āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

200

গল্প: তিথির গল্প
,
লেখায় : Bahadur Mia Shehab
,
-কাল থেকে আমার সাথে আর যোগাযোগ করবে না।
-মজা করছো।
-না সিরিয়াস।
-মানে কি?
-মানে আজ থেকে আমাদের ব্রেক আপ।
ব্রেক আপের কথা বলে হন হন করে চলে গেলো তিথি। তিথির এমন আচরন শুনে শিহাবের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। তিথি চলে যাচ্ছে আর শিহাব অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, চোখ দিয়ে ঝড়ছে অশ্রু ধারা। যতক্ষন তিথিকে দেখা যায় ততোক্ষণ তাকিয়ে ছিল শিহাব।
.
তিথির সাথে শিহাবের পরিচয় টা হয় এক দুর্ঘটনাবশত । শিহাবের দাদু হঠ্যৎ অসুস্থ হয়ে যায়। দাদুর জন্যে খুব জরুরী রক্তের প্রয়োজন হয়। তিথি শেষ মূহর্তে রক্ত দিতে ছুটে আসে। সেখান থেকে নাম্বার আদান প্রদান । কেউ কাউকে ফোন দেয় নি। বেশ কিছু দিন পর শিহাব নিজেই আগে ফোন দিল।
- কেমন আছেন? (তিথি)
-ভাল। আপনি? (শিহাব)
-ভাল। আপনার দাদু কেমন আছেন।
-আলাহামদুলিল্লাহ।
,
এভাবে কথা বলতে বলতে একজন আরেক জনের প্রতি খুব দুর্বল হয়ে পড়ে। এক জন আরেক জনকে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু কেউ কাউকে বলতে পারে না। শিহাব কয়েকবার বলতে গিয়েও থেমে গেছে যদি তিথি না করে দেয়, যদি যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়, যদি বলে একদিন তোমাদের উপকার করলাম আর আজ তার প্রতিদান এই দিলে। এই ভেবে তার মনের অব্যক্ত কথাগুলা মনের মধ্যেই চেপে রেখেছে। ধিরে ধিরে তিথির প্রতি শিহাবের ভালোবাসা বেড়েই চলছে সেই সাথে না বলা কথার যন্ত্রনা।কথায় আছে না বুক ফাটে তবুও মেয়েদের মুখ ফুটে না। ঠিক তেমনে না বলা কথার জন্যে ছট ফট করছে তিথি তবুও নিজের মনের কথাটা বলছে না। দিন যত যাচ্ছে তাদের ভালোবাসার গভিরতা বৃদ্ধি হতেই চলছে।
-কালকে একবার দেখা করতে পারবে। (শিহাব)
-হ্যা কখন আর কোথায় আসতে হবে। (তিথি)
-সময় আর যায়গার নাম টেক্সট করে দিচ্ছি।
- আচ্ছা।
,
ছয় মাস হল তাদের পরিচয় কেউ কাউকে কখনো বলে নি দেখা করার কথা। আজ হঠ্যাৎ শিহাবের কাছ থেকে কথাটা শুনে না করতে পারে নি তিথি। বেশ কিছু ক্ষন পর তিথি একটা ম্যাসেজ পেলো কাল সকাল ১০ টায় রমনা পার্কে যেন উপস্থিত থাকে।
,
সকাল ১০ টা হওয়ার ১৫ আগেই মেয়েটা পার্কে এসে বসে আছে কিন্তু শিহাব আসার নাম নাই। অবশেষে ১০ টা বেজে ১০ মিনিট পর সেও এসে হাজির। দুই জন ব্যাঞ্চের দুই পাশে বসে আছে কারো মুখে কোন কথা নাই। চুপ চাপ বসে আছে।
,
-কি হল কথা বলছ না কেনো? (তিথি)
-কেমন আছো? (শিহাব)
-ভাল। তুমি।
-ভাল। তোমাকে সুন্দর দেখাচ্ছে।
-ধন্যবাদ (কিছুটা শরম পেয়েছে তিথি)
-চল ওই দিকে যাই।
,
দুই জন আবার চুপচাপ এক সাথে হাটা হাটি শুরু করল। কেউ কোন কথা বলছে না চুপ চাপ হেটেই যাচ্ছে। মাঝে মাঝে এক জনের হাত আরেক জনের হাতের সাথে স্পর্শ লাগতেছে। তিথি তখন হাত সরিয়ে মাথার চুল গুলা ঠিক করে। শিহাব অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে। মাঝে মাঝে এক জন আরেক জনের দিকে তাকাতে গিয়া দুই জন এক সাথে চোখাচোখি হয়ে যায়। তখন দুই জন নিচের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে দেয়।
,
-I Love You তিথি ।
হঠাৎ হাটু গেরে তিথির সামনে বসে প্রোপোজ করে বসে শিহাব। তিথি কি বলবে কিছু মাথায় আসছে না। হাত থেকে ফুল টা নিয়ে বুকের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল তিথি। চোখে অশ্রু কনার অনুভব করল শিহাব।
-আরে কান্না করছো কেনো? (শিহাব)
-এই কথাটা বলতে এত দিন সময় লাগে নাকি পাগল কোথাকার।
-কি বললা আমি পাগল?
-হ্যা পাগল শুধু আমি ডাকব পাগল বলে।
-তাহলে তুমিও পাগলী।
-হ্যা আমি শুধু পাগলের পাগলী।
,
এভাবে তাদের দিন গুলা ভালই যাচ্ছিল। কেয়ারিং শেয়ারিং, ঝগড়া আর অফুরান্ত ভালোবাসা। এভাবে দেখতে দেখতে তাদের সম্পর্কের ৩ টা বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ তিথি বলল রিলেশন রাখবে না এর কারন জানতে চাইলেও তিথি বলল না । কয়েকবার ফোন করলেও ফোন বন্ধ পেয়েছে শিহাব।
,
শিহাব একা রাস্তা দিয়ে হাটছে, আর তিথির কথা ভাবছে। হাতের সিগারেট টা প্রায় শেষ ওটা শেষ হলে আরেকটা জ্বালাবে। হেটে যাচ্ছে রেলওয়ের দিকে। বেশ কিছু ক্ষন হাটার পর পৌছে গেলো। রেল লাইনে বসে পকেট থেকে কাগজ আর কলম টা বের করে কি যেন লিখল। তার পর রেল লাইনে শুয়ে পড়ল। কিছু ক্ষন পর ট্রেন চলে আসবে।
,
-কিরে কাপুরুষের মত সুইসাইড করতে যাচ্ছিস।
কাপুরুষ কথাটা শুনে দাঁড়িয়ে গেলো শিহাব।
-কে তুই আর আমাকে এই সব বলছিস কেনো।
-দেখলে চিনতে পারবি। আগে বল যা করছিস তা কি কোন সুস্থ পুরুষের কাজ?
-তাহলে কি করব, নিজের জীবনের থেকেও তাকে বেশি ভালোবাসি, সে নাই তাহলে জীবন রেখে কি করব।
-তাই বলে রাতের অন্ধকারে এভাবে নিজেকে শেষ করে দিবি। সত্যিটা কি একবার জানার চেস্টা করবি না।
-অনেক চেষ্টা করছি কিন্তু পারি নি তাই নিজের জীবনটাই শেষ করে দিচ্ছি।
-বাহ তুই কি জানিস এক মাত্র কাপুরুষ রাই সুইসাইড করে। শুন চলে যা তিথির বাসায় সত্যিটা কি জেনে নে।
,
ট্রেনের আলো পরায় চার দিকে লোকটিকে খুজতে থাকল শিহাব। কিন্তু চারদিকে কেউ নাই। অনেক খুজার পরেও কাউকে দেখল না। ফোনের স্কিনে তাকিয়ে দেখে রাত তখন ১ টা বাজে। অপেক্ষা না করে বাসায় চলে গেল শিহাব। সকালে ঘুম থেকে উঠে তিথির বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিল।
,
-আন্টি তিথি কোথায়? (শিহাব)
-তার রুমে আছে। আসো ভিতরে আসো বাবা (তিথির আম্মু)
-আচ্ছা আন্টি তিথির কি হইছে?
-আসলে বাবা...
-আম্মু তুমি এখান থেকে যাও। (তিথি)
-আচ্ছা তোমরা কথা বল আমি নাস্তার ব্যবস্থা করি।
-তুমি এখানে আসছ কেনো? (তিথি)
-আমার প্রশ্নের উত্তর নিতে। সেদিন যে প্রশ্নের উত্তর দাও নি, তার উত্তর আজ দিতে হবে।
:- আমি উত্তর দিতে পারব না
:- কেন পারবে না। নাকি এই ভালবাসা তোমার অভিনয় ছিল।
:- অভিনয় নয় তোমারটা অভিনয় ছিল!
:- তাই নাকি। তাহলে এত রাতে তোমার এখানে আসতাম না।
:- হয়তবা তোমার অন্য কোন প্লান আছে তাই।
:- প্লান অবশ্যই আছে।
:- শোন আমি তোমার সজ্ঞে আর স্ট্রে করতে পারছি না। যাস্ট লিভ মি এলোন।
:- একা থাকলে আমার কথা বেশি মনে পড়বে।
:- কখনো না। ভন্ডের কথা কখনোই মনে পড়বে না।
:- আমি ভন্ড। হু খুব বেশি ভন্ড তাই তো তোমার কাছে ফিরে আসি বার বার।
:- সেটা তোমার কোন না কোন স্বার্থের জন্য ।
:- ও আচ্ছা। ঠিক আছে। শুধু বলে দাও কি জন্য ব্রেক-আপ করছো। শুনে চলে যাব।
:- ন্যাকামু করো না। যেই মেয়েটাকে নিজের বাড়িতে রেখেছো সেটা কে?
:- ও আচ্ছা। মেয়েটি খুব বিপদে পড়েছে তাই আমার এখানে উঠেছে।
:- ও আচ্ছা তুমি কিছুই যানো না। আমি বাচ্চা কিছুই বুঝি না।
:- বুঝো কিন্তু একটু বেশি। বাড়িতে তো মা বাবা সবাই আছে একা বাড়ি হলে সমস্যা হতো।
:- তাই নাকি। যখন আংকেল আন্টি স্কুলে চলে যায় তখন তো একাই থাকো।
:- ছিঃ তিথি তুমি এইগুলি কি বলছো।
:- শিহাব যাষ্ট গো। ন্যাকামো আমার কাছে করো না। শুনতে চেয়েছিলে তাই বললাম। এখন যেতে পার।
:- আচ্ছা তাহলে উঠি। এই নাও তোমার পায়েল। বলেছিলাম একদিন দিব।
:- লাগবে না নিয়ে যাও যখন সম্পর্কটাই থাকছে না সৃতি রেখে কি করব।
:- রেখে দাও আমার ছোট এই উপহারটি।
:- ঠিক আছে দাও।
:- ভাল থেকো ।
.
শিহাব চলে যাচ্ছে। তিথি অশ্রু শিক্ত নয়নে তাকিয়ে আছে। কিন্তু কিছু করার নেই। জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। আজ কষ্ট পাচ্ছে পাক কিছুদিনের মধ্য মানিয়ে নিবে কিন্তু হঠাৎ আঘাত পেলে সইতে পারবে না।
.
শিহাব বাড়ি ফিরে নিশির রুমে গেল। কিন্তু সেখানে তাকে পেল না। বাবা মাকে জিজ্ঞাস করলে বলল
:- বিকালে তার ভাই এসে তাকে নিয়ে গেছে।
:- কোন এড্রেস দিয়ে গেছে
:- না।
:- ও আচ্ছা।
.
আজ প্রায় অনেক দিন হয়ে গেলো তিথির সাথে যোগাযোগ নেই। ভাবছে আজ দেখা করবে আর সইতে পারছে না। খুব কষ্ট হয়। দুপুরে শিহাব আলমারী থেকে লাল পাঞ্জাবি বের করতে গিয়ে একটা চিঠি পেল।
`` ভাইয়া আমাকে ক্ষমা করে দিবেন । আমাকে তিথি আপনাদের বাড়িতে পাঠিয়েছে। কারন তার শরিরে ক্যান্সারের জীবাণু বইছে। লাস্ট স্টেজ। ও আপনাকে খুব ভালবাসে। ও চায় না আপনি ওকে হঠাৎ হারিয়ে ফেলেন তাই ও এই প্লান করে আপনার বাড়িতে আমাকে পাঠিয়ে ব্রেক-আপ করিয়ে নিয়েছে। তিথিকে ভুল বুজবেন না"
ইতি
নিশি
.
শিহাব চিঠি পরে তাড়াতাড়ি তিথিদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল। গিয়ে দেখে বাড়িতে কেউ নেই দারোয়ান কে বলতে বলল
:- তিথি মামুনি মারা যাবার পরে উনারা এই বাসা ছেড়ে চলে গেছেন। কোথায় গেছে জানি না।
.
শিহাবের মাথায় আকাশ ভেজ্ঞে পড়ল। চিৎকার দিয়ে বলতে ইচ্ছা করছে আই লাভ ইউ তিথি। যেখানেই থেকো ভাল থেকো।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ