āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

363

>>>>>>>>>মেয়রের ছেলে<<<<<<<<<<
...........................................................................
লেখকঃ Sajeeb Ahmed Arian
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
.
আজ থেকে আট বছর আগে ঢাকার এক বস্তিতে গরীব ঘরে জন্মায় একটি ছেলে নাম নাহিদ। নাহিদের আগমনে তার বাবা-মায়ের মুখে হাসি নেই কারন তারা খুব দরিদ্র!
তাদের চিন্তা বাড়ল যে, এখন আরও একটা মুখে খাবার জোটাতে হবে।
.
.
.
অন্যদিকে একই দিনে একই সময় শহরের ধনী ব্যক্তি মেয়র সাহেবের ঘরেও জন্ম নিল আরেকটা ছেলে। এই ছেলের জন্মে সবাই আনন্দিত এবং মেয়রের ছেলের জন্ম উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হল। হাজার হাজার লোকদের দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হলো।
.
.
.
আস্তে আস্তে দুইজনই বড় হতে লাগলো।
মেয়রের ছেলে ঢাকার সেরা বিদ্যালয়ে শিক্ষা নিতে ভর্তি হলো।
আর বস্তির ছেলে নাহিদ ভিক্ষা করার শিক্ষা নিল।
তবে নাহিদ কোনরকম এক মসজিদে একজন হুজুরের কাছে আরবি কিছু লেখা পড়া করেছিল। নাহিদ অনেক স্বপ্ন দেখত। সে সবসময় ধনীদের মতো একজন হবে।
.
.
.
একদিন নাহিদ হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূরে অচেনা এক জায়গায় চলে আসে।
সেখানে সবকিছুই দেখতে অন্যরকম। বড় বড় দামী ইঞ্জিন গাড়ি দেখে তার খুব ভাল লাগছিল। এতো সুন্দর গাড়ি সে কখনো আগে দেখেনি। চারপাশের সাজানো কৃত্রিম সৌন্দর্য দেখে সে মুগ্ধ হয়ে যায়।
.
.
.
সামনে যেতে যেতে হঠাৎ সে মেয়রের বাড়িতে ডুকে গেল।
ঠিক এমন সময় গেটের দারোয়ান নাহিদের ঘাড়ে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলে- এই ভিক্ষুকের বাচ্চা বের হ এখান থেকে,  কোন সাহসে এখানে এলি?
.
.
.
সেই মেয়রের ছেলেটি দূর থেকে সবকিছু দেখছিল। এক পর্যায় মেয়রের ছেলেটি চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো- দারো----য়ান! আমার বাবার সাধারণ জনগণকে কোন সাহসে থাপ্পড় মারলে? 
এখনি গেট খুলে তাকে আমার কাছে পাঠাও।
.
দারোয়ান গেট খুলে দিয়ে সাথে সাথে নাহিদকে মেয়রের ছেলের কাছে নিয়ে গেলো।
.
.
.
মেয়রের ছেলে তখন নাহিদকে বললঃ তুমি কে? দেখে মনে হচ্ছে সারাদিনে কিছু খাও নাই!
.
নাহিদঃ জ্বি!
.
মেয়রের ছেলেঃ এসো কিছু খাও। 
.
খাওয়ার পর বেশ কিছু কথা হলো তাদের মধ্যে।
তারপর মেয়রের ছেলেটি তাদের বাড়ি নাহিদকে ঘুরে ঘুরে দেখাল। নাহিদের কাছে সবকিছু স্বপ্নের মত মনে হচ্ছিল একেবারে রাজকীয় বাড়ি।
.
নাহিদ মেয়রের ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলঃ আচ্ছা আপনি কী সবসময় এতো দামী পোষাক পড়েন?
.
মেয়রের ছেলেঃ হ্যা। কেনো তুমি কখনো পড়নি?
.
নাহিদঃ ভিক্ষা করে সংসার চালাই স্যার, এইসব দামী পোষাক কিনাতো দূরে থাক এতো টাকা কখনো চোখেই দেখিনি।
.
.
.
এই শুনে মেয়রের ছেলেটি তার বাবার আলমারি থেকে লুকিয়ে এক বান্ডিল টাকা বের করে নাহিদকে দিয়ে বলল- যাও ওই টাকা নিয়ে তুমি ভাল পোষাক কিনে নিও।
নাহিদ টাকা নিতে চাইলোনা কিন্তু মেয়রের ছেলেটি এমন ভাবে রিকুয়েস্ট করলো যে নাহিদ আর না করতে পারলো না।
.
.
.
টাকা টা দিয়ে মেয়রের ছেলেটি নাহিদ কে বিদায় জানিয়ে বলে যাও ভাল থেকো, তুমার জন্য শুভকামনা রইলো।
নাহিদ খুশি মনে সেখান থেকে চলে এলো।
.
.
.
তারপর নাহিদ সেই টাকা দিয়ে পোষাক না কিনে বেশকিছু ফুল কিনে ফুটপাতে একটা দোকান দিল। আস্তে আস্তে ফুলের দোকান অনেক বড় করে ফেলল। সেই থেকে নাহিদের এক নতুন জীবন শুরু । এইভাবে দেখতে দেখতে ১৯ বছর কেটে গেলো। দারিদ্রসীমা অতিক্রম করে নাহিদ এখন অনেক টাকার মালিক। গাড়ি-বাড়ি কোন কিছুরই অভাব রইলো না নাহিদের।
.
.
.
হঠাৎ একদিন নাহিদ গ্রামের বাড়ি যাবে বলে রেলস্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিল আজ ট্রেন শিডিউল মিস করেছে তাই কয়েক ঘন্টা দেরি হবে ট্রেন আসতে।
.
নাহিদ রেলস্টেশন এর একটা কামরায় বসে কার সাথে যেনো মোবাইলে ব্যবসা নিয়ে কথা বলছিল। নাহিদের তখন এক হাতে মোবাইল আর অন্য হাতে বিস্কেট  ভর্তি টাকা।
হঠাৎ নাহিদ লক্ষ্য করল এক অসুস্থ ভিক্ষুক দেখতে প্রায় কংকালের মতো আস্তে আস্তে নাহিদের দিকেই
আসছে।
.
ভিক্ষুকটি নাহিদের কাছে এসে বলছেঃ স্যার কিছু টাকা দিবেন একটা রুটি কিনে খাবো? আজ ৫-৬ দিন যাবত পানি ছাড়া অন্যকিছু  খাইতে পারি নাই।
.
.
নাহিদঃ কে তুমি? তুমার কথায়তো  ভিক্ষুক মনে হয় না? যাই হউক এই নাও ১০ টাকা!  এখন যাও ফোনে কথা বলছি বিরক্ত করো না!
.
.
ভিক্ষুকঃ জ্বি স্যার।
.
এই বলে ভিক্ষুক একটা দোকানে রুটি কিনতে গেলো। রুটি কিনে ভিক্ষুকটি হঠাৎ তার বুকে হাত দিয়ে চিৎকার করে উঠলো! 
নাহিদ কি যেনো ভেবে ভিক্ষুকের দিকে তাকিয়ে রইলো। 
.
.
.
অন্যদিকে ভিক্ষুকটি বুকের ব্যাথায় ছটফট করতে করতে একসময় খুব শান্ত হয়ে দোকানের সামনেই লুটিয়ে পড়ে যায়!
.
লোকজন ভীর জমায় সেখানে, গিয়ে দেখে ভিক্ষুক টি আর বেঁচে নেই।
নাহিদ ভিক্ষুকটাকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে আস্তে আস্তে হেটে ভিক্ষুকের কাছে গেলো।
নাহিদ দেখলো ভিক্ষুকের নিথর দেহ হাসি মুখ করে আছে।
নাহিদ অবাক হয়ে যায় মৃতদেহের হাসি মুখ দেখে।
.
.
.
ট্রেনের সময় হয়ে যাচ্ছে নাহিদ লাশের পাশে ৫০০টাকা রেখে দিয়ে ভাবলো এবার চলে যাই ট্রেন চলে আসবে।
.
.
ঠিক এমন সময় নাহিদ শুনতে পায় একটা লোক ভিক্ষুকের লাশ দেখে বলছে - এই ভিক্ষুকটা আসলেই ভিক্ষুক নয়।
এই ভিক্ষুকটা শহরের সাবেক মেয়রের ছেলে আবিরের। তার বাপের আলমারি থেকে একদিন এক বান্ডিল টাকা চুরির করার দায়ে তাকে তার বাপ ঘর থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। ঘর থেকে বাহির হয়ে যেখানেই যায় সবাই আবিরকে ছিঃ ছিঃ করে তাড়িয়ে দেয়।
এক পর্যায় পেটের দায়ে সেই আবির ভিক্ষায় নামতে বাধ্য হয়!
.
.
.
লোকটার কথা শুনে নাহিদ স্তম্ভিত হয়ে যায়। ভিক্ষুকের চেহারার দিকে ভাল করে তাকিয়ে নাহিদের বুঝতে বাকী রইলো না যে, ওই ভিক্ষুকটি আর কেউ নয় এ যে সেই ছেলেটি যে একদিন নাহিদকে টাকা চুরি করে দিয়েছিল পোষাক কিনার জন্য। আর সেই দায়েই আজ ভিক্ষুক হয়ে খাইতে না পেরে আজ মারা গেলো!
.
.
.
.
নাহিদ দাঁড়ানো থেকে বসে পড়লো। দুই চোখে অন্ধকার নেমে এলো নাহিদের।
নাহিদ ভাবলো- যে ছেলেটির জন্য আজ সে কোটি টাকার মালিক সেই ছেলেকে এতো কাছে পেয়েও চিনতে পারলাম না?
.
.
তাকে সামান্যতম সাহায্য করতে পারলাম না?
একটা দিনের জন্যেও কখনো জানার চেষ্টা করলাম না সেই আবির কেমন আছে?
কোথায় আছে?
.
.
.
যদি জানতাম তাহলে আবিরকে এই ভাবে আজ মরিতে হতো না।
.
.
আমার জন্যেই ছেলেটি আজ দুনিয়া থেকে এমন নির্মম ভাবে বিদায় নিলো!
সব দোষ আমার!
.
.
এই ভাবতে ভাবতে নাহিদ অঝরে কেঁদে কেঁদে চোখের জলে তার শরীর ভিজিয়ে ফেলে।
.
এতো বড় অন্যায় নাহিদ কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিল না।
.
এতো বড় পাপের বুঝা নাহিদ সইতে পারছিলনা! কিছুক্ষণ পর নাহিদ  হঠাৎ করে বুকের পাঞ্জের ব্যাথায় ছটফট করতে করতে আবিরের নিথর দেহের পাশেই ঘুমিয়ে পড়লো!
নাহিদের বিস্কেট ভর্তি টাকা ষ্টেশনের মেঝেতে পড়ে রইলো!
.
.
একটু পর ট্রেন ষ্টেশন এসে আবার ছেড়ে গেলো কিন্তু নাহিদের বাড়ি ফেরা বুঝি আর হলো না!

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ