āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

334

-- হ্যালো। ( অপরিচিত )
-- আসসালামু আলাইকুম। কে বলছেন? ( আমি )
-- ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বাবা তুমি আমাকে
চিনবে না।
-- জ্বী! আংকেল। কোন সমস্যা? আই মিন আমি কি
কোন হেল্প করতে পারি?
-- হ্যা।
-- বলেন। কি সাহায্য করতে পারি?
-- তুমি কি একটু আমার সাথে দেখা করতে পারবে?
-- পারব কিন্তু এখন নয়। সন্ধ্যায়। ঠিকানা দেন।
.
ঠিকানা অনুযায়ী চলে গেলাম। আমি ফোন দিয়ে
জিজ্ঞেস করতেই উনি বললেন, বিরিয়ানি হাউজের
দো তলায় চলে আস। একটা টেবিলে যে লোক একাই
বসে আছে সেই টেবিলে বসবে। ওকে?
.
আমি একটু একটু ভয় পাচ্ছিলাম। হাইজাকার নয়তো
আবার? আরে নাহ! এসব কি ভাবি! হাইজাকার হলে
লোক সমাগমে ডাকবে কেন? আবার চিন্তা করলাম।
হয়তো কোন দালাল টালাল। খাইয়ে দাইয়ে ওদের
হাতে তুলে দেবে। আমি তো কোন বড়লোকের ছোট
ছেলে নই। আমাকে বন্ধুক তাক করে ভয় দেখিয়ে
বাবার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে
নিবে। আমি কি ছোট শিশু নাকি ভয় দেখালেই
প্যান্ট নষ্ট করে ফেলব? আমি বড় হয়ে গেছি।
ভার্সিটি তে পড়ি। অবশ্য খেলনা বন্ধুক যেগুলো
দেখতে আসল বন্ধুকের মতই সেগুলো দেখলেই হাটুর
নিচে ভূমিকম্প শুরু হয়ে যায়। শরমের কথা আপনাদের
না বলাই ভাল। অন্তত ইজ্জত টুকু তো রইল।
হে হে হে এসব ভাবতে ভাবতে একপা এগুই দুই পা
পিছাই। এভাবে সিড়ি ভাংতে ভাংতে দুতলায় উঠে
গেলাম। রেস্টুরেন্ট এ উকি দিলাম। না ওইরকম
ভয়ংকর টাইপের তো কাউকেই দেখছি না। একটু বয়স্ক
টাইপের একজন আংকেল টেবিলে বসে আছেন।
অন্যদের সাথে গল্প করতেছেন।
আমি এই ফাঁকে ভিতরে না ঢুকে বেসিনে গিয়ে
ফ্রেশ হলাম। যাতে ভয়ের বা ক্লান্তির কিছুই না
বুঝা যায়।
ভিতরে গিয়ে বসলাম।
আমিই কথা বললাম
-- আপনি কি কারো আসার অপেক্ষা করতেছেন?
-- তুমি কি সেই যাকে ফোনে আসতে বলেছি?
-- হ্যা।
উনি ওয়েটার কে ডেকে কিছু খানার ব্যবস্থা
করলেন। পরে আবার কথা বলতে লাগলেন।
-- নাম কি তোমার?
-- ইসমাইল হোসেন।
-- কি কর?
-- বেকার।
-- সেটা বলি নি।
-- ওহহহ। অনার্সে অধ্যয়নরত।
-- বিবাহিত?
-- না। বেকার ছেলের কাছে..........।
-- চল এবার উঠি।
.
এই বলেই একটা কার্ড এগিয়ে দিলেন। দেখে বুঝলাম
বাসার ঠিকানা। ওয়াও মানুষ কত দরদী হয়ে গেছে।
আমার পকেট খালি যাচ্ছে। সেটাও মানুষ বুঝে
আমাকে কল দিয়ে রেস্টুরেন্টে এনে খাওয়ায়। এটা
ভেবে নিজেকে অনেক গর্ভবতী থুক্কু গর্ভবতী তো
মেয়েরা হয় আমি হব কেন!! গর্ববতী মনে করলাম।
বুকে একটু দম আসল। নিজেকে এখন অনেক
সেলিব্রিটি মনে হচ্ছে।
কথায় আছে না সুচিন্তা আর দু:শ্চিন্তা হাত ধরে
চলে। এবার দু:শ্চিন্তা এসে ভর করল।
এই দুইচারটি কথা বলার জন্যই কি ডেকেছিল? নাকি
ওখানে নিয়ে তুলে দিবে দালালদের হাতে। ও
আল্লাহ কোথায় এসে পড়লাম। এই যাত্রায় আমারে
রক্ষা কর। এইসব আজেবাজে চিন্তা করে। বাসায়
উম্মম্ম চালচুলোহীন ছেলেদের আবার বাসা! মেসে
এসে শুয়ে পড়লাম। পরদিন সেই ঠিকানায় পৌছাতে
হবে।
রাস্তায় রিক্সাওয়ালায় ও ভাব লয়। তীব্র রোদের
মাঝে দাড়াইয়া আছি। কিন্তু কেউ তুলতে চাচ্ছে না।
সবার এক ধান্ধা ভাড়া যদি একটু বাড়ানো যায়।
এক রিক্সাকে ডাক দিলাম সেও ভদ্রমত আসল।
ঠিকানা দেখালাম। বললাম
-- এই ঠিকানায় পৌছে দিতে হবে।
-- জে ভাইজান তা পারুম। আমি ত লেহাপড়া জানি
না। মুখে বলেন কোথায় যাইতে অইব?
-- ওকে চল। তবে আমি কিন্তু চিনি না।
-- কোন ওসুবিধা নাইক্যা। তয় ভাড়া কৈল ( কিন্তু )
বেশী দেওন লাগব।
-- কত দিতে হবে?
-- ১০০ টেহা। তাও যে রইদ ( রোদ )। পরানডা বাইরই
যাব।
-- আচ্ছা আমি ছাত্র মানুষ ৮০ টাকা দিব।
-- উডেন ৯০ টেহা দিয়েন।
-- চল।
বড়জোর ২০- ২৫ মিনিট লাগছে। ঠিকানা অনুযায়ী
নামিয়ে দিছে। গুনে গুনে ৯০ টাকা দিয়ে দিলাম।
কিন্তু যখন মুখের দিকে তাকালাম তখন একটু মায়া
লাগল লোকটার জন্য। ঘামে ভিজে একাকার। শরীর
বেয়ে পানি পড়ছে। গামছা দিয়ে মুখ মুছল। ভিজে
চবচবে হয়ে গেছে। চিপে আবার সামনে ঝুলিয়ে
দিল। হায়রে রিক্সাওয়ালা। খুবই কষ্টকর তাদের
জীবন।
আমি তাকে ১০ টাকা দিয়ে একশো টাকা মিলায়ে
দিলাম। লোকটা অনেক খুশি হইছে। চেহারায় আর
পরিশ্রমের চিহ্ন নাই। খুশিতে ঝিলিক দিচ্ছে।
.
আমি বাড়ির ভিতরে ঢুকলাম। মোটামুটি বড় লোক।
উঠতি টাইপের বড়লোকের মত। বুঝা যায় দরিদ্র
থেকে ধনী হচ্ছে।
ভিতর থেকে এক মুরুব্বী ডাক দিল। সোফায় বসতে
দিয়ে চলে গেল।
কিছুক্ষণ পর সেই লোকটা আসল। আমি সালাম
দিলাম। কেন যেন আগের মত ভয় পাচ্ছি না বা কোন
দু:শ্চিন্তা হচ্ছে না। আমি স্বাভাবিক ভাবেই বসে
আছি। উনিই কথা বললেন আগে....
.
-- আসছ?
-- হ্যা।
-- বাসা চিনতে কোন অসুবিধা হয় নি তো?
-- না আংকেল।
-- তুমি খুব অবাক হচ্ছ, তাই না?
-- মোটেই না। কেন বলুন তো?
-- কিছু না। বাদ দাও কাজের কথায় আসি।
-- জ্বী বলুন।
-- তোমার ফ্যামিলিতে কে কে আছে?
-- বাবা মা আর ছোট বোন।
-- দেয়ালিকায় তোমার বিজ্ঞাপন পেলাম। সেখান
থেকেই নাম্বার নিয়ে কল দিয়েছি।
-- কারণ?
-- আমার মেয়েকে পড়াতে পারবা?
-- ওহ এই ব্যাপার । ( মনে মনে )
-- কিছু বলছ না যে?
-- ওহ হ্যা হ্যা। পারব।
-- আমার মেয়েকে পড়াতে হবে। ক্লাস টেনে পড়ে।
-- জ্বী আংকেল কোন সমস্যা নাই।
-- তোমার বেতন আগেই ধরলাম না। পড়াও। মাস শেষে
তোমার বেতন ফিক্সড করব। কেমন?
-- ইটস ওকে। আসি।
-- না বস। কিছু নাস্তা করে যাও।
-- আচ্ছা।
-- কাদের, তোমার নাস্তা নিয়ে আসছে। আর তোমার
ছাত্রী সম্পর্কে একটু ধারণা নিয়ে যাও। তোমার
পড়ানো সুবিধা হবে।
-- জ্বী আংকেল।
,
বুঝলাম না। বার বার জ্বী আংকেল! জ্বী আংকেল
বলাতে রাগ করছেন নাকি খুশি হইছেন। যাকগে
আমার কী।
আমি কাদের ( কাজের ছেলের ) কাছ থেকে অনেক
ধারণা নিলাম।
বুঝলাম এই টিউশনি টা একটু কঠিন। পড়ানোর থেকে
ছাত্রী সামলানো অনেক কঠিন। অনেক দুষ্টু। ওর
দুষ্টুমির জন্য সব টীচার দুই মাসেই ভেগেছে। কেউ
বেতন নিয়ে, কেউ বেতন রেখেই।
কেমন দুষ্টু ছিল আমার লেখা পড়লেই বুঝবেন। বাড়তি
কয়েকটা লাইন লেখার প্রয়োজন মনে করলাম না।
নির্দিষ্ট দিনে উপস্থিত হলাম।। আমি খুব ভাল করেই
বুঝেছি। আমাকে সন্তর্পনে চলতে হবে। যাক দরজায়
নক করতেই। দরজা খুলে দিল। আমার ছাত্রী। আমার
ছাত্রী মহোদয়ার অবস্থান দেখেই বুঝলাম। প্রথম
দিনেই আমার কপালে শনি আছে। কাদেরকে ডেকে
দিতে বলেছিলাম কিন্তু সে আসে নি। তার মানে
আমাকে তার পছন্দ নয়।
তার চলন দেখে বুঝেছি সে এখুনি অট্টহাসি দিয়ে
উঠবে। কিন্তু পিছনে তাকাতেই ওর চোখ ছানা বড়া
হয়ে গেছিল। আমি ঠায় দাড়িয়ে আছি। পিছনে
তাকাতেই আমার অবাক হবার পালা। দেখি বিড়াল
পিছলা খেয়ে ক্যাত করে উঠেছে। যাক সাবধান
ছিলাম নাহয় আমাকেও ক্যাত করতে হত। ছাত্রী
আমার যথা যোগ্য সম্মান দিল। সে খাটে বসল আর
আমাকে চেয়ারে বসতে দিল। চোখ বুলিয়ে পাশেই
দেখলাম ফোমের চেয়ার। কিন্তু আমাকে বসতে
দেওয়া হয়েছে কাঠের চেয়ারে। এখানে অবশ্যই
কোন কিন্তু আছে। আমি পাশ থেকে ন্যাকড়া নিয়ে
চেয়ার পরিষ্কার করতে লাগলাম। যাছিল শুধু মাত্র
একটা অযুহাত। ওমা এ কি! ন্যাকড়া ছুটছে না কেন?
বুঝলাম কাহিনী কি!! সরাসরি জিজ্ঞেস করেই
ফেললাম।
-- কি দিয়েছ চেয়ারে?
-- স্যার সুপার গ্লু।
-- কেন আমাকে পছন্দ হয় নি?
.
কিছু না বলে পাঠ্যবই এগিয়ে দিল। যেহেতু সেদিন
প্রথম দিন তাই আর পড়াই নি। পরিচয় পর্ব সেড়ে চলে
আসলাম। পরের দিন গেলাম। কিন্তু আমি বসলাম
খাটে ও বসল চেয়ারে। ওর চেয়ারটা ফোমের আমি
নিজেই এগিয়ে দিয়েছিলাম। এভাবেই দুষ্টুমি করেই
পড়া চালাচ্ছি । এমনো দিন গেছে অর্ধেক পড়ানো
পর প্রচন্ড ক্ষুধায় পেট ব্যথা করে। খাওয়ার পরে
আবার পড়ানো শুরু। এভাবেই চলছে। এর মাঝে চলে
গেছে কয়েকটা মাস। অবশ্য আমার বেতন নির্ধারিত
হয়েছে। সব থেকে বেষ্ট টিচার আমিই। তাই আমার
টিউশনি টা পাক্কা। একেবারে কন্ট্রাক্ট হয়েছে।
ইন্টার পর্যন্ত আমিই পড়াব। আমিও মেনে নিলাম
কেননা আমার যা প্রয়োজন সেই টাকা এই টিউশনি
থেকেই পাই। বাড়তি টিউশনি খোজার প্রয়োজন হয়
না। ও যখন ইন্টার প্রথম বর্ষে তখন আমার অনার্স
রেজাল্ট হয়ে গেছে। ঠিক করেছি আর পড়ব না।
এর মধ্যে অনেক কিছু ঘটে গেছে। সব আপনাদের
জেনে কাজ নেই। কিছু ঘটনা শেয়ার করছি। নাইন
থেকে ইন্টার পর্যন্ত।
ও আমাকে বিভিন্ন ভাবে প্ররোচিত করেছে। সব
কাহিনী বললাম না। শুধু এইটুকুই বললাম। আমি ওর
কাছে একজন আদর্শ টীচার হিসেবে সুসম্পর্ক
রেখেছি। অন্যকোন সম্পর্ক তৈরী হতে দিই নি।
আমাকে ওর পছন্দ হয়ে যায়। তাই প্রোপোজ করে।
একদিন তো আমার অসাবধানতার জন্য আমাকে হেস্ত
ন্যস্ত করেই ফেলেছিল। উপর থেকে রং ফেলেছিল।
পরে অবশ্য ফুলের পাপড়ি দিয়ে পুষিয়ে দিয়েছিল।
অনেক মেরেছিলাম সেদিন। পরে জানতে পারি ওর
মা নাই। তাই এমন হয়েছে মেয়েটা ।
.
আমি এক্সেপ্ট করিনি। সে বলেছে তাহলে আমি
পরীক্ষা দিব না। মিছে অভিনয় করে তাকে
পরীক্ষা দিয়াইছি। পরে আমার সাথে প্রেমিক
প্রেমিকার মত ঘুরতে যেতে চাইছে কিন্তু আমি
কখনো ঘুরতে যাই নি। আমি ওকে প্রতি ব্যবহারেই
বুঝাইছি আমি ওকে ভালবাসি না। অনেক নাটক
করতে হইছে এই তিন বছর। তিনবছরের ভিতরের
কাহিনী আর নাইবা বললাম। এর পরে অর্থ্যাৎ
ইন্টারের পরের কিছু কথা বলি।
ও যখন ইন্টার পরীক্ষা দিয়ে ফেলে। আমি ধরা পড়ি
ওর কাছে। স্পষ্ট বলে দিই। কখনো তোমাকে
ভালবাসি নি। যা করেছি অভিনয় করেছি। কেন
করেছি জিজ্ঞেস করলে বলব তোমার ভবিষ্যৎ ঠিক
রাখতে করেছি। এখন ইন্টার পাশ করে মেডিকেলে
ভর্তি হয়ে যাও। তোমার বাবার স্বপ্ন ছিল তোমাকে
ডাক্তার বানাবে। ডাক্তারি পড়ার মত যথেষ্ট
যোগ্যতা তোমার আছে।
কথাগুলো নিচের দিকে তাকিয়ে বলছিলাম। কেননা
এত দিনে সে অনেক মায়াবতী হয়ে গেছে। ওর
চোখের দিকে তাকালে আমি মায়ায় পড়ে যাই।
মায়ায় পড়লে আমি ওকে এই কথা গুলো বলতে
পারতাম না। প্রচন্ড রকমের ভুল বুঝেছিল আমাকে।
সেদিনের মত চলে আসি। লেখা পড়া
শেষ। শহরে থাকার মানে না থাকা স্বত্তেও কেন
যেন রয়ে গেলাম। দেখতে দেখতে তার রেজাল্ট
দিয়ে দিল। আমার পরিশ্রম আজ স্বার্থক হয়েছে। ওর
রোল আমি জানতাম। নেটে ওর রেজাল্ট দেখে
নিলাম। ইতিমধ্যে নাম্বার বদলে নিয়েছি। খুশির খবর
নিশ্চয়ই আমাকে দিতে আসবে। তাই টিকেট কেটে
তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠলাম। জানি আমাকে না
পেয়ে মেয়েটি অনেক কষ্ট পাবে। একবুক কষ্ট নিয়ে
ফিরে যাবে। যাক ওকে শক্ত হতেই হবে। এখন ওর
সামনে তীব্র প্রতিযোগিতা। মনের দিক দিয়ে শক্ত
না হলে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবে না। আমি
চলে এসেছি আমার বাড়িতে মায়ের কাছে। ভবিষ্যৎ
এর জন্য আমি ব্যবসা করব। দিনক্ষণ দেখে আরম্ভ করে
দিলাম। কেটে গেল দুটি বছর। দুই বছরে নিজেকে
অনেক পাল্টে নিয়েছি। বাবা মা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন।
এবার উনাদের আরাম আয়েশের দরকার। একটু সেবা
যত্নের দরকার। শেষ মেষ ঠিক করলাম। বিয়ে করব।
.
.
আর কি খুজেন? গল্প আর নেই এখানেই শেষ।
.
,,,,,,,,,,সমাপ্ত,,,,,,,,,,,,
,
লিখা : ইসমাইল হোসেন ( ক্লান্ত মুসাফির )

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ