āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

457

গল্পঃ অতৃপ্ত আত্বার কথা
.
আজ কলেজ গিয়ে রিতিমত অবাক হয়ে গেল মিরু। অবাক হবার কারন কলেজ ছুটি হয়ে গেছে। কি আর করার পিছন ফিরে হাটা শুরু করল মিরু। আর ভাবছে সারাদিন কি করবে। হঠাৎ একটা প্লান মাথায় আসলো তার। তাদের বাড়ির পাশে রাজবাড়িতে নাকি আত্বা আছে তাই কেউ ভয়ে যায় না। তার অনেক দিনের সখ আত্বাদের সাথে কথা বলার। দ্রুত হাটা শুরু করল আর নিরা কে ফোন দিল। নিরাও তারমত আত্বা পাগলী।
.
যাই হোক তারা বাসা থেকে বের হলো দুপুরের একটু আগে। মিরু, নিরা, আবির, শিখা, জিন্না এই পাঁচ জন যাচ্ছে। প্রয়োজনী দ্রব্যদী নিয়ে তারা বেড়িয়ে পড়ল।
.
বাড়িতে পৌছাতে তাদের দুপুর হয়ে গেল। তারা গেট মারিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকতেই দেখলো বাড়িটা অন্ধকার যেন মধ্য রাত। তারা চারিদিকে ক্যান্ডাল জ্বালিয়ে মাঝে প্ল্যানসিটে হাত রেখে আত্বাদের ডাকতে শুরু করল।
হঠাৎ সব কিছু স্তব্ধ করে একটি বিকট শব্দ হয়ে কারো প্রবেশ ঘটল। আর কুৎসিত ভাবে বলতে শুরু করল
:- কে তোরা এখানে কি চাস?
:- আমরা তোমার এই ঘরে বা বাড়িতে থাকার কারন যানতে চাই?
:- ঠিক আছে তাহলে শোন।
.
আমি তখন সবে মাত্র ভার্সিটিতে পা দিয়েছি। গ্রামে থেকে আমি শহরে আসি লেখাপড়া করতে। বাবা মা অনেক কষ্ট করে আমাকে লেখাপড়া শিখাচ্ছিল। আমি ছিলাম আমার বাবা মার এক মাত্র সন্তান।
.
আমি আমাদের বিভাগের ভাল ছাত্র ছিলাম। সেই সুবাদেই অনেক মেয়ে আমার সাথে প্রেম করতে চাইত কিন্তু করতাম না। হঠাৎ আমাদের ক্লাশের এক সুন্দরী মেয়ে আমাকে ডাক দেয়।
:- এই যে মিস্টার অর্নব?
:- জ্বি আমাকে বলছেন?
:- আপনি ছারা কেউ আছে?
:- না। কি জন্য ডেকেছেন?
:- শুনেন আপনাকে আমার খুব ভাল লেগেছে।
:- আমি কি করতে পারি?
:- প্লিজ আমাকে ভালবাসার সুযোগ করে দেন প্লিজ।
:- দুঃখীত আমার মা বাবার স্বাপ্ন পুরন করতে আমি এখানে এসেছি প্রেম করতে নয়।
- আপনি যদি আমাকে ফিরিয়ে দেন তাহলে আমি আত্বহত্যা করব।
:- সেটা আপনার জীবন আপনি যা ইচ্ছে করতে পারেন?
:- ঠিক আছে তাহলে সেটাই কথা থাকিল।
.
রিমি চলে গেল আমিও অন্য পথ ধরে চলে আসলাম। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি রিপনের অনেক গুলি মিসকল। আমি ফোন দিলাম
:- আরে ব্যাটা তুই কই?
:- রুমে।
:- সালা রিমি তো কান্ড পাকায় ফেলছে?
:- রিমি কে?
:- আরে তোকে যে প্রস্তাব দিয়েছিল। আজ রাতে সুইসাইড করতে গিয়েছিল। পরে তার বাবা দেখতে পেয়ে তাকে বাচিয়েছে?
:- ও আচ্ছা। এখন কি সুস্থ নাকি?
:- হ্যাঁ। কিন্তু পাগলামী করছে।
:- ঠিক হয়ে যাবে। আবেগ প্রবাহ বন্ধ হলেই ঠিক হয়ে যাবে?
:- দেখ মেয়েটা কিন্তু অনেক ভাল। আর তোকে যথেষ্ঠ ভাল বাসে তুই ওকে ফিরিয়ে দিস না।
:- দেখ ভাই প্রেম ভালবাসা ধণীদের জন্য আমাদের মত গরিবদের জন্য না।
:- আচ্ছা ভাল থাকিস।
:- হু
.
তারপর থেকে ভার্সিটিতে গেলে রিমিকে আগের মত হাসতেও দেখি নাই। তার মধ্যকার উশৃঙ্খলাতা বিলিন হয়ে গিয়েছিল। সব সময় চুপ চাপ থাকত আর কারো সজ্ঞে কথা বলত না। ক্লাশ না থাকলে বকুল ফুলের গাছের নিচে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকত। আমিও তেমন গুরুত্ব দিতাম না।
.
এমনি ভাবে কিছুদিন চলার পরে মেয়েটির উপরে মায়ার সৃষ্টি হলো। যখন সে চুপটি করে বসে থাকত হাওয়াতে তার কেশ গুলি উরত তখন তাকে আরো সুন্দর লাগত। আমি মনের অজান্তেই তাকে ভালবেসে ফেলি। খুব চাইতাম তাকে কিন্তু কি ভাবে বলি। তার আত্বহত্যার প্রচেষ্টাতে হাস্পাতালে ভর্তি ছিল আমি দেখা পর্যন্ত করি নাই। তাই আমিও আর তার দিকে হাত বাড়াই নাই।
.
কিছুদিন পরে ফাইনাল পরিক্ষাও চলে আসল আমি আর অন্য কোন দিকে মন না দিয়ে নিজের লেখাপড়ায় মন দিলাম। কিন্তু রিমিকে মন থেকে ভুলতে পারছিলাম না। মনে মনে ভাবলাম পরিক্ষা শেষ হলে তাকে গিয়ে মনের কথা গুলি বলে দিব।কিন্তু পরিক্ষার ভিতরে দেখলাম রিমি পরিক্ষা দিচ্ছে না। ভাবলাম সমস্যার কারনে হয়তবা ড্রপ দিচ্ছে।
.
শেষ পরিক্ষা দিয়ে একগুচ্ছো লাল গোলাপ নিয়ে রিমিদের বাড়ি গেলাম। দেখলাম সমস্থ বাড়ি সাজানো হয়েছে। বিয়ের সানাই বাজছে ভাবলাম হয়তবা রিমির বড় বোনের কিংবা ভাই এর বিবাহ। কিন্তু গেটে দেখলাম লিখা শুভ বিবাহ রিমি ও হৃদয়। আমার মাথা ঘুড়ে গেল। মিনে হচ্ছে আজ পৃথিবীতে অক্সিজেন এর অভাব পরে গিয়েছে সমস্থ অক্সিজেন আমার দরকার। নিজেকে সামলে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলাম হঠাৎ ভিতরে থেকে কান্নার আওয়াজ আসল। আমি দৌড়ে গেলাম গিয়ে দেখি রিমির রক্তাক্ত দেহ বাথরুমের ফ্লোরে পড়ে আছে আর রিমি দুচোখ বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছে। শান্তির ঘুমে ঘুমিয়েছে। তাই নিজেকে আটকিয়ে রাখতে পারি নাই মেসে এসে দু কুলপ এন্ড্রোফিল মুখে ফুরে দিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। তারপরে থেকে রিমির এই বাথরুমই আমার স্থান হয়েছে। এটাই আমার এই বাড়িত্ব থাকার রহস্য।
.
সবার চোখ বেয়ে অবিরাম কান্না ঝরে পড়ছে। কি বলবে ভেবেই পাচ্ছে না। হঠাৎ পুরো বাড়িটা অলোরে ভড়ে উঠল। আমরা সবাই উঠে পড়লাম। সবাই নিজের গন্তব্যের দিকে পা বাড়ালাম আর পড়ে রইল অতৃপ্ত আত্বার ভালবাসা টুকুই।
.
.
............ Mosiour Rahman Miru (লুইচ্চা কবি)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ