিদ যেটা করলো, এইরকম টা হবে
অনু মোটেও ভাবেনি।
এখন ভেবে তো আর লাভ হবে না যেটা হবার সেটাতো
হয়েই গেছে।
.
পনেরো দিন পরে,
.
> আমাকে একটু কলেজে রেখে আসবে (অনু)
-গাড়িতে করে চলে যা। (আবিদ)
> আমার কাছেতো টাকা নেই।
-হেঁটে হেঁটে যা।
> কথাটি শুনেই অনুর মুখটা কালো হয়ে গেলো। তবুও মনটা
খারাপ করে অনু হেঁটেই কলেজে চলে গেলো।
কিছুদুর যেতেই দেখে আবিদ বাইকটা নিয়ে চলে এসেছে।
-গাড়িতে উঠে বস।
> আমি হেঁটে যেতে পারবো।
-আমি বলছি গাড়িতে উঠে বস।
> আবিরের রেগে কথা বলাতে অনু ভয় পেয়ে যায়।
ভয় পেয়ে অনু আবিদের বাইকে উঠে।
.
কলেজের গেটে এসে বাইকটা থামায় আবিদ।
বাইক থামানোর সাথে সাথে অনু বাইক থেকে নেমে
কলেজের ভিতরে চলে যায়।
কিছুদুর যেতেই,
-ওই দাড়া একটু শুনে যা।
> অনু থামবে না ভাবে।
কিন্তু পরে যদি আবিদ কিছু করে বসে সেইজন্য আবার
আবিদের কাছে আসে।
বলো কি বলবে।
-আবিদ মানিব্যাগ থেকে পাঁচশো টাকা বের করে অনুকে
দেয়।
<অনুর নিতে লজ্জা করছিলো,তবুও আবিদের ধমক শুনে
নিয়ে নিলো।
-আমি নিতে আসতে পারবো না,এক যায়গাই যেতে হবে।
-যেখানেও যাও তারাতারি বাসায় চলে এসো ।
আবিদ কোন উত্তর না দিয়ে বাইকটা নিয়ে চলে গেলো।
অনুও আবিদের চলে যাওয়া দেখে কলেজের ভেতরে চলে
গেলো।
এমনভাবে ছয়মাস কেটে গেলো। তবুও আবিদের কোন
পরিবর্তন হলোনা।
তারপরেও অনু অনেক সুখি।
আবিদকে তো সবসময় দেখতে পাচ্ছে।
সবসময় অনুর কাছে কাছেই থাকছে।
.
আবিদকে নিয়ে অনুর অনেক স্বপ্ন।
কতোকিছু ভেবে রেখেছিলো অনু,কিন্তু একটি স্বপ্নও পূরন
করতে পারলো না।
.
আবিদের সাথে এমন সম্পর্ক সেটা কখনো জানতে
পারেনি, আবিদের বাবা মা।
অনু এমন ব্যাবহার করতো, সেই ব্যাবহার দেখার পরে কেউ
বুঝতেই পারবে না তাদের মধ্যে ঝামেলা চলছে।
.
দুপুর বেলা অনু বসে থেকে টিভি দেখছে।
হটাৎ মোবাইল টা বেজে উঠে।
অনু ফোন ধরতেই শুনতে পাই আবিদ অ্যাক্সিডেন্ট করেছে।
খবরটি শোনা মাত্রই আবিদের বাবা মা সহ অনু
মেডিকেলে যায়।
গিয়ে দেখে আবিদ বেডে শুয়ে আছে।
.
ডাক্তার বলেছে কিছুক্ষনের মাঝে ঙ্গান ফিরে আসবে।
ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা অপেক্ষা করুন।
.
অনু আবিদের কাছে যায়।
আবিদের হাত ধরে অনু কেঁদে উঠে।
-আরে আপনি কাঁদবেন না,আর রোগীর তো তেমন কিছু হয়
নি।
এখন রোগীর কাছে কোন কথা বলা যাবে না (নার্স)
> তবুও অনু কেঁদে চলেছে।
কোনমতেই অনুর কান্নাটা থামানো যাচ্ছে না।
আবিদের বন্ধুরা এসে অনুকে ওখান থেকে নিয়ে আসে।
অনুকে শাত্বনা দেয়।
.
অনু নামাজ পরে আল্লাহর কাছে দুহাত তুলে মোনাজাত
করে জেনো কিছুই না হয় আবিদের।
আবিদ জেনো সুস্থ হয়ে উঠে।
.
আবিদের ঙ্গান ফেরার পরে সবাই আবিদের কাছে যায়।
সবাই কথা বলে আবিদের সাথে।
-আবিদ তুই সত্যিই লাকিরে (বন্ধু)
>কেনো? (আবিদ)
-অনুর মতন বউ পেয়ে।
তোর এমন হওয়াতে সে এখন পর্যন্ত না খেয়ে আছে,তুই না
খেলে ও নাকি খাবে না।
তোর জন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেছে।
আসলেই তুই লাকিরে।
> আবিদ কিছু না বলে শুধু শুনে যায়।
কিছুক্ষন পরে অনু খাবার নিয়ে আসে।
বন্ধুরা বিদায় নিয়ে চলে যায়।
-তুই খেয়েছিস(আবিদ)
> তুমি না খেলে আমি খেয়েছি কোনদিনও। (অনু)
-আবিদ অনুর কথাটি শুনে অবাক হয়ে যায়। এতো
ভালোবাসে অনু তাকে।
আর আমি তাকে কষ্ট দিয়ে আসছি এতোদিন।
আবিদের চোখেও জ্বল চলে অাসে।
> এই নাও হা করো, আমি খাইয়ে দিচ্ছি তোমাকে (অনু)
-আবিদ হা করে,অনু খাইয়ে দেয় আবিদ কে।
তুমিও খাও আমার সাথে। (আবিদ)
-অনুর মুখে হাঁসি ফুটে উঠে, বিয়ের পরে আজকে প্রথম
অনুকে তুমি করে বলেছে আবিদ।
অনুও খাই আবিদের সাথে।
.
মেডিকেল থেকে চলে আসে সেদিনুই।
তেমন কিছু হয়নি অ্যাক্সিডেন্টে।
.
রাতের বেলা অনু প্রতিদিনের মতন বালিশ নিয়ে ফ্লোরে
শুয়ে পড়ে।
আবিদ সেটা দেখে অনুকে কিছুই বলে না।
কিছুক্ষন পরে আবিদও বালিশ নিয়ে অনুর সাথে শুয়ে পড়ে
ফ্লোরে।
শুয়েই আবিদ অনুকে জড়িয়ে ধরে।
> এই ছাড়ো কি হচ্ছে এসব (অনু)
-কি আবার হবে।
বউকে জড়িয়ে ধরলাম।
> না বউকে জড়িয়ে ধরা যাবে না।
-কেনো যাবে না,স্বামী কি বউকে জড়িয়ে ধরতে পারে
না।
-হ্যাঁ পারে,তবে তুমি পারবে কেনো?
.
- কেনো?
> আমাকে এতোদিন কষ্ট দিয়েছে তাই।
-তোমাকে না বুঝে কষ্ট দিয়েছি,আর এমন করবো না
কোনদিন।
> তোমাকে বিশ্বাস নাই।
-যাও তোমার সাথে কথা নাই! আড়ি।
বলেই আবিদ অন্য কাত হয়ে শুয়ে পড়লো।
>অনু সাথে সাথে আবিদকে জড়িয়ে ধরলো।আমার বাবুটা
কি রাগ করেছে।
-না রাগ করবো কেনো। রাগ করলে কি আর তোমার কাছে
আসতাম।
> এবার এদিকে ঘুরো।
-কেনো?
> তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরবে আর আমি তোমার বুকে
মাথা রেখে ঘুমাবো।
.
অঃপর একজন একজনার বুকে মাথা রেখে ঘুমের রাজ্যে।
.
.
লেখনীর শেষ প্রান্তে :
.
-----------রাফি ( পড়া চোর)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ