āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

188

--- কাছে আসার গল্প ---
== অবশেষে ফিরে পাওয়া ==
:
ছেলেটা রুমে বসে বসে টিভি দেখছিল আর চকলেট খাচ্ছিল। একটুপর রুমে একটা মেয়ে আসলো, হাতে দুইটা পুতুল। একটাকে সাজানো হয়েছে বউ অন্যটাকে জামাই। মেয়েটা এসেই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করলো- দেখ, পুতুল দুইটা খুব সুন্দর না?? ছেলেটা মেয়েটার কথায় ওর দিকে ফিরে তাকালো। পুতুল দুইটা দেখে বললো যে- হ্যা খুব ই সুন্দর। তখন মেয়েটা বলে একটা আমি আরেকটা তুই। ছেলেটাও মাথা নাড়িয়ে সায় দেয়।
-
ছেলেটার নাম হলো নিলয়, আর মেয়েটার নাম তাসফি। দুজনই তৃতীয় শ্রেনিতে পড়ে। তাসফি সম্পর্কে নিলয়ের খালাতো বোন। তাসফির বাবা নেই, তাই তাসফি আর তাসফির মা নিলয়দের বাসায় থাকে। আর নিলয়ের বাবা মা দুজনই আছে। তারা সবাই তাসফিকে অনেক ভালোবাসে। বুঝতেই দেয়না যে তারা অন্য পরিবারের কেউ।
-
স্কুলে যাওয়া- আসা, খাওয়া, খেলাধুলা করা সবকিছুই নিলয় আর তাসফি একসাথে করে। বাসায় যতক্ষন থাকে ততক্ষন দুজন পুতুল নিয়ে খেলে, আবার স্কুলে গেলেও দুজন সবার থেকে আলাদা হয়ে বসে থাকে। দুজনের কেউ ই অন্য কারো সাথে কথা বলেনা। ওদের মাঝে একটা নিয়ম হয়ে গেছে যে- স্কুলে গেলে দুজনের কেউ ই কারো সাথে কথা বলতে পারবেনা। একজনকে ছাড়া অন্যজন খায়না, সবসময় একসাথেই খায়। এভাবেই চলছিল তাদের দিনগুলো।
-
দেখতে দেখতে তাদের ৫ম শ্রেনির পরিক্ষা শেষ হয়ে যায়। দুজনই খুব ভালো রেজাল্ট করে। নিলয়কে ভালো পড়াশুনার জন্য তার আব্বু দুরে ভর্তি করিয়ে দেয়। নিলয় সেদিন কান্না করে করতে বলেছিল- আব্বু আমি তাসফিকে ছাড়া থাকতে পারবোনা, তুমি ওকেও আমার স্কুলে ভর্তি করিয়ে দাও। কিন্তু তাসফির মা দেয়নি। কারন তাসফিই তার একমাত্র সম্ভল। তাকেও যদি দুরে পাঠিয়ে দেয় তাহলে তিনি কিভাবে থাকবেন।
পরদিন যখন নিলয় যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয় তখন তাসফি নিলয় নিলয় বলে ডাকতে ডাকতে ওর কাছে আসে, নিলয়ের হাতে বউ পুতুলটা দিয়ে কান্না করতে করতে বলে যে- এইটা রাখ নিলয়, সবসময় দেখে রাখবি এটাকে। ভেবে নিবি যে এটাই আমি। আর আমিও জামাই পুতুলটাকে রেখে দিলাম আমার কাছে, তুই চিন্তা করিসনা আমি ওটাকে খুব যত্নে রাখবো। এই বলেই তাসফি আরো বেশি কান্না করতে থাকে।
নিলয়ও কান্না করছে তবে এখন তার বেশি সময় নেই। নিলয়ের আব্বু নিলয়কে নিয়ে গাড়িতে উঠে যায়। নিলয় জানালা দিয়ে একদৃষ্টিতে তাসফির দিকে তাকিয়ে ছিল আর হু হু করে কেদে উঠছিল। মেয়েটাও নিলয়ের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল, যতক্ষন পর্যন্ত নিলয়ের অশ্রু ভেজা চোখগুলো দেখা যায়।
-
এরপরই নিলয় একা হয়ে যায়। এখন আর তার কারো সাথেই কথা বলতে ভালো লাগেনা। খুব একাকিত্ববোধ করে নিলয়। প্রত্যেকটা মুহুর্তে সে তাসফিকে মিস করে, পড়ায় মন দিতে পারেনা, যখন খেতে বসে তখন মনে হয় তাসফিটা খেয়েছতো!! খাওয়ার সময় অর্ধেক নিলয় খায় আর বাকিটা রেখে দেয়, খেতে পারেনা নিলয়। তার মনে হয় তাসফি বাকি অর্ধেক খাবার খেয়ে নিবে। নিলয় জানে এটা কোনদিনও সম্ভব না তাও নিলয় এই কাজটা করে। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে নিলয় পুতুলটার সাথে কথা বলে। ওর মাঝেই নিলয় তাসফিকে খুজে পায়।
অপরদিকে তাসফিও নিজেকে হারিয়ে ফেলে, প্রত্যেকটা দিন সে নিলয়ের জন্য কান্না করে। নিলয়ের রুমে গিয়ে ওর পড়া টি শার্ট গুলো নিয়ে এসে নিজের রুমে রেখে দেয়। ছাদে নিলয়ের হাতে লাগানো গোলাপ গাছটাকে খুব যত্ন করে সে, একটুও ক্ষতি হতে দেয়না এটাকে। রাতে খাওয়ার সময় পুতুলটাকে পাশে নিয়ে খায় তাসফি, ভাবে যে নিলয়ও ওর পাশে বসে আছে।
-
এভাবেই কেটে যায় ৬টি মাস। আস্তেআস্তে দুজনই স্বাভাবিক হয়। নিলয় ও তাসফি দুজনই পড়াশুনার দিকে মন দেয়। নিজেকে দুজন একটু শক্ত করে, ভেবে নেয় যে- আমরাতো আর চিরদিনের জন্য আলাদা হইনি, একদিন না একদিন ঠিকইতো আমাদের দেখা হবে। তবে দুজনের অভ্যাসটা রয়ে গেছে। এখনও নিলয় খাওয়ার সময় প্লেটের অর্ধেক খায় আর বাকিটা রেখে দেয়। ঘুমানোর সময় নিলয় পুতুলটার সাথে কথা বলে। তবে এখন আর কান্না করেনা বরং পুতুলটার সাথে অনেক দুস্ট দুস্ট কথা বলে- আমার তাসফি?? চকলেট খাবি?? শুন তাসফি আজকেত আমি অন্য একটা মেয়ের সাথে কথা বলেছি কিন্তু দেখিসনি...হিহিহি।
তাসফিও তার অভ্যাসটা ছাড়েনি। প্রতিদিনই সে খাওয়ার সময় পুতুলটা সামনে নিয়ে খায়, আর দুস্টামি করে বলে যে- নিলয় এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন?? আমার অসুখ হবেত। তুই খাবি?? হু হু হা হা হিহি আমিতো তোকে দেবনা। এসব বলেই তাসফি হেসে উঠে। রাতে ঘুমানোর সময় তাসফি নিলয়ের টি শার্টটা পাশে রেখে ঘুমায়।
-
৫ বছর পরের কথা, দেখতে দেখেতে তাদের JSC, SSC পরিক্ষা শেষ হয়ে যায়। এখন নিলয় আর তাসফি অনেকটাই বড় হয়েছে। নিজেরটা নিজেই বুঝতে শিখেছে। এখন প্রতিদিন রাতে দুজন দুজনের পুতুলটার সাথে অন্যরকমভাবে কথা বলে। তাসফি রাতে ঘুমানোর সময় নিলয়ের টি শার্টটা পাশ থেকে উঠিয়ে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়। নিলয়ও পুতুলটাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়।
তখন ছোট ছিল তাই হয়তো বুঝেনি এই মায়াটা কিসের। কিন্তু এখন তারা দুজনই অনুভব করতে পারে এটা কিসের মায়া, কিসের অনুভূতি। এটা বোধগম্য হতে কষ্ট হয়নি যে তারা দুজন দুজনকে ছাড়া একটা মুহুর্তও থাকতে পারবেনা। দুজনই দুজনকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। এরমাঝে নিলয় অনেকবারই বাড়িতে যেতে চায় কিন্তু নিলয়ের বাবা নিয়ে যায়নি। তার একটাই কথা HSC পরিক্ষার পর তাকে বাড়িতে নিয়ে যাবে। কারন এখন বাড়িতে নিয়ে গেলে নিলয়কে আর আনতে পারবেনা। তাসফির মায়ায় আটকে যাবে সে।
-
আরো ২বছর পরের কথা। তাসফি দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে, লম্বা চুল, সরু নাক, টানা টানা চোখ, আর ঠোটের কোনে ছোট্ট একটা তিল তাসফিকে অনেক সুন্দর করে তুলেছে। তাসফি যখন কলেজে যায় অনেক ছেলেই তার দিকে তাকিয়ে থাকে, অনেকে প্রপোজও করে তবে তাসফি এসব পাত্তা দেয়না। কারন তার যে সবকিছু নিলয়কে ঘিরেই। নিলয়ই তাসফির সব।
অপরদিকে নিলয়ও দেখতে তেমন খারাপ হয়নি, মোটামুটি স্মার্টই হয়েছে। তাছাড়া ছাত্র হিসেবেও নিলয় অনেক ভালো, অনেক মেয়েই নিলয়কে প্রপোজ করে তবে নিলয় কোন উত্তর দেয়না। শুধু পকেট থেকে পুতুলটা বের করে দেখিয়ে চলে আসে। তার এই কাজের কোন মানেই বুঝেনা কেউ। সবাই হা করে তাকিয়ে থাকে।
-
অবশেষে তাদের অপেক্ষার প্রহর ভাঙে। তাদের HSC পরিক্ষা শেষ হয়ে যায়। যেদিন পরিক্ষা শেষ হয় সেদিন নিলয় কতটা যে খুশি হয়েছিল তা বলে বুঝানোর মতো না। সেদিন নিলয় রুমে এসে বন্ধুদের জড়িয়ে ধরে নাচতে থাকে। বন্ধুরা তার এমন ব্যবহারে হতবাক হয়ে যায়। যেই নিলয় কোনদিন একটা বন্ধুর সাথে নিজ থেকে কথা বলেনি আজ সে কিনা বন্ধুদের ধরে নাচতেছে। এটা তাদের কাছে কল্পনার মতো মনে হয়েছিল।
অন্যদিকে তাসফির ইচ্ছে হচ্ছে খুশিতে কান্না করে দিতে। পরিক্ষা দিয়ে বাসায় আসতে আসতে সারাটা পথ প্লান করে এসেছে কি বলবে নিলয় আসলে। আবার ভাবে আচ্ছা নিলয়টা জানি দেখতে কেমন হয়েছে, আর আমাকে পছন্দ করবেত!!! এসব নিয়েই ডুবে থাকে তাসফি। তবে ভাবার পর তাসফি বুঝতে পারে সে যথেষ্ট সুন্দরী, কারন তা না হলে সে এতগুলো প্রপোজ্যাল পেতনা। বাসায় এসেই তাসফি তার আম্মুকে জড়িয়ে ধরে খুশিতে। তারপর এক দৌড়ে নিজের রুমে গিয়ে দরজাটা লাগিয়ে দেয়। আর পুতুলটার দিকে তাকিয়ে থাকে।
-
সেদিনই নিলয়ের আব্বু ওকে আনতে যায়। নিলয়ের আব্বু আসার পর নিলয় রওয়ানা হয়। তার কাছে বিশ্বাসই হচ্ছেনা সে আজকে বাসায় যাচ্ছে, কল্পনার চেয়েও বেশি কিছু মনে হচ্ছে তার। প্রায় ৪ঘন্টা পর নিলয় তার বাড়িতে পৌছায়। বাড়িটা দেখেই নিলয়ের বুকে চিনচিন ব্যাথা অনুভব হয়। আজ কতোদিন পর নিলয় বাড়িতে আসলো। অনেক পরিচিত এই বাড়ির সবকিছু। নিলয় আস্তেআস্তে বাড়িতে প্রবেশ করে। রুমে ঢুকতেই আচমকা কে যেন নিলয়কে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেয় আর বলে- আমার বাবা নিলয়, কেমন আছিস তুই??? এমন শুকিয়ে গছিস কেন??? এই বলেই উনি আরো বেশি কান্না করে দেয়। কারন উনি হচ্ছেন নিলয়ের মা। নিলয়ও তার আম্মুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেয়। নিলয়ের বাবা এসে তাদের কান্না থামায়। একটুপর অন্য একজন মহিলাকে নিলয় দেখে, বুঝতে সমস্যা হয়নি উনি তাসফির আম্মু, উনিও নিলয়কে জড়িরে ধরে কান্না করে দেয়। কারন নিলয় উনার কাছে তার সন্তানের মতোই। একটুপর নিলয় খেয়াল করলো সবাইকে দেখছে সে কিন্তু তার সেই পরিচিত মুখটা সে দেখছেনা। নিলয়ের বুকে অনেক বড় একটা ধাক্কা লাগে। তাসফি কোথায়!!!! নিলয় সাথেই তাসফির আম্মুকে জিজ্ঞেস করে। উনি বলেন যে তাসফি ছাদে। কথাটা শুনার পরেই নিলয় এক দৌড়ে ছাদে চলে যায়।
-
ছাদে এসেই নিলয় দাড়িয়ে যায়। প্রায় সন্ধা হয়ে গেছে। পশ্চিমের আকাশটাকে লাল আভা ভরিয়ে দিচ্ছে। নিলয় ছাদের একটা কোনে তাকিয়ে দেখলে যে একজন মানুষ দাড়িয়ে আছে। চোলগুলো বাতাসে উড়ছে তবে সেদিকে মানুষটার কোন মনযোগ নেই। একদৃষ্টিতে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে। আচ্ছা এটাই কি তাসফি!!! কিভাবে বুঝবে নিলয়। হঠাৎই তার মনে হলো তাদের বাসায় তারা ছাড়া কেউ থাকেনা, আর তাসফির আম্মুতো বলেই দিয়েছে ও ছাদে। নিলয় আস্তেআস্তে তাসফির কাছে যায়। যতটা সামনে যাচ্ছে তার নিঃশ্বাস তত বাড়ি হয়ে যাচ্ছে। নিলয়ের কথা বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছে সে।
এখন নিলয় তাসফির পিছনে দাড়িয়ে আছে। বাতাসে তাসফির চোলগুলো নিলয়ের মুখে এসে পড়ছে, নিলয়ের ভালোই লাগছে এটা, চোলগুলো থেকে মিষ্টি একটা ঘ্রান আসছে যা কিনা নিলয়কে মাতাল করে দিচ্ছে। ছেলেরা স্বভাবতই মেয়েদের চুলের ঘ্রানের প্রতি দুর্বল, নিলয়েরও একই অবস্থা হয়েছে। একটপর নিলয়ই তাসফিকে ডাক দেয়...
"তাসফি??
ডাকটা শুনেই তাসফি একটু নড়ে উঠে। তাসফি বুঝতে পারছে নিলয় তার পিছনে দাড়িয়ে আছে। তবে তাসফির ফিরার মতো শক্তি নেই, কারন ওর দিকে তাকালেই তাসফি তার কান্না থামাতে পারবেনা। তাসফি কি করবে ভেবে পায়না। একটুপর নিলয় আবার ডাক দেয়..
"এই তাসফি??
এবার তাসফি ভাবে যে নাহ তাকাই ওর দিকে। আজ কতদিন ওকে দেখিনা। তাসফি আস্তেআস্তে নিলয়ের দিকে ফিরে....
তাকিয়েই থমকে যায় দুজন, দুজনের চোখেই দুজনের চোখ। কতবড় হয়ে গেছে দুজন। কারোরই বিশ্বাস হচ্ছেনা তারা সেই ছোট্টটি থেকে আজ এতো বড় হয়ে গেছে। নিলয়ের দিকে তাকাতেই তাসফি থাকতে পারেনি, হু হু করে কান্না করে দেয়। নিলয়ও থাকতে পরেনি, চোখের অশ্রুতে তার গাল ভিজে যাচ্ছে। কান্নার মাঝেই নিলয় বলে উঠে...
"কেমন আছিস?
"-----
"এই কেমন আছিস??
"হুম ভালো। তুই?
"আমি সেই আমার ছোট্ট তাসফিটাকে পেয়ে গেছি। এখন আমি অনেক ভালো....
নিলয়ের কথা শুনে তাসফি আরো বেশি কান্না করে দেয়। মাথাটা নিচু করে কান্না করতে থাকে সে।
নিলয়ের তাসফির কান্না একদম সহ্য হচ্ছেনা। সে কি করবে ভেবে পায়না। ক্রমেই তাসফির কান্না বেড়ে চলছে। তাই নিলয় তার পকেট থেকে তাসফির দেওয়া পুতুলটা বের করে...
"তাসফি একটু এদিকে তাকাবি??
"----
"তাকাবি একটু?
"কেন?
"তাকানা একটু?
তাসফি তাকিয়েই দেখে নিলয় তার দেওয়া পুতুলটা হাতে ধরে আছে। এটা দেখে তাসফির যেন চিৎকার করে কান্না করতে ইচ্ছে হচ্ছিল।
"দেখনা তাসফি, তোর দেওয়া পুতুলটা আমি সত্যিই রেখে দিয়েছি। জানিস এটাকে কখনও কষ্ট দেইনি একটুও, সবসময় আমার সাথে রেখেছি। যখনই তোকে মিস করতাম এই পুতুলটার সাথে কথা বলতাম তখন, এর মাঝেই তোকে খুজে পেতাম আমি।
কথাটা শুনে তাসফি আর ঠিক থাকতে পারেনি। মুহুর্তেই সে নিলয় বলে চিৎকার করে নিলয়কে জড়িয়ে ধরে, নিলয়ও তাসফিকে যতটা সম্ভব ভালোকরে জড়িয়ে ধরে....
আজকে তার সব কথা বলে দেওয়ার সময়। আর হারাতে চায়না নিলয়কে, একদম ই না। আর একটা মুহুর্তও নয় এখনই বলে দিবে সব।
"নিলয়??
"হুম তাসফি?
"আমি তোকে ভালোবাসি নিলয়, অনেক ভালোবাসি। বিশ্বাস কর সত্যিই আমি তোকে ভালোবাসি। জানিস তুই যাওয়ার পর আমি অনেক কান্না করেছি অনেক বেশি। প্লীজ আমাকে ফিরিয়ে দিস না..
"আমিওতো তোকে ভালোবাসি পাগলী, অনেক ভালোবাসি। আর......
আর কিছু বলতে যায় নিলয় কিন্তু আটকে যায় তার মুখ, কারো ঠোটের মাঝে মিলিয়ে যায় তার ঠোট, গভীর ভালোবাসায় থমকে থাকে দুজন।
সাথে সন্ধার রক্তিম আকাশে রচিত হয় দুজন মানুষের জীবনের নতুন একটি অধ্যায়.....
:
--- লেখা:ভালবাসার রংধনু

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ