āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

189

ছাত্রী আমি কোনকালেই ভাল ছিলাম না।বেসিক নলেজ বলতে যে একটা জিনিস থাকে মানুষের,সেটা আমার ছিলনা।স্যার ক্লাসে যা বকবক করত সেটা স্যার ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাবার সাথে সাথে আমার মাথা থেকেও বেড়িয়ে যেত।আমার বাবা চাচারা হলেন উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বিশাল ধনী মানুষ।গ্রামের মাতাব্বর গোছের মানুষ আরকি।আমার বাবা চাচার কথায় গোটা গ্রাম উঠে আর বসে।আমার বাবা আবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।আমার চাচাত ভাই বোনরা সবাই মেডিকেল,বুয়েট,ব
াকৃবি,ঢাবিতে পড়ে।এমন নামীদামী পরিবারের সন্তান হয়েও আমি হয়েছি গাধা.... সরি গাধী।
.
আর সবকিছু তবুও মুখস্থবিদ্যার উপর চালাতে পারতাম কিন্তূ ঝামেলা কোনটাতে বেশী হত তো বুঝেছেনি পাঠক?
.
হুম ঠিকই বুঝেছেন।গনিত।ক্লাস এইট পর্যন্ত পেড়িয়ে গিয়েছিলাম।কিন্তু নাইনে উঠে যে কি বিপাকে পড়েছিলাম!বড় কাকা ছিলেন স্কুলের সভাপতি আর আমার মেজো ফুফা স্কুলের হেড টীচার।টানা তিন দিন কান্নাকাটি করেছিলাম সাইন্স নিবনা বলে কিন্তু বাপ ,দাদা,কাকা,ফুফার মান ইজ্জত রক্ষার্থে আব্বা আমার মাথা হাতিয়ে আম্মাজান আম্মাজান ডাকতে ডাকতে আমার উপর সাইন্স চাপিয়ে দিল
একদিন সাড়াদিন শুধু গ্রুপের বইয়ের নামগুলোর বাংলা ও ইংরেজি নাম মুখস্থ করলাম।আমার উপর চেপে গেল ফিজিক্স,কেমিষ্ট্রি,বায়োলজির মত বিশাল বিশাল তিনটা পাহাড়।আমি এই তিন পাহাড়ের নীচে চাপা পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছিলাম।ক্লাস
ে যে স্যার কি বলত কিছুই বুঝতাম না।শুধু যেদিন যে চাপ্টারটা স্যাড় পড়াতেন ওটা বাড়িতে এসে মুখস্থ করে ফেলতাম।মুখস্থ করে ফেলার দরুন স্যার ক্লাসে কিছু জিজ্ঞাসা করলে গড় গড় করে বলে দিতাম।
.
কিন্তূ সমস্যা একটু হত রসায়ন ক্লাসে।কতকিছুর সংকেত যে মুখস্থ করতে হত।
.
একদিন রসায়নের টাকলু বশির স্যার ক্লাসে দাড় করিয়ে বললেন পানির সংকেত বলতে
আমিতো বুক ফুলিয়ে বলে ফেললাম,এইচ টু জিরো(H2o) সাথে সাথে ক্লাসে হাসির রুল পরে গেল।যেই টাকলু স্যারের হাসি কোনদিন কোন শিক্ষার্থী দেখে নাই সেই হাসি সেদিন বিজ্ঞানভবনে অবস্থানরত আমাদের ব্যাচের সবাই দেখেছিল।আহ!কি অসাধ্যই না সাধন করেছিলাম সেদিন!ভাবলে এখনো গর্বে বুকটা ভরে উঠে।আবার এটা ভেবে লজ্জাও লাগে যে এইচ টু ও কে এইচ টু জিরো বলেছিলাম।হোয়াট এ গাধা ছিলাম আমি.....
.
রসায়ন ক্লাসে এরকম বেশ কিছু হাস্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলাম আমি।তবে মার খেয়েছিলাম শুধু একদিন।লোহায় মরিচা পড়াকে ভৌত পরিবর্তন আর বরফ
গলে পানি হওয়াকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।
.
এবার আসি পদার্থবিজ্ঞানে।এই বই হাতে নেওয়ার আগে আমি সবসময় নিউটনের বাপ দাদার চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করতাম বকাবাধ্য করে।এই ব্যাটা যে কেন ঐদিন আপেল গাছের নীচে বসতে গেছিল!আর ব্যাটা না হয় বসছিলই!কিন্তূ ঐ কুটনা আপেলটা আরেকটু এদিক সেদিক পড়লে হত না!!ঐ ব্যাটার মাথায়ই কেন পড়ল!সেদিন ঐ আপেলটা নিউটইন্যার মাথায় না পড়লে আজকে কি আমার মত মেধালেস ছাত্রীগুলোকে তিনটা জাঁদরেল টাইপ সূত্র পড়তে হত!(মেধালেস বলতে আদৌ কোন শব্দ আছে কিনা আমি জানিনা)
.
একদিন নিউটনের সূত্র তিনটা পড়তে পড়তে যখন ফ্যাড আপ হয়ে যাচ্ছিলাম তখনি মনে হল,আচ্ছা ঐদিন যদি ঐ আপেলটা নিউটনের মাথায় না পরে আমার মাথায় পড়ত তাহলে কি হত!ক্ষনিক বাদেই ভাবি, কি আর হত!আপেলটা কাছের কোন পুকুর বা নদীর থেকে একটু ধুয়ে চার কামড়ে পেটে চালান করে দিতাম!অন্তত এই চিন্তাতো জীবনেও করতাম না যে,এই আপেল গাছ থেকে ছিঁড়ে উপড় দিকে না গিয়ে নীচ দিকে কেন এল।দাড়ান!এই ঘটনা শেষ করার আগে নিউটনরে আরো দুটো গালি দিয়ে নেই।অনেকদিন পদার্থ বই হাতেও নেয়া হয়না।ব্যাটারে গালিও দেয়া হয়না।নিউটন কুত্তা, বান্দর,বিলাই,ইঁ
দুর,তেলা....
না না।তেলাপোকা না।আমি আবার তেলাপোকা ভয় পাই।
.
ক্লাস নাইনের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্ততি আল্লাহর দেওয়া মুখস্থবিদ্যার বরকতে ভালই নিছিলাম।কিন্তূ তবুও পদার্থ পরীক্ষায় খুব একটা কমন পড়ল না।আগে পিছেন বান্ধবীধের কাছ থেকে হেল্প চাইলাম।তারা বলল তাদেরও একই অবস্থা।তারা নাকি হাল্কা পাতলা আইডিয়ার উপর বানিয়ে বানিয়ে লিখতেছে।আমার মাথায় যেন সেজো কাকার বাথরুমের বড় ছাদটা ভেঙে পড়ল।(একবার কাকার মাথায় পড়ে মাথা চেপ্টে গিয়েছিলতো তাই ঐটা অনেক ভয়াবহ বলে মনে হয়)
আইডিয়ার উপর বানিয়ে লেখা!এটাতো জীবনেও সম্ভব না!বেঞ্চের আগে পিছে তাকাই সবাই লেখায় ব্যাস্ত।কেবল আমিই বোকার মত বসে আছি।পাশ মার্ক না আসলেতো কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে।হঠাৎই প্রশ্নপত্রের একটা প্রশ্নে আমার চোখ আটকে গেল।আর নিমিষেই আমার মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠল।একটা প্রশ্ন এসেছে, বিগ ব্যাঙ কি!এটা দেখেতো সহজই মনে হচ্ছে।হুম এটাই বানিয়ে লিখব বলে স্থির করলাম।প্রথমেই লিখলাম বিগ মানে হচ্ছে বড়।আর ব্যাঙতো ব্যাঙই।আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে ব্যাঙ হচ্ছে,চার হাত পা বিশিষ্ট একটি লাফালাফিকারী জলজ প্রানী।সুতরাং বিগ ব্যাঙ মানে হচ্ছে বড় বড় ব্যাঙ।উদাহরনস্বরুপ গঁতা ব্যাঙ।কুনোব্যাঙতো আকারে ছোট।তাই এরা বিগ ব্যাঙের পর্যায়ভুক্ত নয়।
.
জীবনে প্রথম বানিয়ে লেখার
আনন্দে নাচতে নাচতে বাড়িতে এলাম।এসেই বই খুলে দেখলাম বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব।আমার মুখে এতক্ষন যে আনন্দের আভাটা ছিল সেটা নিমিষেই উবে গেল।আর সেদিনই প্রথম বুঝেছিলাম যে খারাপ শুধু নিউটন না।বিগ ব্যাঙের প্রবক্তা জি ল্যামেটার উনার থেকেও খারাপ।নইলে এই তত্ত্বের নাম বিগ ব্যাঙ না দিয়ে অন্যকিছুওতো দিতে পারত।তাহলেতো আজকের এই ভুলটা করতাম না।যা হোক এটার খেসারতস্বরুপ সুবীর স্যার খাতা দেওয়ার দিন আমাকে পুরু ক্লাস কান ধরে দাড়া করিয়ে রেখেছিলেন।
.
এবার আসি আমার বায়োলজির ব্যাপারে।এখানে তেমন কোন দুর্ঘটনা ঘটাই নি। শুধু একদিন বৃক্ককে বৃক্ষ বলেছিলাম।আর বৃক্ক আঁকতে গিয়ে ব্যাঙের ছাতা এঁকে ফেলেছিলাম।তাই স্যার একটু ধমকেছিলেন।আমার কি দোষ,বলেনতো পাঠক!ঐটাতো দেখতে ব্যাঙের ছাতার মত।তফাৎ শুধু যে ব্যাঙের ছাতা সোজা আর বৃক্ক একটু বাঁকা ডানদিকে কাত হওয়া।
.
এস এস সি পরীক্ষার আগে আগে শুরু করলাম অংক মুখস্থ করা।একটা ইমপোর্টেন্ট সাজেশন্স আনতে গেলাম সৌদ দের বাসায়।সৌদ ওর বোনের বাসায় থাকত।অনেক্ষন ওর বোনের বাসায় বসেছিলাম।সৌদ কোথায় যেন চলে গিয়েছিল।আর এই ফাঁকে ওর একমাত্র ভাগ্নে সামি আমাকে খুব জ্বালিয়েছিল।পায়
ে পাড়া দিচ্ছিল।হাতে খামচি দিচ্ছিল।গায়ে পানি ছেটাচ্ছিল।তখন
মনে হয়েছিল।ইশ! পড়াশুনার জন্য কত কষ্টইনা করতে হচ্ছে।অবশ্য আমিও সৌদের ভাগ্নে সামির থেকে প্রতিশোধ নিয়ে এসেছিলাম।পড়াশুন
ায় খারাপ হলে কি হবে!শয়তানীতেতো আর খারাপ ছিলাম না।ঐ ছেলে যখন খামচি দিয়ে রক্ত বের করে ফেলেছিল আমাকে ,সৌদের আপা তখন কাছেই বসা ছিল।সামনেতো কিছু বলতে পারিনা তাই আদর করার ছলে ইয়া জোড়ে জোড়ে ওর গাল টেনে লাল করে ফেলেছিলাম।পিচ্চিটা কেঁদেই দিয়েছিল প্রায়।ওর ফর্সা গালগুলো লাল হয়ে গিয়েছিল।মাড় খেয়ে ও আমাকে ব্যাট দিয়ে মাড়তে এসেছিল।তার পর ওর আম্মু যখন ওকে বলছিল যে ছিঃ আব্বু।এমন করেনা।উনি তোমার আন্টি হয়।সামি তখন খেপে গিয়ে বলেছিল।অনেক আন্টি আছে আমার।এমন পঁচা আন্টি লাগবেনা আমার
.
সেদিন কোনমতে সামির হাত থেকে বেঁচে এসেছিলাম।এস এস সি তে সৌদের সীট পড়েছিল আমার সামনে।সেই সুবাদে সবগুলো পরীক্ষার গন্ডি ওর থেকে কিছু হেল্প নিয়ে নিয়ে পার হয়েছিলাম।কিন্তূ ঝামেলা বেঁধেছিল গনিত পরীক্ষার দিন।সবার কাছ থেকে গনিতের জন্য স্পেশাল দোয়া দুরুজ নিয়ে পরীক্ষার হলে গিয়েছিলাম।কিন্তূ প্রশ্নপত্র হাতে নিয়ে বুঝেছিলাম যে,দোয়া দুরুজ কবুল হয় নাই।অতঃপর সৌদকে ইচ্ছামত জালিয়ে কোনমতে পাশ মার্কসের ব্যবস্থা করেছিলাম।
.
এস এস সি তে আমি আল্লাহর রহমতে টি টি পি
(টাইনা টুইনা পাশ)করছিলাম প্রথম চান্সেই।কিন্তূ আমার জন্য আমার জানুটার(সৌদের) গোল্ডেন ছুটছিল।ও গনিতে প্লাস পায় নাই।
.
হুম পরে সৌদের সাথে আমার রস এবং রসায়নের বদৌলতে বিয়ে হয়।ও আমাকে খুব ভালবাসে।শুধু মাঝে মাঝে একটু অভিমানের স্বরে নাক টেনে বলে "তোমার জন্য আমার গোল্ডেন ছুটছিল" আমি তখন আমার কলিজাটাকে একটু আদর করে দিয়ে বলি, তাতে কি হইছে সোনা! তুমিতো এখন বুয়েট পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার।
.
আজতো একটা গল্প বললামই।আমার আর সৌদের গল্পটা আরেকদিনই বলি....
ওহ!আরেকটা কথা সামি এখন বড় হয়েছে।ও আমার খুব ভক্ত।একসাথেই থাকি আমরা।কিন্তূ ও এখনো আমাকে দুষ্টুমি করে পঁচা মামী বলেই ডাকে।

Written by:Tanjina Akter Tania(হিমাদ্রির মেঘ)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ