āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

335 (3)

গল্পঃ একজন তাসফিয়া
.
লিখাঃ MD Nimul Hasan (Captain Farabee)
.
Al Farabee (Captain Farabee)
.
তৃতীয় এবং শেষ পর্ব
.
সে যাই হোক,
ভালোই চলছিলো আমাদের প্রেম।
এর ভেতর তার স্টাডি শেষ।
রূপালি ব্যাংকে জবও পেয়ে গেলো সে।
পরিবার থেকে দুবছর ধরে বিয়ের জন্য পীড়াপীড়ি করছে তাসফিয়ার।
বাট এতোদিন স্টাডির কথা বলে দমিয়ে রেখেছে সে।
এখন কি বলবে সে?
কি বলে আর দমিয়ে রাখবে পরিবারের লোকদের?
স্টাডি শেষ, ব্যাংকে জব করে।
তাছাড়া সে একটা মেয়ে,
বয়সেরও একটা ব্যাপার বলে কথা আছে আমাদের প্রচলিত সমাজে।
এদিকে আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা।
আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে ডাক্তার মেয়ে ছাড়া বিয়ে করাবেনা।
মাঝে মাঝে আমার নিজেকে নিজের কাছে বড় বেশী দুর্বল মনে হয় তাসফিয়ার তুলনায়।
একটা মেয়ে হয়ে সে তার বিয়েটা দুবছর অবধি আটকিয়ে রাখলো,
আর আমি ছেলে হয়ে আজও আমার পরিবারে তাসফিয়ার কথাটা বলতে পারলাম না।
মা বাবা আমাকে বিয়ে সংক্রান্ত কিছু বলেও না,
যে তাদের কথার প্রেক্ষাপট এ তাসফিয়ার কথা বলবো।
তাই তাসফিয়া কে ইদানীং এড়িয়ে যাচ্ছি।
মেয়েটার ভালোবাসার গভীরতা দেখে আমি সত্যিই অবাক হই।
এতো ভালোবাসা কিভাবে বাসতে পারে একজন আরেকজনকে?
এতো নিখাঁদ, এতো পবিত্রতা নিয়ে?!
আমার তাসফিয়া হারানোর সাহস নেই,
আবার পরিবারের কাছে তাকে নিয়ে মুখ খোলার দুঃসাহসও নেই।
বড় বেশী অসহায় বোধ করি আমি।
এতো প্রেম, এতো মায়া,এতো ভালোবাসা কোথাও যেনো আটকে আছে,
কোনো এক মায়াবলে আচ্ছন্ন আমি!
না পারছি ছাড়তে না পারছি ধরতে।
.
যখন খুব বেশী কষ্ট হয় এই ব্যাপারটা নিয়ে,
তখন চুপি চুপি ছাদে যাই।
একটার পর একটা সিগারেট জ্বালিয়ে ভস্ম করি নিজের অনুভূতিটা।
কিন্ত কলিজা পুড়ে যায়,
সিগারেটের ধোঁয়ার আড়ালে হারিয়ে যাই কলিজা পোড়া ধোয়া!
ফিল্টার আর নাকোটিন পোড়া গন্ধে পুরো ছাদ ভারী হয়,
সে ভারী ধমকা গন্ধে কলিজা পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়না ঠিক,
তবে চোখের কোনে হাত দিলে যে জলটা পাওয়া যায়,
তাতে জ্বলসে যাওয়া হৃদয়টা ঠিকই ভেসে ওঠে।
হঠাৎ করেই মনে হয়,
আজ তো জোৎস্না রাত।
আমি চোখ মুছে চারপাশে তাকাই!
ও মা গো!
চাঁদের আলো ঠিকরে পড়ছে যেনো!
জোৎস্না যেনো আজ আছড়ে পড়ছে অরন্যে মাথা উঁচিয়ে রাখা শিমুল, কড়ই,কদমের মাথায়।
জোৎস্না আজ ছুঁয়ে দিচ্ছে আমের মুকুল, নাম না জানা ফুল আর নদীর কাকচক্ষু জলকে।
এমন প্রবল জোৎস্নায় হয়তো সবাই বনে যায়।
পাখিদের ডানা ঝাপটানোর শব্দও শুনছি।
সে সাথে কিচির মিচির ডাক।
অরণ্যের ভেতর হঠাৎ একদল শেয়াল গলা ছেড়ে চিৎকার দেয়।
যেনো ঠিক বিষমাখা বাঁশির করুন সুর।
একেবারে হৃদয় বিদীর্ণ করা!
পশুপাখিও কি আজকাল জোৎস্না বিলাস করে?
কি জানি!
হয়তো করে নয়তো নাহ্!
হালকা বাতাস বইছে,
গায়ের চাদরটা আরেকটু জড়িয়ে নিলাম।
কিন্ত বারবার খসে পড়ছে চাদরটা।
আজকাল সবাই পর হয়ে যাচ্ছে,
যত আপন আর নিবিড়ভাবে জড়াতে চাইনা কেনো!
মায়ার বাঁধন ছিন্ন হচ্ছেই।
অসময়!
বড্ড অসময় এখন!!
তাসফিয়া!!!
বড় বেশী অসময় এনে দিলি।
সকল অসময়ের বিরুদ্ধে,
তাসফিয়া তুই এমন কেনো?
একটু ঠিক কেমন যেন-
অভিমানে ভাসালি পৃথিবী আমার,
ব্যাপারটা কি যেন তেন!
নিছক বসে জোৎস্না দেখি,
রাফ কাগজে গল্প লিখি।
নিকষ কালো আকাশ জুড়ে,
জোৎস্না রাতের পাকি উড়ে।
হঠাৎ দেখি আঁধার আলোয়-
জোৎস্না রুপি!
তাসফিয়া ঠিক তুমিই যেনো।
কাব্য লিখি আর কাটি।
লিখার মাঝে তোমার শূন্যতা টের পাই।
বড় বেশী শূন্য আমি!
এত্তবড় এত্তগুলা শূন্য!
ছাদ হতে নেমে এলাম,
ঘুম দরকার একটা!
লম্বা প্রশান্তিকর ঘুম!
.
সকালে ফোনের শব্দে ঘুম ভাঙ্গল।
স্ক্রীনে তাকাতেই দেখি তাসফিয়ার কল।
কি আর করা,
রিসিভ করলাম।
.
---- কই তুমি? (তাসফিয়া)
---- রুমে (আমি)
---- কি করো?
---- ঘুমাই,
---- আর কত?
---- জানিনা!
---- উঠে ফ্রেশ হও,
---- ওকে, বাই।
---- ওইইইই.....
---- বলো,
---- ফোন রাখতে বলেছি?
---- না।
---- তাহলে বাই বলো কেনো?
---- কি বলবে বলো।
---- আমি শ্যামলীতে আছি,
---- তো?
---- নাস্তা করে দ্রুত আসো।
---- শরীর খারাপ আমার।
---- পুরোনো নিউজ।
---- হুঁ,
---- হুঁ কি?
যা বলছি দ্রুত করো।
---- ওকে।
---- লাভিউ ফারাবী,
---- হুঁ,
---- আবার হুঁ?!
---- হুঁ, বাই।
---- ওকে, দ্রুত আসো।
বাইইইই............
.
ফ্রেশ হয়ে ডাইনিংয়ে গেলাম।
আরেহ্ বাহ্,
আজ তো দেখছি ডাইনিং এ খাবারের গড়াগড়ি!
ছোটো ভাই বোন দুটো ইচ্ছা মতো গিলছে।
আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি।
কাহিনী কি?
আজ কোনো গেস্ট আসবে নাকি?
সব আত্মীয়রা তো সবসময় বাসায় সিরিয়াল দিয়েই রাখে,
নতুন কেউ এলো নাকি?
কিন্ত কাউকে তো দেখছি না!
মা কে ডাকলাম!
নো রেসপন্স!
ভাই বোন দুটোও কোনো তোয়াক্কা করছে না।
কি আর করা,
নিজের হাতে রুটি আর হালুয়া খেয়ে ডাইনিং ছাড়লাম।
রুমে এসে পাঞ্জাবি পড়ে বাইক নিয়ে বেরুবো,
এমন সময় মা এসে হাজির।
পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে বললো,
সাথে রাখ।
কাজে লাগতে পারে।
বিপদ আপদের কথা তো বলা যায় না।
আমি হাঁ করে আছি!
স্বপ্ন দেখছি না তো!
যেখানে প্রতিদিন পাই একহাজার সেখানে আজ পাঁচ হাজার!
তাও না চাইতেই!
কি হচ্ছে কি এসব?
কিছু বুঝতে পারছি না।
যাই হোক,
বাইক টেনে চলে এলাম শ্যামলী।
.
বাহ্,
নীল শাড়ি তে তো তাসফিয়াকে নীলপরী মনে হচ্ছে!
কি এক আমোঘ মায়ায় বিমোহিত হয়ে পড়লাম আমি!
আমি একবার দেখি বারবার পড়ি তার প্রেমে।
আমি বাইক থেকে নেমেই তাসফিয়ার সামনে দাড়ালাম।
নিজের মুগ্ধতা যথাসম্ভব আড়াল করে বললাম,
.
---- হঠাৎ জরুরী তলব যে? (আমি)
---- জরুরী কথা আছে,
তাই জরুরী তলব!(তাসফিয়া)
---- কি বলবে তাড়াতাড়ি বলো।
---- কেনো?
তাড়া আছে?
---- না, হ্যাঁ আছে তো!
---- হইছে,চাপা মারতে হবে না আর!
---- আমি চাপা মারি?
---- হুম,তোমার ধানমন্ডি ৩২ এ আড্ডা দেয়া ছাড়া আর কি কাজ শুনি?
---- কেনো?
আমার বিজন্যাস কি তুমি দেখো?
---- কচু দেখো তুমি!
সব তো আংকেল দেখে।
---- তুমি আমাকে পরোক্ষ ভাবে আকাইম্মা প্রমান করতে চাইছো?
---- বাহ্, চমৎকার!
---- কি চমৎকার?
---- তোমার বুদ্ধী!
এতো ভালো বুদ্ধী থাকতেও এতো অলস কেনো?
---- বাদ দেবা প্যাঁচাল?
---- আমি প্যাঁচাই?
---- না না,তা কেনো?
---- তাহলে?
---- বাদ দাও,কি কারনে ডাকলে?
---- আজ আমি ছেলে দেখতে যাবো।
---- হুর,কি কও?
---- সত্যিই আমি ছেলে দেখতে যাবো বাবা সহ।
---- হা হা হা,
---- হাঁসছো যে?
---- মেয়েরা ছেলে দেখতে যায় না ছেলেরা মেয়ে দেখতে যায়?
---- শুনো, আমরা মেয়েরা এখন এগিয়ে আছি।
হুঁহ্........
---- তাসফিয়া,,,,,,,
---- বলো,
---- কষ্ট হবে না আমাকে রেখে অন্য কাউকে বিয়ে করতে?
---- না,
---- সত্যি তো?
---- হুম।
---- এই তোমার ভালোবাসা?
---- আমি আকাইম্মা কাউকে বিয়ে করবো না।
---- আমি তোমার জন্য সব করবো,তবুও আমাকে ছেড়ে যেও না।
---- কি করতে পারবে শুনি?
---- যা বলবে তাই।
---- শিওর ?
---- হুম,১১০% শিওর।
---- তোমার ফোনটা বের করো।
---- করলাম,
---- আংকেলকে কল করো।
---- টাকা আছে তো পকেটে আমার।
---- ওই,আমি টাকার কথা বলেছি?
---- তো?
---- ফোন দিয়ে বলো,
তুমি আমাকে আজকে বিয়ে করবে।
---- মশকরা করো?
---- তুমি কি আমার দুলাভাই লাগো?
---- না,
---- তাহলে মশকরা করবো কেনো?
---- না, মানে তাই বলে বাবাকে কল করে একথা বলবো?
---- অফকোর্স বলবা।
---- পারতাম না।
---- আমি গেলাম।
---- কই যাও?
---- ছেলে দেখতে।
---- আমাকে আজকের দিন সময় দাও।
---- না, চার বছর প্রেম করার পরেও সময়?
---- একদিনই তো সময় চাইলাম।
---- না,থাকো তুমি তোমার সময় নিয়ে, আমি গেলাম।
---- তাসফিয়া...........
.
তাসফিয়া চলে গেলো,
একটি বার পেছনেও তাকালো না।
অথচ সে যদি একবার পেছন ফিরতো,
তাহলে দেখতে পেতো,
কত আশা আর ভালোবাসা নিয়ে আমি তার পানে তাকিয়ে ছিলাম।
কিন্ত সে দেখেনি আমার চোখের পানে।
কি আর করা!
বাসায় চলে এলাম।
রুমের দরজা লক করে বসে পড়লাম।
সিগারেটের পর সিগারেট জ্বালাচ্ছি রুমে বসেই।
হিতাহিত জ্ঞান লোপ পাচ্ছে ক্রমশ।
কি করবো বুঝতেছি না।
খুব একটা নীরব হয়ে গেলাম।
কেনো যে মনে এতো চাপা কষ্ট কাজ করছে!
কিসের এতো কষ্ট আমার?
কি এক অদ্ভূত স্বপ্ন বাসা বেঁধেছিলো হৃদয়ে আমার?
যা পূর্ন হবার আগেই ভেস্তে গেলো।
এ কষ্টটা হয়তো থেকেই যাবে।
সারাক্ষণ  মনে পড়ছে তাসফিয়ার কথা!
কষ্টটাও শুধু শুধু তাড়া করে বেড়ায় আমাকে।
নিদারুন কষ্ট হয়তো কাউকে বলে বোঝানো যায় না,
তবে হৃদয় যে সত্যিই পুঁড়ে ছাই।
চিৎকার করা যায় না সত্য,
তবে চোখে যে জলের ধারা বয়!
আমার দুচোখ আজ জলে জলারণ্য!
আজকের দিনে আমি বড় নিঃস্বঃ শূন্য!
অদ্ভূত এক শূন্য আমি!
বিশাল এক ফাঁকা বৃত্ত!
বিশাল............!
.
সন্ধ্যার সময় মা এসে দরজা নক করছে।
দরজা খুললাম,
মা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন।
আমার গালে চোখের জলের দাগ।
চেহারা বিধ্বস্ত!
মা কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকার পর আমার ডান হাতটা ধরলেন।
আমি নীরব!
মা আমার হাত ধরে আমার ড্রয়িংরুম এ নিয়ে এলেন।
আমি বাধ্য ছেলের মতো চলে এলাম।
আসলে কোনো বোধশক্তি পাচ্ছিনা!
তাসফিয়া ছাড়া আমি যে অচল,সেটা আজ আমি টের পাচ্ছি।
ড্রয়িংরুম এ এসে চমকে উঠলাম।
সোফাতে তাসফিয়ার বাবা আর আমার বাবা বসে বসে খোশ গল্প করছে।
তাসফিয়ার গুন্ডা টাইপ ভাইটা ভেজা বেড়াল হয়ে আমার ছোটো ভাইয়ের সাথে কথা বলছে।
আর তাসফিয়া!
বাহ্,উনি তো আমার বোনের হাতে মেহেদী পরাচ্ছেন!
আমার বোনের এই এক দোষ!
যেই আসবে বাসায়,তাকে মেহেদী পরিয়ে দিতেই হবে।
সব কিছু যে এতটা চমকপ্রদ তা টের পাইনি।
আমি এখনো ঘোরের ভেতর।
তাসফিয়ার পরিবার আমার বাড়াতে,
তাও এত্তো ইজি চালচলন!
এবার বুঝলাম,
সকালের এতো আয়োজন,
মায়ের আদর করে পকেটে পাঁচ হাজার গুঁজে দেয়া,
তাসফিয়ার ভাব,
ছেলে দেখতে যাওয়া!
হুঁহ্, ভাব কি সে একাই দেখাতে পারে?
আমিও পারি।
আমি মাঢের দিকে তাকিয়ে বললাম,
"মা,আমি অফিসে যাচ্ছি"
মা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,
"চাঁদ কি খসে পড়লো নাকি? সন্ধ্যা বেলায় কিসের অফিস?"
সবাই হেঁসে উঠলো!
হুর!
ভাব মারতে গিয়ে জোকার হলাম।
তবুও কি আর করা ,
কিছু তো একটা সাঁজা দিতেই হবে তাসফিয়া কে।
আমা মাকে বললাম,
"এখানে আনলে কেনো মা?"
মা বললেন,তাসফিয়ার বাবা তোদের বিয়ের কথা বলতে এসেছে।"
আমি বললাম,"আমার তো বয়স হয়নি বিয়ের, বয়স হলে করবো"
মা বললো,"২৯ চলছে তোর,আর কত?"
আমি তাসফিয়ার দিকে হাত তুলে বললাম,"এটা কি পাত্রী নাকি?"
মা বললেন,"ঢং দেখাও? চেনো না মনে হয়?কাঁদতে কাঁদতে তো চোখ ফুলিয়ে ফেলেছো! আর ঢং করতে হবে না।সামনের মাসের ২৫ তারিখ তোমাদের বিয়ে।"
আমি বললাম,"হুর,বললেই হলো?"
বাবা বললেন,"হলো মানে? মনে করো হয়ে গেছে।তাসফিয়া কে বৌমা হিসেবে আমার পারফেক্ট মনে হয়েছে।তাছাড়া তোমার মতো আকাইম্মার এর চে ভালো কিছু জুটবে না।"
আমি কিছু না বলে আমার রুমে চলে এলাম।
সেখানে দাড়িয়ে থাকতে একটুও ভালো লাগছে না।
এ যে চূড়ান্ত মাত্রার অপমান!
রুমে এসে বসে পড়লাম।
.
হঠাৎ করে রুমে তাসফিয়ার প্রবেশ।
রুমে ঢুকেই দরজা লক করে দিলো।
আমি বললাম,
.
---- একদম ভালো হবে না কিন্ত। (আমি)
---- খারাপটাই হবে তাহলে।(তাসফিয়া)
---- দেখো,আমাকে তুমি নির্যাতন করতে পারো না।
---- নির্যাতন এর দেখেছো কি?
---- সাবধান, এক পাও সামনে এগুবে না।
---- এগুলে কি হবে?
---- আমি চিৎকার করতে বাধ্য হবো।
---- ওকে, এই যে এগুলাম।
---- না,পেছনে সরো।
---- সরবো না, এই হাগ করলাম।
---- ছাড়ো,তা না হলে সত্যি চিৎকার করবো।
---- ছাড়বো না, করো চিৎকার।
---- আই লাভ ইউ তাসফিয়া (যত শক্তি ছিলো,সবটা দিয়ে চিৎকার করে বললাম)
---- পাগল নাকি?
---- হুম,তোমার জন্য।
---- পুরো ধানমন্ডি এলাকার লোকেরা শুনেছে তোমার চিৎকার।
---- হি হি হি,
---- হাঁসবে না একদম।
ছাড়ো,নীচে যাবো।
---- না,
---- বাসায় যেতে হবে তো।
---- ওকে,
---- লাভিউ ফারাবী।
---- লাভিউ আরো বেশী।
---- বাই,
---- হুম,বাই.........
.
তাসফিয়া আর তার পরিবারের সদস্যরা চলে গেলো।
কেমন যেনো খালি খালি লাগছে।
যতটা পেয়েছি তার'চে বেশী,
গভীরে হৃদয়ে আমার সব তুমিময়।
কত স্রোত ভেঙ্গেছি বাসতে ভালো তোমাকে,
আবারও সেই তোমাতে পেয়েছি আশ্রয়।
জানালার বাইরে স্নিগ্ধ চাঁদের আলো,
হালকা কুয়াশাভেজা এক চিলতে হাঁসি।
রাতের আকাশে আঁকিবুকি কাটা মেঘ,
পরিস্মিত দখিনা হাওয়ার আনাগোনা।
কম্পনে ভরা তার সিক্ত শরীর,
জোৎস্নাজ্বল আরেকটা বিচ্ছিন্ন রাত।
সর্ষে ফুলের হলদে রঙটা আজও চোখে ভাসে,
দেয়াল ঘড়িটা আজ বড্ড অলস।
তবুও সময়ের নদী বয়ে যাবে নিজের মতো,
আরেকটা মনকাড়া রাতের আগমন।
লালচে রঙ্গের তার দেয়া ডায়েরীটা আজো ফাঁকা,
কাজলকালো চোখের পাশটা যেনো চকচকে,
মনে পড়ছে এই বসন্তে তার স্নিগ্ধ পবিত্র অভিমানী মুখটা।
আমি শুয়ে পড়ি বিছানার উপর,
অজান্তেই হেঁসে উঠি বাচ্চাদের মতো করে।
গুটি সুটি খাওয়া আমার কোলবালিশটা কে,
আজ এই নেশাময় রাতে মনে হচ্ছে-
একজন তাসফিয়া!
সত্যিই একজন তাসফিয়া।
.
গল্পঃ একজন তাসফিয়া
.
৩ য় এবং শেষ পর্ব
.
লিখাঃ MD Nimul Hasan (Captain Farabee)
.
Al Farabee (Captain Farabee)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ