অনিক এর আজ ইন্টার্ভিউ এর দিন।
ইন্টার্ভিউ দিতে গিয়ে বসে আছে।
ভিতরে গেল। ইন্টার্ভিউ টা ভালই হল
অনিকের কিন্তু তার মনে হয়
চাকরি টা হবে না। কারন এই যুগে ভাল
রেজাল্ট এর দাম নাই।
চাকরি করতে হলে টাকা লাগে। আর
নাহয় মামা খালু লাগে।
এই সব ভেবে বসে আছে। এমন
সময়ে একটা নারি কন্ঠে পাশে তাকাল
অনিক। দেখেই অনিকের চোখ
আটকে গেল। মেয়েটিকে দেখেই মনের
মধ্যে নাড়া দিল অনিকের।
মেয়েটি বলল
-আপনিও কি চাকরির ইন্টার্ভিউ
দিতে আসছেন?
-হ্যা।
-কি বোঝা যাচ্ছে? চাকরি হবে?
-জানি না।
-আচ্ছা দেখা যাক কি হয়।
একটু পরে ভেতর থেকে বলল "অনিক কে?।
নাবিলা কে?"
অনিক জানতে পারলো মেয়েটির নাম
নাবিলা। তাদের দুইজন
কে ভেতরে ডেকে বলল
-আপনাদের চাকরি হয়ে গেছে। কাল
থেকে জয়েন করবেন।আর আপনারা দুইজন
এক সাথে কাজ করবেন।
অনিক তো ব্যাপক খুশি। কোন কিছু
ছাড়াই চাকরি হয়ে গেল। সে এখন
নিজের পায়ে দারাবে।
আরো বেশি খুশি হওয়ার কারন এই
মেয়েটি অনিকের কলিগ।
পরেরদিন অফিসে গেল অনিক।
অফিসে গিয়ে দেখলো মেয়েটির
অনিকের পাশেই সিট। এমন সময় বস
ডাকলো অনিক কে।
নাবিলাকে দেখিয়ে বলল
-আপনারা নতুন।কাজ করতে থাকুন।কোন
সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।
-ঠিক আছে।
অনিক আর নাবিলা কাজ
করতে করতে তাদের মধ্যে সম্পর্ক
টা আরো ভাল হয়ে গেল।
তারা একে অপরের বন্ধু হয়ে গেল।
তারা এক সাথে কাজ করতে থাকলো।
তাদের কাজ দেখে বস অনেক খুশি হল।
অফিস
থেকে বেড়িয়ে দেখলো নাবিলা দাড়িয়ে আছে।
অনিক এগিয়ে গিয়ে বলল
-কি বেপার নাবিলা? দাড়িয়ে আছ
কেন?
-রিকশা পাচ্ছি না।
-আচ্ছা দাড়াও রিকশা ডেকে দিচ্ছি।
-আচ্ছা একটা রিকশা ডেকে দাও।
-আচ্ছা। যাও আমি পরে আসছি।
-তুমি আমার সাথে যেতে পারো।এক
রিকশাতেই যাই।
-আচ্ছা।
রিকশাতে যেতে যেতে একে অপরের
সব কথা বলতে থাকলো। হঠাত অনিক
জিজ্ঞেস করলো
-নাবিলা তোমার স্বামি কি করে?
-আমি এখন ও অবিবাহিত।
আমাকে দেখে কি বিবাহিত মনে হয়?
-নাহ। এমনি বললাম। (অনিক
নিজেকে নিজেই গাধা মনে করলো।
এই কথা বলার জন্য)
-তুমি বিয়ে করছো না কেন?
-তুমি রাজি থাকলেই
তো বিয়ে করতে পারি(,আস্তে আস্তে)
-কিছু বলল?
-না। বললাম তেমন মেয়ে পাই নি।
-ও। আমার বাসার কাছে চলে এসেছি।
নামবো।
-আচ্ছা। কালকে আবার দেখা হবে।
তারপরে অনিক বাড়ি চলে এল।
বাড়ি এসে অনিক ভাল ভাল
ঘটনা গুলো ডাইরিতে লিখে রাখে।
তাই আজকের ঘটনা ও লিখলো।
অনিক নাবিলাকে যতই দেখে ততই
প্রেমে পরে যায়। নাবিলার
প্রতি অনিকের ভালবাসা বেড়ে যায়।
বিছানায় শুয়ে অনিক নাবিলার
কথা ভাবছে।
ভাবতে ভাবতে নাবিলাকে ফোন দেয়
অনিক।নাবিলার ফোন বিজি পায়।
অনিক ভাবে হয়তো বয়ফ্রেন্ড এর
সাথে কথা বলছে। একটু
পরে নাবিলা কল ব্যাক করে। অনিক
ফোন ধরে বলে।
-হ্যা। বলো।
-একটু আগে ফোন করেছিলে?
-কথা বলিছিলে কারো সাথে।
-হ্যা। মামার সাথে মা কথা বলছিল।
-ও। ভাল। আমি ভাবছিলাম অন্য কিছু।
-কি ভাবছিলে?
-না।কিছু না।
-আমি তোমার বন্ধুর মত। বন্ধুই
ভাবতে পারো। বলো।
-ভাবছিলাম বয়ফ্রেন্ড এর
সাথে কথা বলিছিলে।
-হা হা হা। তাই না।
-হুম।হাসছ কেন?
-আমার বয়ফ্রেন্ড নাই।
-কেন?
-তেমন কাউকে পছন্দ হয় নি। আর
আমি প্রেম এ বিশ্বাসি না এই
যুগে বিয়ের আগে প্রেম না করাই ভাল।
-আমিও সেটাই ভাবি।এই যুগে বিয়ের
আগে প্রেম মানে টাইম পাস।
-হ্যা। কালকে কথা হবে। বায়।
-বায়।
পরেরদিন অনিক আর নাবিলার কাজ
আগে আগেই শেষ হয়ে গেল। অনিক
নাবিলাকে ঘুরতে বের হওয়ার কথা বলল।
নাবিলাও ঘুরলো। ভালই
কাটলো তাদের দিন।
অনিক
বাড়ি ফিরে ডাইরিতে লিখতে থাকলো।
অনিক কেন তার ভালবাসার
কথা নাবিলাকে বলতে পারছে না সেটা সে নিজেও
জানে না।
নাবিলাকে ভালবাসার
কথা বলতে অনিক সাহসে কুলায় না।
বলার সাহস পায় না।
হঠাত অনিক
ভাবলো কালকে নাবিলাকে তার
ভালবাসার কথা বলবে।কিন্তু
নাবিলাতো বিয়ের আগে প্রেম
করতে চায় না। নাকি সরাসরি বিয়ের
প্রস্তাব পাঠাবে?
পরেরদিন মনে সাহস
নিয়ে নাবিলাকে বলার
কথা চিন্তা করে বাসা থেকে বের হল।
আজ অনিকের চিন্তা সে যেভাবেই
হোক নাবিলাকে বলবেই।
তাতে যা হওয়ার হবে।
নাবিলাকে ডাক দিল অনিক।
-কি খবর নাবিলা কাজ কেমন চলছে?
-ভাল তোমার?
-আমার ভালই।
-একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম।
-হ্যা। বলো।
-তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে।
-ধন্যবাদ।এটা বলার জন্যই ডাকলে?
-না।অন্য একটা কথা।
হঠাত বস ডাক দিল নাবিলাকে।
নাবিলা বলল
-আচ্ছা।বসের
সাথে দেখা করে শুনবো তোমার কথা।
নাবিলা চলে গেল।অনিকের নিজের
উপরেই নিজের রাগ হতে থাকলো।
রাগে নিজের চুল
টেনে ছিরতে ইচ্ছে করছে।
কি বলতে আসলো। আর কি বলল? আর বস ও
ডাক দেয়ার সময় পেল না। ধুর। পরে অবশ্য
অনিকের সাথে নাবিলার
কথা হয়েছে।কিন্তু নাবিলাকে আর
বলা হয় নি। অনিকের নিজের
কাছে নিজেকে গাধা মনে হয়। এত সহজ
কথা তাই বলতে পারছে না?
নাবিলাকে দেখা থেকে আজ পর্যন্ত সব
ঘটনাই অনিক
ডাইরিতে লিখে রেখেছে।আজকেও
তেমনি লিখে রাখলো। আজ
শরিরটা ভাল লাগছে না।তাই
না খেয়েই শুয়ে পরলো। আর
সপ্নে দেখলো নাবিলার আরেকজনের
সাথে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অনিকের
মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল।
পরেরদিন যেভাবেই হোক
নাবিলাকে ভালবাসার কথা বলবেই।
পরেরদিন
অফিসে গিয়ে দেখলো নাবিলা অফিসে আসে নি।
অনিকের মনটা খারাপ হয়ে গেল।
ননাবিলা তাহলে কি অসুস্থ হয়ে গেল?
জরুরি কিছু কাজ
সেরে সরাসরি নাবিলার বাসার
সামনে গেল অনিক। নাবিলাকে ফোন
করলো। নাবিলা এল।
অনিক বলল
-কেমন আছো?
-ভালই আছি।তুমি এই সময় আমাদের
বাসার সামনে কেন?
-আজ অফিসে যাও নি কেন?
-বাড়িতে জরুরি কাজ ছিল।
-আমি ভাবছিলাম অসুস্থ হয়ে পরেছ।
-না। অসুস্থ হব কেন?
-আমি তোমকে একটা কথা বলতে চাই।
অনেকদিন ধরে বলতে চাচ্ছি। কিন্তু
বলার সাহস হচ্ছে না।আজ
আমি তোমাকে কথাটা বলতে চাই।
-হ্যা।নির্ভিয়ে বলতে পারো।
-আমি প্রথম দিন তোমাকে দেখার পর
থেকে তোমাকে আমার অনেক ভাল
লেগে গেছে।
আমি তোমাকে ভালবাসি।
-এটা সম্ভব না।
-কেন সম্ভব না।আমি কি তোমার
অযোগ্য?
-এখানে যোগ্য অযোগ্যর কথা না।
-তাহলে সমস্যা কোথায়?
-আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।এই দেখ
ছেলেপক্ষ থেকে আজ
আংটি পরিয়ে গেছে। (নাবিলা তার
সাতের এংগেজমেন্ট এর
আংটি দেখালো)
-তাহলে আমার ভালবাসা?
-আমার কিছুই করার নেই।কারন
আমি আমার পরিবারের অমতে কিছুই
করতে পারবো না।
অনিক এর এই কথা শুনে বুকের
মাঝে ফাকা মনে হল। মনে হল তার
দামি কোন সম্পদ তার থেকে আরেকজন
ছিনিয়ে নিয়েছে।মন খারাপ
করে বাসায় চলে গেল।
বাসায় গিয়ে বিছানায় শুয়ে পরলো।
একটু পরে অনিকের মা এসে জিজ্ঞেস
করলো
-কি রে এই সময়ে অফিস
থেকে চলে এলি কেন?
-কিছুই ভাল লাগছে না।
-কেন কি হয়েছে?
-না।কিছু হয় নি।
-কিছু তো হয়েছেই।
-মা আমি একটা মেয়েকে ভালবাসি।
কিন্তু মেয়েটির অন্য এল জায়গায়
বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।
-ওই মেয়ে কি বলেছে?
-ওই মেয়েও বিয়েতে রাজি।
-তাহলে বাদ দে ওই মেয়ের কথা। ওই
মেয়ে তোকে ভালবাসে না।
আমি একটা মেয়েকে পছন্দ করেছি।
মেয়েটির সাথে তোর বিয়ে দিবো।
-আমি এখন বিয়ে করবো না।
-মেয়েটির ছবি তো দেখ।পছন্দ
হলে বিয়ে করবি না হলে বাদ।
ইচ্ছা না থাকা সত্তেও
ছবিটা দেখে অনিক।দেখেই অবাক
হয়ে যায়। বলে
-আরে এটা তো নাবিলার ছবি।
-পছন্দ হয়েছে?
-হ্যা। কিন্তু ছেলে পক্ষ
থেকে তো ওকে আংটি পরিয়ে গেছে।
-হ্যা।
-তাহলে এই মেয়েকে আমার পছন্দ
করে কি হবে?
-আরে ওই ছেলে পক্ষই আমরা।
আমরা সবাই
গিয়ে আজকে আংটি পরিয়ে এসেছি।
-কিন্তু আমাকে কিছু জানাও নি কেন?
-জানালে কি তুই সারপ্রাইজ
টা পেতি?
-কিন্তু
তুমি কিভাবে জানলে আমি নাবিলাকে পছন্দ
করি?
-কালকে তোকে খাবার জন্য
ডাকতে এসে দেখলাম তুই
ঘুমিয়ে পরেছিস। আর টেবিলের
উপরে তোর ডাইরি টা খোলা। আর সব
কিছু দেখে এই ব্যাবস্থা করেছি।
-সত্যি তুমি আমার লক্ষি মা। লাভ ইউ
মা।তুমি আমার বেপার
টা বুঝতে পারছো।
-এখন ই নাবিলার সাথে কথা বল।
-হ্যা।বলছি।
সাথে সাথে নাবিলাকে ফোন
দিয়ে বলে
-এখন আমাকে ভালবাসবে তো?
-হ্যা। এখন তো ভালবাসতেই হবে।
তুমি আমার হবু স্বামি।
-আই লাভ ইউ
-আই লাভ ইউ টু।
-আর কিছু না।
-আর কিছু বিয়ের পরে।
অতঃপর বিয়ে।আর সুখের সংসার।
তাদের ভালবাসা ধারাবাহিক
ভাবে এগিয়ে যাক।
-
-গল্প - ধরাবাহিক ভালবাসা
- লেখকঃ #নবাব_সাহেব
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
462
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§§ā§Ļ:ā§Ģā§§ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ