āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

210

:- কুফা মেয়ে
---
লেখক :- Muhammad javed
----
----
ফেসবুকে অামার একটা মেয়ে ফ্রেন্ড অাছে,
মেয়েটার নাম মারিয়া।
মারিয়া তার বাবা মা এর একমাত্র মেয়ে। তাই ছোট কাল থেকে মা বাবার অনেক অাদরে বড় হয়। মারিয়া দেখতে অনেক সুন্দর  ছিলো, অনেক কিউট ছিলো। তাই ছোট কাল থেকেই  তাকে যে কোন লোক দেখে বলতো,  অনেক লক্ষী  মেয়ে।
----
----
সব মেয়েদের যেমন  একটা স্বপ্ন থাকে, তার একদিন বিয়ে হবে,  তার স্বামী হবে তার একটা সংসার হবে, তার স্বামীর বাড়ি হবে। তেমনি মারিয়ারও এই স্বপ্ন ছিলো,
অার তার এই স্বপ্ন একদিন সত্যি হয়, তার বিয়ে হয়।
----
----
মারিয়ার  বিয়ের পর তার স্বামীর বাড়িতেও সে সবার অনেক অাদর ভালোবাসা পায়। মারিয়া  তার স্বামীর জন্য ছিলো  লক্ষী বউ,
ননদ দেবর এর জন্য লক্ষী ভাবি, শ্বশুর শ্বাশুরীর জন্য লক্ষী বউমা। সবাই তাকে অনেক ভালোবাসতো,  অাদর করতো। মায়িয়ার  তখন নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি মানুষ মনে হতো। তার নিজের মা বাবার কাছ থেকে দূরে থেকেও  তার অাপন মা বাবার জন্য  তেমন মন খারাপ হতো না। কারন তার মনে হতো  স্বামীর বাড়ি এসে অাপন  মা বাবা ভাই বোনের মতো ভালোবাসার মানুষ  সবই পেয়েছে।
----
----
কিন্তু বিয়ের কিছুদিন  পর, মারিয়ার  স্বামী এক্সিডেন্টে মারা যায়। তারপর থেকে মারিয়ার জীবনে অন্ধকার নেমে অাসে। যে  মানুষ গুলো  তাকে অনেক ভালোবাসতো, অাদর করতো, সব সময় লক্ষী বলে ডাকতো। তার স্বামী  মারা যাওয়ার পর,  সেই মানুষ গুলো তাকে অলক্ষী, কুফা মেয়ে বলে ডাকতে  লাগলো।
----
----
সব সময় তার শ্বাশুড়ির  অাজে বাজে কথা শুনতে হতো, তার শ্বাশুড়ি বলতো সে একটা কুফা মেয়ে, তার জন্য তাদের ছেলে মারা গেছে, তার জন্য তাদের সুখের সংসার টা নষ্ট হয়ে গেছে।  অারো নানান কথা। এসব কথা শুনতে শুনতে মারিয়া অার সহ্য করতে পারলো না।
তাই সে একবারে তার বাপের বাড়ি চলে অাসে।
---
তার স্বামী মারা  যাওয়ার কারনে সে একবারে ভেঙে পড়ে, সব সময় চুপচাপ বসে থাকতো, কারো সাথে তেমন কথাবার্তা বলতো না, সব সময় কান্না করতো।
মা বাবা তাদের অাদরের মেয়ের এই অবস্থা দেখতে পারলেন না। তাই তারা মারিয়া কে অাবার বিয়ে দিবে বলে সিদ্ধান্ত নিলেন।
----
----
তার বিয়ের জন্য অাবার ছেলে দেখতে লাগলো। বিয়ের
জন্য  সব কথাবার্তা ঠিক মতো হয়, ছেলে পক্ষও রাজি হয়। কিন্তু যখন তারা মারিয়ার অাগের বিয়ের কথা শুনে,  তার স্বামী মারা যাওয়ার কথা শুনে ,,,, তখনি কেউ অার বিয়ে করতে রাজি হয়না। ওনারা ভাবে যার সাথে মারিয়ার বিয়ে হবে, সে মানুষ টা  কিছুদিন পর  মারা যাবে । সে একটা কুফা মেয়ে, অলক্ষী মেয়ে। যে সংসারে যাবে, সেই সুখের  সংসার টা তচনচ করে দিবে সে।
----
----
এখন অামার কথা হলো,,,,,,
আল্লাহ্ পাক একটা মানুষের জন্মমৃত্যু নির্ধারন  করে দেন।  তাহলে একটা মেয়ের বিয়ের পর তার স্বামী মারা গেলে, মেয়েটি দায়ী হবে কেন?
মেয়েটা কি অন্য সবার মতো মানুষ না? সবাইকে আল্লাহ্ পাক যেভাবে সৃষ্টি করছেন, তাকেও কি অাল্লাহ তেমন করে সৃষ্টি করেন নাই?  তাহলে এক্ষেত্রে মেয়েটির দোষ কোথায়? সবাই কেন মেয়েটিকে কুফা বলবে? অলক্ষী বলবে?
----
সবচেয়ে অবাক  লাগে এটা দেখে যে, এই অাধুনিক যুগেও মানুষ কিভাবে অাগের দিনের মত কুসংষ্কার গুলো বিশ্বাস করে,,,, মেনে চলে,,,,!

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ