>>রিমি তুমি আমাকে একটা সত্তি
কথা বলবে??(তাসনিম)
--কী কথা??(রিমি)
>>তুমি কী আমায় এখনো আগের মতো
করে ভালোবাসো??
--হুম বাসিতো।তোমার কী মনে হয়।আর
হঠাত্ এমন প্রশ্ন কেন...?
>>রিমি একটা কথা জানো....
--কী কথা??
>>রিমি মানুষ কেমন যেন সময়ের
পরিবর্তনের সাথে পাল্টে যায় তাইনা।
--তুমি এখন এসব বলছো কেন
তাসনিম।
>>এমনি বললাম আরকি।তুমি বিরক্ত
হচ্ছো নাকি।
--না।তবে তোমার কথায় কেমন যেন
রহস্য পাচ্ছি??
>>থাক এ প্রসঙ্গ বাদ দাও।চলো এখন
অনেক রাত হয়েছে বাসায় যেতে হবে।
--হুম চলো।
.
উপরের কথাগুলো হচ্ছিলো তাসনিম ও
রিমির মধ্যে।তাসনিম মাষ্টার্স পাস
করে এখন ছোটখাটো একটা কম্পানীতে
চাকুরী করছে।আর রিমি এবার এবার
অনার্স পাশ করেছে।
.
তাসনিম অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র
থাকাকালে রিমি ভার্সিটিতে এডমিশন
হয়।ভার্সিটির নবীন বরন অনুষ্ঠানে
রিমিকে প্রথম দেখেই পছন্দ করে ফেলে
তাসনিম।পরে বন্ধুদের মাধ্যমে খোজ
খবর নিয়ে রিমির সম্পর্কে জানতে
পারে।এবং একদিন রিমির সাথে সাহস
করে কথা বলে বন্ধুত্ব করে ফেলে
তাসনিম।এভাবে আস্তে আস্তে তারা
ভালো বন্ধু হয়ে যায়।পরে এই বন্ধুত্ব
প্রেমের রুপ নেয়।
.
তাসনিম রিমিকে খুব ভালোবাসে।এবং
অনেক কেয়ার করে রিমির।রিমিও
প্রথমদিকে তাসনিমের অনেক কেয়ার
করতো এবং ভালোবাসতো।একদিনও না
দেখে থাকতে পারতোনা তাসনিমকে।
.
কিন্তু এখন রিমি কেমন যেন হয়েগেছে।
তাসনিম তাকে দেখা করতে বললে সহজে
দেখা করতে চায়না।আর দেখা করলেও
বেশি সময় থাকতে চায়না তাসনিমের
সাথে।আর বিয়ের কথা বললে বলে ধৈর্য
হারা হচ্ছো কেন আমার পড়া শেষ হলেই
বিয়ে করবো।
.
রিমির এরকম আচরণ দেখে তাসনিমের
কেমন যেন অনেক খারাপ লাগে।মনে হয়
রিমি কী তার থেকে কেমন যেন দূরে চলে
যাচ্ছে নাকি??তাই তাসনিমের অফিস
ছুটির পর রিমিকে ফোন করে একটা
রেষ্টুরেন্টে আসতে বলে।প্রথমে রিমি
আসতে না চাইলেও পরবর্তীতে
তাসনিমের জোড়াজোড়িতে আসে।এবং
সেখানে তাসনিম রিমিকে উপরের
কথাগুলো বলে।
.
এভাবে আরও কিছুদিন চলে যায়।এখন
রিমি তাসনিমের সাথে দেখাই করতে
চায়না।আর তাসনিম ফোন করলে
প্রায়ই তার ফোন ওয়েটিং পায়।এবং
পরবর্তীতে তাকে এ সম্পর্কে বললে
নানা ধরনের অজুহাত দেখায়।আর
তাসনিম এ সম্পর্কে আরও বেশি কিছু
বললে তাকে বলে তাসনিম তুমি আমাকে
বিশ্বাস করোনা তাইনা।তখনিমের খুব
খারাপ লাগে রিমির এরকম ব্যাবহার
দেখে।
.
এভাবে আরো কিছুদিন যাওয়ার একদিন
তাসনিমের এক বন্ধু ফোন করে তাকে
বলে,,,,,,,
~দোস্ত খবর জানিস?
>>কী খবর দোস্ত?
~রিমি ভাবির নাকি বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।
>>ফাইজলামো করছিস আমার সাথে
তাইনা?(চমকে উঠে)
~না দোস্ত আমি সিরিয়াসলি বলছি।
ছেলে নাকি ওর মামাতো ভাই হয়।
লন্ডনে কী যেন একটা ব্যাবসা করে।
কেন তোকে কিছু বলেনি রিমি?
>>না তো।কার কাছে শুনলি তুই?
~আমার বাবাকে ওর বাবা নাকি বিয়ের
কার্ড দিয়ে গেছে আজকে।তাই আমি
তোকে ফোন করলাম তুই কিছু জানিস
কিনা সে জন্য।আর শুনলাম রিমিরও
নাকি বিয়েতে মত আছে।
>>ওও ঠিক আছে।(কান্না জড়িত
কন্ঠে)
.
বলেই তাসনিম ফোন কেটে দিয়ে রিমিকে
ফোন দেয়।এবং রিমিকে সরাসরি ঐ কথা
না বলে তাসনিম বলে....
>>রিমি তুমি আমার সাথে এখন একটু
পারবে?
--এখন।কিন্তু কেন??
>>আসবে কিনা বলো?
--কোথায় দেখা করতে হবে বলো আমি
আসছি।
>>আমার অফিসের কাছের পার্কে
আসো।
--ঠিক আছে তুমি একটু অপেক্ষা করো
আমি আসছি।
>>ঠিক আছে।
.
তাসনিম ফোন রেখে দিয়ে পার্কের দিকে
যাচ্ছে আর ভাবছে রিমি কীভাবে তার
সাথে এমন করতে পারলো।আর রিমি
তার সাথে কথা বলছে মনে হচ্ছে যেন
রিমি কিছুই জানেনা বিয়ের সম্পকে।
তাহলে কী রিয়াদ তাকে মিথ্যা বললো
নাকি।
.
এসব চিন্তা করতে করতে তাসনিম
পার্কে এসে একটা ব্রেঞ্চে বসে রিমির
জন্য অপেক্ষা করছে।একটু পর রিমি
আসলো-
--কী জন্য ডেকেছো বলো?
>>না এমনি তোমাকে দেখতে মনে
চাইলো তাই।
--ও তাই।তোমাকে এমন চিন্তিত
দেখাচ্ছে কেন?
>>না এমনি।রিমি চলো আমরা আজকে
বিয়ে করে ফেলি।
--এসব কী বলছো তুমি।এখন কীভাবে
বিয়ে করবো কোন প্রস্তুতি ছাড়া।
>>রিমি তুমি আমাকে ভালোবাসোনা।
--হুম
>>তাহলে বিয়ে করলে কী হবে।আর
আমিতো এখন চাকুরী করছি।
--তুমি এমন ধৈর্য হারা হচ্ছো কেন।
আমি বলেছিনা আমার মাষ্টার্স
কম্পিলিট হলেই বিয়ে করবো আমরা।
>>কেন এখন বিয়ে করলে কী হবে।আর
বিয়ের পরও তো তুমি পড়তে পারবে।
আমি না করেছি নাকি তোমাকে।
--ঠিক আছে আব্বুকে আজকে বলবো
দেখি কী বলে।
>>ওকে।চলো আমার অফিসে কাজ
আছে।আজকে তাহলে চলে যাই।
--ওকে চলো।
.
তারপর তাসনিম সেখান থেকে অফিসে
চলে যায় ও রিমি বাসায় চলে যায়।
তাসনিম অফিসে গিয়ে রিমির এক
কাজিনকে ফোন করে জানতে পারে
সত্তিই রিমির বিয়ে ঠিক হয়েছে।
.
তখন তাসনিম অফিস থেকে বাসায় চলে
যায় এবং ভাবে রিমি এতটা নিষ্ঠুর
কীভাবে হতে পারলো কীভাবে তাকে
এভাবে ঠকাতে পারলো।এবং এটা ভেবে
অনেক কান্না করলো যে রিমি কীভাবে
বিয়ে ঠিক হওয়ার পরও তাসনিমের সাথে
এভাবে কথা বলছে যেন সে বিয়ে
সম্পর্কে কিছুই জানেনা।মানুষ কতটা
খারাপ হলে এমন করতে পারে তা
তাসনিম চিন্তা করছিলো।
.
আজকে রিমির বিয়ে তাসনিম রিয়াদের
কাছ থেকে জেনেছে।রিমিকে সকালে ফোন
করেছিলো তাসনিম এবং রিমিকে কথা
বলতে না দিয়ে বলেছিলো রিমি তুমি
ভালো থাকলেই আমি সুখী থাকবো।আর
তুমি আমার সাথে প্রতরনার ফল তুমি
পাবে।যদিও আমি দোয়া করি তুমি সুখী
হও।আর তুমি আমাকে এভাবে ঠকাতে
নাও পারতে।
.
এগুলো বলে তাসনিম ফোন কেটে দেয়
এবং তার সিম কার্ডটা ভেঙ্গে ফেলে
দেয়।এবং খুব কান্না করে।
.
.
দশ বছর পর...
তাসনিমের এখন একটা মেয়ে হয়েছে
বয়স সাত বছর নাম হলো মিষ্টি।তার
স্ত্রীর নাম হলো মিতু।মিতু তাসনিমকে
খুব ভালোবাসে।
.
হ্যা সেদিন তাসনিম পাগলও হয়নি
আবার আত্নহত্যাও করেনি।সে নিজেকে
শক্ত করেছে এবং ভেবেছে রিমি যদি
তাকে ছাড়া সুখী থাকতে পারে সে কেনো
পারবেনা।তাই সে রিমির বিয়ের কয়দিন
পর বাবা মায়ের পছন্দ মত মিতুকে
বিয়ে করে।এখন মিতুকে নিয়ে খুব সুখে
আছে তাসনিম।
.
আর রিমি এখন লন্ডনে থাকে তার
একটা ছেলে হয়েছে সেখানে।রিমি নাকি
বেশি একটা সুখে নেই সেখানে।কারণ তার
স্বামী নাকি নেশাটেশা করে প্রায়ই
তাকে মারধর করে।তার কাজিন
তাসনিমকে ফোন করে একদিন
বলেছিলো।তবুও তাসনিম তার জন্য
দোয়া করে যেন সে সুখে থাকে।
.
.
লেখা: #মোবাশ্বের(ফাজিল)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
455
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§§ā§Ļ:ā§Ēā§Ž AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ