āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

184

*** নিজের  ভালোবাসার কাহিনি ***
__
__
সময়টা ছিল ২০১২ সাল ।
তখন আমি S.S.C পরিক্ষা দেই।
দুই তিনটা পরিক্ষা যেতেই আমাদের বাড়িতে দুর সম্পর্কের একটা ফুফাতো বোন আসে।
সেও এই বছর J.S.C পরিক্ষা দিয়েছে।
সরাসরি ওর নামটা বললাম না,
ইসরাত নামে আপনাদের সাথে তুলে ধরলাম ।
আর আমার নাম রাজু ।
ইসরাতকে দেখতে তেমন একটা সুন্দর ছিল না।
তবে ওর চেহারায় মায়াবি মায়াবি ভাব ছিল।
ইসরাত আর আমি প্রতিদিন  বাড়িতে বিভিন্ন গল্পের বই, গান, আর মুভি দেখতাম,
মাঝে মাঝে অনেক দুষ্টামি এবং ওর সাথে গল্প করতাম । ইসরাত এর কথা গুলো খুব মিষ্টি ছিল।
ওর কথা গুলো আমার অনেক ভাল লাগত।
এই ভাল লাগার মাঝে কখন যে আমি ইসরাত এর প্রেমে পড়ে যাই, আমি নিজেও জানিনা।
ইসরাতকে যে আমি ভালবাসি তাকে কখনো
বলতে পারি না। কারণ আমার খুব ভয় হত,
যদি ও আমার প্রস্তাবে রাজি না হয়।
আর ইসরাত যদি আমায় খাবাপ ভাবে।
এই ভেবে ইসরাতকে কোনকিছু বলে নাই ।
এভাবে ইসরাত কিছুদিন আমাদের বাড়িতে থাকার পর ওদের বাড়িতে চলে যায় ।
ইসরাত যখন চলে যাচ্ছিলো তখন আমার খুব খারাপ লাগছিল ।
তবে কোনকিছু বলতে পারি নাই ।
_
__
J.S.C রেজাল্ট এর পর ইসরাত ওর মাকে
নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসে।
তারপর মাঝে মাঝে ও আমার ফোন
নিয়ে গান আর মুভি দেখতো। এভাবে
ইসরাত চারদিন থাকার পর ওর মাকে
নিয়ে বাড়িতে চলে যায়। আমার
নাম্বারটা ওর কাছে মুখস্ত ছিল,তবে
কোন যোগাযোগ করত না। এভাবে
অনেক দিন চলে যায়।
তারপর আমি ১দিন জানতে পারলাম
ইসরাত গৌরীপুর ওর বড় বোনের বাসায়
থেকে পড়াশুনা করে। আর প্রতি
সোমবারে ইসরাত তাদের বাড়িতে
যায়। বাড়িতে যাবার সময় মাঝে
মাঝে ও আমাদের বাড়ি হয়ে যেত।
তাই ওর সাথে আমার প্রায়ই দেখা হত,তবে কথা হত না। তারপর আমি ওর বড়
বোনের নাম্বারটা আনার জন্য অনেক
চেষ্টা করলাম,কিন্তু আনতে পারি
নাই।
_
_
প্রায় ১০মাস পর,হঠাৎ ১দিন অপরিচিত
একটা নাম্বার থেকে SMS আসে Plz call
back.Israt রাত ৯:৩৮ মিনিট।
তখন রমজান মাসছিল।
আর ফোনটা আমার বড় ভাইয়ের কাছে ছিল।
পরদিন সকালে
ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি ইসরাত এর
মেসেজ আমি মেসেজ দেখে তাড়াহুরা করে
ওই নাম্বারে কল দিলাম। কল দিতেই ওর
বড় বোন ফোন রিসিব করল।আমি
হ্যালো বলতেই ওর বড় বোন বলল এই
ইসরাত দেখতো কে ফোন দিছে?ও
আমার নাম্বারটা দেখে কথা না বলে
ফোন কেটে দিল ।
এভাবে
অনেক বার ইসরাতকে ফোন দিলাম,
কিন্তু একটা ফোন ও রিসিব করল না।
তারপর একটু পরে ঐ নাম্বার থেকে ১টা মিসকল আসল। আমি ফোন বেক করলাম।
ইসরাত বলল আমি একটা প্রয়োজনে কাল রাতে তোমার এখানে মেসেজ করছিলাম।
এখন আমার সমস্যা Slove হয়ে গেছে।
এটা আমার আপার নাম্বার,
রাজু এই নাম্বারে আর ফোন দিও না।
এই বলে ইসরাত কল কেটে দিল।
একটু পরে আমি আবার কল দিলাম।
ইসরাত বলল কল দেও কেন?
আমি বললাম তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে,
ইসরাত বলল কি বলবা রাজু তারাতারি বল?
তারপর আমি বললাম তোমার নাম্বারে আমি কয়েকটা মেসেজ দিব,
মেসেজ গুলো দেখে উত্তর দিও,
আচ্ছা ঠিক আছে।
তখন আমি ইসরাতকে মেসেজেই প্রপোজ করলাম,
কিন্তু ও রাজি হলো ন।
ইসরাত বলে দেখো রাজু এটা আমার পক্ষে সম্ভব না।
আমি তোমার বন্ধু হয়ে সারাজীবন থাকতে পারব,
কিন্তু রিলেশন করতে পারব না।
কেননা আমার ফ্যামেলি এটা কোনদিন মেনে নিবে না।
এই বলে ইসরাত আবার কল কেটে দিল এবং আমার নাম্বারটা ব্লেকলিস্ট এ ফেলে দেয়।
এভাবে আমি অনেক বার ফোন দিলাম,
কিন্ত ওইদিন ওর সাথে আর কথা বলতে পারলাম না। __
__
১ সপ্তাহ পর
College থেকে বাসায় আসলাম ।
বাসায় এসে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি ইসরাতের মিসকল । তারপর আমি ইসরাত এর নাম্বারে ফোন দিলাম ।
ইসরাত ফোন রিসিব করে প্রথমে সালাম দিল আর বলল কেমন আছ রাজু?
-:আমি ভাল আছি তুমি কেমন আছ?
-:ইসরাত হুম আমিও ভাল, কি কর ।
-:এইতো মাত্র college থেকে এসে খাওয়া দাওয়া করলাম ।
এভাবে ইসরাত এর সাথে আমার প্রতিদিন এই কথা হত । এভাবে কথা বলতে বলতে একসময় আমাদের সম্পর্কটা ভালোবাসায় পরিণত হয় ।
তখন ছিল ২০১৫ জানুয়ারীর ১৮ তারিখ ।
ওর সাথে রিলেশন করে ভালই কাটছিল আমার দিনগুলো । এভাবে আস্তে আস্তে আমি ইসরাত প্রতি আরও দুর্বল হয়ে পরি এবং ইসরাতকে আমার জীবনের চেয়ে বেশি ভালবেসে ফেললাম ।
ওর সাথে একদিন কথা না বললে আমার খাওয়া দাওয়া পড়াশুনা কোনকিছুই ভাল লাগতো না ।
এমনকি আমার সাথে কথা না বললে ইসরাতের ও কোনকিছু ভাল লাগত না ।
এভাবে আমার সাথে ইসরাতের রিলেশন ভালই চলছিল । তারপর হঠাৎ আমি ইসরাত এর মাঝে পরবর্তন দেখতে পেলাম ।
দেখলাম ও আগের মত আমার সাথে কথা বলে না ।
প্রথমে ভাবলাম ইসরাত মনে হয় তার পরিবারের চাপের কারণে আমার সাথে কথা বলতে পারে না ।
__
__
তখন ছিল কোরবানির ঈদ ।
ঈদের দিনও আমার সাথে একবারও ইসরাত এর কথা হয়নি । ঈদের পরের দিন সারাদিন আমি ইসরাত ফোনের অপেক্ষায় থাকলাম,
তবে কোন ফোন দিল না ।
ঈদের ৩য়দিন সারাদিন অপেক্ষা করলাম ।
তারপর রাতে আমি ইসরাতের বাড়ির নাম্বারে ফোন দিলাম । ইসরাত ফোন রিসিব করল ।
আমি বললাম দু তিন ধরে তোমার সাথে আমি কথা বলতে পারি না ।
কি ব্যাপার তুমি ফোন দেওনা কেন?
তারপর ও বলল দেখ রাজু আমাকে আমার আপা খুব শাসনে রাখে ।
আপা ফোন হাতে নিতে দেয়না ।
বাড়ি থেকে বের হতে দেয় না ।
এভাবে ইসরাত আমাকে বিভিন্ন অজুহাত দেখায় ।
তার পরের দিন শুনতে পারলাম ইসরাত এর জীবনে নতুন কেউ আসছে ।
তাকে নিয়েই নাকি ওর অনেক স্বপ্ন ।
এই কথা শুনার পর যেন আমার মাথায় আসমান ভেংগে পরে  প্রতিদিন ওর কথা ভাবতে ভাবতে আমার চোখ থেকে পানি চলে আসত ।
ওর জন্য আমি অনেক কেঁদেছি,
জীবনে অন্য কারো জন্য এভাবে কাঁদিনি ।
অনেক বার ইচ্ছা করছে ওর জীবন থেকে অনেক দুরে চলে যাই, আত্ম হত্যা করি ।
কিন্তু ওর বান্ধবিরা বলছে তোমার বাঁচতে হবে একটা মেয়ের জন্য নিজেকে শেষ করে দিতে পারো না ।
ওর জন্য না বাঁচো তোমার বাবা মার জন্য তোমাকে বাঁচতে হবে ।
আমার বন্ধুরা ও আমায় অনেক কিছু বলে শান্তনা দেয় ।
__
__
তারপর ঐইদিন আমি অনেক কাঁদলাম এবং ভাবলাম,
কাকে আমি এত ভাল বাসলাম?
কাকে নিয়ে আমি এত স্বপ্ন দেখলাম?
ও কি সত্যিই আমার সাথে ভালবাসার অভিনয় করল? 
আমি তখন নিজেকেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না ।
তখন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছিল ।
কার জন্য আমি কি করলাম ।
আজ সেই ইসরাত অন্য কাউকে নিয়ে ভাবে ।
ইসরাত আজ তোমার কাছে আমার কোন অভিযোগ নেই । তবে তুমি যেখানেই থাকো ভালো থেকো, সুখে থেকো ।
আমি না হয় তোমার স্মৃতি নিয়ে জনম জনম বেঁচে থাকব ।
_
-ফেইসবুক বন্ধুরা আপনাদের কাছে আমার একটা প্রশ্ন রেখে গেলাম?
_
ইসরাত যদি ভাল নাই বাসবে আমায়, তবে কেন ভালবাসা শিখিয়ে ছিলো?
যদি স্বপ্ন পুরন নাই করব আমার, তবে কেন স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলো?
যদি মন ভেংগে চলেই যাইবো, তবে কেন সেই মনে ঘর বাধার আশা দিল?
যদি ভুলেই যাইবো, তবে কিভাবে ভুলতে হয় এটা শিখায়লো না ।
প্লিজ???

_বিঃদ্রঃ ---  ঘটনাটি আমার নিজের. ( হৃদয় খান )  ,,,,,,

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ