Πক্রশময় জীবনের মহাক্রাশে সমাপ্তি
-
Written by:Hasibur Rahman Joy(অনুভুতিওয়ালা)
-
[গল্পটা সামান্য বড় তবে কথা দিচ্ছি পড়তে পড়তে কয়েকবার সামান্য হলেও হাসবেন।আর যদি ভালো না লাগে তাহলে অাপনার কটু কথার ঝুলি থেকে কমেন্ট বক্সে কিছু প্রয়োগ করবেন]
-
→অনেক কষ্ট,সময় আর সাধনা একত্র করে অবশেষে জানালার পাশের সিট খানা পেলাম।এখন অসাধারণ একটা অনুভুতি আর বাস ছাড়ার প্রবল অপেক্ষা নিয়ে বসে আছি।খুব ভালোলাগছে এই ভেবে যে সমস্ত জার্নিটা আমি আমার মত করে উপভোগ করতে পারব।
যাক পছন্দমত বসার যায়গা পেলাম।তো এখন কি খুশি হয়ে চুপচাপ বসে থাকব? তারচেয়ে গান শুনি।যা আমার একাকিত্বের সঙ্গী তার সঙ্গ নেয়াটাই উত্তম হবে।
-ফোনটা হাতে নিয়ে আনেক কষ্টে পেঁচিয়ে থাকা ইয়ার ফোনটা মুক্ত করে কানে দিতে যাব।ঠিক এমন সময় আমার চোখটা জানালার বাইরে গেল।বাইরে রোদের আলোয় ঝকমক করছে।আর এই ঝকমকে রোদের অালোয় কেউ একজন হাটছে।
কেমন যেন অদ্ভুত সুন্দর লাগছে।মনে হচ্ছে কোন সিনেমার শুটিং হচ্ছে আর এখন সুট হচ্ছে নায়িকার এন্ট্রি।
-ঝকঝকে রোদের আলোয় কোন রূপবতী নায়িকা হাটছে।হালকা বাতাসে তার চুলগুলোর নাড়াচড়া তারপরে সুন্দর একটা হাত চুলগুলোকে সুন্দর একটা কানে গুজে দিচ্ছে আর ব্যাকরাউন্ড মিউজিক বাজছে। [→দেখেছিলাম তোমায় আমি।
......আলো ছায়ার খেলায় তুমি
রংধনুর নীলের ছায়া
বন্ধন খুজে ফেরা
ও তুমি কি আমার প্রিয় আভিমান
তোমায় ভেবে যাই,তোমার হয়ে যাই তোমায় খুজে যাই তুমি আছো তাই।]
→আমি অবাক হয়ে দেখছি।মনে হচ্ছে জীবনের সবথেকে সুন্দর কোন দৃশ্য আমার চোখে ভাসছে।অপরূপা যেদিকে হাটছে আমার মাথাও ঠিক সেদিকেই ঘুরছে।
-এখন নিজেকে খুব বড় ধরনের নেশাখোর মনে হচ্ছে।কারন অামি যে এতখন সেই অপরূপার নেশার ঘোড়ে ছিলাম।
সেটা এখন কিছুটা হলেও বুঝতে পারছি।তবে এমনটা অাগে কখনই হয়নি এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
যে অপরূপার জন্য আমি এতখন নেশাগ্রস্থ ছিলাম গাড়ির দরজা থেকে তার অাগমনের দৃশ্য আমার চোখে পড়তেই আমি নেশা থেকে একদম বাইরে।এখন অামার অনুভুতিটা কেমন যেন।অনেকটা বাংলা ছবির মতো লাগছে।
আমি আর সেই অপরূপা এখন একই গাড়ির মধ্যে।আর আমার দৃষ্টি তার দিকে।
-সে কন্টাকটারের সাথে কথা বলছে।তার একটা হাত নাড়িয়ে কন্টাকটারকে কিছু বুঝানোর চেষ্টা করছে।
আর আমি এই সমান্য ব্যপারটা সামান্যভাবে দেখার ব্যার্থ চেষ্টায় অাছি।
-হঠাৎ সে পর্যবেক্ষিকার চোখে গাড়ির ভেতরটায় তাকালো।এদিক সেদিক চোখ বুলিয়ে আমার সিটখানার কাছে এসে তার চাহুনি থেমে গেল।
যখন তার চাহুনি আমার সিটে আমার দিকে এসে থামলো।ঠিক তখনই আমার হৃদপিন্ডে ধড়াসধড়াস,দুমদুম এমন কিছু শব্দ অনুভুত হলো।
-আর এখন সে আমার দিকেই আসছে তার চোখেচোখ পড়তেই আমি একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম।কি করব ভেবে না পেয়ে মোবাইল এর দিকে তাকালাম।দেখলাম গান চলছে তাহসানের 'তুমি আছো তাই' তাহলে এতখন এই গানটাই বাজতেছিলো।আমি কি সত্যি নেশায় ডুবে ছিলাম?আমার কানে গানটা বাজতেছিলো আর আমি তা অাবিষ্কার করলাম এখন।
নিজেই নিজেকে উদ্দেশ্য করে একটা উপহাস মাখা মুচকি হাসি দিলাম।
→হঠাৎ একটা সুমিষ্ট কন্ঠ আমার কানে বাজছে নিজের অজান্তেই আমার চক্ষুদ্বয় বন্ধ হয়ে গেল।সুমিষ্টঘ্রাণ অনুভুত হচ্ছে।চোখে কি কি যেন ভাসছে হঠাৎ কারও হাতের স্পর্শে আমি বাস্তবে ফিরলাম।
<মনে হয় গান শুনতেছিলেন বিরক্ত করার জন্য সরি।[আমি মুগ্ধহয়ে সেই দূরের বালিকাকে কাছে বসে দেখছি]
<এই যে আপনি শুনতে পাচ্ছেন?
[আমি একটু অপ্রস্তুত ভাবে]:হা বলুন!
অনেক চেষ্টা করেও জানালার পাশে একটা সিট পেলাম না অনেক আশা নিয়ে আপনার কাছে এসেছি।প্লীজ যদি কিছু মনে না করেন আমাকে জানালার পাশের সিটটা দিবেন?
এই যে আপনি শুনছেন?
হা না কিছু তো একটা বলেন![আমি হয়তো আবার কল্পনায় চলে গিয়ে ছিলাম তাই প্রথমবার শুনিনি]
আমি কান থেকে হেডফোনটা বের করে একটু ভীতু কন্ঠে বললাম কিছু বলবেন?
<বালিকা এবার একটু বিরক্ত হলেও অনেকটা বিনয়ের সুরে বলল।
-দেখেন জানালার পাশের একটা সিট অনেক চেষ্টা করেও পেলাম না প্লীজ আপনার সিটটা আমাকে দিবেন।
[এটা শুনে মনে মনে বাংলা ছবির জয়ও গান গাইতে লাগলাম।অনেক বেশি খুশি হইলাম কারন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির অাগমন দেখে]
--আমি অনেকটা স্বাভাবিক ভাবেই বললামঃওহ সিওর নো প্রবলেম!
অতঃপর বালিকা শিশির মাখা একখানা হাসি দিয়া আমার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিয়াই ক্ষান্ত হয়নি।তাহার পেছন থেকে দাদার বয়সী এক হেনসেম বৃদ্ধকে সামনে আনিয়া তাহার যাদুমাখা চোখদিয়ে আমাকে আমার অনেক সাধনার সিটখানা থেকে বের হওয়ার জন্য ইশারা করিল।আমি ব্যথিত হৃদয় লইয়া সিট খান ছারিয়া দিয়া বৃদ্ধকে বসার সুযোগ করিয়া দিলাম।এই কর্মযোগ্য চলাকালীন আমার মুখ খানায় প্রবল হাসির উপস্থিতি থাকিলেও ভেতরে আমার অবস্থা খুবই হতাশাময় ছিলো।
→অতঃপর বালিকা আমায় কহিলো।
--আজকাল এমন পরোপকারি মানুষ খুবএকটা দেখাযায় না।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।অাল্লাহ্ অাপনার মঙ্গোল করুক।আপনি আমাকে বাঁচালেন ধন্যবাদ।
আমি যেন এই মাহান বানীর জন্য আমার অনেক সাধনার সিটখানার বিসর্জন দিলাম। অবশেষে দুঃখিতহৃদয় নিয়ে বালিকার চলে যাওয়ার পথপানে চেয়ে রইলাম।
..................(২)...............
→এখন আমি দাদা বাড়িতে অবস্থান করছি।অনেক কষ্টে হতাশামাখা একটা জার্নির সমাপ্তি করলাম।এমনিতেই মেজাজটা টন হয়ে ছিলো।তারমধ্যে সমস্ত জার্নিতে বুইড়ার পানের বীভৎস গন্ধটা আমাকে সহ্য করতে হয়েছে।নেহাতি বৃদ্ধ মানুষ তাই কিছু বলি নাই।
-মাত্র ঘুমথেকে উঠলাম।বাইরে তাকাতেই অাবার সেই ঝকমকে রোদের অালো দেখতে পেলাম।মনে পরে গেল বালিকার সেই শিশির মাখা হাসির কথা।তার সুমিষ্ট কন্ঠের শব্দ।তবে অাজকের সকালটা অসাধারন।
-বিকেলে যখন ছাদে গেলাম তখনই ঘটিলো সম্পর্ক সম্পর্কিত ঘটনা।
বিকেলে যখন আমি ছাদে উপস্তিত হলাম।সাথেসাথে আবার আমার বুকের বামপক্ষ মোচর দিল।কারনটা আবারও এক বালিকার দর্শন।পড়ন্ত বিকেলে খোলা চুলে খালি পায়ে এক বালিকার দর্শন অাহা ভাবালেন তো প্রেমে পড়িলেন।
---বালিকা ছোটছোট দুইটা পিচ্চির সাথে খেলছে।খেলার নাম কানামাছি।একটা পিচ্চির চোখবাধা অন্য পিচ্চি আর বালিকাকে তার ধরতে হবে।কিন্তু সেই পিচ্চি তাদের ধরার যায়গায় অামাকে ধরে ফেলতেই তাদের খেলার সমাপ্তি ঘটিলো।কারন যখন সেই পিচ্চি ভুল করে অামাকে ধরল তখনই সেই বালিকা
--------অাজ থাক অাবার কাল খেলব এটা বলে ছাদ থেকে দ্রুততার সাথে নেমে গেল।
তারপর আর কি করার পিচ্চিদের সাথে অামাকেই খেলতে হচ্ছে।
--- বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নেমে এলো।তখন মনেমনে ভাবছি অাজকের সন্ধ্যাটা অন্য সন্ধ্যাগুলোর থেকে অনেক অালাদা হবে তার একমাত্র কারনটা এই বালিকার দর্শন।
যখন আমি কিভাবে তাকে মনের কথা কহিব এই ফন্দী অাটিতে ব্যস্ত।ঠিক তখনই আমার কক্ষে শ্রদ্ধেয় চাচাত ভাই বাদলের পদধূলি পরিল।আমি দাড়িয়ে তাকে সালাম দিলাম।সে কিছু কুশল বিনিময় যনক কথা বলে তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীলোক মানে আমার ভাবীর সাধে পরিচয় করানোর সিদ্ধান্ত নিলেন।
........................(৩)...............
এখন আমি বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রারত অবস্থায় আছি।কি আর বলিব আমার হতাশাময় জীবনের কথা।হতাশায় টইটুম্বুর জীবন অামার।তা না হলে কি যাকেই ক্রাশ হিসেবে গন্য করি তাকেই হারাতে হয়।
→সেদিন রাতে বাদল ভাই তার বউয়ের সাথে আমাকে পরিচয়ের সিদ্ধান্ত শুনিয়া নিজের মনে খানিকটা সংকোচ এর উপস্তিতি করিলাম।অতঃপর ভাবীর অাগমন পর্বের শুরু।
স্লো মোষোনে পর্দটা সরিয়ে পর্দশীল এক নারীর অাগমন।মনেমনে কহিতে লাগিলাম অাহহ বাদল ভাই কি বউ পাইলো।পর্দাপুষিদা যুক্ত নারী ধন্য তুমি বাদল ভাই।
অবশেষে স্লো মোষনের শেষ হলো।ভাবী আমাকে চায়ের কাপ দিল।বাহবেশ অতিব স্বাদযুক্ত চা।
এরপর বাদল ভাই কহিল রুশি[তার বধুর নাম]
----ও তো আমাদের ছোট ভাইয়ের মত ঘোমটা দিয়ে আছো কেন।
অতঃপর আমি ভাবীর মুখ দেখিলাম সে হেসে অামার সাথে কথা কহিল।মনে মনে সৃষ্টিকর্তার কাছে অনেক প্রশ্ন করিলেও ভাবীর কথা যে মুগ্ধহয়ে শুনছি চেহারায় এমন একটা ভাব নিয়ে বসেছিলাম।
সেই ভাবী আর কেউ ছিলো না ছাদের সেই বালিকাই হইতে হইলো।তারপরে বুকের বামপাশের চিনচিন ব্যাথাটা ম্লান হতে শুরু কিরল।আর ম্লান হলো বেশকিছুদিন গ্রামের বাড়ি থাকার প্রবল ইচ্ছেটা।
.....................(৪)..........
সেদিন ছিলো পহেলা বসন্ত।নিজের অনেক অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বন্ধুদের তীব্র ইচ্ছায় কলেজে যেতেই হলো।আজ বসন্তের অনুষ্ঠান কত মজা কত গান কিন্তু আমান মনের অবস্থার কি বাজে হাল।
হঠাৎ কলেজের প্রথম ক্রাশকে চোখ পরতেই মনে কিছুটা শক্তিবল এল।এবার শুরু তাকে ফলো করা কিসের বন্ধু কিসের কি বালিকাকে ফলো করছি।
আজ সে সবুজ শাড়িতে অাছে কয়েকবার তার চোখেচোখও পরেছে।কিন্তু কোন অাশা ব্যঞ্জক সারা পেলাম না।এবার অনেক সাহসের সঞ্চার করে তাকে মনের কথা ব্যক্ত করার সিদ্ধন্ত নিয়েই ফেললাম।
অতঃপর শাহরুখ খানের মত এদিক ওদিক না তাকিয়ে শুধু বালিকার দিকেই দৃষ্টি রেখে অগ্রসর হতে লাগলাম।হঠাৎ ধাপশ করে এক ধাক্কা আমি মাটিতে লুটিত অবস্থায়।আমি যার সাথে ধাক্কা খেয়েছি তার অবস্থাও ঠিক আমার মতই।
চিরাচরিতভাবে সে অামাকে বলছে।
---চোখ কি অাকাশে দিয়ে হাটেন?
আরও ছোটছোট কটু কথা তার মুখে বাজছে।
অামি নিজেকে নিজে পরিচ্ছন্ন করতে ব্যস্ত।ভাবলাম একটা সরি তো তার প্রাপ্য।তাই তাকে সরি বলার জন্য পেছনে ফিরতেই দেখি হুলুদশাড়ি পরিহিতা কোন পরীবিবি মুখটা রাগিত করে আমাকে বকছে আর আমি মনেহয় আবার বুকের বামপাশে কিছু অনুভব করছি।
[তখন নিজেকে অনেক বেহায়া মনে হয়েছিল কারন যাকে দেখি তাকেই শুধু ভালোলাগে বুকের বামপশটা ভারি হয় এটা সুচরিত্রের লক্ষন নহে।তবে সবই মহান সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা এই লাইনের সহায়তা নিয়ে একটু স্বস্তির নিশ্বাস নিলাম।]
→এই কর্মযোগ্য চলাকালীন আমি যে বালিকার দিকে ভেবাচেকা দিয়ে দাড়িয়ে ছিলাম তা বুঝতে পারলাম।যখন বালিকা বলল:এস্কুইজ মি!
কোথায় আমাকে ফেলে দিলেন তার জন্য সরি বলবেন তা না করে বোকার মত ভেবাচেকা দিয়ে দাড়িয়ে অাছেন।
এটা শোনার পরে অনেকটা অপ্রস্তুত ভাবেই তাকে সরি বললাম।সে একটা ভেঙচি দিয়ে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল।
যখনই আমি তাকে কিছু একটা বলার জন্য ডাক দেয়ার সিদ্ধন্ত নিলাম ঠিক তখনই আমার কাধে কারও স্পর্শ অনুভুত হলো।
আমি পেছনে তাকিয়ে যা দেখলাম তা আমি কখনই কল্পনায়ও ভাবিনি।
আমাকে যে স্পর্শ করল সে তো সেই মেয়েটা।যাকে দেখে আমি মহাক্রেশে পরেছিলাম।যার সুমিষ্ট কন্ঠ আমাকে মুগ্ধ করেছিল।যার চলনে আমি খানিকটা সময় নেশাগ্রস্থ ছিলাম।
---অতঃপর বালিকা তাহার শিশির মাখা একখান হাসি দিয়ে সেদিনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিয়াই ক্ষান্ত হয়নি।সে আমাকে পহেলা বসন্তের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
-পরের দিন ক্যম্পাসে যখন বন্ধুদের সাথে অাড্ডায় ব্যস্ত ঠিক তখনই বালিকার ফোন।
------অাপনার সাথে একটু কথা ছিলো।একটু বকুল তলায় অসেন।
কি আর করার অাড্ডার সমাপ্তি টেনে বকুল তলায় পৌছে দেখলাম বালিকা সেখানে নেই।হঠাৎ ফোনে একটা মেছেজ
-------------আপনার সামনে ইটের নিচে দেখুন।
→আমি ইটের নিচে একটা হলুদ রংঙের চিরকুট পেলাম আর সেখানে লেখা।
........চিরকুটঃঅামি অাপনাকে শুরু থেকেই চিনি।কলেজে পহেলা বৈশাখে আপনি গান গেয়েছিলেন তখন থেকেই একটু একটু পছন্দ করতাম।কিন্তু সেদিন অাপনার পরোপকারি মনোভাব দেখে অারও মুগ্ধহয়েছি।আমার মনেহয় আমি অাপনাকে ভালবাসি।অনেকটা সারাসরি বললাম আপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।
→এখন আমি খুশিতে মাতোয়ারা।যাক অবশেষে ক্রাশময় জীবনের মহাক্রাশেই সমাপ্তি ঘটিলো।
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŽāĻ্āĻāϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§
339
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧝:ā§Ē⧍ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ