āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

29

রাইসা প্রচুর রেগে আছে। কিভাবে
যে রাগ
ভাঙাবো বুঝতে পারছিনা।
অবশ্য আমার এ কাজটা করাও উচিত হয়
নাই।
আমার কি দোষ ?? সব দোষ ওই চান্দু
স্টেডিয়াম মানে আমার শ্বশুর
মশাইয়ের।
আসলে কাহিনীটা হলো শ্বশুরআব্বা
গতকাল আমাকে ডেকে ইচ্ছামতো
ঝাড়ি
দিয়েছেন। আমি নাকি ওনার
মেয়েকে
ডিস্টার্ব করি। এইটা যদি বলতো আর
একসাথে ঘুরবানা তাহলে মেনে
নিতাম।
আমার গার্লফ্রেন্ডকে নাকি আমি
ডিস্টার্ব করি। আর রাইসার রাগের
কারণ
হল ওর বাবার মাথায় চুল কম। আর আমি
বন্ধুদের সাথে শ্বশুরমশাইয়ের সাথে
কথোপকথন বর্ণনা করছিলাম। আর
সেসময় ও
যে আমার পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে
আমি
জানতাম না।
আর আমি শ্বশুরের উপর রেগে
বলেছিলাম
ওই চান্দু স্টেডিয়াম আমারে এইকথা
ক্যান
বলবে।
ওর মাথায় কাক ইয়ে করে দিলে ঠিক
হতো।
এই কথা শুনেই তেলেবেগুনে জ্বেলে
উঠে
আমাকে কিল ঘুষি মেরে আপাতত
তখনকার
মতো রাগটা কমিয়ে বসে আছে।
.
-রাইসা ??
-তুমি আমার সাথে কথা বলবা না।
-টনটুনি
-চুপ
-বাবুনী
-উফফ চুপ করতে বলেছি তোমাকে।
-আচ্ছা আমি তো স্যরি বললাম।
আর এভাবে ওনাকে বলবো না।
- শোন তুমি আমার সাথে দুইদিন কথা
বলবা
না। এইটা তোমার শাস্তি।
-এসব কি বলো ? তোমার সাথে কথা না
বলে
আমি থাকবো কিভাবে ?
-চুপ । অসভ্য। নিজের হবু শ্বশুরকে এসব
বলতে
লজ্জা করে না ??
- স্টেডিয়াম এসব বলবে কেনো ??
বলেই জিবে কামড় দিলাম।
-কি বললি তুই ? আমার বাবাকে আবার
এসব
বলেছিস ??
তোর সাথে আমার ব্রেকআপ।
আর জীবনেও আমার সাথে কথা
বলবি না।
পেছন পর্যন্ত অনেকদূর গিয়েও মাফ
পাওয়া
গেলো না।
.
দুইটা দিন আমার সাথে একটুও কথা
বলেনাই। ম্যাসেজ, ফোন কোনোটারই
রিপ্লাই দেয় নাই। ভার্সিটি যাবার
সময় ও
আমাকে এড়িয়ে গেছে।
উপায় খুঁজছিলাম কি করা যায়।
হাঁটতে হাঁটতে দেখি আমাদের
মোড়ের
রেস্টুরেন্টে কাজ করা পিচ্চিটা
শাহিন
রাস্তায় চুপ করে বসে আছে।
-কি রে পিচ্চি এখানে কি ??
-কিছু না ভাই।
-মন খারাপ ?
-হ
-আমারো মন খারাপ। আয় এক লগে গল্প
করি।
-ভাবিরে দেখতেছিনা।
-রাগ করসে। কথা কয়না। কি করা যায়
বলতো।
-তাইলে ভাবি যেটা পছন্দ করে না
সেইটা
করেন। তাইলে সেসব দেখে ভাবি
রেগে
যাবে আর তখন আপনাকে ঝাড়ি দিতে
চলে
আসবে।
-তোর মাথায় তো দারুণ বুদ্ধি। আচ্ছা
এইবার তুই বল তোর মন খারাপ কেনো ?
-আম্মার অসুখ হইছে।
টাহা নাই। ডাক্তার দেখান লাগবো।
-আমার কাছেও তেমন কোনো টাকা
নেই।
কি করা যায় ভাবতেই আমার
শ্বশুরমশাইয়ের কথা মনে পড়লো।
উনি সিলেট মেডিকেলের সিনিয়র
ডাক্তার। অবশ্যই আমার জন্য ফ্রি তে
কিছু
সুযোগ আছে।
চল তোর আম্মাকে নিয়ে হসপিটালে
যাবো।
.
হসপিটালের বাইরে সাইনবোর্ড
থেকে
শ্বশুরসাহেবের নাম্বার নিয়ে কল
করলাম।
-ড. রেজাউল করিম বলছেন ?
-জি । আপনি কে ?
-আপনার হবু জামাই।
-হোয়াট ?
-আংকেল আপনি কি হসপিটালে এখন ?
-হ্যা। কিন্তু তুমি ....
-আমি যাচ্ছি। ওখানেই থাকুন।
-শাহিনের মা কে নিয়ে ওনার
চেম্বারে
গেলাম।
কেমন আছেন আংকেল ?
-কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে হুমম ভালো
তুমিই তাহলে আমাকে ফোন
দিয়েছিলে।
-জি। আসলে এই ছেলের মা খুব অসুস্থ।
একটু চেক করুন তো কি হয়েছে।
-শ্বশুরসাহেব রোগীকে প্রশ্ন করছেন
আর
মাঝে মাঝে আমার দিকে
তাকাচ্ছেন।
-ভাবছি ওনাকে একটু ভড়কে দিতে
পারলে
ভালো হতো।
আংকেল আপনার মেয়ে কেমন আছে ?
-ওনার তাকানো দেখে মনে হলো
আমি
বলেছি আমি বলেছি আমার বউ কেমন
আছে।
চোখ দুইটা কেমন করে বড় হয়ে গেছে।
মনে হচ্ছে কাচা গিলবে আমায়।
হুমমম ভালো আছে।
-ওহ ভালো থাকলেই ভালো।
একটু দেখেশুনে রাখবেন। অনেক
জেদী
আপনার মেয়ে। এই কথা বলে আমি আর
হাসি আটকাতে পারলাম না। কারণ
আমার
মনে হচ্ছে আমি নিজেই ওনার থেকে
বড় ।
-আর আমার শ্বশুরসাহেব রোগীকে
প্রেসক্রিপশন দিয়ে বিদায় করলেন।
আমার কাছে যা টাকা ছিলো তা
শাহিনকে দিলাম।
-এই ছেলে তুমি বসো। তোমার সাথে
কথা
আছে।
রাইসার আব্বুর কথা শুনে একটু ভয়
পেলাম।
কি যে বলে চান্দু স্টেডিয়াম।
-জি আঙ্কেল বলুন
-কিছুক্ষণ গম্ভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে
থেকে
বললেন, তুমি আমার জামাই ??
-নাহ। কে বললো এ কথা ?
আমি তো আপনার বলার পর থেকে
আপনার
মেয়ের সাথে কথাই বলিনি।
-এবারো কিছুক্ষণ চুপ থেকে, মিথ্যা
বলবা
না। আমি ডাক্তার বুঝলা। এবার একটু
নরম
গলায় বললেন,
রাইসার সাথে ঝগড়া হয়েছে ?
-মাথা নিচু করে বললাম জি। হঠাৎ
মাথায়
আসলো কি ব্যপার শ্বশুরসাহেব এই কথা
আমাকে বললেন কেনো ??
পরক্ষণেই মাথা তুলে বললাম না
আঙ্কেল
কোনো ঝামেলা নাই। আপনি বলার পর
আর
কথা বলিনাই।
-আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে
তাকিয়ে
থাকার পর বললেন যা বোঝার
বুঝেছি।
তোমার ব্যবস্থা করছি আমি।
-আঙ্কেল আই এম স্যরি।
-তোমার বাবার নাম্বার দাও।
-( শালা স্টেডিয়ামআলা শ্বশুর বাপের
নাম্বার ক্যান নিবেন )
না মানে আঙ্কেল কেনো ??
-তোমার বাবার কাছে বিচার দেবো।
-আঙ্কেল প্লিজ আব্বুকে বলবেন না।
-তোমাকে দিতে বলেছি দাও।
কি আর করার....
শেষ পর্যন্ত পালাতে চাইলেও কেনো
জানি ইচ্ছা হলো না।
.
নাম্বার দিয়ে আমি সোজা আসিফের
বাসায় আসলাম।
-কি রে তুই এইসময় ??
-কেনো আসা যাবে না !!
-আরে তা না। আয় ভেতরে।
-আসিফের রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।
আজ আর বাসায় যাবো না। তোর
এখানে
থাকবো।
-ভালো কথা। কিন্তু হয়েছে কি ??
-সব খুলে বললাম।
-আসিফ শুনে হো হো করে হেসে
উঠলো।
দোস্ত তোর আব্বার কথা শুনলে তো
আমার
নিজেরই কাঁপাকাপি শুরু হয়ে যায়।
-চুপ কর। চিন্তায় অবস্থা শেষ আমার।
কি করবো বুদ্ধি দে।
- সোজা আঙ্কেলের পায়ে পড়বি।
-এই শোন এইসব বাদ দিয়া ভালো বুদ্ধি
দে।
( কারণ এই বয়সেও আমি আমার বাপ কে
জমের মতো ভয় করি। এখনো যদি
শাকিল
বলে একবার হাঁক দেয় তো দ্বিতিয়বার
দেয়ার আগেই আমি পৌঁছে যাই।)
-কাল তোর অফিস আছে ??
-আছে বাট না গেলে প্রবলেম নাই।
জানিস তো আমি কি !!
কিন্তু কেনো ?
-কাল তুই সোজা রাইসাদের বাসায়
যা।
গিয়ে ওর আব্বুর কাছে গিয়ে সব সত্যি
বলে
দে। তাহলে আর ভয় থাকবে না।
আর তোর বাসা থেকে বিয়ে দিতে
চাচ্ছে
তুই না বলছিস কেনো ??
-আরে তুই তো জানিস সামনে মাস
থেকে
রাইসার এক্সাম। ওর এক্সাম শেষ হলেই
বাসায় বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু
এখন যা
অবস্থা ..........
-আচ্ছা এখন নাস্তা করে রেস্ট নে।
আমার
একটু কাজ আছে। সেরে আসি।
-ওকে।
.
রাইসাদের বাসার সামনে দাঁড়িয়ে
আছি।
ভেতরে যেতে যে পরিমাণ সাহস
দরকার তা
এই মুহূর্তে নেই।
রাইসার ভাইটা ফুটবল নিয়ে বাইরে
আসছে।
-এই শালাবাবু
-কি ভাইয়া ??
-তোর আপু কই রে ?
-আপু একটা আঙ্কেলের সাথে কথা
বলছে।
-ওকি... অন্য কোনো পোলার বাপ
আইলো
নাকি !!
দৌড়ে বাসায় ঢুকে পড়লাম।
ওদের ড্রয়িং রুমের দুটো বড় বড় সোফা
মুখোমুখি করে রাখা আছে।
আমি ঢুকেই দেখলাম রাইসা আর ওর
আব্বু
আমার দিকে মুখ করে যে সোফা আছে
সেটায় বসে আছেন।
আর এই সোফায় এক ভদ্রলোক বসে
আছেন
যার মুখ আমি দেখতে পাচ্ছিনা।
-কি ব্যপার কি আঙ্কেল !! আমি রাইসা
কে
ভালোবাসি। আপনি অন্য কারো
সাথে ওর
বিয়ে দিতে পারবেন না।
-রাইসার আমাকে ইঙ্গিত দিয়ে ধমক
দিচ্ছে।
এরপর যা হলো তা আমার জন্য
অপ্রত্যাশিত
এবং ঘূর্ণিঝড় আসার পূর্বাভাস মনে
হলো।
কারণ এই সোফাতে আমার আব্বাজান
বসে
আছেন। আর আমার দিকে ঘুরে
তাকাতেই
আমার হার্টবিট দ্বিগুণ জোরে ঢিপঢিপ
করতে লাগলো।
-আব্বাজান কাছে আসেন।
-আব্বার গলায় এমন ডাক মানেই
ছোটোবেলায় মাইর খাওয়ার
পূর্বাভাস।
স্টেডিয়ামের সামনে মারলে আমার
প্রেস্টিজের বারোটা।
-জি আসছি।
কাছে বসতেই আমার ঘাড়ে হাত
রেখে
বললেন গত একমাস ধরে বলছি বিয়ে কর
বিয়ে কর। কোনো পছন্দের মেয়ে
থাকলে
তাও বল।
তা আপনি এতো দূর চলে এসেছেন আমি
তো
জানতাম না।
আর তুই আমার মেয়েটাকে নাকি কষ্ট
দিয়েছিস ??
-না তো।
-ও মিথ্যা বলছে আঙ্কেল। (রাইসা)
-(ডাইনি তুই আমারে ডুবাইলি।)
কিসের মিথ্যা ??
-আচ্ছা যাই হোক ওর এক্সাম শেষ হলেই
সব
কমপ্লিট করে ফেলবো।(আব্বু)
-কি কমপ্লিট??
রাইসার দিকে তাকিয়ে দেখি ও
হাসছে।
-তোমার বোঝার দরকার নেই। তুমি
চলো
আজকে বাসায়। (আব্বু)
আর রাইসার আব্বু না বললে মনে হয়
জানতামই না।
-তার মানে আঙ্কেল এই জন্যে নাম্বার
নিয়েছিলো !! মনটা আনন্দে ভরে
উঠলো।
নাহ আর স্টেডিয়াম বলে ডাকা
মানায় না।
শ্বশুরে পরিণত হতে যাচ্ছেন। (আজ
থেকে
এই ডায়ালগ বাদ)
-শ্বশুর আব্বা ও মুচকি হাসি দিলেন।
.
আব্বা আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে বন্ধুর
মতো
হাঁটছেন।
আমি কখনো আব্বার এই রূপ দেখিনাই।
আজ আব্বাকে অনেক খুশি লাগছে।
আমি আমার ডান হাত ওনার কাঁধে
তুলে
দিলাম।
উনি আমার দিকে তাকিয়ে একটু
হেসে
বললেন ছেলে আমার এখনো ছোটই
আছে।
.
Writer : ShakiiL

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ