আমি:-পরী আ..আ.....মিইই মানে.......পরী আমি আপনাকে ভালোবাসি ।(এক নিঃশ্বাসে বলে দিলাম)
,
,
,
আমি নিজেই এখন হতভম্ব।কি বললাম আমি।আজ আমি শেষ।পরী যে কি পরিমান রাগি সেটা আমি জানি।এখন কি করি।যাই পালাই।না হলে আমার নাক ফাটায় দিবে।
,
কেবলই পিছন ফিরে দৌড় দিব কিন্তু পারলাম না।তার আগেই খুব জোরে একটা ঘুষি মেরে দিলো আমার নাকে।আমি নাক ধোরে উ করে চিৎকার দিলাম আর খাট থেকে উঠে পড়লাম।ওহ তার মানে এতক্ষণ স্বপ্ন দেখছিলাম।যাক আমার নাকটা বাচলো।একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আবার শুয়ে পড়লাম।
,
,
পরীকে আমি আমার এক বন্ধুর বড় আপুর বিয়েতে দেখেছিলাম।একটা মেয়ে দেখতে যে এতটা সুন্দর হয় তা জানা ছিল না।সত্যিই আমি ওকে দেখে চোখ ফেরাতেই পারছিলাম না।যেই আমি কোনো মেয়ের দিকে তাকেতে লজ্জা পেতাম।আজ সেই আমি এই মেয়েটির দিকে নিলজ্জের মত তাকিয়ে আছি।আসলে ও এতটাই সুন্দর যে চোখ ফিরিয়ে নিলেও চোখ আপ্না-আপনি ওর দিকে চোখ চলে যায়।বিয়ে বাড়িতে লোকে লোকারন্ন ছিল।কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল যে বিয়ে বাড়িতে শুধুমাত্র আমি আর ওই আছি।এটাই ছিল আমাদের প্রথম দেখা।ওর রূপ যেনো ভাষায় প্রকাশ করার মত না।সেদিন ও কালো শাড়ি পড়ে বিয়েতে এসেছিল।আর ওর কাজল কালো চোখ।সেটার সৌন্দর্য বর্ণনা দেওয়ার সাধ্য আমার নেই।তখন শুধু একটা কথাই মনে আসছিল ওকেই লাগবে হ্যা ওকেই লাগবে আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে।না হলে জীবনে অনেক বড় একটা অপূর্ণ রয়ে যাবে।ওর দিকে যে কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম তা হয়তো সঠিক জানা নেই।আর হ্যা প্রথমেই ওর হাসির সৌন্দর্য আর শব্দের উপর ক্রাশ খেয়েছিলাম।আচ্ছা একেই বুঝি ক্রাশ বলে।যাইহোক আমি প্রথম দেখাতেই ওর প্রেমে পড়েছিলাম শুধু পড়িনি খুব খারাপ ভাবেই পড়েছিলাম।কালো শাড়িতে ওকে কি যে অসাধারণ লাগছিল তা হয়তো বলে বোঝানো সম্ভব না।ও ওর বান্ধবীদের সাথে উচ্চস্বরে হেসে হেসে কথা বলছিল।কিছু মানুষ হয়তো ওকে পাগলও ভাবছিল তাতে ওর কিছুই আসছিলও না যাচ্ছিলও না।ও হয়তো বুঝতে পেরেছিল কেউ ওর দিকে হাবার মত তাকিয়ে আছে।ওর থেকে আমি অনেকটাই দূরে অবস্থান করছিলাম।হঠাৎ ও আমার দিকে তাকিয়ে কেমন যেনো এক অদ্ভুদ রহস্যময় হাসি দিল।যার মানে আজ পর্যন্ত এই গোবর ভর্তি মাথা বের করতে পারে নি।আমিও আর ওখানে না দাঁড়িয়ে বন্ধুদের মাঝে চলে আসলাম।
,
,
আজ নতুন ভার্সিটিতে প্রথম ক্লাস।যেতে ইচ্ছে করছিল না।তাও গেলাম প্রথম ক্লাস তাই।পুরোই বোরিং একটা দিন গেলো বলা চলে।আমার বন্ধুদের মধ্যে কেউই এই ভার্সিটিতে চান্স পায় নি।খুব খারাপ লাগছে।ক্লাস ফোর থেকে ইন্টার পর্যন্ত একই সাথে পড়েছি।কিন্তু এখন সবাই আলাদা হয়ে গেলাম।তাই মনটা আরো বেশি খারাপ।
,
,
বিয়ে বাড়িতে দেখা মেয়েটাকে সবসময়ই মনে পড়ে।কেনো যেনো চেষ্টাও কখনো করে দেখিনি।ওকে যে আমার লাগবে।ওর উচ্চ হাসির শব্দটা সবসময় আমার দু কানে বাজতে থাকে।আর ওর কাজল কালো চোখ গুলোও।আসলে ও যে আমার মনে গেথে গেছে স্মৃতিতে নয়।অনেক জায়গায় খুজেছিও কিন্তু পাই নি।
,
,
আজ আমাদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান ভার্সিটিতে।একটা নীল পাঞ্জাবি পড়ে ভার্সিটিতে গেলাম।
হঠাৎই একটা উচ্চ হাসির শব্দ কানে এল।এই হাসির শব্দটা যে আমার খুব পরিচিত।খুব।যা আমি গত ছয় মাস ধোরে খুজে আসছি।অনেক খুজলাম হাসির মালকিনকে।কিন্তু আবারও ব্যর্থ।ভিড়ের ভিতর কোথায় যেনো হারিয়ে গেলো।ব্যর্থ সৈনিক হয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়লাম।স্টেজ থেকে কোনো এক সুকন্ঠির গানের আওয়াজ আসছে।এই কন্ঠটাও আমার খুব পরিচিত।স্টেজের দিকে তাকালাম।সেই অপরূপ কাজল কালো চোখ আর মুখটা দেখলাম।কত দিন পর যে দেখলাম।এতদিন তো শুধু কল্পনাতেই দেখে এসেছি।কিন্তু আজ আবার বাস্তবে দেখছি।গানটাও সত্যিই অসাধারণ গায়।
~
"তোমার আলো,আরো জ্বালো
হারাক মেঘের কালো
তোমায় বলি ও প্রেম কি আসি বাসি অনেক ভালো"
~
আমার খুব প্রিয় একটা গান।এত্ত সুন্দর গান গেতে পারে জানতাম না।আবারও ওর প্রেমে পড়ে গেলাম।ওর কন্ঠস্বরটা আমার খুব পছন্দ।সাথে ওউ।আজকেও দেখি সবুজ রঙের শাড়ি পড়েছে।উফ কি সুন্দর লাগছে তা বোঝানো অসম্ভব।এই নিয়ে ওকে দ্বিতীয় বার দেখলাম।আর এখনই আমার এই অবস্থা।মানে ওকে এই কদিনেই অনেক ভালোবেসে ফেলেছি।ছেলেদের নাকি কাউকে ভালোবাসতে কয়েক মুহূর্ত লাগে।আমার ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।আচ্ছা আমি তো ওকে ভালো মত চিনিই না।এমনকি নামটাও জানি না।আচ্ছা সোহেলকে জিজ্ঞাস করা যায়।ও সিউর বলতে পারবে।
আমি:-এই সোহেল.....
সোহেল:-ফাহিম নাকি।কি খবর তোর?
আমি:-আলহামদুলিল্লাহ ভালো।তোর?
সোহেল:-হুম আমিও আছি।
আমি:-আচ্ছা কেবল যে মেয়েটা স্টেজে গান গেলো সে কে রে?
সোহেল:-কেন তুই চিনিস না?
আমি:-না তো। কে?
সোহেল:-ওসির বড় মেয়ে।২য়য় বর্ষে পড়ে।নাম পরি।
আমি:-সত্যি।
সোহেল:-আরে হ্যা।আচ্ছা এখন আসি।সামিয়া ডাকছে।
আমি:-আচ্ছা যা।আল্লাহ আফেজ।
,
,
কি ও আমার থেকে এক বছরের বড়।আচ্ছা এ কি করে সম্ভব।ওকে যে আমি খুব বেশিই ভালোবাসি।আমাদের সম্পর্ক কি সবাই মেনে নিবে।
না থাক কেউ হয়তো মেনে নিবে না।ও নিজেও কখনও রাজি হবে না।থাক আমি না হয় ওকে দূর থেকেই ভালোবাসবো।কাউকে ভালোবাসলেই যে কাছে পেতে হবে এমন কোনো কথা নেই।ওকে শুধু দূর থেকে দেখেই ভালোবাসবো।
,
,
অনেক দিন ধরেই ফলো করছি।আজ প্রায় ৪মাস। আচ্ছা এক কাজ করা যায় আমি উনাকে প্রপোজ করি।উত্তর তো "হা" ও হতে পারে।
আজ যা দেখলাম তা হয়তো আমার জন্য না দেখা শ্রেয় ছিল।
এক বড় ভাই পরিকে প্রপোজ করেছিল।ভাইয়াটা দেখতে হ্যান্ডসামই ছিল।কিন্তু পরি কি করলো।প্রপোজ করার সাথে সাথেই ধুম করে একটা ঘুষি মেরে দিলো।আচ্ছা ওসির মেয়ে গুলা কি এমনই সাংঘাতিক হয়।ওই ছেলের তো এক ঘুষিতেই নাক দিয়ে রক্ত পড়লো।আমার যে কি হবে কে জানে।সিনিয়র বলে একটা ঘুষি দিল।আর জুনিয়র কে করবে কে জানে।
আজকে প্রায় এক বছর হতে চললো।কিন্তু এখনও বলতে পারলাম না পরিকে।
কিছুদিন পর নাকি ভ্যালেন্টাইন্স ডে।ধুর ভালোবাসার মানুষকে ভালোবাসি বলতে কি আর কোনো দিবসের প্রয়োজন হয় নাকি ।সেদিন প্রপোজ করলে কেমন হয়।
মাঝে-মধ্যে যখন ওকে ফলো করি তখন ও দেক্ষে ফেলে।কিন্তু কিছুই বলে না।কারণটা কি।কিছুই বুঝছি না।যাইহোক পরি কে প্রপোজ করতেই হবে।যে করেই হোক।কিন্তু যতবার প্রপোজের চিন্তা করি তখনই হাতটা একাই নাকের উপর চলে যায়।খুব ভয় লাগে যদি আমাকেও ঘুষি মেরে দেয়।তারপর যদি ওর বাবাকে বলে দেয়।তাহলে তো লকাপে নিয়ে থার্ড ডিগ্রী দিবে।আর যদি না বলি আর অন্য কেউ এসে ওকে নিয়ে যায় তখন আমার কি হবে।আমি তো শেষ হয়ে যাবো।যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রপোজ করতেই হবে পরিকে।
,
আজকে ক্লাস করবো না।মাঠে গিয়ে বসে একটা বই পড়ি।হুম সেটাই ভালো হবে।
মন দিয়ে বই পড়ছিলাম।হঠাৎই মেয়েলি কাশির শব্দে পিছনে তাকালাম।কিছুক্ষণের জন্য মনে হয় কোথায় যেনো হারিয়ে গিয়েছিলাম।এ আমি কাকে দেখছি।এতো আমার কালো পড়ি।যদিও আজ কালো শাড়ি পড়েনি।কিন্তু কালো থ্রী-পিচ পড়েছে।দেখতে যে কি সুন্দর লাগছে তা বলে বোঝাতে পারবো না।হঠাৎ করে এক ঝাড়ি দিয়ে বসলো,
পরি:-ওই,এইরকম ভ্যাবলার মত তাকিয়ে আছো কেনো?
আমি:-না.....মানে....আসলে....আসলে......আ..কা.....শ দেখছিলাম।
পরি:-তাই নাকি?আমি আকাশের মত দেখতে?
আমি:-না.......মানে
পরি:-আগে মিথ্যা বলা ভালো মত শিখো।
আমি:-(নিশ্চুপ)
পরি:-আমার সাথে আসো।
আমি:-কোথায়?
পরি:-আসতে বলছি আসো।
বলেই আমার হাত ধোরে টানতে টানতে একটা কফি হাউজে নিয়ে আসলো।
পরি:-দুটো কফির অর্ডার দাও।
আমি:-আমি তো কফি খাই না।
পরি:-আচ্ছা ঠিক আছে।এখন যা বলবো মন দিয়ে শুনবা।বুঝছো।
আমি:-আচ্ছা।
পরি:-আমি জানি তুমি আমায় ভালোবাসো।কিন্তু আমাদের সম্পর্ক কেউ মানবে না।আর কেউ মানলেও আমি মানবো না।কারণ আমি একজনকে ভালোবাসি।তাই তোমাকে আমার পক্ষে ভালোবাসা কখনোই সম্ভব না।
আমি:-আচ্ছা সে কে জানতে পারি কি?
পরি:-আসলে আমিও তেমন একটা চিনি না।আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড।আসলে ও একজন লেখকই বলা চলে।
আমি:-ওনাকে বলেছে আপনি ওনাকে ভালোবাসেন?
পরি:-বলেছিলাম।কিন্তু ও অন্য কাউকে ভালোবাসে।
আমি:-আচ্ছা আপনার আইডিটা কি পেতে পারি?
পরি:-আমাকে খুউজে পাবে না।তোমারটা দাও।
আমি:-আচ্ছা।"ছদ্মবেশী নাবিক(ঘুনেপোকা)"।
পরি:-কি বললে আবার বলো।(অবাক হয়ে।)
আমি:-ছদ্মবেশী নাবিক।
পরি:-তার মানে তুমিই ফাহিম।
আমি:-কেনো আপনি আমার নাম জানতেন না।
পরি:-ওহ শিট.........
আমি:-কি হলো???
পরি:-দাড়াও....
আমি:-কেনো?
পরি:-দাড়াতে বলছি দাড়াও।এত প্রশ্ন কর কেন।
আমি:-আচ্ছা।
(আমি দাড়াতেই পরিও দাড়িয়ে পরলো।ব্যাগ থেকে একটা আংটি বের করে হাটু গেড়ে বসে প্রপোজ করলো।")
আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না।আসলে আমার সাথে আজ যে কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।আমি শুধু হাতটা বাড়িয়ে দিলাম আর পরি আমার হাতে আংটিটা পরিয়ে দিল।আমার মুখ দিয়ে শুধু "আমিও খুব ভালোবাসি" কথাটা বের হলো।সাথে সাথেই পরি আমাকে এসে জড়িয়ে ধোরে কেদে দিলো।আর বললো,
পরি:-আমি জানতাম না যে ও তুমি।(কেদে কেদে)
আমি:-আচ্ছা ঠিক আছে।আর কাদতে হবে না।চোখ মুছো।আর ছাড়ো।সবাই দেখছে।
পরি:-দেখুক।তোমাকে সারা জীবন এভাবে জড়িয়ে ধোরে রাখতে চাই।
আমি:-হুম।আমিও।কিন্তু এবার ছাড়ো।
পরি:-.........
আমি:-দেখছো তোমার চোখের সব কাজল মুখে লেপ্টে গেছে।
পরি:-যাক।
আমি:-আচ্ছা এই সব কিছু স্বপ্ন না তো আবার।
পরি:-না।সবই সত্যি।
আমি:-আমার না সব কিছু কেমন ওলোট-পালোট লাগছে।
পরি:-আমি "নীলপরি"।
আমি:-কি???তুমি সেই নীলপরি" যে কিনা কিছুদিন পর-পরই আই লাভ আই লাভ করতা।
পরি:-ভালোবাসি তাই তো বলতাম।আর এখনো বলছি ভালোবাসি।আর সারা জীবন এভাবেই ভালোবাসবো।
আমি:-আমিও খুব ভালোবাসি।আর সারা জীবন এর থেকেও বেশি ভালোবাসবো।
,
,
,
,
(শুরু হলো আরো একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন।)
,
,
,
,
,
,
লিখাঃ-ছদ্মবেশী নাবিক(ঘুনেপোকা)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
36
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧧⧍:ā§Šā§Ē AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ