āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

198

এত রাতে মেঘার ফোন পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হলাম।সবে মাত্র ঘুমে চোখ জুড়িয়ে আসছিল।ঘুম জড়ানো কন্ঠে ফোনটা রিসিভ করলাম
-হ্যালো আবার কি হল??
-দোয়া পড়ে ফু দেয়াই তো হলো না,,চোখ বন্ধ করেন।।
-উফ।এখন ঘুমে পুরোপুরি চোখ বন্ধ করতে চেয়েছিলাম দিলা তো ঘুমটা ভাঙিয়ে
-সরি,,এবার বন্ধ করেন
-আচ্ছা বাবা তাড়াতাড়ি
-হুম হইছে।এবার ঘুমান।আর কাল কিন্তু তাড়াতাড়ি উঠবেন
এতক্ষণ যে মেয়েটির কথা বলছিলাম ওর নাম মেঘা।আমার বোন।আমি অবাক।কাল আমার ফাইনাল পরীক্ষা তাই দোয়া পড়ে ফু দিয়ে দিল।অনেক রকমের পাগলামো করে মেয়েটা।এটাও তার মধ্যে একটা।নতুন নতুন পাগলামী মাথায় চাপে ওর।।সবগুলাই প্রয়োগ করে আমার উপর।
ভাগ্য খারাপ এই পাগল বোনটাকে ছোট থেকে পাইনি।বুঝিয়ে বলি মেঘা আমার নিজের বোন নয়,ভদ্র ভাষায় মায়ের পেটের বোন নয়।আমার বাসা রংপুরে আর মেঘার বাসা চট্টগ্রাম।পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকি আমি।
সময়টা ছিল ২০১৫ সালের মার্চ মাস।একটা মেয়ের মাধ্যমে ও আমাকে ফে বু তে দেখেছিল।সেদিন থেকেই নাকি আমাকে ভাই হিসেবেই আপন করে ফেলেছিল।চট্টগ্রামে ব্যক্তিগত কাজে যাওয়াই দেখা করেছিলাম ওর সাথে।খুব পর্দাশীল থাকে ও।হিজাব পড়ে এসেছিল মেঘা,,সংগে আমার জন্য একটা গিফট ও এনেছিল,চিরকুট ও ছিল।সেটাতে লিখা ছিল ফ্রি ফ্রি এমন একজনকে ভাই হিসেবে পেয়েছি হারাতে দেব না।
ওর কিছু কথায় আর চোখের অদ্ভুত মায়ায় খুব আপন বানাতে ইচ্ছে করেছিল সেদিন।ভয় পেয়েছিলাম এরকম এই যুগে কত মেয়েই কত ছেলেকে ভাই বলে সম্বোধন করে।কিছুদিনের হয়ত আবেগে এমন করছে।
নিয়মিতই কথা চলতে লাগল।যখন ই সুযোগ পাই জিজ্ঞেস করে কি করছি না করছি।ঠিক সময় জোর করে খেতে পাঠানো,গোসল করতে যাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেওয়া,সারাদিন কখন কি কি করলাম সব কিছুর খোজ নেওয়া ওর প্রতিদিনের রুটিনে পরিণত হয়ে গেল।নিজের সবকিছুতেই ওর অস্তিত্ব খুঁজে পেতে লাগলাম।বিশাল একটা জায়গা দখল করে নিল অল্প দিনেই।
ওর প্রতি ভালোবাসাটা আরো তীব্রতর ভাবে গভীরে পৌছে গেল যেদিন আমার জন্মদিনের প্রথম উইশটা ওর ছিল।সেদিন সত্যি কেঁদে ফেলেছিলাম ওর পাঠানো কিছু কথা পড়ে।।অনেকটা এরকম-ওর জীবনে নুন্যতম কোন সওয়াবের বিনিময়ে হয়ত সৃষ্টিকর্তা আমাকে ওর ভাই হিসেবে মিলিয়ে দিয়েছেন।সারাজীবনের চাওয়া শুধু এটুকু যাতে আমায় সযত্নে তুলে রাখতে পারে আর আমার পাশে থাকতে পারে।
সেদিন সত্যি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম কি করে একটা মানুষ একজন অপরিচিতকে এতটা ভালোবাসতে পারে,এতটা মূল্যবান ভাবতে পারে,আগলে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে পারে।
মেঘাকে নিজের করে নিয়েছি সেদিন।বন্ধুরা অনেকে অনেক কিছু বলেছে,অনেক বুঝিয়েছে,নানান জনে নানান কমেন্ট ও করেছে,কষ্ট লাগতো শুনে কিন্তু কাউকে বুঝাতে পারিনি প্রকৃতি কিছু সম্পর্ক অদ্ভুত ভাবে তৈরী করে দেয় যেটা মানে না কোন বাধা,শুনে না কোন নিয়ম নীতি,বুঝে না কোন সমাজ।।
.............................
.............................
পরীক্ষা শেষ।ভাবছি দেখতে যাবো পাগলী বোনটাকে।না দেখে থাকতে পারছিলাম না তাই চলে গেলাম।ওর কোচিং এর নিচে দাঁড়িয়ে আছি।ফোন দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলল।ততোক্ষণে মেঘার জন্য ওর প্রিয় কিছু বই কিনে ফেললাম সাথে চিকন হাতের কিছু চুড়ি।খুব পছন্দ করে বোনটা আমার।
ওই যে আসছে মায়াবী বোনটা আমার।এসেই হড়বড় করে একগাদা প্রশ্ন ছুড়ে দিল,ওর অস্থিরতা দেখে বেশ হাসি পাচ্ছে।একটা পার্কে গেলাম গল্প করতে করতে।
-শরীরের একি হাল করেছেন আপনি?কথা তো আর শুনতে মন চায় না তাই না??
-ওই কি শুনি নাই,সব ই মানি।তুমি নিজেও তো শুটকি হয়ে যাচ্ছ সেটা তো আর দেখো না??
-অনেক মনে পড়ে ভাই আপনাকে।খুব বেশী।
-মুচকি হাসি দেওয়া ছাড়া বলার কিছুই নেই।
-অবশেষে এলেন।মনে তো পড়েই না,দেখতেও ইচ্ছা হয়না?এতই ব্যস্ত থাকেন??
-এলাম তো।।না দেখে থাকতে পারলাম না,,তোমাকে সত্যি খুব বেশি ই মনে পড়ে।।কি করবো বল,ছুটি বা সুযোগ তো আর সবসময় আসে না।।
-আমরা যদি সত্যিকারে ভাই বোন হতাম কত ভালোই না হতো তাই না ভাই।।প্রতিবার বাসায় এলেই আপনাকে মন ভরে দেখতে পেতাম।ঈদ করতে পারতাম,ঘুরে বেড়াতে পারতাম।আমি কত ভাগ্যবান আর অভাগ্যবান তাই না।পূণর্জন্ম বলে যদি কিছু থাকতো শুধু চাইতাম আমরা একসাথে থাকি
-কিছু বলতে পারিনি।ভেবেছি।।আর দূর দিগন্তের নীল আকাশে তাকিয়ে ছিলাম।
-থাকবেন কি কিছুদিন তবে আপনাকে নিয়ে কিছু জায়গায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
-উঁহু,থাকা হবে না।বাসায় জানে ছুটির কথা।যেতে হবে।তবে প্রমিস তোমার পরীক্ষা শেষে আবার এসে সব জায়গায় ঘুরতে যাব।আগে মন দিয়ে পরীক্ষা টা শেষ করেন।
-ও
-মুখটা গম্ভীর করে রেখেছে।জানি খুব মন খারাপ করেছে।কিছুই করার সত্যি যে নেই।একে তো বাসায় তাড়া আছে আর অন্যদিকে ওর পরীক্ষা
সন্ধে হয়ে আসছিল,যাবার সময় হয়ে গেছে
-চল উঠি,তোমার তো বাসায় যেতে হবে
-হুম চলেন
চোখগুলি ছল ছল করছিল ওর,চাইনি অশ্রু গড়িয়ে পড়ুক।কষ্ট হতো খুব।তুমি আগে যাও
-আপনি আগে যান
-না তুমি
এমন তর্ক বিতর্কের পর অবশেষে যেতে রাজি হল।যাওয়ার আগে একগাদা উপদেশ দিয়ে গেল।
ও হাটছে,বুঝতে পারছিলাম খুব কষ্ট হচ্ছে হাটতে ওর।পিছন ফিরে দেখতে যেয়েও পারছে না যদি চোখের জল দেখে ফেলি লজ্জা পাবে
পিছন ফিরে চলে আসছি।বড্ড বেশি ভালোবাসে মেয়েটা আমায়।ভালো থেকো,অনেক বেশি আপন করে ফেলেছি তোমায়।কেও জানুক আর না জানুক,কেও মানুক বা না মানুক আমি তোমায় নিজের বোন হিসেবেই মানি বোন।
আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘঃশ্বাস ছেড়ে বললাম,হে আল্লাহ তুমি এই মেয়েটির প্রতিটি মনোবাসনা পূরণ করো।।
লেখকঃইমরান(রকেট)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ