প্রতিদিন স্যারের বাসায় একবার করে উকি না দিলে যেন পেটের ভাত হজমই হতে চায় না। কারনটা স্যারের মেয়ে। গতকয়দিন আগে নিচে থেকে ছাদে ঐ মেয়ে কাপড় শুকাতে দেখে ফিদা হয়ে গেছি। এরপর থেকে আমার অবস্থান স্যারের বাসার আশপাশ দিয়ে। যদি একটু লাইনে আনা যায় আরকি।
.
তো একদিন ঐরূপ বাসার সামনে দিয়ে উকি জুকি মারতেই বাসা থেকে স্যার বেড়িয়ে এলো। তাকে দেখা মাত্র কিছুই করি নাই মত সামনের দিকে হুরহুর করে হাটা দিলাম। অমনি পিছন থেকে ডাক পরলো, "অর্ণব... ঐ অর্ণব শুনো......
.
ডাক শুনে আমার দম তো প্রায় যায় যায় অবস্থা। আল্লাহ ধরা খেয়ে গেছি বুঝি। কপালে শনির দশা আছে, মিস নাই শিওর। বুক ধক পক শুরু করেছে অলরেডি। তবুও ধীর গতিতে পিছন ফিরে তাকিয়ে বললাম, " জে স্যারররররররর?
.
স্যার কাছে এসে বললো, "তোমায় আমি দুই দিন ধরে খুজতেছি। ক্লাসে তো আসোইনা। খবর লাগিয়েও পেলাম না..
.
এবার তো আরে জান যায় যায় অবস্থা। হায় হায় এখন কি হবে? এত সত্যিই ধরা খেয়ে গেছি। তবুও সাহস রেখে মনে মনে বললাম, "হারানো জিনিস খুইজা পাওয়া যায়, মাগার যে জিনিস ইচ্ছাকৃত ভাবে লুকাই থাকে ঐটা আপনে পাইবেন কেমনে? আপনে ক্লাসে গেলে মুই তো থাকি আপনার বাসার আশেপাশে। আর আপনে বাসায় থাকলে মুই থাকি ক্লাসের পিছনের আড্ডায় তয় পাইবেন কেমনে? কিন্তু আইজ যে মিয়া আপানে অসময়ে বাসায় থাকবেন কেডা জানতো?
.
কি হলো? কথা বলছো না কেন? কি ভাবো? স্যার প্রশ্ন করলো।
.
না না স্যা স্যার কি কিছু না। ব বলেন কে কেন খুুজছিলেন। আমি ভয়ে ভয়ে উত্তর দিলাম।
.
"আমার কম্পিউটারের অন হচ্ছে না। পিসিতে লাইন আসে কিন্তু মনিটরে শো করেনা। মাঝে মাঝে পেলেও একটু পর পর ছেড়ে দেয়। তোমার নাকি কম্পিউটার সম্পর্কে ধারনা ভালো শুনালাম। এসব কাজও জানো। দেখবে একটু?
.
স্যারের কথা শুনে মনে তো পুরাই লাড্ডু ফেটে গেলো। মনে বাকবাকুম বাকবাকুম ডাক শুরু হল। এইতো স্যারের বাসায় যাওয়ার সুযোগ। লাইনটা ক্লিয়ার করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই অজুহাতে আশা যাওয়াটা অন্তত্য সারা যাবে। তো বললাম, "জে স্যার কোন সমস্যা নাই। চলেন দেখি...
.
স্যারের আগেই একপ্রকার তাদের বাসায় ঢুকলাম। বসলাম পিসির সামনে। পিসি খুললাম। ঘেটে ঘুটে সব কিছু দেখে বুঝলাম RAM এ সমস্যার কারনে মনিটরে শো করেনা। আর processor গরম হয়ে যাওয়ার কারনে শো করেও অফ হয়ে যায়।
.
কাজের ফাকে শকুনের নজর পুরা ঘরের সব দিকে। কিন্তু স্যারের মেয়েকে দেখলাম না কোথাও। গেলো কই সালি? ওর জন্যই তো আশা। এত কষ্ট করা.....
.
পিসি পরিস্কার করে সব কিছু মুছে ঠুছে লাগিয়ে কাজ প্রায় শেষ। কাভার লাগিয়ে পিসি স্টার্ট দেয়া মাত্র বাকি, সেই মুহূর্তে স্যার জোর গলায় কাউকে ডেকে বললো, "ময়না...ঐ ময়না ফ্রিজ থেকে বোতল বের করে দুই গ্লাস পানি নিয়ে আয় তো.....
.
ওপাশ থেকে সাড়া আসলো, "জে স্যার আনতাছি....
.
একটু পর মাইয়াটা পানির ট্রে নিয়া রুমে ঢুকতেই আমার কইলজা ফাইটা কান্দা শুরু হওয়ার মত অবস্থা হয়ে গেলো। এ কেডা? এই তো স্যারের মেয়ে। তাইলে এই অবস্থা ক্যান? নিচ থেকে তো ভালোই দেখছিলাম। ওহন নাইজেরিয়া কাটিং ক্যান? ময়দার খেলা ছিলো তাইলে? হইতে পারে। আমি পিসি ঐভাবেই ধরে বসে থেকে মেয়েটার দিকে এসব ভেবে ভেবে হয়রান....
.
মেয়েটা ঠান্ডা পানির সাথে বিস্কিটের প্রিচ টেবিলে রাইখা স্যারের দিকে পানির গ্লাস বাড়িয়ে দিলো। বললো, "স্যার লন। লেবুর শরবত বানাইছি। গরমের ভিতর মজা পাইবেন। স্যার হাতে নিলো। হাসতে হাসতে আমায় বললো, "মেয়েটা খুব কাজের। একটু বললেই সবটা বুঝে নেয়। কখন কি লাগবে একটুতেই বুঝে নেয়। ও না থাকলে আমার যে কি হতো বুঝলা অর্ণব হা হা হা....
মাইয়াটা এইবার আমার দিকে গ্লাস বাড়িয়ে দিয়ে বললো, "ভাইজান এই লন.....
.
আমি আবুল হইয়া হাত বাড়াইয়া দিয়া গ্লাস হাতে নিয়া উপর দিকে চাইয়া থাকলাম আর মনে মনে বললাম, "ওহ আল্লাহ ২ মাসের সাধনা তুমি ভাইঙ্গা দিছো ভালো কথা। ঐটার বদল আমার এই সাধনা তুমি পূরন করো মাউলা, এই গ্লাস ভর্তি শরবত তুমি বিষ বানাইয়া দেও। খাইয়া মইরা যাই...... উঠালে তু মুজে মাউলা... উঠালে :(
.
লেখা:- Raj Arno (নীল চিরকুট)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ