āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

187

ডেঞ্জেরাস লাভ💜
→খাইরুল ইসলাম
বাবা মার খুব আদরের সন্তান সুলতান, ৩ বোনের ১ টি মাত্র আদুরে ভাই তাছাড়া তিন মেয়ের পর একটি ছেলে জন্ম নেয়ায় তার স্থান টাও আলাদা যেন সে রাজা। তাইতো বাবা তার এই নামটি রেখেছিল।ধনী বাবার ছেলে তাই সুলতানের কোনোকিছুর অভাব নেই, এবং তার আবদার ও তেমন নেই।
-------------------১৫ বছর পর-----------
সামনে এসএসসি পরিক্ষা তাই পড়াশুনার খুব চাপ তাই সে পড়ছে। যদিও সে খুব মেধাবী তবুও টেনশন করেই চলেছে। হঠাৎ বড় বোনের আগমন,,,
- কি ভাই, টেনশন হচ্ছে
- হ্যা,আপু খুব টেনশন হচ্ছে কি যে হবে!
-চিন্তা করিস না, তুই তো ভাল ছাত্র দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।
-তা হলেই ভাল হবে।
-চিন্তা বাদ দে, চল খাবি চল।
-হুম, তুমি যাও আমি আসছি।
-ঠিক আছে, খেয়ে এসে শুয়ে পর রাত অনেক হয়েছে। সকাল উঠে পড়িস, রাত জাগলে অসুস্থ হয়ে পরবি।
-ওকে

খাবার শেষে রুমে ফিরে ল্যাপটপ এ ফেসবুকে লগ ইন করলো। ৯৯+ ( বহু) নটিফিকেশন জমে আছে, হবেই না কেন? এক সপ্তাহ হলো এফবিতে আসা হয় না। নটিফিকেশনগুলো চেক করতে শুরু করলো সে,
নানারকম এর নটিফিকেশন! একটি তে চোখ আটকে গেল umme habiba accepted your friend request.!
দেখে অবাক ই হলো সে, কারন সে মেয়েদের থেকে বেশ দুরত্ব বজায় রাখে।
সেই মহুর্তে মেয়েটি নক করলো তাকে,,
-আসসালামু আলায়কুম,
-ওয়ালাইকুম আসসালাম।
-কেমন আছেন?
-আলহামদুলিল্লাহ,ভালো। আর আপনি?
-আলহামদুলিল্লাহ,আমিও। কিসে পরেন?
-এবার এসএসসি দেব, আপনি?
-আমিও,আচ্ছা আল্লাহ হাফেজ , ফজর এর নামাজ পড়তে হবে।আশা করি আপনিও পড়বেন
- হুম, পড়বো(যদিও সে পড়ে না)
-ঠিক আছে।
-----------------------+++-
সকাল ৮ টায় ঘুম থেকে উঠেছে সুলতান, কোনোরকম নাস্তা করেই বেড়িয়ে পরলো কোচিং এর উদ্দেশ্যে। রাস্তায় বেস্ট ফ্রেন্ড খালিদ'র সাথে দেখা,
- আরে! নবাব সাহেব সরি সুলতান সাহেব আপনি তো দুষ্প্রাপ্য প্রানী হয়ে গেছেন! দেখিনা যে আপনাকে।(খালিদ)
-ব্যাটা জানিস না? কেন হয়েছি? পরিক্ষাটা কি আঙ্কেল দিবে?(তোর বাপে দিব)
-বুঝলাম, চল,,,
কোচিং গিয়ে ক্লাস করছে, সে অনুভব করলো একটি মেয়ে তার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে আছে।
এভাবে অনেকদিন লক্ষ করে সে, তাই সে মেয়েটির সাথে কথা বলবে ঠিক করে।
-এই,যে মেয়ে তোমার নাম কি? তুমি প্রতিদিন আমার দিকে ঐভাবে তাকিয়ে থাকো কেন?
- হাবিবা,
-তাকিয়ে থাক কেন?
-ভালোলাগে তাই।
-কিহ(অবাক হয়ে)
-হুম আমার ইচ্ছা তাই তাকাই
-আর তাকাবে না।
-হুম,,
___________________________________
কোচিং শেষ করে বাড়ি ফিরে নিজের রুমে চলে গেল সে। গিয়ে ফোনে ওয়াইফাই অন করতেই ফেসবুক এর নটিফিকেশন আসতে শুরু করলো, সবই অদ্ভুত টাইপ এর।
কেউ তাকে গ্রুপে এড দিয়েছে, চেক করতে গিয়ে দেখলো হাবিবা(যার সাথে গতরাত কথা হয়েছে)
তাই এবার, সুলতানই নক দিল,,,,
-হাই
-আসসালামু আলাইকুম।
-ওয়ালাইকুম আসসালাম, আমাকে গ্রুপ এ এড দিলেন কেন?
-ইসলামিক গ্রুপ, ভালো গ্রুপ আপনার উপকার হবে।
-তা ঠিক আছে, ভবিষ্যৎ এ আর যেন এমন না হয়(👿)
-ঠিক আছে।
---------++-------------*-+;-----
এভাবেই কেটে গেল ২ মাস আজ ssc এর শেষ পরিক্ষা। হল থেকে বের হতেই সে যুদ্ধ জয়ের ন্যায় আনন্দ অনুভব করলো। তখন সেই মেয়েটিকে দেখলো, একি মেয়েটি তো তার কাছেই আসছে।
-আসসালামু আলাইকুম(হাবিবা)
-ওয়ালাইকুম(সুলতান)
-কেমন আছেন?
-ভালো, তুমাকে চেনা চেনা লাগছে!
-হুম, একই কোচিং এ পড়ি, তাছাড়া ফেসবুকেও তো কথা হয়।
-কি! ফেসবুকে?
-হুম, উম্মে হাবিবা আমার আইডি।
-আচ্ছা বায়, রাতে কথা হবে
-আল্লাহ হাফেয
-আল্লাহ হাফেজ
বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে খাবার শেষে নিজের রুমে চলে গেল। কোনো কাজ নেই কেমন যেন একঘেয়েমি লাগছে। তাই নেট ব্রাউজিং করতে লাগলো। য়ুটিউব এ মুভি দেখছিল, সে মুহুর্তে কেউ মেসেজ দিল এফবিতে।
চেক করে বুঝলো এটা হাবিবা
-আসসালামু আলাইকুম(হাবিবা)
-ওয়ালাইকুম, কেমন আছেন?(সুলতান)
-ভাল,আপনি?
-আমিও, পরিক্ষা তো শেষ এখন কি প্ল্যান? কি করবেন?
-আপাততো, কিছু না।আপনার?
-একই,কিছু না বাট ভাবছি।
-নামাজ পরেছেন?
-না(ভুলবশঃত সেন্ড করে দিয়ে)
-কেন?
-পরেছি
-নামাজ নিয়ে মিথ্যা বলা ঠিক না। নামাজ পড়ুন।
-ঠিক আছে।
এভাবেই তাদের মাঝে কথা হয়, কথা বলতে বলতে সুলতানের মনে অনুভুতির জন্ম নেয়
তাই সে ঠিক করে সে আজ রাতে হাবিবাকে প্রপজ করবে।
-আসসালামু আলায়কুম(সুলতান)
-ওয়ালাইকুম আসসালাম(হাবিবা)
-কেমন আছো?
-ভালো, আপনি?
-আমিও, হাবিবা আমি তোমায় একটি কথা বলতে চাই, বলবো?
-বলুন,
-আসলে, কি করে বলি!
-আমি কিছু মনে করবো না আপনি দ্বিধাহীনভাবে বলতে পারেন!
-আমি তোমাকে ভালোবাসি
-(নো রিপ্লাই)
-hey, r u there?
- আছি,
-কিছু বললে না যে!
- আমার সময় চাই, দেবে?
-ঠিক আছে, অপেক্ষা করবো।
---------৪ দিন হাবিবা এফবিতে আসেনা, অন্যদিকে সুলতান চিন্তায় পরে গেল।
ডিং ডিং! মেসেঞ্জারে কেউ নক দিল, একি! হাবিবা মেসেজ দিয়েছে, চ্যাট হেড টা দেখেই ওপেন করলো সে
-আমিও(হাবিবাল
-কি(সুলতান)
-ভালোবাসি
-কাকে
-তোমাকে,
-তোমার নাম্বারটা দাও, আমারটা ০১৫১৫******
-এই নাও,০১৮১১******
এভাবেই শুরু হলো তাদের সম্পর্কের আপডেটেড ভার্সন
প্রতিদিন সুলতানের খবর নেয়া প্রতি ওয়াক্ত নামাজের জন্য তাগাদা। এভাবেই চলতে থাকে।
এসএসসি র রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে।
সুলতান জিপিএ৫ পেয়েছে তাই সবাই খুশি। বাসায় আনন্দের বন্য বইছে।
সুলতান ভাবলো সে হাবিবাকে জানাব তাই কল দিল
রিং বেজেই চলেছে কিন্তু এন্সার নেই
আবার দিল
-ক্রিং ক্রিং
-আসসালামু আলাইকুম কেমন আছো? রেজাল্ট কি?
-ওয়ালাইকুম আসসালাম, এত্ত প্রশ্ন!
-বল, কি খবর?
-ভাল দুটই জিপিএ ৫ পেয়েছি? তুমি
-আমিও,
-আজ বিকালে দেখা করি?
-আচ্ছা ৪ টায়
-------৪ টা বেজে ২৫---------
পার্কে গিয়ে দেখে কাল বোরখায় একটি মেয়ে বেঞ্চিতে বসে আছে।
নিশ্চই হাবিবা।
-এহুম্ম
-%%%%
-রাগ করেছো?
রাগি লুক নিয়ে ঘুরে
-না,
-কিন্তু দেখে তো রাগি মনে হচ্ছে!
- ৭ মাসের পরিচয়ে, সামনাসামনি দেখা ২ মাস,রিলেশন এর ৩ মাসে একদিন দেখা হলো তাও লেট করলা?
-স্যরি, মাফ করে দাও
-না, ক্ষমা নেই,
-প্লিজ(উঠবস করতে করতে)
-এই কি করছো, থামো। ঠিক আছে মাফ করলাম
-থ্যাংক্যু
-ইটস অকে
(চলবে)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ