āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

199

গল্প : এক বুক কষ্ট।
-
-
নিস্তব্ধ নিরব রাতে ছাদের একপাশে বসে আছে মাহিন।
হাতে একটি জ্বলন্ত সিগারেট, একবার করে সিগারেট
টানছে,আর মনে মনে হাঁসছে মাহিন।
কেউ পাশে থাকুক আর না থাকুক এই সিগারেট তার পাশে
আছে সবসময়।
মনের কষ্টগুলো সিগারেটের ধোয়ার মত উড়িয়ে দিতে
চাই, কিন্তু কোনভাবেই সেটা পারে না মাহিন।
.
সিগারেটে আরাকটা টান দিয়ে ধূপ করে ছাদে বসে
পরে,কান্না শুরু করে মাহিন,
সেই কান্না শোনার মতন আজ কেউ নেই,এক সময় তার
কান্না থামানোর জন্য একজন ছিলো,এখন সে অন্যজনের
জীবন সঙ্গী।
.
সিগারেটটা শেষ করে মাহিন,নতুন একটা সিগারেট ধরাই।
নতুন সিগারেট ধরিয়ে মাহিন পূর্বের সময়ে ফিরে যায়।
.
কলেজের ফাষ্ট বয় ছিলো মাহিন, দেখতেও অনেক স্মার্ট
ছিলো।
অনেক মেয়েই মাহিনের প্রেমে পড়েছিলো মাহিনকে
দেখার পরেই।
.
কিন্তু মাহিন প্রেমে পড়েছিলো ক্লাসের টপ সুন্দরী
মেয়ে অহনার সাথে।
অহনা শুধু ক্লাসের না কলেজের মাঝে সব থেকে সুন্দর
ছিলো।
যে কোন ছেলে অহনাকে দেখার পরে তাদের অহনাকে
নিয়ে স্বপ্ন দেখা হয়ে যেতো।
.
মাহিন ভালো ছাত্র ও স্মার্ট হওয়াতে অহনার সাথে খুব
সহজে বন্ধুত্ব করে ফেলে।
অাস্তে আস্তে চলতে থাকে তাঁদের বন্ধুত্ব।
একসময় মাহিন,
বসন্তের হিমেল হাওয়াতে বসে থেকে ভাবে অহনাকে
নিজের মনের কথা গুলো বলবে।
অহনাকে সে কতটা ভালোবাসে, অহনার জন্য জমিয়ে
রাখা ভালোবাসার কথা গুলো বলবে মাহিন।
.
মাহিন আর অহনা একটি সুন্দর পরিবেশে দাড়িয়ে আছে।
আজকে মাহিন অহনাকে মনের কথাগুলো বলবে বলে
এখানে ডেকে নিয়ে এসেছে।
ঝিরঝির করে বাতাস বইছে,
পাখি গুলো,বাগানে কিচিরমিচির করে শব্দ করছে,
হিমেল হাওয়াতে অহনার চুল গুলো উড়ছে,
সূর্য পশ্চিম আকাশে লার রং ধারন করেছে,
সবমিলিয়ে দারুন পরিবেশ।
এই দারুন পরিবেশে মাহিন নিজের পকেট থেকে
লালটকটকে গোলাপ বের করে,অহনার সামনে হাঁটুগেড়ে
বসে পড়ে,
-অহনা তুমি কি আমার একাকী হেটে যাবার সঙ্গী হবে,
এই বসন্তের প্রতিটি মূহর্তকে আমি তোমাকে নিয়ে
দেখতে চাই,অনুভব করতে চাই,
তুমি কি আমার সেই একজন হবে।
যাকে নিয়ে এক বসন্ত না জীবনের প্রতিটা বসন্ত পার
করতে চাই।(মাহিন)
> অহনা মাহিনের হাত থেকে সদ্য লালটকটকে গোলাপটা
নিয়ে বলে,
আরে বুদ্ধ তোমাকে নিয়ে শুধু বসন্ত না বাকি ঋতু
গুলোকেও পার করতে চাই।
তুমি কি পারবে সেটা।
-মাহিন হ্যাঁ সূচক উত্তর দেই।
মাহিন উঠে পড়ে,অহনার কথা শুনে।
মাহিন অহনার হাত ধরে সামনের দিকে হেটে যায়।
শুরু হয় নতুন করে, বন্ধু থেকে আজকে তারা প্রেমিক
প্রেমিকা।
শুরু হয় নতুন করে পথচলা।
.
প্রতিটা ভালোবাসাতে যেমন রাগ অভিমান আছে
তেমনি করে এদের ভালোবাসার মাঝেও রাগ অভিমান
আছে।
ওদের ভালোবাসার আজকে দুই বছর পূরন হলো।
প্রথম বছরে ওরা অনেক আনন্দ করেছে, অনেক মজা
করেছে।
কিন্তু এই দুই বছর পূরন হবার দিনটি মাহিনের জীবনের
কালো দিন।
.
মাহিনের সাথে অহনা দেখা করার আগে অহনা মাহিনকে
কিছু বলবে বলেছিলো।
মাহিন সেটা শুনে বলেছিলো,কোন সমস্যা নাই তুমি
যেটা বলবে আমি সেটাই শুনবো।
.
মাহিন আর অহনা নদীর পাড়ে পাশাপাশি বসে আছে।
দুজনেই চুপচাপ, মাহিনের চুপ থাকা দেখে অহনাই প্রথমে
বলা শুরু করলো।
- মাহিন আমাদের সম্পর্ক আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব না।
(অহনা)
> কেনো অহনা (মাহিন)
- বাবা মা বাসা থেকে আমার বিয়ে ঠিক করেছে।
সাতদিন পরে আমার বিয়ে।
> এসব কি বলছো তুমি।
- হ্যাঁ মাহিন আমি সব সত্যই বলছি।
> তাহলে আমাদের দুই বছরের সম্পর্ক।
- সেটা এখন কি করে ভুলে যাবো অহনা।
> যে ভাবে পারো ভুলতেই হবে তোমাকে।
> এটা কখনো হয় না অহনা,আমি তোমাকে ছাড়া
বাঁচবোনা অহনা।
> এখন ডায়লগ বাদ দাও,সাতদিন পরে বিয়ে আমি চাই না
তুমি বিয়েতে এসে নতুন করে ঝামেলা করো।
> অহনা তুমি সুখি হও,অনেক সুখি, তুমি সুখি থাকলেই
আমি সুখি থাকতে পারবো।
- দেখো মাহিন আমি জানি এটা কত কষ্টের, তারপরেও
আমি নিরুপাই।
বাবা মা আমি কখনো অমান্য করতে পারবো না।
> মাহিন নিজেকে কন্ট্রোল করে অহনার কাছ থেকে চলে
আসে।
অহনার কাছ থেকে অনেক দুরে চলে আসার পরে সবার
আড়ালে অনেক কান্না করে।
যেই কান্নাটা শুধু অহনাই বুঝতে পারতো।
এখন আর তেমন কেউ নাই যে মাহিনের কান্নাটা বুঝবে।
.
মাহিন চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারতো।
কিন্তু মাহিন সেটা করেনি।
মাহিন চাই যদি অহনা তাকে ছেড়ে সুখি হতে পারে
তাহলে মাহিন কেনো পারবে না ।
.
বিয়ের দিন মাহিন গিয়েছিলো অহনার বাড়িতে,শুধু
একবার দেখতে, যে অহনা এখন কি করছে।
মাহিন গিয়ে দেখে অহনা অনেক হাঁসি খুশি।
অহনা হাসি মুখেই বিয়ে করে ফেলে।
মাহিনের সাথে কাটানো দুইবছরের কথা এক নিমিষেই
ভুলে যায় অহনা।
মাহিনের সামনে দিয়ে অহনা বধু সেজে অন্যের ঘরে চলে
যায়।
সব থেকে বড় কষ্ট হলো এটাই,
নিজের জীবন সঙ্গী নিজের সামনে দিয়ে অন্যের জীবন
সঙ্গী হয়ে চলে যায়,আর নিজের সামনে অন্যের হাত ধরে
অন্যের সাথে প্রেম করা।
এইটা নিজে দেখা।
এটাই সব থেকে বড় কষ্ট।
অসহ্য যন্ত্রনাই ফেটে যায় মাহিনের বুক, মাহিনের বুকে
দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন।
সমুদ্রের সব পানি দিয়েও সেই আগুন কখনো নেভানো
সম্ভব না।
মেয়েরা চাইলেই সব পারে, মেয়েদের দ্বারা সব কিছুই
সম্ভব।
.
সিগারেট পুড়ে শেষ হয়ে গিয়ে সিগারেটের শেষ
অংশের আগুন হাত স্পর্শ করতেই মাহিন বাস্তবে ফিরে
আসে।
সিগারেটের আগুনে মাহিনের হাতে ফোসকা পড়ে যায়।
মাহিন এতে কিছুই মনে করে না,
এর চেয়ে বড় কষ্ট মাহিনের বুকে যেই কষ্ট সিগেরেটের
আগুনের চেয়েও অনেক বড়।
.
.
লিখা :- রাফি ( পড়া চোর)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ