āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

335 (2)

গল্পঃ একজন তাসফিয়া
.
পার্টঃ 2
.
লিখাঃ MD Nimul Hasan (Captain Farabee)
.
তাসফিয়ার সাথে আমার পরিচয় কোনো একটা শপিং মলে।
আমার মানিব্যাগ যথাসম্ভব কেনো এক পাক্কা পকেটমার ঝেড়ে দিয়েছিলো।
সে যাই হোক,একটা প্রসাধনী দোকান হতে পারফিউম কিনে দাম পরিশোধ করতে যাবার সময় পকেটে হাত দিয়ে দেখি মানিব্যাগ নেই।
পকেট দত্তদের বাড়ির তালপুকুরের মতই শূন্য!
লজ্জায় অপমানে মুখ লাল হয়ে গেলো আমার,
ক্রমাগত ঘামতে লাগলাম।
তাসফিয়া হয়তো আশে পাশেই ছিলো,
আমাকে দেখেছিলো।
হঠাৎ করেই কাঁধে কারো স্পর্শ অনুভব করলাম।
চমকে উঠেই পেছনে তাকালাম,
দেখি নিত্যান্ত এক অপরিচিতা আমার কাঁধে হাত রেখে সহাস্যমুখে তাকিয়ে আছেন।
মেয়েটি আহামরি সুন্দরী না,
তবে তার চোখে অগাধ মায়া ছিলো।
ক্ষনিকের জন্য ভূলে গিয়েছিলাম,
আমার মানিব্যাগ নেই আর এখন পারফিউমের দাম পরিশোধ করতে হবে।
চেতনা ফিরলো তাসফিয়ার কথায়।
.
---- কি রে দোস্ত, কেমন আছিস? (তাসফিয়া,যদিও সে তখন অপরিচিতা ছিলো)
---- এহেম এহেম,,,,,,,,,(আমি অবাক)
---- কি রে, কাঁশি দিচ্ছিস কেনো?
---- না, কিছু না।
---- দেখি, কি কিনলি?
ওহ্, পারফিউম?
---- হুম,
---- দোস্ত,তোর পারফিউমের দামটা আজ আমি দেবো।
---- কেনো?
---- আরে এতো পর পর ভাবিস কেনো?
দেবো মানে দেবো।
---- ওকে দে,,,,,,, (এতক্ষনে বুঝলাম ব্যাপারটা)
---- এই তো, গুলুগুলু দোস্ত।
.
পারফিউমের বিল দেয়া শেষে মেয়েটি শপিং মল থেকে বেরুলো।
পেছন পেছন আমিও।
কিছু বুঝতেছিনা,
মেয়েটিকে আমি কখনো দেখিনি,
জানিনা, চিনিনা।
এমনকি মেয়য়েটার নামটাও পর্যন্ত জানিনা!
তবে মেয়েটি বুঝেছিলো আমি বিপদে আছি,
একজন অপরিচিত মানুষের উপকার করাটা এখনকার দিনে খুবই রেয়ার।
তবুও কেনো মেয়েটা আমার উপকার করলো?
কিছু ঢুকছেনা মাথায়!
মেয়েটা কি আমাকে চেনে?
নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?
হুর, কি এমন উদ্দেশ্য থাকবে?!
এসব ভাবছি আর মাথাটা জট পাকাচ্ছে।
উফ্স, কি হতে চলছে আমার সাথে?!
.
---- কফি খাবেন? (তাসফিয়া)
---- না (আমি)
---- কেনো?
---- আমি তো আপনাকে চিনিনা।
---- আমি তো চিনি আপনাকে।
---- মানে?
---- মানে হলো আমি তো চিনি আপনাকে।
---- আপনি আমাকে কিভাবে চেনেন?
---- আসুন না,কফি খেতে খেতে বলি।
---- হুম।
.
কফিশপে ঢুকলাম।
আরেহ্ বাহ্,,,,,,,,,
এটা কফিশপ না প্রেম পল্লী?
প্রতিটা টেবিলে কপোত কপোতীরা ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে আছে।
কারো কারো বডি ল্যাঙ্গুয়েজ তো খুব আপত্তিকর!
এসব দেখে তো আমার চোখ ছানাবড়া!
কিছু বুঝে উঠার আগেই হ্যাঁচকা টান দিলো কেউ আমার হাতে।
টাল সামলাতে না পেরে চেয়ারে গিয়ে পড়লাম।
আর ফকিন্নি চেয়ার আমার টাল সামলাতে না পেরে আরো দূরে ছিটকে গেলো।
ব্যাস,আমার আর কি?
পতিত হলাম কফিশপের ফ্লোরে।
পুরো কফিশপে হাঁসির রোল উঠলো।
তাসফিয়া আমাকে উঠে বসালো।
লজ্জায় আমি শেষ।
.
---- এমনটা না করলেও পারতেন?(আমি)
---- সরি গো। (তাসফিয়া)
---- ইটস ওকে।
---- কি খাবে?
---- কিছুনা।
---- এমন করছো কেনো?
---- এম্নি।
---- এই দেখো,সবাই কতটা প্রেম নিয়ে বসে আছে।
আর তুমি এতটা কঠোর কেনো?
---- এই মেয়ে, আমি কি প্রেমের দোকান খুলেছি?
---- প্রেমের দোকান খুলবে কেনো?
---- তাহলে আমাকে যেতে দাও।
---- যদি না দেই?
---- আমার পা আছে,হেঁটে চলে যাবো।
---- ফারা......
---- এই, কে তুমি? (আমি পুরো অবাক, কেননা এ নামে শুধু একজনই ডাকে আমাকে। আর সেটা হলো আমার একটা ফেসবুক ফ্রেন্ড, "মায়া বন বিহারিণী")
---- আমি তাসফিয়া, কেনো?
---- না, এম্নি।
---- না, বলো।
---- আসলে তোমার চোখগুলি আমার একটা ফেবু দোস্তের চোখের মতো।
---- তাই নাকি?
---- হুম।
---- কি নাম তোমার ফেবু দোস্তের?
---- "মায়া বন বিহারিণী"
---- এইটা কোনো নাম হলো?
---- চুপ,
---- ধমকাও কেনো?
আমি তোমার বউ না প্রেমিকা।
---- হুর, আমি গেলাম।
---- আমার দুহাজার আটশ টাকা দিয়ে যাও।
---- কিসের টাকা?
---- ও মা!
একটু আগে যে পারফিউমের বিল দিলাম!
---- আমি বলছি দিতে?
---- ওই শালা,দিবি কিনা বল?
---- লাগলো না তোর পারফিউম,
হুর।
---- আরে যাহ্ যাহ্,
---- হুঁহ্,গেলাম।
.
আর কিছু না বলেই কফিশপ থেকে বেরিয়ে এলাম।
ইশ্,ব্যাবহারের কি শ্রী!
ইয়াক্, জঘন্য!!
মিজাজটাই বিগড়ে গেলো।
কি করবো?
বাসায় তো যেতে হবে।
রিক্সা ডাকতে হবে?
"এই মামা যাবা?"
বলেই একটা রিক্সায় উঠে পড়লাম।
বাসায় এসে রিক্সা ভাড়া দিয়ে বাথরুমে গেলাম।
লম্বা গোসল দিতে হবে।
সারাদিনের রাগ,ক্ষোভ,লজ্জা মাথায় উঠে আছে।
কোথা থেকে যে আসে এসব!
তবে যাই হোক,
মেয়েটার চোখ গুলো সেইরাম!
বড় বড় চোখে তার,
মায়ার বসবাস।
প্রথম দেখেই খেয়ে গেলাম,
পুরোপুরি ক্রাশ।
হৃদয়ে আনমনে হয়ে গেলো,
ভালোবাসা চাষ,
কফিশপে বুঝে গেছি এটা,
মাইয়া না, আঁচোলা বাঁশ।
.
গোসল শেষে বেরিয়ে খাবার খেয়ে বিছানায়।
ফেসবুকে ঢুকে লগইন করলাম।
বাহ্,"মায়া বন বিহারিণী" আইডি থেকে ৬৮ টা টেক্সট।
টেক্সটের ধরন দেখে মাথা বিগড়ে গেলো।
আরে, প্রতিটা টেক্সটেই আমার আজকের কফিশপের পিকগুলো!
ক্যামনে পসিবল?
ছবি তুললো কে?
আমি টেক্সট করলাম আবার,
.
---- হাই........(আমি)
---- হ্যাঁ, বলো। (মায়া বন বিহারিণী)
---- পিক গুলো কই পাইছো?
---- কেনো?
---- আরে, বলো না।
---- আমার একটা ফ্রেন্ড তুলেছে।
---- কে সে?
---- জানা কি খুব দরকার?
---- হুম।
---- না থাক,বলবো না।
---- ওই মেয়ে,বলবা নাকি আইডি চাঁন্দে পাঠামু?
---- ডরাই না তোমার ধমক!
হুঁহ্,একটা পারফিউমের টাকা নাই আবার ধমক!
---- এই, কে তুমি?
তাসফিয়া......?!
---- না,তোমার নানী।
---- চুপ,বলো কে তুমি?
---- আমি সে,যে আজ তোমাকে নাকানিচুবানি খাইয়েছি।
---- তবে রে, কেনো এমন করলা?
---- কেমন গো?
---- আমার কোমরটা এখনো ব্যাথা করছে।
---- ওলে ওলে বাবুতা আমাল!
---- রাখ তোর বাবু,খেঁতা পুড়ি।
---- ওই,ব্যাবহার ঠিক কর।
থাপড়াই দাঁত ফেলাই দিমু।
---- কি? এত্তবড় সাহস?
---- সাহস না থাকলে কি আর তোমার কোমর ভাঙ্গি?
---- হুঁহ্,এক মাঘে শীত যায় না।
বাই..........
---- বাই বাবু।
---- হুর........
.
লগ আউট করে বেরিয়ে গেলাম সেদিনের মতো।
তবে পরদিন থেকে বেশ জসিয়ে চ্যাটিং।
তবে সত্যি বলতে কি?
আমি ওর চোখের প্রেমে পড়েছি।
আইডিতে ওর পিক থাকতো,শুধু চোখের।
আমি বারবার দেখতাম তার চোখগুলো।
যাই হোক,এদিকে কিন্ত চ্যাটিং চলছে।
ফোন নাম্বার দেয়া নেয়া।
রাত জেগে কথা বলা চলছে।
একসময় দুজনই দুজনের প্রেমে পড়লাম।
সপ্তাহে একবার মিট হয়,বেশ ভালোই কাটে দিনটা।
আমি প্রতি সপ্তাহে একটা বৃহঃ বারের জন্য প্রহর গুনি।
ওর বাবা একজন ব্যাবসায়ী,মা প্রফেসর।
কড়া নজরদারি চলে তার উপর।
একমাত্র মেয়ে বলে কথা!
তার উপর যেই একখান ভাই আছে তার,
মাশা আল্লাহ্........!
গুন্ডা দ্যা হিস্টোরি টাইপ!!
আমি মাঝে মাঝে ভাবি,
যে পা নিয়ে বৃহঃ বার মিট করতে যাই তাসফিয়ার সাথে,
সে পা নিয়ে আসতে পারবো তো?!
সত্যি কথা বলতে কি?
আমি যতবার না তাসফিয়ার দিকে তাকাই,
তার চেয়ে বেশী চারপাশে তাকাই।
যতবার না বলি "লাভিউ তাসফিয়া"
তার চে বেশী পড়ি "লা ইলাহা ইল্লা আঁনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ জ্বোয়ালিমিন"
সবসময় মনের ভেতর ভয়,
কখন জানি তাসফিয়ার গুন্ডা টাইপ ভাইটা এসে লাঠি দিয়ে আমার ঠ্যাং ভাঙ্গে!
এই বুঝি এলো রে,
ঠ্যাং বুঝি গেলো রে।
হাতে লাঠি চোখে রাগ,
মানুষ নাকি হিংস্র বাঘ!
দয়া মায়া নাই রে,
দম আমার গেলো রে।
.
গল্পঃ একজন তাসফিয়া
.
পার্টঃ 2
.
লিখাঃ MD Nimul Hasan (Captain Farabee)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ