āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

437

নাম
.
.
.
আপনি ভালোবাসার কিছু বুঝেন ? আবার
ভালোবাসা নিয়ে গল্প লিখে ...হু ।
.
আমি অক্ষর । মাস্টার্স এ পড়ছি ।টেবিলের
উপর বসে একটা গল্পের বই পড়তেছিলাম এমন
সময় ইমু এসে উপরের কথাটা বলল ।
.
ইমু এবার অনার্স ১ম বর্ষে পড়ে।আমারা যে
বাসার থাকি সে বাসার ২য় তলাতে থাকে ।খুব
দুষ্টু আর ফাজিল মেয়েটা ।
.
আমি চোঁখ বড় বড় করলাম ।যাতে এই ফাজিল
মেয়েটা ভয় পায় ।অনেক ক্ষণ ধরে এভাবে
তাকিয়ে আছি ।কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে বলে
মনে হয় না ।
.
আমি খুব ভয় পেয়েছি ,এই দেখুন দেখুন আমার
চোঁখ দিয়ে পানি চলে এসেছে বলেই ইমু
উচ্চস্বরে হাসতে লাগলো ।হি ..হি.. হি ।
.
নাহ্ আমার ছোট চোঁখদুটো বড় করে কোন লাভ
হল না ।তখন উচ্চস্বরেই বললাম- তুমি আমার রুমে
কেন এসেছ ?
.
ইমু স্বাভাবিক ভাবেই বলল- আমার ইচ্ছা হল
তাই ।আর এসেছি তাই কি হয়েছে ?
.
আমি কিছুটা নরম স্বরেই বললাম -কিছুই হয়নি ।
আর আপনার যত কথা বাইরে গিয়ে বলুন ।তাতে
ভালো হয় ।
.
ইমু কিছু না বলে রাগে হন হন করে চলে গেল ।

ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা
দিতেছিলাম ।এমন সময় ইমু এসে বলল-আপনার
সাথে আমার কথা আছে ?
.
আমি বিষয়টি আন্দাজ করে কিছুদূরে নিয়ে
গিয়ে মুচকি হেসে বললাম - বল কি বলবে ?
.
ইমু রাগী স্বরে বলল- গল্পে এগুলো কি
লিখেছেন ?আমি কি বুড়ো হয়ে গেছি । আমার
স্বামী মারা গেছে ?
.
আমি আবার মুচকি হেসেই বললাম -ওইটাতো
গল্পে ।আচ্ছা ভুল হয়ে গেছে ।এরপর থেকে
আপনার নাম দিব না ।
.
ইমু নরম স্বরে বলল-তা দেবেন কেন ? আমি
আপনার কে ?
আপনার জন্য তো কত মেয়ে আছে ।
.
আমি স্বাভাবিক ভাবেই বললাম-হুম,এরপর
থেকে আর আপনাকে বুড়ো হতে হবে না ।
.
ইমু আমার কলার চেপে বলল- কি বললেন
আপনি ?আমার নাম দিবেন না ।আমার নাম যদি
গল্পে না দেন তাহলে আপনার বারো
বাজাইয়া দিব ,মনে থাকবে?
.
আমি কিছুটা ভয় আর সম্মান বাঁচাতে বললাম-
আচ্ছা ঠিক আছে ।
ইমু চলে যাচ্ছে আর পিছন ফিরে এমন ভাবে
তাকাছে যেন বলতাছে -চান্দু ,গল্পে যদি
আমার নাম না দাও ,তাহলে দেখবা কি করি ।

আমি প্রায় গল্পেই ইমুর নাম ব্যবহার করে
কখনো চড় ,কখনো বুড়ো ,কখনো শিশু ,আবার
কখনো কানে ধরে ওঠ-বস করাতাম ।আর ইমু
আমার পোষ্টে উল্টাপাল্টা কমেন্ট করত ।আর
এভাবেই আমাকে শাসিয়ে যেত ।

একটা গল্প পোষ্ট করেছি ।ইমুর নাম ব্যবহার
করিনি ।গল্প পোষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই যে
ইমু কমেন্ট করত ।২দিন হয়ে গেল সে গল্পে
লাইক পযর্ন্ত দেয়নি । ক্যাম্পাসে এসে
কিছু বলেও নি ।বাইক নিয়ে বাসার কাছে
আসতেই যে মেয়ে তাড়াহুড়ো করে
বেলকনিতে আসতো আমাকে দেখায় জন্য ।আজ
বাইকের পিকাপ বাড়াই , হর্ন দেই,কত রকমের
শব্দ করি কিন্তু ইমু আর বাইরে আসে না ।
বিকালের দিকে ইমুকে ম্যাসেজ করে বললাম-
তোমার সাথে আমার কথা আছে ।বাসার ছাঁদে
আসো ।

আমি ছাঁদে দাড়িয়ে দূর পানে তাকিয়ে আছি
এমন সময় ইমু পাশের এসে বলল-আপনার আমাকে
ডাকছেন কেন ? আপনার তো মেয়ের অভাব
নাই ।আমি আপনার কে ?
.
আমি পিছনের দিকে তাকালাম ।যা দেখলাম
তা দেখায় জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।ইমুর
চোঁখ দুটো প্রচন্ড পরিমান লাল হয়ে আছে ।
যে চোঁখের পাপড়ি গুলো দিকে তাকিয়ে
থাকতাম ।সেই পাপড়ি গুলো ভেজা আর জড়ো
হয়ে আছে ।
অতঃপর,আমি বললাম- তুমি কি কখনো
ভেবেছো কেন আমি ?আমার প্রতিটি গল্পে
তোমার নাম দেই ।কেন আমি ?তোমার কথা
বলার সময় একমনে চেয়ে থাকি ।তুমি এত কিছু
বলার পড়েও কেন আমি তোমার কিছু না বলে
বলে মুচকি মুচকি হাসি ।
.
ইমু অবাক দৃষ্টি নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে
আছে ।
.
আমি কাছে গিয়ে ইমুর গালে দুহাত দিয়ে
স্পর্শ করে চোঁখে চোঁখ রেখে বললাম - আমার
গল্প গুলো যে তোমার কল্পনাক ঘিরেই ।
তোমার সেই শাসানো চোঁখ,আমার একমনে
চেয়ে থাকা ,আর তোমার কথার মুচকি মুচকি
হাসা,এসব কিছুই মাঝেই মিশে আছো তুমি ।
.
ইমু কান্না করতে করতে আমার বুকে মাথা
রাখল ।সে যেন খুঁজে পেয়েছে তার সুখে-
দুঃখে ,বলা-না বলা কথা বুঝে নেওয়া সেই
মানুষটি ।আমিও খুঁজে পেয়েছি আমার সব
গল্পের ইমু নামের প্রকৃত নামধারীকে ।যে ‌
আমার প্রতিটি গল্পের কল্পনার মিশে আছে ।

ওই রক্তিম সূর্যটা ডুবে গেছে ... আবার নতুন
ভোর উপহার দিবে বলে ।তবুও গোধূলি এই
সময়টাতে রক্তিম ওই সূর্যটার লাল আভাটা
জড়িয়ে পড়েছে চারদিকে ।গল্পের সেই প্রকৃত
নামধারী খুঁজে পাওয়ার সাক্ষী থাকল এই
গোধূলি সময়টা।শুরু হল আরেকটি গল্প আর
ভালোবাসার সূচনা ।
.
.
লেখা> নাঈমুল ইসলাম (অসমাপ্ত বৃও)।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ