āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

505

-আপনি একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষকে পাগল বানাইছেন।
--হোয়াট? কি বলছেন এসব আপনি?
--জ্বি হ্যাঁ!! আপনি আমাকে একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষকে আপনার প্রেমে পাগল করে দিয়েছেন।
--আর ইউ ম্যাড??
--হ্যাঁ, আপনার প্রেমে।
--তো এখানে কি করছেন পাবনায় যান।যত্তসব।
এই চল নিধি আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে।
উফফফফফফ!! কই থেকে যে এই এদের মতো লোকদের উদ্ভব হয় আল্লাহ্ পাক-ই জানেন।
ওহহহ দেখছেন ঐ ছেলেটা এতটাই মেজাজ খারাপ করে দিয়েছে যে আপনাদের পরিচয় দিতেই ভুলে গেছি।
আমি নিশি রহমান।অর্নাস সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছি।আর নিধি আমার খালাতো বোন।একবার ইন্টার দিবে।
আমার বাবা-মা মারা যাবার পর থেকে ওদের বাসায় আমি বড় হয়েছি।
আমি রাজশাহীতে অর্নাস করছি।বাসায় খুব একটা আসা হই না।
জরুরি তলবের জন্য আসতে হইছে।আল্লাহ্ পাক আর মুনি(খালামুনি)-ই জানেন কি সেই তলব।দোয়া করেন যে আমি যে রকম ভাবছি সেই রকম যেন কিছু না হয়।
বাসায় যাইতে না পারতেই ওই পাগল ছেলের উৎপত্তি..বাসায় যেয়ে যে কি হবে।আল্লাহ্ রহমত করো একটু।
..
--মা শোন না প্লিজ, তুই শুধু ছেলেটার সাথে একবার দেখা কর।যদি ভালো না লাগে তাইলে তোকে আর জোর করবো না।
এই নিধির বাবা ওরে একটু বুঝাও না।(মুনি)
--দেখ মা, তোর বাবা-মা মারা যাবার পর থেকেই তোকে আমরা মানুষ করেছি।নিধির থেকে কোনো অংশে তোকে কম ভাবি নি।আমাদেরও বয়স হচ্ছে তোকে একটা ভালো ছেলের হাতে তুলে দিতে পারলে আমাদের চিন্তা কিছুটা হইলেও কমবে(বাপি)
খালুকে ছোট থেকে বাপি বলে ডাকি।
--আমিও তো তোমাদের নিজের বাবা-মা ই ভাবি।বাবা-মা মারা যাওয়ার পর যদি তোমরা আশ্রয় না দিতে তাইলে যে কি হত আমার..আচ্ছা ঠিক আছে তোমাদের খুশির জন্য আমি ঐ ছেলের সাথে দেখা করতে রাজি আছি কিন্তু তোমরাও আমাকে কথা দাও যদি আমার ছেলে পছন্দ না হয় তাইলে তোমরা আমার পড়াশুনা শেষ হওয়ার আগে বিয়ের জন্য কোনো প্রকার চাপ দিবা না।(আমি)
--আচ্ছা ঠিক আছে তুই যা বলবি তাই হবে।কিন্তু আমার বিশ্বাস ছেলেকে তোর পছন্দ হবেই(মনি)
--ছেলে যতই ভালো হোক না কেন আমি এখন বিয়ে করবো না।যতদিন না বেনামী চিঠির মালিককে খুঁজে পাবো।
আপনাদেরকে ব্যাপারটা একটু বলি--
প্রত্যেরবার আমার জন্মদিনে কিছু উইশ থাকে, মানে মনে মনে চাই আর কি।সেই উইশ গুলো ওই বেনামী চিঠি পূরন করতো।লাস্ট পাঁচ-ছয় বছর ধরেই একই কাজ হচ্ছে।অনেক খুঁজছি কিন্তু পাই নি সেই ব্যক্তি রে।লাস্ট জন্মদিনের চিঠিতে লিখা ছিলো তোমার এইবারের উইশটা খুব তাড়াতাড়ি পূরন হবে।আমায় খুঁজে পাবা না,সময় হলে আমি নিজেই তোমার সামনে যাবো।
ছেলেটা আমাকে খুব বুঝতো, ভালো-লাগা, খারাপ লাগা সব।তখনই ঠিক করে রাখছিলাম, বিয়ে করলে সেই ছেলে রেই করবো।
ওই ছেলের কাছে নিজের ইম্প্রেশন খারাপ করলে ঐ ছেলেই আর আমাকে বিয়ে করবে।কিন্তু কিভাবে কি করবো।বাসায় চিঠির ব্যাপারে কিছু বললেই চিঠির মালিককে দেখতে চাইবে, যার নাম টাই আজ অব্দি জানি না তাকে সবার সামনে নিয়ে আসবো কেমনে..!!(মনেমন
ে ভাবছিলাম কথা গুলা)
..
--বুজি(নিধি আমাকে একেক সময় একেক ভাবে সম্বোধন করে) তোরে না আজ অনেক সুন্দর লাগছে।দুলাভাই দেখলে আজ পুরা পুরি পাগল হয়ে যাবে।(নিধি)
--ওই ফইন্নি!!কে তোর দুলাভাই? এখনোও ছেলেই দেখলাম না বিয়ের কথাও হয় নি আর তুই দুলাভাই বানায়ে দিয়েছি..থাম আমি ফিরে আছি তারপর তোর ব্যবস্থা করবো(আমি)
--তোরা থামবি এইবার।
... তোকে অনেক সুন্দর লাগছে।আমার মেয়েকে যে কারো নজর না লাগে(মুনি)
--মা দেখি সরো তো..
বোনুকে নজর টিকা দিয়ে দিই একটু।একটু দিয়ে দিচ্ছি যাতে করে শুধু দুলাভাইয়ের নজর যেন লাগে অন্যকারো না হিহিহিহি(নিধি)
--মুনিইইইইইইইইইইইইইইইইই!!
আমি যাবো না কিন্তু হুহ।তোমার বাঁদর মেয়েকে আমার সাথে লাগতে মানা করো(আমি)
--আহহ মা! লাগছে তো কানটা ছাড়ো(নিধি)
--আপুকে সরি বল.. ওই যদি একবার রেগে যায় তাহলে কি হবে বুঝতে পারছিস(মুনি)
--তুমি আমার সাথেই খালি এমন কর।সরি..যা তাড়াতাড়ি বিদায় হ হুহ(নিধি)
--হিহিহিহিহি!!রাগ করে না বোন আমার আসার সময় তোর জন্য অনেকগুলা চকলেট নিয়ে আসবো উম্মমা(আমি)
..
সেই মহেন্দ্রক্ষণ এসে গেছে..আমিও এসে গেছিনির্দিষ্ট সময়ে কিন্তু তার আসার কোনো নাম গন্ধ নাই।
এই ছেলেরে বিয়ে করা অসম্ভব যে প্রথম দেখাতেই মেয়েকে ওয়েট করাই।এই ছেলেকে যে মেয়ে বিয়ে করবে তার লাইফ তো হেল করে দিবে।
..
--আমার কথায় ভাবছেন বুঝি?
আপনাকে কিন্তু খুব সুন্দর লাগছে আজকে পুরাই বাঙ্গালি বধূ।
সেই দিনের ওই ছেলেটি যারে আমি পাবনায় যাইতে বলছিলাম।
--আপনিইইইইই? এখানে? আর আপনার কথা ভাবতে যাবো কেন?
--ও তাই বুঝি? তাহ কার কথা ভাবছেন?
--আমি আমার হবু স্বামীর কথা ভাবছি।
স্বামীর কথা বললাম এইটা ভেবে যে যদি লোকটা আমার পিছু ছাড়ে।
--এভাবে ছ্যাঁকা দিতে পারলেন আমায়।ব্যাপার না, তাহ আপনার হবু হ্যাসবেন্ড কই?
--এখনও আসে নি।
আপনি এখন যান এখান থেকে 'ও' আসলে আবার অন্য কিছু ভাবতে পারে।
--আপনার উড-বির নামটা কি জানো?
--এই রে!! আমি তো নিজেই জানি না।এখন কি বলবো।
এই দিকে লোকটা মুচকি মুচকি হাসছে।দেখে গা জ্বলে যাচ্ছে একেবারে।
--এই যে ম্যাম, চুপ কেন?
--কি বলবো এখন? কিছু তো একটা বলতে হবে না হলে কেস খাবো।
ওহহহ হ্যাঁ, এইটা বললেই তো হয়।
বাঙালী নারীরা স্বামীর নাম মুখে নেই না, জানেন না আপনি?
--ওহহহহ তাই নাকি? সেইটা তো অনেক আগে হইতো কিন্তু এখন তো এই নিয়ম কেউ মানে না।
--আমি মানি.. আর আমি আদিম যুগের মানুষ মানে যেই যুগে স্বামীর নাম মুখে নিত না সেই যুগের মানুষ।
--গুড গুড, এমন মেয়েই তো চাচ্ছিলাম।(আসতে আসতে বললো)
--এই এই কি বললেন আপনি?
আবার সেই মুচকি মুচকি আসছে।লোকটাকে মুচকি হাসিতে কিন্তু ভালোই লাগছে এতক্ষণ খেয়ালই করি নি।লোকটা দেখতেও বেশ ভালো, ফরসা না শ্যামলা, সিম্পিল, একদম আমার মনের মতো।
আমার আবার শ্যামলা ছেলে খুব পছন্দ।
..
ধুর, এইসব আমি কি ভাবছি। কিন্তু সেই গুনধর ছেলে কই যার সাথে দেখা করতে আমার এইখানে আসা।এত লেট হয়ে গেল তাও এলো না, লেট লতিফ একটা।যাক আসে নি ভালোই হইছে, বাঁচা গেছে।
..
--আপনি কিন্তু বেঁচে যান নি? আপনি বরং ফেঁসে গেছেন হিহিহিহি!!
--মানে?(এই লোকটা আমার মনের কথা বুঝলো কেমনে মনে মনে ভাবছিলাম)
--নিধির কাছ থেকে আপনি পিক নিন তারপর বলছি।
..
নিধির কাছ থেকে ফোন করে পিক নিলাম।পিক দেখে তো ৪৪০ ভোল্টের একটা শক খেলাম।আমি ঠিক দেখছি তো??
..
--তুমি ঠিকই দেখছো।আমার সাথেই তোমার বিয়ের কথা হচ্ছে।আসলে সেইদিনই তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম বাট অনেকদিন পর তোমাকে দেখে এতটা ভালো লাগছিলো যে কি আর বলবো তোমায় তাই একটু মজা করলাম।
তোমার মনে আছে কিনা জানি না, প্রত্যেক জন্মদিনে তোমার কাছে একটা করে বেনামী চিঠি যেত।
--আপনিই কি সেই বেনামী চিঠির মালিক?
--হুম, আমি তোমায় ছোট থেকেই দেখে এসেছি, কিন্তু কোনো দিন তুমি আমায় খেয়ালই করো নি,তোমার সবকিছু কেমন জানি আমার খুব ভালো লাগতো,মনের মধ্যে লালন করতে শুরু করি তোমায়।সেই ভালো লাগা কখন যে ভালোবাসার রুপ নিয়েছে বুঝতেই পারি নি।যখন বুঝতে পারলাম তখন আর হারাতে চাই নি তাই এসব।
..
--আমি তোমার চোখের জলের কারন হতে চাই না, চোখের জল মুছে ফেলার কারন হতে চাই।
তোমার ডিপ্রেশনের কারন হতে চাই না, ডিপ্রেশন রাতে জেগে থাকার সঙ্গি হতে চাই।
সারাজীবন তোমার খোঁপায় বেলীফুলের মালা দেওয়ার অধিকার চাই।
দেবে কি অধিকার?
--আমি চুপ।
..
--তুমি না চাইলে জোর করবো না।তুমি কাঁদছো কেন? তোমার চোখের জলের কারন হতে চাই না আমি।কেঁদো না প্লিজ।
ভালো থাকো,সুখে থাকো যার সাথেই থাকো না কেন।
আর বাসায় কিছু বলবেন না তোমায় আমি সব ম্যানেজ করে নিব।
..
--ঐ কই যাও এখন? তোমারে আমি এতদিন খুঁজে খুঁজে মরছি, আর এত সহজে যেতে দিবো, ভাবছো? তোমার জীবন তেজ পাতা করবো তারপর আমার শান্তি। সেইটা করতে যদি তোমায় বিয়েও করতে হয় তাইলেও রাজি আছি।
--ওরে বাব্বা!! আমি তোমায় বিয়ে করবো না তাহলে,বিয়ের আগেই এত হুমকি বিয়ের পর না জানি কি হয় আমার।পাশের বাসার একটা মেয়ে আছে, তাকেই বিয়ে করবো, এমনিতেই মেয়েটা অনেক সুন্দরী, আমার সাথে লাইন মারার চেষ্টা করে।
--এই কি বললা?(কলার চেপে ধরে)
যাও দেখি তোমার কত সাহস।হাত-পা ভেঙ্গে বাসায় ফেলে রাখবো।
--হিহিহিহি, আমার হবু বউটা দেখছি রেগে গেছে!!আমি তো মজা করছিলাম।
--এই রকম মজা যেন নেক্সট টাইম না হয়।
--যথা আজ্ঞা মহারানী!!
..
ওপ্স দেখছো তোমার নামটাই তো জানি না আমি।বাসায় কারো কাছ থেকে নাম শুনি নি আর চিঠিতেও তো কোনো নাম লিখতা না।(আমি)
--তখন যে খুব বললা আমার নাম জানো।আর কি জানো বলছিলা, ওহহহ হ্যাঁ স্বামীর নাম মুখে আনতে হয় না।(সে)
--আরে তখন কি আমি জানতাম যে তুমিই সে।এই জন্যেই তো একটু ঢপ মারছি।(আমি)
--আমি সেই জানলে কি করতে হুম?(সে)
--উফফফফ!! তুমি বড্ড বেশি বকো।
নাম?
--হ্যালো, আমি শুভ্র ইসলাম।
আপনি?
--হাই, আমি মিসেস শুভ্র ইসলাম।
-- এই যে, খুব তো বলেছিলে যে স্বামীর নাম মুখে নিবা না.. এখন কি করলা এইটা হুম?
--এখনও তো হও নি স্বামী তাই নাম নিয়েছি মুখে হিহিহি।
--হইলে কি বলে ডাকবা?
--ওগো শুনছো, কই গেলা?
এইভাবে..
ভালো না?
--হুম খুব ভালো।
--এই একদম কাছে আসবা না, ভাল হবে না কিন্তু শুভ্র..শুভ্র আর এগোবে না,শুভ্র..
--এই এই নিশি পালাচ্ছো কই? আমার কাছেই তো আসতে হবে। নিশি আসতে পড়ে যাবে, দৌড়িও না..নিশি..
..
নতুন ভাবে নতুন দুটি মানুষ নতুন জীবনের দিক পা বাঁড়ায়।
ভালো থাকুক শুভ্র আর মিসেস শুভ্র ইসলামের মতো মানুষরা।
..
..
নামঃ- বেনামী চিঠি
লিখাঃ- আন্নিয়াহ অনন্যা(পাগলির ডিব্বা)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ