āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

332

জানালার পর্দাটা সরাতেই সকালের সূর্যের আলোটা ঘরে ঢুকল। যে আলোতে মেধার নিষ্পাপ মুখটা আরও বেশিই নিষ্পাপ লাগছে। মেয়েটা ঘুমাচ্ছে, খুব গভীর ভাবে ঘুমাচ্ছে।
এমনিতেই কাল রাতে ঘুমাতে পারেনি। একটা অপারেশন ছিল। আসতে আসতে প্রায় রাতের ২ টা বেজেছে, এরপর ঘুমাতে ঘুমাতে তো প্রায় তিনটাই বেজে গেছে।তাই ঘুমটাও খুব জোরে চেপেছে।
আমি তাকিয়ে আছি তার ঐ মায়া মাখা নিষ্পাপ মুখটার দিকে। ঘুমের মাঝে নাকি সব মেয়েদেরকেই নিষ্পাপ লাগে। আচ্ছা এতোটা নিষ্পাপও কী লাগে, যতটা মেধাকে লাগছে? আমি জানিনা, জানতে চাইওনা। এই মুখটার মায়া বিশ্লেষন করতে
গিয়েই আমি তার মায়ার ঘোরে আটকা পড়েছি। যেই ঘোর থেকে বের হওয়া কখনোই সম্ভব না।
অবশ্য আমি বের হতেও চাইনা। এই একটা মানুষের মায়ায়ই অটকা থাকতে চাই।
.
আমার সাধারনত সকালের এই নির্মল
দৃশ্যটা দেখার সৌভাগ্য হয়না। কারন আমি একটু ঘুম কাতুরে। সকালের মিষ্টি ঘুমটা যেন কিছুতেই ভাঙতে চায়না। অবশ্য ঘুমের চেয়ে আরও মিষ্টি কিছু পেলে চোখের ঘুমটা কোথায় যেন পালিয়ে যায়।
.
কারো ভেজা চুলের ফোটা ফোটা স্পর্শে সকালের ঘুমটাকে তিক্ত মনে হওয়াটাই বোধহয় স্বাভাবিক। অন্তত আমার জন্য। চোখ মেলে যখন দেখি, কোমর অব্দি লম্বা ভেজা চুল নিয়ে, আমার দিকে রাগি একটা লুক নিয়ে, কোন এক অপ্সরি দাঁড়িয়ে আছে। তার গায়ের গোলাপি শাড়িটার আঁচল কোমরে গুঁজানো। মনে হচ্ছে নিজের মুখে একটা রিনা খান ভাব আনতে চাচ্ছে। কিন্তু ও কী জানে ওর এই মায়াবী চোখে আমি শুধু মায়া আর ভালবাসাই খুঁজে পাই? তখন আমার পৃথিবীটা থমকে যায়। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি তার দিকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য। ঘোর কাটে যখন আমার মাথার সাথে মাথা ঠুকে বলে;
"কী জনাব উঠবেননা?"
নতুবা;
হাতটা টানতে টানতে ওয়াশরুমের ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দরজা লক করে দেয়। নিজেকে তখন ওয়াশরুমের আয়নায় আবিষ্কার করি।
.
আবার যখন আমার অফিস ছুটি থাকে, তখন নিজে থেকেই কীভাবে যেন উঠে যাই। হয়তো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে তাই। কিন্তু তখন ভেজা চুলের সেই জলকণ্যাকে আর দেখিনা।কিছু সময় হতাশা নিয়ে এক
পলক তাকিয়ে থাকি ড্রেসিং টেবিলের দিকে। চার ভাজ করা একটা ছোট্ট চিরকুট সেখানে। ধড়পড় করে উঠে যাই, কাগজটা হাতে নিয়ে পড়তে থাকি,
.
"উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে নিও, আমি আজকে চেষ্টা করব একটু জলদি আসার"
.
চিরকুট টা হাতে নিয়ে আমি একটু মুচকি হাসি। আমি জানি মেধার এই জলদি আসা টা অবশ্যই রাত দশটার আগে হবেনা।
.
আমার মনে হয় শিক্ষক, চাকুরিজীবি, প্রবাসি পেশা যাই হোক অন্তত নির্দিষ্ট একটা সময় ছুটি থাকেই।কিন্তু ডাক্তার দের কোন ছুটি নেই, এমনকি কোন সরকারি ছুটিও না। কারন মানুষের অসুখ তো আর বলে কয়ে আসেনা, ছুটি ফুটি মানেনা। এটা নিতান্তই বিধাতার কারশাজি। মেধাও হয়তো আমাকে দেওয়া কথা রাখার জন্য একটু তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে বেরহওয়ার জন্য উদ্যত হলেই একটা সেবিকা এসে বলবে;
-ম্যাম ২০৪ নং কেবিনের রোগীর অবস্থা ভালোনা, আপনি একটু দেখবেন?
তখনই মেধা ভুলে যাবে যে, "সে কাউকে কথা দিয়েছিল তাড়াতাড়ি ফিরার", "কেউ তার সাথে একটু সময় কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে", "কারো মগের ধোয়া উড়া কফি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে"
অপেক্ষা করতে করতে....
.
তারপর রাত দশটা নয়তো এগারোটায়
এসে বলবে;
"দুঃখিত শুভ আজও আগে আসতে পারিনি।"
.
প্রথম প্রথম রাগ করলেও এখন আর রাগ করিনা। কী জানি সয়ে গেছে হয়তো। কিন্তু অপেক্ষা ঠিকই করি, ভালোই লাগে অপেক্ষা করতে, আর সে যদি হয় কোন রুপকথার জলকণ্যার জন্য, তবে তো অপেক্ষার প্রহরটাও ভালো লাগে।
যাকে ভালবাসা যায়, একমাত্র তাকেই তো অপেক্ষা করানো যায়, তার জন্যই তো অপেক্ষা করা যায় অনন্তকাল......
.
-বিছানা টা সুন্দর তাই বলে আমাকে রেখে এবার বিছানার প্রেমে পড়লে আবার? এই যে Mr. শুনছেন আপনি?
ঘোর কাটলো যখন মেধা আমার চোখের সামনে তার আঙ্গুল বাজিয়ে কথা গুলো বলল। কখন যে মেয়েটা বিছানা থেকে উঠে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, আমি টেরই পেলামনা।খালি বিছানাটার দিকেই তাকিয়েছিলাম বোকার মত। মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললাম;
-একজনের প্রেমে পড়েই তো হাবুডুবু খাচ্ছি। আর পড়ার সুযোগ কই?
-পড়তে দিলে তো?
-চাইছে কে পড়তে?
- আচ্ছা পড়তে হবেনা।তা আজকে যে আমাদের ঘুরতে যাওয়ার কথা, মনে আছেতো? থাকলে ছটফট তৈরি হয়ে নাও, নইলে কিন্তু গন্তব্য পাল্টেও যেতে পারে বলে দিলাম।
মাথাটা ওর মাথার সাথে ঠেকিয়ে বললাম,
-গন্তব্য পাল্টাবেনা মাত্র ৫ মিনিটে আসছি। তুমিও তৈরি হয়ে নাও।
.
ঝটপট তৈরি হয়ে এসে দেখি মহারাণি মাথাটা ঝুঁকে শাড়ির কুচি ঠিক করছে।কোমর অব্দি খোলা চুল গুলো বুকের উপর দিয়ে এসে হাঁটু পর্যন্ত নেমেছে। হাত নাড়ানোর বাহানায় তার মোলায়েম হাতের কালো রঙের কাঁচের চুড়ির ঝুম ঝুম শব্দ আমার কানে বাজছে। আমি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি তার দিকে। সৃষ্টিকর্তার প্রতিটি সৃষ্টিই তিনি অত্যন্ত নিপুণ ভাবে তৈরি করেছেন। কিন্তু মেধাকে তিনি আরও সূক্ষ ভাবেই তৈরি করেছেন। এতোটা সৌন্দর্যের অধিকারি মানুষ হয় নাকি আমার জানা নাই। অদ্ভুত একটা ভালো লাগা কাজ করে যখন মনে হয় এই মেয়েটাকেই আমি আমার জীবনসঙ্গি হিসেবে পেয়েছি। এই মুহুর্তে কোন লেখক থাকলে নিশ্চিত কয়েক শ দিস্তা কাগজ লিখে শেষ করে ফেলত যার প্রতিটি বাক্যে, প্রতিটি শব্দে, প্রতিটি অক্ষরে, শুধু মেধার মায়াময় রুপের বর্ণণাই থাকতো। কিন্তু আফসোস আমি কবি নই যে দিস্তা দিস্তা কাগজ শেষ করব। আমি শুধুই তার ভালবাসার কাঙ্গাল।
আমি শুধু তাকে ভালোবাসতে চাই।তার রুপ, তার মায়া এসবের কোন উপমা দিতে পারছিনা। যেটার সাথেই তুলনা করতে যাই সেটারই একটা না
একটা খারাপ দিক থাকবেই, কিন্তু এই
মেয়েটার সবকিছুই আমার ভালো লাগে। বড় ভালোবাসি যে আমি তাকে। আর ভালোবাসি বলেই হয়তো এতো ভালো লাগে। ভালবাসার মানুষের সবকিছুই ভালো লাগে সম্ভবত। এই মুহুর্তে শেক্সপিয়রের একটা কবিতার দুটো লাইনের কথা মনে পড়ে গেল;
"Shall i compare thee to a summer's day?
Thou art more lovely and more temperate:"
.
অনেক দিন পর পাশাপাশি হাঁটছি দুজন। ওর বাম হাতের শাহাদাৎ আঙ্গুলটা আমার ডান হাতের ভিতর আবদ্ধ।খোলা চুল গুলো বাতাসে উড়ে বেশ জ্বালাচ্ছে ওকে। বারবার চোখের উপর এসে পড়ছে। বেশ ভালোই লাগছে আমার। অনেক বছর বাঁচতে ইচ্ছে করছে।এই মেয়েটার হাত ধরেইতো কাটিয়ে দিতে পারি জন্মজন্মান্তর।
.
-ঐ যে একটা ফুচকার দোকান দেখা যাচ্ছে চল ওখানটায় যাই?
-চল
.
ফুচকার দোকানে মুখোমুখি বসে আছি দুজন।ফুচকাওয়ালা লোকটা ফুচকা সাজাচ্ছে একটা প্লেটে।আমরা অপেক্ষা করছি।
ভালোই লাগছে অপেক্ষা করতে।
একমাত্র অপেক্ষার ফলইতো মিষ্টি হয়।
.
একটু পর একটা পুচকি ছেলে এসে এক প্লেট ফুচকা দিয়ে গেল। মেধা একটা ফুচকা হাতে নিয়ে আমার মুখে পুরে দিল। আমিও একটা ফুচকা হাতে নিলাম, তাকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য।অমনি তার মোবাইলের চিরচেনা রিংটোনটা বেজে উঠল। ব্যাগ থেকে মোবাইলটা বের করে, স্কিনের দিকে তাকিয়েই মেধা যেন একটু ঘাবড়ে গেল। দুইবার রিং হওয়ার পর ফোনটা রিসিভ করল সে। তার ফোনালাপ গুলো ছিল এরকম;
-হ্যালো?
-না, ব্যস্ত না বল ইমার্জেন্সি কিছু?
-রোগী কে ওটিতে নেওয়ার ব্যবস্থা কর এক্ষুণি। আমি ৩০ মিনিটের ভিতর আসছি।
.
আমার হাত থেকে ফুচকা টা পড়ে গেল মাটিতে।নিমিষেই মনটা খারাপ হয়ে গেল।মেধা এখন আমাকে কিচ্ছু বলার সুযোগ না দিয়েই 'আসি' বলেই চলে যাবে। আমি জানি।
.
নাহ।
আমার শক্ত হাত টাতে হঠাৎ কিছু একটার স্পর্শ পেলাম। অনেকটা অপরাধ বোধ নিয়েই তাকিয়ে আছে মেধা আমার দিকে। আমার হাতটা তার কপোলে ছুইয়ে বলল;
"ভালোবাসি"
মুহুর্তের মধ্যেই যেন মনের সমস্ত কালো মেঘ গুলো সরে গেল। ওর এই শব্দটার গভীরতা অনেক অনেক বেশি। ও হয়তো আমাকে সময় দিতে পারেনা, আমরা হয়তো অনেকটা সময় একসাথে কাটাতে পারিনা।তাতে কী? আর কিছুর প্রয়োজন নেই আমার। খুব বলতে ইচ্ছে করছিল;
"তোমার মুখে এই একটা শব্দ শুনলেই আমার পৃথিবীটা থমকে যায়, নিঃশ্বাস নিতে পারিনা আমি"
কিন্তু কেন জানি এসবের কিছুই বলতে
পারিনি। তার একটা শব্দের প্রতিউত্তরে আমিও একটা শব্দ উচ্চারন করলাম;
"ভালোবাসি"
আর কিছু না বলেই মেধা হন্তদন্ত হয়ে
একটা রিকশায় উঠে গেল। আমি তখনও বসে আছি সেই ফুচকার দোকানে।
ধীরে ধীরে লাল, সাদা,কালো রঙের রিকশা টা অদৃশ্য হয়ে গেল। সাথে মেধাও।
আমি জানি মেধা এখন সরাসরি বাসায় যাবে, তারপর গাড়ি বের করে সোজা হাসপাতাল। ঘড়িতে সময় দেখলাম, ১১ টা ৩২ মিনিট।বাসা থেকে বের হয়েছি ১০ টা ৫০ মিনিটে।
৪২ মিনিট সময় এক সাথে ছিলাম আমরা। বিবাহ জীবনের এক বছর পর এই প্রথম একসাথে ঘুরতে বের হওয়া। অবশ্য গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সময় একসাথেই থাকি। কিন্তু এরকম ঘুরতে যাওয়া হয়নি কখনো। এক বছর অপেক্ষা করে ৪২ মিনিট সময় কিন্তু কম না। সেই কবে থেকে ঘুরতে যেতে বলছি, কিন্তু ও সাফ সাফ জানিয়ে দিল প্রতি বিবাহ বার্ষিকিতে সারা দিন ঘুরবে, এর আগেও না পরে ও না। হ্যাঁ আজকে আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকি। প্রথম ঘুরতে বের হওয়া।
অনেকটা ধৈর্য নিয়েই মার্চ মাসের ১৬
তারিখের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
আর আজ সেই কাঙ্খিত দিনটি এসেছে বলেই, সারাদিন ঘোরাঘুরির
পরিকল্পনা নিয়েই বের হয়েছি দুজন।
:
আমাকে বলা মেধার শেষ কথাটা ছিল,
"ভালোবাসি"
আর আমার বলা মেধাকে শেষ কথাটাও ছিল,
"ভালোবাসি"
এরপর আর আমাদের কখনও কথা হয়নি। নির্মম নিয়তি দেয়নি আমাদের কথা বলতে। কী জানি নিয়তিরও হয়তো আমাদের শেষ শব্দটা ভালো লেগেছে খুব। নিয়তিও হয়তো চায়নি আমাদের এই শেষ বাণীটা ভাঙ্গুক। তাই ইচ্ছে করেই সেদিন মেধাকে দিয়ে গাড়িটা একসিডেন্ট করিয়ে ছিল।
অধিক শোকে মানুষ নাকি পাথর হয়ে যায়। আচ্ছা আমি কী তখন পাথর হয়ে গিয়েছিলাম? আমি জানিনা। তবে এই টুকু মনে আছে সেদিন, সেই মার্চ মাসের ষোলো তারিখে আমার মা, বাবা, বোন, মেধার হাসপাতালের সবাই অনেক চেষ্টা করেছে আমাকে কাঁদানোর জন্য। কিন্তু নাহ আমি কাঁদিনি। ছোট বোনটা যখন আমাকে টেনে হিঁচড়ে নিদ্রাচ্ছন্ন মেধার কাছে নিয়ে গেল, আমি তখনো দেখছি, আমার নিদ্রাবতী ঘুমাচ্ছে সেই দিন সকালের মতই। আমার মাথায় তখন একটাই চিন্তা,
"সবাই এতো চিল্লাচিল্লি করছে কেন? মেধার ঘুম ভেঙ্গে যাবেতো। কাল রাতে তো ও ঘুমাতে পারেনি"
আমার এখনো কানে বাজছে বাবা যখন বলছিল;
-আমার মা এখন আর নেই। তোর বৌ আর নেই। আয় বাবা, চুপ করে থাকিসনা, বৌমা কে দাফন করতে হবে।
আমি তখনও কিছু বলিনি। একটু নড়িওনি। আমার চোখের সামনেই ওরা নিয়ে গেল আমার নিদ্রাবতী কে।
এখন মনে হচ্ছে; কেন আটকালামনা
বাবাকে? কেন চিৎকার করে কাঁদলামনা? কেন মেধাকে জিজ্ঞেস করলামনা আমাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার মানে কী? ওকে তো কিছু জিজ্ঞেসও করতে পারছিনা। ওর সাথে যে আমার কথা বলা বারণ। আমারও যে শেষ শব্দটা খুব ভালো লেগেছে।
নাহ মেধা তো চলে যায়নি। ও আমার সাথে লুকোচুরি খেলছে। এই খেলাটা ওর বিয়ের আগ থেকেই নাকি খুব প্রিয় ছিল। কিন্তু চার বছর ধরে কেউ লুকোচুরি খেলে নাকি? ও কী জানেনা আমি অপেক্ষা করছি? তাছাড়া প্রতি বছর মার্চের ষোলো তারিখ যে আমাদের ঘুরতে যাওয়ার কথা।
কিচ্ছু হবেনা, আমার ৪২ মিনিট করে হলেই হবে। সারা দিন লাগবেনা। এক বছর পর ৪২ মিনিট কিন্তু কম সময় না।
৪ বছর পর কিন্তু ৪২ মিনিট করে ১৫৮ কী ১৬৮ মিনিট হয়েছে। এটা কিন্তু শোধ করতেই হবে।
.
ঘড়ির ঢং ঢং শব্দ শোনা যাচ্ছে। মোবাইলটা হাতে নিলাম। একটা বোটন টিপলাম;
Date: 17-03-2017
Time: 12:00 am
নাহ ২০১৭ সালের ষোলো তারিখটাও শেষ হয়েই গেল। মেয়েটা এখনও এলোনা। কী জানি, এখনো হয়তো কোন রোগী দেখছে।
আমার একটুও রাগ হচ্ছেনা।
মোবাইলের ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিলাম;
42*5=210
একটা মুচকি হাসি দিয়ে শুয়ে পড়লাম।
কোন এক মার্চের ষোলো তারিখে হয়তো মেধা আসবেই। এই ফাকে আমার হিসাব টাও বাড়বে। অনেকটা সময় একসাথে পাবো।
আমি অপেক্ষা করব। অনন্তকাল অপেক্ষা করব। ভালোই লাগে আমার অপেক্ষা করতে।
.
"একমাত্র ভালবাসার মানুষকেইতো অপেক্ষা করানো যায়, একমাত্র ভালবাসার মানুষের জন্যইতো অপেক্ষা করা যায়। তাইতো অপেক্ষার প্রহর গুলো এত্তো মিষ্টি হয়, আর মানুষ গুলোও অপেক্ষা করেই যায়......"
.
লিখা: মৃত্তিকা

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ