āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

426

"মহিলা পুলিশ"
.
.
দিনটি ছিলো হরতালের দিন।
টিভিতে অরাজকতা আর নাশকতার খবর শুনছিলাম। ভালই লাগছিলো মানুষ মারা যাবার কথা শুনে। মানুষ কিংবা কুকুর শিয়াল যাই মারা যাকনা কেনো, মৃত্যুর খবর শুনলে আমার হৃদয় ব্যথিত না হয়ে আনন্দ উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। এর কারণ, মানুষের আজকাল কোনো দাম নেই তাই দামহীন মানুষগুলো মরে যাওয়াটাই ভাল।
.
কাছের বন্ধু জর্জ ফোন দিয়ে বললো- "আমিম তাড়াতাড়ি বিএনপি অফিসের এখানে আয়।"
.
এক চিমটি বিস্ময় নিয়ে বললাম- "হরতালের দিনে বিএনপির অফিসের সামনে আমি যাবো? মাথা খারাপ?"
.
"আরে মীম নামের মেয়ে খুজে পেয়েছি, তাড়াতাড়ি আয়।"
"দেখতে কেমন?"
"আরে নিজেই দেখে যা, সেইরকম একটা জিনিস।"
"হরতালের দিনে মেয়ে মানুষ কি করছে ওখানে?"
"এত কিছু জানিনা তুই আসবি কিনা আমি চলে যাবো বল?"
"আচ্ছা তুই দুই মিনিট দাড়া আমি দশ মিনিটের মধ্যে আসতেছি।"
.
মীম নামের মেয়ের প্রতি আমার দুর্বলতার ব্যাপারটা জর্জ ভাল করেই জানে। তাই বন্ধু আমার ফেরেশতার মত সুসংবাদটা জানিয়ে দিলো।
.
.
হাতে কাজ ছিলোনা। অবশ্য কাজ থাকেওনা তেমন।
ফ্রেস হয়ে প্রিয় সরিষার তেলের বোতলটা উপুর করে হাতের তালুতে অবশিষ্ট তেল নিয়ে চুল, মুখ আর হাতে মেখে নিলাম। কি ঝাঁঝালো গন্ধ! খাটি সরিষার তেল বলে কথা।
.
ফনিক্স সাইকেলটা নিয়ে দিলাম টান। হরতালের দিন, রাস্তাঘাট এমনিতেই ফাঁকা। অসুরের শক্তি দিয়ে সাইকেলে প্যাডেল মারছি। সাঁ সাঁ করে বাতাস কেটে এগিয়ে চলছি সামনে। রাস্তার কয়েকটা মোড়ে নেমে নেমে বিএনপি অফিসের কাছে চলে আসলাম। জর্জকে দেখতে পেলাম, সেও আমাকে দেখতে পেলো। তার মুখে তথ্যবহুল হাসির আভা আর আমার মুখে জিজ্ঞাসু প্রশ্নের ঘর্মাক্ত আভা।
.
"কই মীম কই?"
"থাম, নাকের নিচের ঘাম মুছে নে আগে। এত জোরে সাইকেল চালিয়ে আসতে বলছি নাকি আমি? মেয়ে তো আজ সারাদিন আছে এখানে।"
"আরে কই? আস্তেই তো আসলাম।"
.
শার্টের আস্তিন দিয়ে চিবুক সহ মুখের ঘাম মুছে এদিক সেদিক তাকাতে লাগলাম কিন্তু কই? সুন্দরী কোনো মেয়েই দেখতে পেলাম না। বিএনপি অফিসের গেটের ওদিকে অনেক পুলিশ দাঁড়িয়ে। মাঝে মাঝে সাইকেল আর দু একটা রিকশা যাচ্ছে শুধু।
.
"কই? মেয়ে কই? এইখানে আসতে বললি ক্যান?"
"মামা এত উতলা হচ্ছো কেনো, ওয়েট এন্ড কুল ডাউন।"
"আমি তোর মামা না। মেয়েরে দেখায় দে।"
"আচ্ছা, স্যরি। মামার ব্যাটা তোমার আশে পাশেই আছে খুঁজে দেখ।"
.
চারদিক তাঁকিয়ে একটু দূরে থাকা কয়েকটা সুন্দরী মহিলা পুলিশের দিকে চোখ গেলো। বুঝতে আর বাকি রইলোনা জর্জের দুরভিসন্ধি।
.
"শোন জর্জ, তোকে আমি মীম নামের সুন্দরী মেয়ে দেখতে বলেছি, মীম নামের পুলিশ না।"
"মামা পুলিশ হলে কি হবে, ঝাক্কাস একটা মেয়ে।"
"আবার মামা?"
"আরে, কাছে গিয়ে ভাল করে দেখবি তো আগে।"
.
ভয় পাওয়া শুরু করলাম। সাধারণ ব্যাটা পুলিশকেও আমি কোনোদিন ভাল করি দেখিনাই। আর এখন একটা মহিলা পুলিশকে দেখতে হবে। সাইকেলটা জর্জের হাতে দিয়ে সন্তপর্নে মহিলা পুলিশগুলোর দিকে এগিয়ে গেলাম।
.
একটা পুলিশের বুকের ডানপাশের নেমপ্লেটটায় চোখ আটকে গেলো। সুন্দর করে ছোট্ট আর সুন্দর একটা নাম "মীম" লিখা। খুশি আর উত্তেজনায় সিনা টান টান হয়ে উঠলো। কিন্তু পুলিশের ইউনিফর্ম দেখেই সদ্য প্রস্তুতকৃত আশাগুলো বালুঘরের মত ভেঙে গেলো।
.
মীম নামের পুলিশটার দিকে তাকাতে তাকাতে তার কাছাকাছি যেতে লাগলাম। আহামরি সুন্দরী আবার কম সুন্দরীও নয় মেয়েটা। প্রেম আর বিয়ে করার মত মেয়ে একটা! বউ বা প্রেমিকা হবে তো এমনই হওয়া চাই। কি সুন্দর চোখ, কি সুন্দর নাক কি সুন্দর ঠোট! পুলিশের ইউনিফর্ম টাও দারুণ মানিয়েছে তাকে। আসলে টাইট ফিট জিনিস ভালই মানায় মানুষকে। তাৎক্ষণিক কল্পনায় মেয়েটাকে সাধারণ ড্রেসে কেমন হতে পারে তা কল্পনা করছি।
.
"কিছু বলবেন?"
.
চমকে গেলাম মীমের কথায়। অল্প সময়ের মধ্যেই কখন যে মীমের কাছাকাছি চলে এসেছি তা খেয়ালই করিনি। কল্পনাজগৎ থেকে বের হয়ে বাস্তব জগৎ এ ফিরে এসে মীমকে পাল্টা প্রশ্ন করলাম- "আপনার জন্মতারিখ টা বলবেন প্লিজ?"
.
"কি? আমার জন্মতারিখ শুনে কি করবেন আপনি?"
"জনগণ এর বন্ধু হিসেবে আমার এ প্রশ্নের উত্তরটা দিলে খুব খুশি হতাম।"
.
মেয়ে পুলিশ মীম অবাক হয়ে ভাবছে আমার প্রশ্ন। এমন একটা ভাব করছে যেনো সারারাত পড়ে, পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন পড়েনি। পুলিশ মীম বুঝি জানেনা যে প্রশ্নের ধারা এখন অনেক পালটে গেছে। অন্যান্য মহিলা পুলিশগুলোও একে অপরের দিকে চাওয়া চাওয়ি করছে।
.
দেখতে হ্যান্ডসাম একটা ব্যাটা পুলিশ এগিয়ে আসলো। সম্ভবত ইনি মীমকে পছন্দ করেন। আসলে সুন্দরী কলিগদের সবাই পছন্দ করে।
.
আমাকে ঘিরে জটলাটা বাঁধতে খুব বেশি সময় লাগলোনা। অন্যান্য পুলিশগুলোর ডজনখানিক প্রশ্নের আড়ালে আমার প্রশ্ন হারিয়ে গেলো। যাক হারিয়ে।
.
মীমের চোখের দিকে তাকিয়ে আছি। পুলিশ না হয়ে মেয়েটা অন্যকিছু হলেও পারতো। পুলিশদের চোখে এত মায়া থাকতে নেই। পুলিশরা হবে রাগী, নজরুল স্যারের মত। বই না নিয়ে আসায় আমার কানের নিচটা যিনি গরম করে দিয়েছিলেন একদিন।
.
হ্যান্ডসাম পুলিশটার একটা আলতো ধাক্কায় পিছিয়ে আসলাম। কিছু বলতে চাচ্ছিলাম কিন্তু জর্জ এসে টেনে টুনে নিয়ে এলো আমায়। অনেক করে আমায় বুঝালো যে আইনের হাত অনেক লম্বা।
.
কিন্তু আমি ভাবছি আইনের চোখে তো অনেক মায়া।
.
.
~সমাপ্ত~
.
.
লিখাঃ আমিম এহসান

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ