āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

427

গল্পের নামঃ "এপ্রিলফুল"

অহনার মন খারাপ করে বসে আছে,ঠিক এমন সময় স্পন্দন এর এসএমএস।
.
স্পন্দনঃ কই তুমি আমি বসে আছি দেখা করবে না?
.
অহনাঃ তুমিই তো বললে দেখা করবে না তাইত দেখা করতে আসলাম না।
.
স্পন্দনঃ আরে আসো তো আমি বসে আছি দ্রুত এসো কিন্তু।
.
অহনাঃ আচ্ছা আসতেছি,তুমি একটু অপেক্ষা করো।
.
অহনা চিন্তা করছে আর একটু একটু করে তৈরী হচ্ছে তার ভালোবাসার মানুষটির সাথে দেখা করতে যাওয়ার জন্য।কিছু দিন আগেও যেই ছেলেটা ছিলো অপরিচিত সেই ছেলেটাই আজকে তার কাছে এতটা আপন।
.
খুব সাজিয়ে প্রপোজ করেছিলো স্পন্দন অহনাকে।অহনা একই ভার্সিটিতে পড়ার কারণে স্পন্দন কে খুব ভালো করেই চিনতো।না করতে পারেনি,সেই থেকেই তাদের নতুন জীবন শুরু।
.
প্রায় ১৪ মিনিট পর অহনা বাসা থেকে বের হলো স্পন্দনের সাথে দেখা করতে।সে জানে স্পন্দন তার জন্য পার্কে অপেক্ষা করবে।এ জেনে তাদের চিরচেনা একটা রুটিন।
.
অহনা পৌঁছে স্পন্দন কে দেখতে পায় না।কিছু সময় এদিক ওদিক তাকিয়ে যখন না পায় তখন একটু অপেক্ষা করবে চিন্তা করে।প্রায় ৫মিনিট পর যখন না আসে স্পন্দন তখন দেখে একটু দুরের কিছু ছেলে ফলো করছে। অহনা ফোন দেয় স্পন্দন কে....
.
অহনাঃ কই তুমি আমি সেই কখন দাঁড়িয়ে আছি,আবার কই গেলে?
.
স্পন্দনঃ আজকে কয় তারিখ?
.
অহনাঃ কেনো ১তারিখ তাতে কি হইছে?
.
স্পন্দনঃ কোন মাসের ১ তারিখ?
.
অহনাঃ কি মাস,কি মাস..... কেনো এপ্রিল মাস তাতে কি হয়েছে এমন?
.
স্পন্দনঃ আজকে এপ্রিলফুল,তোমায় বোকা বানালাম এখন বাসায় যাও।
.
অহনাঃ কি তুমি......যাও ফোন দিবে না আমায়।
.
এই বলেই রাগ করে ফোনটা কেঁটে দেয়।এদিকে প্রায় সন্ধ্যাও হয়ে আসছে।দুরের সেই ছেলেগুলিও তার দিকে তাকিয়ে আছে।কিছু আর না ভেবেই বাসার দিকে রওয়ানা দেয়।
.
ছেলেগুলিও অহনার পিছু পিছু আসতে থাকে।স্পন্দন বার বার ফোন দিচ্ছে।সে বুঝতে পারে মিথ্যা বলা তার উচিত হয়নি।কিন্তু অহনা ফোনটা কেটে দেয়।
.
ছেলেগুলি কে ফলো করতে দেখে অহনা বড় রাস্তা দ্রুত পার হতে যায়।স্পন্দন আবার কল দেয়।ফোনের দিকে তাকাতেই একটা সজোরে ধাক্কা অনুভব করে।আর কিছুই মনে নেই অহনার।
.
স্পন্দন আবার ফোন দেয়,অপর পাশ থেকে অপরিচিত একটা কণ্ঠ। স্পন্দন কিছু বলার আগেই সে বলে উঠে মেয়েটা এক্সিডেন্ট করেছে খুব মারাত্তক অবস্থা আমরা হসপিটালে নিয়ে যাচ্ছি আপনি তার কেউ হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল এ আসুন।
.
স্পন্দন কথা গুলি শুনে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে। দ্রুত বের হয়ে যায় ঢাকা মেডিকেলের দিকে।যখন মেডিকেলে পৌঁছায় অহনা তখন জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।অহনার হাত ধরে বসে আছে স্পন্দন।কান্নায় ভেসে যাচ্ছে স্পন্দনের দু-চোখ।বার বার বলছে অহনা আমাকে ক্ষমা করে দেও,তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না।
.
কিন্তু সব ভালোবাসার মায়া ছিহ্ন করে অহনা চলে যায় না ফেরার দেশে।স্পন্দনের একট মিথ্যা কথা আর এই এপ্রিলফুল এর ভুলে আজকে তার জীবনের ভালোবাসার মানুষটিকে হারালো।কখনো যে তাকে আর ফিরে পাবে না।এখন স্পন্দনের বুকের প্রতিটা স্পন্দন বেড়ে যায় প্রতিটা এপ্রিলফুল দিবসের সময়।তার মত আর কারো জীবন থেকে যেন অহনা হারিয়ে না যায়।
.
তাই ছোট একটা গল্পের বইয়ে নিজের জীবনের এই কষ্টের গল্পটা সবাইকে বিলি করে বেড়ায়।সবাই যেন আর তার মত ভুল না করে,কাউকে বোকা বানাতে গিয়ে নিজের জীবন থেকে কাউকে হারিয়ে না ফেলে এই আশায়। (সমাপ্ত)
.
.
.
লেখকঃ Naimul Islam Rubel (নিশ্চুপ জীবনের লুকোচুরি)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ