āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

211

গেয়ওভূত...
......
.
বিয়ের প্রথম রাতেই ঘেওভুতটাকে আমার কাছে ঘেসতে না করেছি,আর না করবোই না কেন দেখতে একদম গাইয়্যা ক্ষ্যাত আনস্মার্ট ... একদম আমার কাছে আসার চেষ্টা করবেন না.নিহাত বাবা অসুস্থ ছিল,ডাক্তার বলেছিল কোনো অতিরিক্ত চাপ বা চিন্তা দেওয়া যাবেনা। তাই বাবার কথা মত বিয়ে করেছি।
তার মানে এটা নয় যে আপনাকে আমার স্বামি হওয়ার অধিকার দিয়ে দিয়েছি।
কথা টা বলেই কোল বালিশটাকে খাটের মাঝখানে দেয়াল বানিয়ে শুয়ে পরলাম.কথাগুলো মনে হয় গায়ে লেগেছে গেয়ভূতটার তাই বলেছিল,
:-আপনি না চাইলে কাছে আসবনা....
কথাটা বলেই শুয়ে পরল
:-একটু বেশি ই মেচুয়েট তাই হয়ত আমার কথাগুলো মেনে নিয়েছে...
সকালে উঠে দেখি আমার জন্য বেড টি নিয়ে এসেছে,,,দেখেই মাথাটা গরম হইয়ে গেল,,,
:-বললাম না কোন কর্তব্য না ফলাতে,চা নিয়ে যান আমি খাবো না...অমনেই দেখি আমার ননদ মানে গেয়ভূতের ছোট বোন নয়না নাস্তা করতে ডাকছে,,,
আমিও নয়নার সাথে গিয়ে খাবার টেবিলে বসলাম...খাবার টেবিলে রুটি,সবজি দেখে নাক সিটকে মুখটাকে বাংলার পাচ করে রেখিছি।
বোধ হয় বুঝতে পেরেছিল,রুটি সব্জি খেতে আমার ভাল লাগেনা।তাই রেস্টুরেন্ট থেকে নুডুলস আর পিজ্জা এনে দিয়েছিল। বুঝেছিলাম খুব ভালবেসে ফেলেছে আমায়।কিন্তুু আমি সহ্য করতে পারতাম না... বিয়ের ক দিন পর বান্দবি ফোন দিয়ে অনেক রিকুয়েস্ট করেছে গেয়ভূতকে নিয়ে ওদের বাসায় যেতে,ওকে নাও করতে পারিনি যেতে হবেই,,, তাই সেদিন উনাকে নিয়ে প্রথম শপিং করতে গেছিলাম,বান্দবির বাসায় যাব আর যাই হোক,গেয়ভূতটাকে তো আর গাইয়্যা করে নিয়ে যেতে পারিনা.নিল রং এর একটা ব্লেজার আর একটা জিন্স কিনেছি.আমার জন্য নিল রং এর শাড়ি পছন্দ করে কিনতে চেয়েছিল উনার পছন্দটাকে পাত্তা না দিয়ে নিজের পছন্দ মত শারি কিনে মার্কেট থেকে বের হলাম,,,
ভয়ে ভয়ে আমার হাতটা ধরে ছিল,আর কাপা কন্ঠে বলছিল এত ভিরে হারিয়ে যাবেন তাই হাতটা ধরেছি...
আমি ঝারি মেরে হাতটা সরিয়ে ফেললাম. :-আমার হাত ধরার রাইট আপনাকে কে
দিয়েছে,আমি একাই চলতে পারি... . .
.
(চলছিল এভাবেই আমাদের সংসার,উনি সব সময় ই আমাকে বুঝত,শুধু বুঝতাম না আমি.ভালবাসা কি,কেন মানিয়ে নিতে পারতাম না সব কিছু,অবশেষে যখনি ভালবাসার অবসান কাটিয়ে মানিয়ে নিতে লাগলাম সবকিছ,ঠিক তখনি...............)
.
পর্ব - ২রাগ খুনসুটির মাঝে চলে গেল দুইটি বছর
.
আজ আমাদের দ্বিতীয় বিবাহ বার্ষিকি সকালে ঘুম ঘুম চোখে বিছানা থেকে নামতেই কিসের একটা "ছম" "ছম" শব্দে পায়ের দিকে তাকালাম দেখি,আমার পায়ে পায়েল পরানো দেখে বোঝা বাকি রইল না এটা গেয়ভূতের কান্ড......কিন্ত আমারতো (কোমর বন্ধনি)পছন্দ...
তাছারা উনি জানবেন ই কি করে। আজ পর্যন্ত আমার ভাল লাগা খারাপ লাগা কিছুই তার সাথে কিছুই ভাগ করিনি. সামনে গেয়ভূত
:-দেখুন আপনি কিন্তু
:-হ্যা হ্যা জানিতো,আমি আমার সীমা লঙ্ঘন করেছি.আজ আমাদের বিবাহ বার্ষিকি,আমিতো জানিনা আপনার কি পছন্দ তাই পায়েল এনে রাতে পরিয়ে দিয়েছি... আপনি না চাইলে এর বেশি অধিকার দেখাবোনা।এই তিন বছরে যখন লঙ্ঘন করিনি বাকি সময়টাও আপনি না চাইলে কাছে আসবোনা।অপেক্ষায় রইলাম ভালবাসার!!!
সেদিন আমাকে রুমে না পেয়ে প্রায় পাগল পাড়া,,,ভেবেছিল উনাকে ছেড়ে চলে গেছি.অবশেষে পেল ছাদে বৃষ্টিতে ভিজ ছিলাম কিন্তু সেইদিন প্রথম আমাকে বকে ছিল।বুঝতে পেরে ছিলাম খুব রেগে গেছে। কারন বৃষ্টিতে ভিঝে খুব জর হইয়েছিল।
সারা রাত আমার হাতটা ধরে পাসে বসে রইল।ভাব ছিলাম,যে মানুষটা আমার জন্য এত কিছু করছে বিনিময়ে তাকে কিছুই দেয়নি.কয়েকটা ভাল কথা ও না
.
( চলছিল দিনাতিপাত আজকালের)
বাবা ও চলে গেল আমাদের ছেড়ে,ও ছাড়া আপন বলতে আর কেও ই নেই। তাছাড়া বিয়েতো আল্লাহর হুকুমে ই হয়.এ তো সাত জন্মের বাধন। গেয়ভূত আমাকে ভালবাসে এটাই বড় সত্যি।তাই ওর কাছ থেকে দুরে সরে থাকতে পারলাম না।
চার বছর পর আজ আমাদের চতুর্থ বিবাহ বার্ষিকি,,,
আজ প্রথম ঘেওভুতকে নিজ থেকে ফোন দিয়ে বলেছি আজ যেন সন্ধায় অফিস থেকে তারাতারি বাসায় ফিরে. ফোন পেয়ে খুব খুশি হইয়ে ছিল বটে।
আজ উনার জন্য নিজের হাতে রান্না করেছি।কখনো তো উনার ভাল লাগার কিছু জানতে চাইনি,,,ওর ছোট বোনের কাছে জেনেছি,উনার নাকি বিরিয়ানি খুব পছন্দ.তাই বিরিয়ানি রান্না করেছি উনার পছন্দের নিল শাড়ি পরেছি,ঘরটা ফুল দিয়ে সাজিয়েছি।
আজ প্রথম আমার মনের কথা জানাবো উনাকে,সাথে একটা কেক ও এনে রেখেছি,আজ আমাদের চতুর্থ বিবাহ বার্ষিকি বলে কথা।
অপেক্ষা করছি,রাত 10 টা বেজে গেল... উনি আসছেনা, তখনি একটা ফোন হ্যালো: আপনি কি সৈকত ইসলামের বাড়ির কেউ??? ....হ্যা আমি উনার স্ত্রি,কি হইয়েছে বলুন, আর উনি ই বা কোথায়?
:-আমি তেঁজগাও থানার পুলিস,ইন্সপেক্টর আজিজ বলছি,এখানকার মেইন রোডে কিছুক্ষন আগে একটা এক্সিডেন্ট হইয়েছে. লাশ আইডিন্টিফাইয়ের জন্য থানায় চলে আসুন।
:-হ্যালো- হ্যালো- হ্যালো ফোনটা কেটে দিল।
কথাটা শুনেই হতভম্ভ হইয়ে গেলাম,
একি শুনলাম,দৌড়ে ছুটে গেলাম,,,
হ্যা ওটা আমার স্বামি ই ছিল,আমার গেয়ভূত ছিল।
কেন এমন করলে আল্লাহ তুমি আমার সাথে...
কথা দিচ্ছি গেয়ভূত আর তুমার সাথে রাগ করব না,একটা রাত গল্প করা বাকি ছিল,হাত ধরে পাসে হাটা বাকি ছিল। তোমায় ভালবাসি কথাটা বলা বাকি ছিল
ফিরে এসো ঘেওভুত ফিরে এসো।
জানতে পেরে ছিলাম,সেদিন এক্সিডেন্ট এর সময় ওর হাতে এক গুচ্ছ ফুল ছিল,আর একটা পেকেট এর মধ্যে আমার পছন্দের কোমর বন্ধনি ছিল।রাস্তা পার হতে গিয়ে ওর রোড এক্সিডেন্ট হয়!!! ভাল থাকুক আমার গেয়ভূত,
..
শেষ পর্ব
অবশেষে দুই বছর পর আমার জিবনে এলো গেয়ভূত।গেয়ভূতের মতই বেছে নিয়েছিলাম একজনকে। সমাজ,সংস্কিতি,পরিবার,নিয়ম আমাকে গেয়ভূতের সৃতি নিয়ে একা বাঁচতে দিলনা। সৈকতের জড়ানো সৃতির ঘড়টাই থাকতে চেয়েছিলাম।
কিন্ত মামা সেখানে থাকতে দেয়নি.দুই বছরতো কত বায়না আবদার করেই কাটিয়ে দিলাম,এদিকে মামার ও পরিবার আছে।মামি ও চাইবেনা আমি সারাজিবন তার সংসারেই পরে থাকি।
তাই অনেক বুঝিয়ে - সুজিয়ে এই বিয়েতে রাজি করালো।না করেও উপায় ছিলনা,এভাবে আর কতদিন মামার বাড়িতে থাকবো.... মামাকে বলেছিলাম,এমন একজনের খুজ নিতে,যে দেখতে সৈকতের মত না হলেও সৈকতের মতই যেন কালো,আনস্মার্ট,ও মধ্যবিত্ত পরিবারের হয়।যেমন চেয়েছিলাম,তেমন একজনকেই পেয়েছি।
ওর নাম রায়হান।
আজ আমাদের ফুলশয্যা।
ফুলে সাজানো খাটে বসে আছি.... রায়হান:-ঠক,ঠক,ঠক, আসতে পারি? --আমি:- মাথা নাড়িয়ে হুম!!!
রায়হান দাড়িয়ে রইল,হয়ত বুঝেছে আমি সালাম করব।থাকে থাক উঠো,
তোমার জন্য একটা উপহার এনেছি,
:-হাতটা দাও?
:-(একটা পেকেট)এতে কি আছে?
:-খুলেই দেখ,
:-এটাতে তো কোমর বন্ধনি। কিন্ত আপনি কি করে জানেন আমার কোমর বন্ধনি পছন্দ?
:-আসলে আমি তোমার পার্মিশন না নিয়ে ই তোমার ডাইরিতে লেখা গেয়ভূতের গল্পটা পড়ে ফেলেছি,আমি যখন এই ঘরে এর আগে আসি তখন ডাইরিটা পাই
কিন্ত কৌতুহল বসত ডাইরি টা পড়ে ফেলি। আর জানতে পাই,তোমার গেয়ভূত সৈকত এর নিঃসার্থ ভালবাসার গল্প।
যদি কোনো আপত্তি না থাকে আমি তোমার গেয়ভূত হতে পারি???
:-চোখের কোণে পানি।জানিনা কেন!
.
রায়হানের মধ্যেই আমি আমার ঘেওভুতের ছায়া খুজে পাই,,,সারাটা রাত আমার অপূর্ন ভালবাসার গল্প বলেই কাটিয়ে দেই... এখন প্রতিদিন আমি নিজে রায়হানের জন্য বেড টি নিয়ে যাই,যা কিছু গেয়ভূতের জন্য করতে পারিনি,তা রায়হানের জন্য করি।অন্তত রায়হানকে হারাতে চাইনা...
সৈকত এর সাথে রায়হানের অনেকটা মিল আছে,রায়হান ও ওর মতই চশমা পরে।
চা খেলে শব্দ করে খায়।
প্রতি - বছর আমি আর রায়হান সৈকত এর কবরের পাসে ফুল দিয়ে আসি।
আর ওর আত্নার শান্তি কামনা করি... আমাদের একটা ছেলে সন্তান হয়েছে নাম সৈকত রেখেছি...... এভাবেই সুখে শান্তিতে যেন বাকিটা জিবন কাটাতে পারি.....
.
লেখা: Adhora Ariyaan Adiba (Jadumoni)
(লেখায় কোনো ভুল - ক্রুটি হলে ক্ষমা করবেন) [বি:দ্র: যে আছে তাকে মূল্য দিতে শিখুন...নইলে পরবর্তিতে এক বালতি আপসোস করবেন.....ভাল থাকুক আমাদের প্রিয় মানুষগুলো...... ]

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ