āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

183

গল্প,---পাশের বাড়ির ৪ তলা
.
.
কোন একদিন পরন্ত বিকালে ছাদে বসে বসে সিগারেট টানছিলাম, হটাৎ চোখ গেলো পাশের  ৪ তলা বাড়ির ছাদের দিকে,, ভাবছেন কেনো চোখ গেলো ৪ তলা বাড়ির ছাদে?   যাবার কারন হোলো  সেই ছাদ থেকে  আয়নাবাজি হচ্ছিলো আমার সাথে,,, এবার ভাবছেন কি করে আয়নাবাজি হয়? ,
হি হি হি,,, আসুন আসুন বলছি  আয়নাবাজি কি করে হয়,
...
আমি রাফি, ঢাকা কেরানিগঞ্জ থাকি, আমি যেই বাড়িটায় থাকি সেটা  ২ তালা বাড়ি, আমি মাঝে মাঝে বিকালে ছাদে উঠি,
তেমনি একদিন বিকালে ছাদে বসে বসে সিগারেট খাচ্ছিলাম,, হটাৎ আমার চোখে রোদের জ্বলকানি,, কেউ একজন আয়না সূর্যের দিকে রেখে তার ফোকাস টা আমার চেহারায় মারে কিছুক্ষনের জন্য আমি চোখে কিছু দেখতে পেলাম না , শুধু অন্ধকার ছাড়া,,,২ মিনিটের মতো লাগে সব কিছু পরিস্কার হতে,
মনে মনে ভাবলাম হয়তো চশমাতে রোদের আলো পড়ছে তাই এমন টা হলো,  (আমার কারন বসতো চশমা পরতে হয়,)
কিছুক্ষন পর আবারো  সেই একি কাহিনি,,আমি আবারো কানা,চোখে দেখিনা,,,  হঠাৎ আমার চোখ  গেলো পাশের ৪ তলা বাড়ির ছাদে,,রোদের জ্বলকানি টা সেখান থেকেই আসছিলো,
আমি যা দেখলাম.
..
কালোর মাঝে লাল রংয়ের  ড্রেস পড়া একটি মেয়ে, চুল গুলো খোলা, বিকালের  বাতাস যখন তার গায়ের পাশ কাটিয়ে যায় তখন তার খোলা চুলের ঝাপটা তার মুখের সামনে এসে পড়ছে তখন চুড়ি ভরা একটি হাত দিয়ে সেই চুল গুলো আবার ঠিক করা দেখে, আমি তখনি ক্রাশিত হয়ে যাই,,,
(যাই হোক এটা ওনাকে বুঝতে দেয়া যাবেনা আমি যে আবার তার উপর ক্রাশিত,)
,
আমি:--- অ হ্যালো, এমন করছেন কেন?
মেয়ে:--- জ্বি হ্যালো, কেমন করছি?
আমি:---  আচ্ছা ফাজিল মেয়েতো আপনি, আয়না হাতে নিয়ে ফাজলামি করছেন কেন?
মেয়ে:--- আপনি তো বললেন। আমি নাকি ফাজিল মেয়ে  তাই আমি আয়না নিয়ে ফাজলামি করি,হি হি হি।।
আমি:--- আজব তো কি মেয়েরে বাবা,,দেখুন আপনি আমার সাথে ফান করবেন না,ওকে?
মেয়ে:--- আজব না বাবা  গুজব হি হি হি,,দেখুন আমি আপনার সাথে ফান করতে যাবো কেন? আমার কি বয়েই গেলো নাকি?
আমি:--- আল্লাহ্‌  উঠালে মুঝে,, থাকেন আপনি আমি যাই,,
মেয়ে:---  আল্লাহ্‌  সময় মতো ঠিক উঠিয়ে নিবে  টেনশন নিবেন না,,,আর কই যাবেন? সিগারেট শেষ নাকি?,
আমি:--- অরে খোদা,,,,,,,, আমার সিগারেট আছে না নেই সেটা জেনে আপিনি কি করবেন? হুম
মেয়ে:--- আমি আবার কি করবো সিগারেট  দিয়ে,,,জিজ্ঞেস করছি কারন হলো আপনি যতক্ষন ছাদে থাকেন ততক্ষন আপনার  মুখে সিগারেট আর হাতে মোবাইল থাকে যখনি মুখে আর সিগারেট থাকেনা তখনি আপনি নেমে যান,   তাই জানতে চাইলাম সিগারেট শেষ কিনা,,,হুহ
আমি:--- ওওওওওও। তার মানে আপনি আমাকে ফলো করেন?
মেয়ে:---  না না ইয়ে মানে,,  মানে আপনি যা ভাবছেন ঠিক তা নয়,,
আমি:---  আমি কি ভাবলাম। আর কি ঠিক না?
মেয়ে:--- কিছুনা,,আজ সন্ধ্যায় কোথায় থাকবেন?
আমি :--- কেনো? 
মেয়ে:--- আরে বাবা দরকার  আছে বলেই তো জিজ্ঞাসা করছি,,
আমি:---  বাসায় থাকবো
মেয়ে:--- আমাকে একটু সময় দিতে পারবেন?
আমি:--- কেনো কেনো সময় দিলে কি হবে?
মেয়ে:---আজ আমার ছোট বোনের জন্মদিন অর জন্য কিছু গিফট কিনতে যাবো, যদি আপনি আমার সাথে যান তাহলে আমার একটু ভালো হতো এই আর কি,,যাবেন?  প্লিজ,,
আমি:--- হুম ওকে যাবো,, কখন যাবেন??
মেয়ে:--- আপনি যদি বলেন তো এখনি,,
আমি:--- না এখন না  একটু পরে। কারন আমি ফ্রেশ হবো তারপর,,
মেয়ে:--- তাহলে এখনি নিচে নামুন ফ্রেশ হয়ে ছাদে এসে আমাকে বলুন,  আমি নিচে নামবো,,
আমি:--- ওকে,, ১০ মিনিট পর আমার বাসার সামনে আসুন,,
মেয়ে:---ওকে  থ্যাংকস টাপি,,হি হি হি
আমি :---  অই অই অই টাপি মানে?
মেয়ে:---- রাফি আর টাপি  একি কথা,,বাই বাই। ১০ মিনিট পর আপনার বাসার সামনে দেখা হবে,..
আমি :--- অই অই অই দাঁড়ান দাঁড়ান,,,
কে শুনে কার কথা   আবারো টাপি বলে চলে গেলো,,
,
১০ মিনিট  পড়,,আমি বাসা থেকে বের হলাম
আমি বাসার গেট থেকে মাথা বের করতেই দেখি মহারানি হাজির,,
,
মেয়ে:--- স্যার ১২ মিনিট  লাগলো কেন?
আমি :--- ২ মিনিট  বেশি লাগতেই পারে , এটা নিয়ে আবার বলার কি আছে?.
মেয়ে:--- দেখুন মি: টাপি,,আমি ওয়েট করতে লাইক করিনা,,নেক্সট টাইম কখনো সময় নিলে বুঝে শুনে নিবেন,এই বলে রাখলুম,,,,
আমি:--- আচ্ছা মহারানি ভিক্টোরিয়া,,বুঝেগেছি,,এখন কোথায় যাবেন বলুন,,
মেয়ে:--- হি হি হি  .  আসুন আমার সাথে,,
আমি :--- ওকে , চলুন,    (কি পাগল মেয়েরে বাবা,, মনে মনে বললাম)
..
রিক্সা নিলাম দুজনি উঠে বসলাম, 
আমি:--- আমার নাম কি?
মেয়ে:--- পাগল নাকি নিজের নাম জানেন না?
আমি:---  আমি পাগল ছিলাম না  কিন্তু এখন হয়ে যাচ্ছি 
মেয়ে :--- ওমা কেনো কি হইছে?
আমি:---  কিছু হয়নি, বাদ দিন। আমার নাম কি করে জানেন আপনি?
মেয়ে:--- হি হি হি,,, যার লাইফ স্টোরি জানতে পারছি তার নাম জানা  অসাধ্য কিছুনা,, আপনার শুধু নাম না আরো অনেক কিছু আমি জানি,,
আমি:--- অবাক কন্ঠে  মানে কি? কি করে?
মেয়ে:--- বলবোনা,, কি করবেন? হুম
আমি:--- কিছুই করার নেই  আর কিছু করতে ও পারবোনা,,
মেয়ে:---- হি হি হি,,,
আমি:--- আচ্ছা নাম কি আপনার?
মেয়ে:---  নাম দিয়ে কাম কি?
আমি:--- মারিপালা কেউ আম্রে,,
মেয়ে:--- আমি মারবো নাকি? হি হি হি
আমি :--- উফফফ। পাগল হয়ে যাবো,,
মেয়ে:---  আমি তো ৬ মাস আগেই হইছি  এখন আপনার পাগল হবার পালা,,,
আমি:--- মানে কি?
মেয়ে :--- কিছুনা,,,এই চাচা রিক্স থামান,,এখানেই নামবো

আমি আর কিছু বললাম না,,
রিক্সাটা একটি কসমেটিক্সের দোকানের সামনে দাঁড় করালো,, আমি নেমে ভাড়া দিতে গেলাম সে দিতে দিলো না  উল্টো আরো বকা দিলো,, আমি চুপ হয়ে গেলাম,
( মনে মনে ভাবছিলাম  ভালই হলো ২০ টাকা বেচেগেলো,,)
দোকানের ভিতরে ঢুকার পর
,
মেয়ে :--- বলুন এবার কি দিবো ছোট  বোনকে? 
আমি:---  আমি কি করে বলবো?  
মেয়ে:---আপনাকে সাথে এনেছি কি জন্য?  তাহলে
আমি:--- মানে কি? আপনি কি বলছেন নাকি, এই কথা যে আমাকে পছন্দ করে দিতে হবে? আপনার বোনকে কি দিবেন না দিবেন?
মেয়ে :--- অই পোলা সব কথা বলে দিতে হবে কেন?  বুঝে নিতে পারেন না?
আমি:--- (মোটামুটি ভয় পেলাম) আচ্ছা বাবা দেখছি কি দেয়া যায়,, আপনার বোন কতো বড়? 
মেয়ে:--- ২ বছর হইছে,,,
আমি:--- তাহলে ওকে পুতুল কিনে দিন অর ভালো লাগবে,,
মেয়ে:--- এই তো বুদ্ধি বের হইছে ,আচ্ছা একটা বড় পুতুলের  দাম কতো হতে পারে?
আমি:--- ভালো একটা পুতুলের দাম ৮০০ থেকে ১ হাজার, এমন দাম হবে..
মেয়ে:---একটু ভারি কন্ঠে, তাহলে থাক অন্ন্য কিছু দেখুন,,
আমি:---  কেনো আরো দামি কিছু দিতে চান নাকি?
মেয়ে:--- না সত্যি বলতে আমি এতো টাকা সাথে করে আনিনি,,
আমি:--- ও আচ্ছা তাহলে অ্ন্য কিছু দেখুন,,
মেয়ে:--- হুম,,
.
মেয়েটা পুরোপুরি চুপ হয়ে গেলো  তারপর  একটা খেলনা গাড়ি কিনে , ৪৫০ টাকা দিয়ে,, মেয়েটা আমাকে বলে চলুন বাড়ির দিকে যাই,,আমি বললাম আপনি  ৫ মিনিট  দাঁড়ান আমি  যাব আর আসবো,, মেয়েও হুম বলে দেয়
সত্যি বলতে ওর শুকনো মুখটা  আমি তখন দেখতে পারছিলাম না,,,
তাই আমি একটা পুতুল কিনি ৯৫০ টাকা দিয়ে   ভালো করে পেকেট করাই,,গিফট যেই ভাবে দেয় আর কি ঠিক সেই ভাবেই,,
আমি পুতুল টা নিয়ে মেয়েটার সামনে যখন গেলাম,,
.
মেয়ে:--- এটা কি?
আমি:--- পুতুল,,
মেয়ে:-- ও কার জন্য? 
আমি:--- পাগলনির বোনের জন্য
মেয়ে:--- মানে কি? 
আমি :---কিছুনা চলুন,
মেয়ে:--- অকে চলুন।

রিক্সা  নিলাম রিক্সায় উঠে বসলাম। কিন্তু আসার সময় যেই ভাবে কথা বলছিলাম তেমন কোনো কথাই বললাম না, মেয়েটাও  কিছু বললো না,,,  রিক্সা  থেকে নেমে,,
আমি পুতুল টা মেয়েটার হাতে দিলাম,,
.
মেয়ে:--- এটা আমাকে দিচ্ছেন কেন?
আমি :--- তো কাকে দিবো? আপনার বোনকে তো আমি চিনিনা তাই আপনার  হাতে দিলাম।,
মেয়ে:---হুম মানলাম  আপনি আমার বোনকে  চিনেন না ,, যাকে না চিনেন তার জ্ন্য পুতুল কিনলেনি বা কেন?
আমি:---  একজনের মানুষের মুখের হাসির জন্য,,
মেয়ে:--- কে সেই মানুষ? 
আমি :--- আপনার না জানলেও হবে  হুহ।  যান বাড়িতে যান,,
মেয়ে:--- আমি এটা নিতে পারবোনা ,
আমি:--- কেনো? পারবেন না?
মেয়ে:--- যে কিনছে সে নিজে গিয়েই দিলে কি হয়?
আমি:---  হা হা হা,, পাগল নাকি?  আমি আপনার বাসায় কাউকে চিনিনা  আর আপনাকে ও চিনিনা এখনো আপনার নাম টাই জানিনা ,, আর বলছেন  বাসায় যেতে,,মারার প্ল্যানিং আছে নাকি?
মেয়ে:----  হি হি হি ,, মারবেনা কেউ। চলুন। আমার নাম সময় হলে জানতে পারবেন,,আর খুব বেশি দরকার হলে আমি যেমন করে আপনার ডিটেলস নিয়েছি আপনি ও সেই ভাবে নিন আমারটা নিন,,,
আমি:--- দরকার  নেই, আপনার ইচ্ছে হলে নাম বইলেন না হলে নাই,,,,আচ্ছা আমি না গেলে হয়না?
মেয়ে:---- উহু  ধুর থাকেন আপনি  আর এই থাকলো আপনার পুতুল,,,
আমি:---  আরে বাবা  ,,,, ওকে চলুন,,,
.মেয়ে:--- এই তো  অস্কার প্রাপ্ত ভালো ছেলে,,,হি হি হি
আমি:--- জ্বি না  অস্কার প্রাপ্ত খারাপ ছেলে,,হুহ,,  চলুন,,
মেয়ে:--- হুহ চলুন।,,
.
মেয়েটার বাড়িতে গেলাম ওর বাবা মার সাথে পরিচিত হলাম,,অবাক করা বিষয় এটাই  যে  ওর ফ্যামিলির সবাই আমার নাম জানে,,
ওর মা আমাকে বলে:--- বাবা তোমার নামটাই শুনেছি এতোদিন আজ দেখেও নিলাম।,,
আমি:---  আন্টি  আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা,, কি বলছেন আপনারা?
আন্টি:--- সময় হলে বুঝবা বাবা   তোমরা আড্ডা দাও,আমি রান্না ঘরে যাই,,,
আমি :---- ওকে আন্টি,,,
,
সত্যি বলতে আমার মাথা তখন অটো কাজ করছিলো,,
যাই হোক পার্টি ইনজয় করছিলাম,,   রাত ১০ টা বাজে আমি চলে আসতে চাইলাম, মেয়েটা বলে আর একটু থাকুন প্লিজ,,
আমিও না করলামনা,,, ভাবলাম আর কিছুক্ষন থাকলে প্রব্লেম হবেনা  কারন বাসা তো পাশেই,,,
কেক কাটা হলো ,,
ওর ছোটবোন পুতুলটা পেয়ে অনেক খুশি হয়,,
সব চাইতে অবাক করা বিষয়,, ওর ফ্যামিলির সবাই আমার সাথে এমন ব্যাবহার করছে, মনে হচ্ছে আমি এই ফ্যামিলির ছেলে,,,,
,
রাতেরর খাবার  ওই বাসায় খেলাম,, চলে আসার সময় হয়ে গেলো,, মেয়ে টাকে বললাম আমি চলে যাই। সবার কাছ থেকে বিদাই নেয়া হইছে  এখন আপনি বিদায় দিলেই আমি যেতে পারি,,,,
মেয়ে:---  যাবেন?
আমি :-- হুম যেতে হবে,
মেয়ে :-- ওকে যান। বাট....
আমি :--- বাট কি?.
মেয়ে:--- কিছুনা  যান।  কাল বিকালে ছাদে আসুন। সব বলবো আমি জানি আপনার মনে এখন হাজার টা প্রশ্ন,, আপনার সব প্রশ্নের উত্তর কাল পাবেন,,,
আমি :--- ওকে  বাই,, 
,মেয়ে:--- বাই। সাবধানে  যাবেন,,
আমি :--- অকে বাই,,, এটা বলে চলে আসলাম
...
পরেরদিন বিকালে আমি আবারো ছাদে যাই। সেই প্রতিদিনের মতোই মুখে সিগারেট হাতে মোবাইল, চুল অগুছালো, কিছুটা পাগল টাইপের,দেখায় আমাকে,, আমি কখনই চুলে চিরুনি লাগিয়েছি বলে আমার মনে হয়না,,,
যাই হোক ছাদের কথা বলি..
আমি ছাদের এক কোনে বসে মোবাইলে কথা বলছিলাম।
এমন সময়  কেউ একজন অই টাপি বলে ডাকে,,আমিও কি ভেবে জেনো,, জ্বি বলুন বলে ফেললাম,,
ওপাশ থেকে  হি হি হি  শব্দ পেলাম,,
আমি:---  অই টাপি কি? হুম
মেয়ে:---  ওমা, আপনি টাপি  আর কেউ হতে যাবে কেন?  রাফি টাপি.. হি হি হি
আমি:--- অই আমি কখন বললাম আমার নাম টাপি?
মেয়ে :--- আপনার নাম টাপি না হলে, উত্তর দিলেন কেন?
আমি:---আল্লাহ এই কোন পাগলি মেয়ের পাল্লায় আমাকে ফেললে?
মেয়ে:----  আমি পাগলি না হুহ। আপনি পাগল, পুরাই পাগল,
হি হি হি..
আমি:----  হইছে হইছে  আপনার সাথে কথায় পারনো ,, এবার বলুন কাহিনি কি?
মেয়ে :--- কিসের কাহিনি? 
আমি:--- আমাকে আপনি কি করে চিনেন? আর আপনার ফ্যামিলিই বা  আমাকে কি ভাবে চিনে?
মেয়ে:--- না বললেই কি করবেন?
আমি :--- কাল থেকে ছাদেই উঠবোনা,
মেয়ে:--- পাগল ছেলে বলে কি? আপনি দিনে না আসলেও রাতে আপনাকে আসতেই হবে,,কারন আপনি মন ভালো করেন রাতের আকাশের তারা গুনে,,আমি খুব ভালো করেই জানি,,
আমি:--- আমি যে রাতে ছাদে আসি সেটাও আপনি জানেন?  কি করে   মাথায় কাজ করছেনা  আপনি দাঁড়ান আমি আপনার ছাদে  আসছি,,,
মেয়ে:---অকে  আসুন,,
..
অতঃপর, আমি পাশের বাড়ির ৪ তলার ছাদে যাই,
ছাদে যাওয়ার পর..
আমি:--- হাই, কি অবস্থা.?
মেয়ে:--- হ্যালো, অবস্তা তো ময়দার বস্তা,, হি হি হি
আমি:--- উফ,,আপনি কখনো সিরিয়াস হোন না কেন? সব কিছু ফানি নিন কেন?  হুম।।
মেয়ে:--- আমি এমনি কারো  ভালো লাগলে লাগুক না লাগলে নেই,,হুহ,,  বলুন কি বলতে চান?
আমি:--- আপনি আপনার ফ্যামিলি আমাকে কি করে জানেন?
মেয়া:--- আমি আমার ফ্যামিলি আপনাকে অনেক আগে থেকেই চিনি,শুধু আপনাকেই না আপনার পুরো ফ্যামিলিকে চিনি  এবং আপনার ফ্যামিলি ও আমাদের চিনে,,,,শুধু  আপনিই কাউকে চিনেন না জানেন না।।।হি হি হি..
আমি:--- মাথা কাজ করছেনা,, বুঝিয়ে বলুন তো,,
মেয়ে:---  সময় হলে সব বুঝে যাবেন,,,
আমি:---- না আপনি এখন বলুন,,
মেয়ে:--- আপনি আমাকে চিনেন না এটা সত্যি, তবে হ্যা আমি আপনাকে সেই ছোট্ট থেকে চিনি,  আমি জানি আপনার মনে এখন হাজার প্রশ্ন,, তবে এখন আমার আপনাকে দেয়ার মতো কোন উত্তর নেই,,,
আমি :---  ওকে ফাইন,,জাস্ট এটাই বলুন, আপনার নাম কি?
মেয়ে:---  আমার জন্মের সময় আপনার নামের সাথে মিল রেখেই আমার নাম টা রাখা হয়েছিলো,,
আপনি রাফি. আমি রিতু...
আমি:---- অনেক টাই বোকা হয়ে  গেলাম।, জন্ম নাম মিল। মাথা কাজ করছেনা আমার..
..
পকেট থেকে সিগারেটের পেকেট বের করে একটা সিগারেট জ্বালাই। রিতুর থেকে একটু দুরে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম আর মনে মনে ভাবছিলাম। কে এই মেয়ে?,,
এমন সময় মেয়ে বলে উঠে,,কি ভাবছেন আমি কে তাই তো? 
আমি:--- হুম,, সত্যি করে বলুন তো আপনি কে?
মেয়ে:--- বলতে পারি যদি আপনি সিগারেট টা ফেলে দিন তো.. আমি:--- ওকে  এই ফেলে দিলাম সিগারেট,, বলুন আপনি কে?
মেয়ে:--- আমি রিতু আপনার কাজিন তবে হ্যা আপনাদের সাথে আমাদের বর্তমানে আগের সম্পর্ক টা নেই,, আমার ভাই, রিহান আপনার ছোট বেলার বন্ধু যে এখন আর বেচে নেই,, কি মনে আছে কি? আমার সেই ভাইয়ের কথা?
আমি:--- অবাক কন্ঠে,,তুই আমাদের সেই রিতু? যেই রিতুকে আমি ছোট বেলায় কান্না না করিয়ে ভাত খেতাম না,,হা হা হা,,তুই তো অনেক বড় হয়ে গেছিস তা কেমন আছিস?
রিতু:--- ভালো ছিলাম। তখন থেকে ভালো নেই যখন থেকে শুনেছি আপনার জিবনটা  উলট পালট হয়ে গেছে.. কি দরকার ছিলো এমন টা করার?  আপনি তো জানতেন। আমাদের দুজন কে নিয়ে আমাদের ফ্যামিলির সবার একটা আশা আছে...
আমি:--- দেখ আমি জানিনা বা আমার মনে নেই এমন টা না.
আমি যা করছি সব পরিস্থিতির শিকার হয়ে করেছি,,তবে হ্যা যা হবার হয়ে গেছে আমি এখন আর আগের কিছু মনে করিনা বা করতেও চাইনা  এখন আমি অনেক ভালো আছি ,
রিতু:--- কেমন ভালো আছেন সেটা আমার খুব ভালো করে জানা আছে,,কোন মানুষ ভালো থাকলে সারা রাত ছাদে বসে বসে সিগারেট খেতো না আর তারা গুনতোনা...আপনি কি পারেন না আগের মতো হতে?  দেখুন না পারেন কিনা সেই আগের রাফি টা আর একবার হতে পারেন কিনা,অন্য কারো জন্য না হোক। আমার জন্য?  প্লিজ....
আমি:---- বাব্বাহ তুই তো অনেক বড় হয়ে গেছিস,, আমি ভালো আছি  অনেক ভালো আছি  তুই আমাকে নিয়ে ভাবিস না,,,
রিতু:--- আমি ভাববো না তো কে ভাববে শুনি? আপনি জানেন যেদিন আপনি ছাদে রাত কাটান আমিও সেদিন রাত জাগি, জানালার পাশে বসে বসে শুধু আপনার সিগারেট খাওয়া আর একটু পর পর, চোখের জল মুছাটাই  দেখি,,,
আমি:--- অই হ্রামি, তুই এগুলা কি বলিস? আমি আর কান্না 
হা হা হা,...হাসালি
রিতু:--- আপনি কি ভাবছেন অন্যদের মতো আমাকেও বোকা বানাবেন। এরকম রহস্যময় হাসি হেসে,, যদি আপনি এটা ভেবে থাকেন তো আমি বলবো আপনি ভুল,, কারন আমি আপনাকে খুব ভালো করে বুঝেগেছি...  রাফি  প্লিজ নিজেকে এই ভাবে শেষ করবেন না,,,
আমি:---  মাইর খাবি? তুই অনেক বেশি বড় হয়ে গেছিস। দাড়া তোকে বিয়ে দিতে হবে  বুঝে গেছি,,আন্টিকে আজি বলছি আমি
রিতু:----উফফফস..  রাফি টাপি  মাথা ফাটিয়ে দিবো কিন্তু.. রাগাবেন না বলে দিলাম,,,,,
আমি:---  ওকে অকে ভয় পাইছি ,,আচ্ছা তুই থাক আমি যাই,,
রিতু:--- কেন সিগারেট শেষ?
আমি:--- না আছে  অনেক আছে,,এমনি যাই আমি মানুষ খারাপ বলবে,, বাই,, বাসায় আসিস,,
রিতু:--- হা হা হা  বাহানা হুহ,,,জান জান বাই
আমি:--- বাই...
...
আমি বাসায় আসি,এসেই আম্মুকে বলছি  আম্মু রিতুকে মনে আছে তোমার?
আম্মু:--- হা হা হা,,,বাবারে সময়ের সাথে সাথে মানুষ পরিবর্তিত হয় ঠিকি তবে কিছু কিছু  কথা মানুষ মনে গেঁথে রেখে দেয় ঠিক তেমনি রিতুও আমাদের সেই কথায়া মনে গেঁথে বসে আছে,,,দেখ না বাবা  পারিস কিনা,, নিজেকে নতুন করে হাসাতে,,,
আমি:--- অই মানে কি আম্মু? কি বলছো তুমি?   কি এমন কথা যেটা রিতু মনে গেঁথে রাখছে?  আর তুমিই বা কি বলতে চাচ্ছো?
আম্মু:--- আমার রান্নাঘরে কাজ আছে বাবা আমি যাই। সময় হলে বুঝতে পারবি,,
আমি:--- রাখো তোমার রান্না বান্না  আমার কথার উত্তর দাও তুমি...
আম্মু :--- কি বলবো বল? তুই তখন অনেক ছোট , রিতুর আম্মু আমার খুব ভালো বান্ধুবি, আমরা তখন বলে ছিলাম বড় হলে তোদের বিয়ে দিবো,,,,রিতু বড় হয়ে এটা জানতে পেরে, শুধু তোকে দেখার জন্য আমাদের পাশেই বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে,,,
আমি যাই। তুই থাক বাবা,,
আমি:--- আম্মু তুমি কি পাগল হইছো?  তুমি জানো তুমি কি বলছো?.আমি তোমাকে অনেক আগেই বলে দিছি বিয়ে সাদি আমি করবোনা,,,
আম্মু:---- জানিনা আমি কিছু তোর জা ভালো লাগে কর,,
কথাটা বলে আম্মু চলে যায়,,
..
আমি আমার রুমে এসে খাটে শুয়ে পরলাম,,ভাবলাম যতো যাই হোক রিতুর মাথা থেকে এই ভুত নামাতে হবে,,,কিন্তু কি ভাবে? কি করলে অর মাথা থেকে রাফি নামের অভিশাপ টা দুর করতে পারবো?
তখন সন্ধা ৭ টার  মতো হবে,,এগুলা ভাবতে ভাবতে আমি ঘুমিয়ে পরি,,,রাত ১১ টা  আম্মু আমাকে ডেকে উঠায় ডিনার করার জন্য,, আমিও ডিনার করে,আমার রুমে এসে সিগারেট ধরাই, মোবাইলের ডাটা অন করে ফেসবুকে লগিন,, প্রতিদিনের মতো সেদিনও ফেসবুক বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। তবে কেনো জেনো  অন্যন্য দিনের  মতো লাগছেনা,,মাথায় তখনও রিতুর কথা ঘুরপাক খাচ্ছে,,,কাউকে বাই না বলে ডাটা ওফ করে দেই,,ছাদে গেলাম। দেখলাম রিতু জানালার পাশে বসে আছে,,,আমি রিতুকে ডাকলাম। ভাবছিলাম রিতুকে বুঝাবো। আমি আর যাই করিনা কেনো রিতুকে বিয়ে করা কখনই সম্ভব না আমার পক্ষে,,,,রিতু  আমার ডাক শুনে  আমার ডাকে উত্তর দিলো , আমি বললাম। ছাদে আসতে পারবি?  রিতু  হুম পারবো,  আপনি  আমার বাসার ছাদে আসুন,, আমি,,  ওকে আয়।
..কিছুক্ষনপর  আমি ওর বাসার ছাদে যাই রিতুও চলে আসছে,,
আমি:--- কিরে ঘুমাসনি কেন?
রিতু:--- আপনি তো ঘুমান নি  তাই,,
আমি:--- অই হ্রামি  আমি কখন ঘুমাই না ঘুমাই তুই কি করে জানিস?
রিতু:--- মনের টান বস মনের টান,,,,আপনি বুঝবেন না 
আমি:--- আমি বুঝতেও চাইনা  ,, ডিনার করছিস?
রিতু:--- হুম করছি  আপনি করছেন শুনেই আমি করেছি,,
আমি:--- আমি ডিনার করছি  তোকে কে বললো?
রিতু:--- আপনার না জানলেও হবে,,আজও কি রাত জাগবেন নাকি?
আমি:-- হুম। তোর সাথে আমার কিছু কথা আছে। এখন বলবো নাকি দিনে?
রিতু:--- এখনি বলুন, প্লিজ। আমি তো আপনার কথা গুলো শুনার জন্যই অপেক্ষা করছি,,
আমি:--- আমি যা বলবো তুই তা শুনবি তো? 
রিতু:--- বলেই দেখুন। যদি বলেন এখন এই ছাদে থেকে লাফ দিয়ে আপনাত জন্য জিবন দিয়ে দিতে আমি তাই দিবো
আমি:--- থাব্রা খাবি,,,আমি কি বলছি নাকি এগুলা কর? 
কথা না শুনেই। পাগল। হাপ,,,,আমি যা বলি শুন.  তুই আমাকে ভুলে যা  দেখ। আমি অন্য সবার মতো হতে পারবো না  তোকে আমি কখনই তোকে আপন করে নিতে পারবোনা, শুধু তুই বলে না  দুনিয়ার কোন মেয়েকেই আমি আমার জিবনে ঠাই দিবোনা,,
আমি আমার জিবনের বাকি দিন গুলো নিজের ইচ্ছে মতো কাটাতে চাই,,প্লিজ তুই আমাকে একটু বুঝার চেস্টা কর, আমরা ফ্রেন্ডলি থাকি? প্লিজ, ,
রিতু:----হি হি হি  আপনি আসলেই একটা পাগল,,,আচ্ছা  আপনি বলুন তো  আজ পর্যন্ত আপনাকে কোন প্রকার জ্বালাতন করছি কিনা? বা আপনার উপর কখনই কোন প্রকার দাবি খাটিয়েছি  কিনা?
আমি:---- না করিস নি,, বাট যেটা করছিস সেটার জন্য আমি নিজেই  নিজের কাছে  অপরাধী  হয়ে গেছি,..  আমাকে ক্ষমা  করে দে  প্লিজ,, আমি পারবোনা তুই যেটার কথা ভাবছিস,,আমি পারবোনা নিজেকে নতুন করে সাজাতে,,আর সত্যি বলতে আমি চাইও না  যেমন আছি ভালো আছি,
রিতু:--- পারবোনা আমি  আমাকে ক্ষমা করে দিন,,আমি কখনই আপনার স্থানে অন্য কাউকে বসাতে পারবোনা  আপনি আমাকে ভালবাসুন আর নাই বাসুন আমি মনে প্রানে আপনাকেই ভালবেসেছি আর ভালবেসেও যাবো...
আমি:--- তুই আমার পিছিনের সব কিছুই জানিস তারপর ও কেনো এই পাগলামি করছিস? আমি কখনও তার জায়গাটা তোকে দিতে পারবোনা , তারপর ও যদি তুই পাগলামি করিস তো আমাকে অন্য কোন উপায় বের করতে হবে,,আর তুই ভালো করেই জানিস আমি কেমন সো যেমন আছি আমাকে তেমনি থাকতে দে,,
রিতু:---  আরে পাগলা টাপি.  আমি তো আপনাকে এখনি কিছু করতে বলছিনা,, আপনি ভাবুন তারপর বলুন,, আপনার জিবনের পিছনের স্টোরি নিয়ে আমার যদি প্রব্লেম না থাকে তো আপনার কেন?  ভুল মানুষ ধারাই হয়। যা হবার তা তো হইছেই। এখন এগুলা নিয়া আর না ভাবলেই ভালো হয়,
আমি:---তোকে বুঝানো সম্ভব না,,আমাকে আন্টির সাথেই কথা বলতে হবে বুঝতে পারছি..  আন্টিকে বলিস। কাল বিকেলে বাসায় আসবো,,
রিতু:--- হি হি হি।
আমি:--- অই হাসিস কেন?
রিতু:---- কাল বাসায় এসে আন্টির সাথে কথা বললেই আমার হাসির কারন খুঁজে  পাবেন,,
আমি:--- ওকে  আমি যাই। তুই ও যা ঘুমা  বাই।,
রিতু:--- আপনি এখন ঘুমাবেন?
আমি:--- হুম ঘুমাবো  আয় ছাদ থেকে নামি...
রিতু:--- হুম। আসুন,,
...
ছাদ থেকে নেমে আমি বাসায় চলে আসলাম আর রিতু রিতুর রুমে, আমি বাসায় এসে শুয়ে পরলাম,,পরেরদিন সকাল ১১ টায় ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিনের মতোই সিগারেট ধরালাম সিগারেট শেষ করে , ফ্রেশ হলাম নাস্তা করলাম।,, তারপর ফেসবুকে লগিন করলাম।, দিনটা কেটে যায় বিকাল যখন ৪ টা বাজে আমি রিতুর বাসায় যাবো বলে ঠিক করলাম। , যেই ভাবা সেই কাজ। চলে গেলাম রিতুর বাসায়। রিতুর মা আমাকে দেখে কিছুটা অবাক হলেন। 
..
আন্টি:--- রাফি  বাবা তুমি এই সময়?
আমি:--- কেনো আন্টি এই সময় আসা নিষেধ আছে নাকি?  বলেই হেসে দিলাম
আন্টি:--- হেসেই উত্তর দিলে  আরে না পাগলা  এটা তো তোমারি বাড়ি,, যখন ইচ্ছে চলে আসবে,,
আমি:--- হুম আন্টি জানি....আন্টি আপনার সাথে আমার কিছু কথা ছিলো.. 
আন্টি:--- কি কথা বাবা বলো...
আমি:---  আন্টি  রিতুকে বুঝান আমি ওকে বিয়ে করতে পারবোনা,  কারন জানতে না চাইলে আমি খুশি হবো আন্টি।।
আন্টি:--- দেখো বাবা,,রিতুকে আমি অনেক আগে থেকেই বুঝিয়েছি  কিন্তু ও কারো কথা শুনতে রাজি না,,,এখন তুমিই বলো আমি কি করতে পারি?
আমি:---  আন্টি ওকে বিয়ে দিয়ে দিন, দরকার হলে আমি ছেলে দেখবো অর জন্য,,,
আন্টি:---  দেখো  তুমি যদি পারো ওকে রাজি করাতে আমার প্রব্লেম নেই,,
আমি:--- ওকে আন্টি  আমি ওর সাথে কথা বলি তারপর ছেলে দেখবো কেমন?
আন্টি :--- তোমার যা ভালো মনে হয়।...
.
আন্টি রিতুকে ডেকে দিয়ে রান্নাঘরে চলে যায়। রিতু আমার জন্য চা বিস্কিট নিয়ে আসে,,
আমি:---  রিতু দেখ রিতু  আমি তোর জন্য একটা ছেলে দেখছি ছেলেটা অনেক ভালো, এমনকি অনেক ভালো জব ও করে , তোকে অনেক সুখে রাখবে,,প্লিজ না করিস না ,  তুই না করলে আমি ছেলের বাবা মার কাছে ছোট হয়ে যাব,,
(মিথ্যা কথাই বললাম,রিতুর সাথে)
রিতু:---  আপনি কি জানেন আপনি কি করতে বলছেন আমাকে?
আমি:--- হুম জানি  আর জানি বলেই বলছি,,প্লিজ। আমার কথা টা রাখ,,,দরকার হলে আমি তোর পায়ে পরছি  প্লিজ। আমাকে ফিরিয়ে দিস না,,,
রিতু:--- থাপ্পর খাবেন।,, আর এক বার পায়ে ধরার কথা বললে,,অকে আমি বিয়ে করতে রাজি  কিন্তু আমার কিছু কথা আছে জ
যদি আপনি সেগুলো রাখতে পারেন তাহলে আমিও আপনার কথা রাখবো,,
আমি:--- কি কথা বল?
রিতু:--- আমার সাথে প্রতি ৭ দিনে একবার দেখা করতে হবে,,
প্রতিদিন ১ মিনিট হলেও মোবাইলে  কথা বলতে হবে,,যদি এগুলা পারেন তো বলুন...
আমি:---  ওকে আমি রাজি,, আজ অনেক খুশিরে আমি  দাঁড়া তোকে একটা পাপ্পি দেই :-P
রিতু:--- হি হি হি,,  
.
কিছুখন পর আমি চলে আসি,,
১ মাস পর এমন একটা ছেলে খুঁজে পেলাম যার কথা বলে শেষ করা যাবেনা,,,এক কথায় হাজারে একটা ছেলে,,,
সেই ছেলের সাথেই রিতুর বিয়ে দেই,
রিতু এখন অনেক সুখে আছে,,
আজ ১ টা বছর কেটে গেলো  আমি এখনো প্রতি ৭ দিনে একবার রিতুর শশুরবাড়ি যাই,,রিতুর হাসবেন্ড ও তার বাড়ির সবাই আমাদের কথাটা  জানে  তাই কখনই বাধা দেয়নি,, মাঝে মাঝে রাতে যখন ঘুম আসেনা তখন আমি রিতু আর রিতুর বরের সাথে কথা বলি  এখন রিতু আর আমি অনেক ভালো বন্ধু,,,
...
...
এটাই ছিলো  পাশের বাড়ির ৪ তলার গল্প, ...
...
লিখা----:---অস্কার প্রাপ্ত খারাপ ছেলে

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ