āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

402

(খুনসুটি)
*
written : কল্পনার কারিগর (গল্প লেখক)
*
- জুই কান ধরো।
- কেন?
- ধরতে বলছি ধরো।
- ধরবো না।
- ধরবে না?
- না।
- ওকে,, ব্রেকআপ।
- এই না না,, এই দেখো ধরছি তো।
- হুম, হয়েছে, ৪ মিনিট দাড়িয়ে থাকো।
- কিন্তু নীল তুমি আমাকে কান ধরিয়ে রাখছো কেন?
- ইসসসস কিছু জানে না এখন!!!
- একটু বলো না কি হইছে?
- সেদিন আমি একটা মেয়ের সাথে কথা বলছিলাম বলে আমাকে ৮ মিনিট কানে ধরিয়ে উঠবস করাইছো। কিন্তু আমি তো তোমার শাস্তি কমিয়েই দিছি।
- কিইইইই!!!! প্রতিশোধ নিলা??
- তুমি আমাকে ব্লাকমেইল করতে পারো আমি পারব না??
- কখন করছি?
- ওইযে সেদিন আমি কলেজের ওই সুন্দরী ললনার সাথে যখন কথা বললাম তখন তুমি বললে,, আবার যদি কথা বলেছো তো দেখো তোমার কি হাল করি!! এখন ৮ মিনিট কানে ধরে উঠবস করো নয়তো ব্রেকআপ।
এটাই তো ব্লাকমেইল।
- শয়তান তোমাকে আমি দেখে নিব।
- দেখা যাবে কি করো?? আগে দাড়িয়ে থাকো কানে ধরে। ইচ্ছে করছে আমার মতো তোমাকেই উঠবস করাই।
- কিইইই,!!! তুমি আমার সাথে এমন করতে পারলে,,, উহুঁ উহু উহুঁ। তুমি খুব পচা। আমাকে একটুও ভালোবাসো না।
- এই চুপ একদম ঢং করবা না, আবার বাচ্চাদের মতো কাঁদছে। ঢংগী মেয়ে একটা আবার কাঁদছে এখন!!!
- কিহ্ আমি ঢংগী??
- হুম।
- ওয়াক থু,,,, তুই ঢংগী।।
- ( ওইযে আচরণ চেন্জ হইয়া গেছে,,, এখন তেল দিতে হইবো) জান কি বলছো তুমি??
- আমাকে ঢংগী বললি ক্যান?
- সরি জান,, তুমি তো আমার মিষ্টি পরী,, শুধু মাঝে মাঝে একটু  ঢং করো।
- এবার কিন্তু!!!
- চুমু দিবা,, আচ্ছা গালের মাঝখানে ছোট্ট করে একটা দাও,,
- ( লাঠি খুজছে)
.
দৌড়া রে নীল দৌড়া। তোর ঢংগী লাঠি নিয়ে আসছে, ধরতে পারলে, ত্যানা ত্যানা কইরা ফালাইবো। পার্কের ভেতর
প্রাণ পণ ছুটতে লাগলাম।
.
- ওই নীল খাড়া খাড়া, চুমু নিয়ে যা।
- আমার দরকার নাই চুমুর।
- কেন?
- বেচেঁ থাকলে পরে অনেক চুমু পাব, মরে গেলে আর পাব না। তাই বাচার চেষ্টা করছি।
( হটাৎ কিসের মধ্যে পা লেগে উষ্টা খাইয়া ধপাস করে পড়লাম,, পায়ে নখের কাছে কেটে গেল)
.
পড়ার সময় জুই দেখি চিৎকার দিয়ে আমার কাছে আসলো,,
কাছে এসেই আবার কান্না জুড়ে দিল।
- এই দেখি কি হইছে?
- বেশি কিছু হয়নি।
- বেশি কিছু হয়নি না রক্ত পরছে শয়তান, আর বলছে কিছু হয়নি!!
- ঠিক হয়ে যাব তো।
- আমার জন্যই তো হইছে তাই না, আচ্ছা ওতোটা রক্ত এখন আমিও জড়াবো।
.
এই বলে পূর্ব পাশে পরে থাকা এক কাচের বোতলের দিকে দৌড় দিল,, পরিস্থিতি খারাপ দেখে আমিও ওর পিছনে ছুটলাম।
যেই বোতল ধরতে যাবে ওমনি ওর হাত ধরে ফেললাম।
.
(ঠাস)
.
- এই পাগলী এগুলো কি করছো??
- ঠিকই তো করছি।
- আরেক টা দিব কিন্তু এখন।
- ( আবার কান্না করে দিছে)
- চল।
( হাত ধরে নিয়ে গিয়ে পাশের এক ব্রেঞ্চে বসলাম, দুজনে একসাথে বসে আছি, আর পাগলীটা আমার কাধেঁ মাথা রেখে নিঃশব্দে কাঁদছে)
.
- জুই কি হচ্ছে এটা। এখনো কাঁদছো কেন?
- তুমি মারলে কেন?
- ওমন পাগলামী করতে গেছিলা কেন?
- আমার জন্যই তো তোমার রক্ত বের হইছে।
- তাতে কি হইছে,, এটুকু ব্যথা না পেলে হয় না।
- পাগল একটা।
- পাগলীটার জন্য হয়ছি।
- চুপ """"" ভালবাসি।
- আমিও।
- কতগুলো?
- এত্তো গুলো।
- উমমমমা,
- ধ্যাত, যদি কেউ দেখতো?
- দেখুক,, আমার বয়ফ্রেন্ড কে আমি পাপ্পি দিব, এতে কার কি?
- লজ্জা করে না।
- না।
- আচ্ছা চলো হাটি।
- হাতটা ধরো
- ধরলাম তো।
- শক্ত করে ধরো।
- এবার,
- চলো হাঁটবো।
.
এরপর ওকে নিয়ে দুজনে হাত ধরে ঘুরেফিরে হাটছি আর এটা ওটা নানা ধরনের সৌন্দর্য উপভোগ করছি।
বিকেল বেলা নিস্তেজ রোদের আলোয় কাছের মানুষটার হাত ধরে হেটে প্রকৃতির সৌন্দর্যটা নেওয়ার অনুভূতিটাই একদম আলাদা। যে অনুভূতিতে থাকে শুধু ভালবাসা আর হালকা একটু খুনসুটি ভরা ঝগড়া।
.
আমি নীল। সবাই আকাশের সাথে মিশিয়ে আমার নামটা আরও কেমন যেন করে দিছে (নীল আকাশ) আসলে আকাশ তো আর সবসময় নীল থাকে না, কিছু সময় মেঘে ঢেকে কালোও হয়ে যায়।
.
আমার আর জুঁইয়ের লাভ স্টোরিটা এতটা দীর্ঘ দিনের নয়। মাত্র কয়েক বছর হইছে।
আমরা দুজনেই এক ক্লাসে পড়ি অনার্স ফাইনাল ইয়ারে।
.
ওর সাথে সেই প্রথম পরিচয়ের কথা মনে পড়লে,, আজও সেই আগের ভালবাসার প্রেম উপচে পরে।
.
তখন আমি কেবল ইন্টার ফাস্ট ইয়ারের পরীক্ষা দিয়ে সেকেন্ড ইয়ারে নতুন ক্লাস করতে লাগলাম। ছাত্র তেমন একটা ভালো ছিলাম না। কিন্তু ক্লাসের কারও সাথে বেশি মিশতাম না। আমার মিশতে পছন্দ নয়, একা থাকাই আমার কাছে বেস্ট।
.
ক্লাসের ছেলে ফ্রেন্ড ছিলো আমার অনেক কিন্তু আড্ডা দিতাম কম। মেয়ে ফ্রেন্ড বেশি ছিলো না। আমি ইচ্ছে করেই বানাইনি। অনেক মেয়ে ফ্রেন্ড হতে চেয়েছিল কিন্তু আমি বলছি,, আমার পক্ষে তেমন বেশি মেয়ের সাথে ফ্রেন্ডশীপ করা সম্ভব না।
এটা বলার পর ওরা হাসি মুখে চলে যেত।
.
মেয়েদের সাথে কথা বলতাম খুব কম, শুধু প্রয়োজনের সময়,, তবুও কারও দিকে তাকাতাম না। চোখে চোখ পড়লে আমার বুক ধরফর করতো,,, কারণ টা জানি না।
.
.
একদিন রাতে শুয়ে শুয়ে ফেসবুক চালাচ্ছি, ১১টা বাজবে হয়তো। ঘুম আসছে না তাই, পোস্ট গুলো নাড়াচাড়া করছি। রিতিমত কেউ বেশি মেসেজ দেয় না। কারণ আমার চ্যাট অফ থাকে তাই।
.
কিন্তু হটাৎ করে ম্যাসেঞ্জারে শব্দ হলো, আর স্কিনে একটা সুন্দরী ললনা ভেসে উঠলো। দেখেই বোঝা যায় পিক ডাওনলোড করা।
মেসেজটা হলো,,
- কেমন আছো?
- (আমি), " ভাবলাম ফেইক তাই কিছু বললাম না।
একটু পর,,
- ওই কিছু বলছো না কেন? চ্যাট অফ আবার মেসেজ সিন করলে?
- কি বলবো?
- সেটা শিখাতে হইবো?
- হুম।
- হারামজাদা এতো রাতে ফেসবুকে কি করিস?
- আপনি কে? আমাকে চিনেন? এমন ব্যবহার করছেন কেন?
- কুওা বলদ,, আমি তোকে খুব ভালো করে চিনি। নিজের ভালবাসাকে কে না চিনে।
- মানে?
- নীল আমি কিন্তু তোমাকে অনেক আগে থেকে ভালবাসি।
- আপনি কে? আর আমার নাম জানলেন কি করে? আইডিতে তো নাম দেওয়া নাই।
- এ মা, ছাগল টা বলে কি? এক ক্লাসে পড়ি আর নাম জানবো না??
- এক ক্লাসে মানে!! আপনার নাম কি?
- তাতো বলবো না।
- কেন?
- চিনে ফেলবে।
- ওহ্, তাহলে দরকার নেই।
- আমার দরকার আছে।
- কিসের?
- তোমাকে পাওয়ার।
- কি বলছেন এগুলো?
- ওই শয়তান, মেয়েদের সাথে তো অনেক ভাব নাও,, যে তোমাকে ভালবাসে তার সাথে ভাব নিলে তোমাকে আমি চিবিয়ে খেয়ে ফেলবো।
- আপনি তো খুব ডাকাত টাইপের।
- আমি আমার ভালবাসার জন্য সব করতে পারি।
- আচ্ছা, তাইলে অপেক্ষা করেন।
- কিসের?
- আপনি কবে আমার ব্লক লিস্ট থেকে ছাড়া পাবেন সেটার।
.
( এ টা দেওয়ার পর কল দিছে, ম্যাসেঞ্জারে)
কি না কি ভেবে ধরলাম কলটা।
- হ্যালো,
- (ফুপানির শব্দ)
- কিছু বলছেন না কেন?
- (কান্না সুরে)  লুচ্চা তুই শুধু আমারে ব্লক দে, তোরে আমি টান দিয়ে ফাইরালামু।
- ( কথা শুইনা মাথা চক্কর দিয়া উঠলো) কি বলছেন?
- তোকে আমি অনেক ভালবাসি, এ কাজ করে দ্যাখ! দেখিস তোরে কি করি!!
- আপনি কি চান?
- তোর ভালবাসা।
- আপনি কাল কলেজে আমার সাথে দেখা করেন।
- না।
- কেন? আমাকে যে ভালবাসে তাকে দেখতে হবে না??
- আমি তোমার সামনে সেদিন পরিচয় নিয়ে আসবো যেদিন তুমি আমাকে ভালবাসি বলবে।
- হাহাহা,
- দাত ভেঙে দিব,, ঘুমাও এখন। রাখলাম, গুড নাইট।
.
কি হলো এটা কিছুই বুঝতে পারলাম না। মেয়েটি কে? যে আমাকে এতো ভালবাসে। সামনেও আসতে চায় না আবার বলে আমাদের কলেজের তবুও আবার এক ক্লাসেই।
ক্লাসের এতগুলো মেয়ের মধ্যে ওকে এখন কই খুঁজবো। নামটাও জানি না,, আইডি অন্য কোনো এক নামে দেওয়া।
.
যাইহোক, কোথাকার কে! আমার মাথা ঘামিয়ে কাজ নেই। কিন্তু কন্ঠ টা সেইরকম ছিলো, খুব সুন্দর। চেহারাটাও মনে হয় আরও সুন্দর।
.
কলেজে গেলাম, তবুও কোনো মেয়ে আমার প্রতি রিএকশন দেখালো না। এখন তো আমি আর কন্ঠ চিনে মেয়ে খুজতে পারব না। তাইলে প্রতিটি মেয়ের থাপ্পড় খাইতে হবে।
.
ক্লাস শেষে বাড়ি যেতেই আবার ফোন বেজে উঠলো,, অচেনা নাম্বার থেকে কল,, ধরলাম।
- এইযে মিঃ নীল,, ফেসবুকে আসো এখন।
- আপনি কে?
- অচেনা ভালবাসার মেয়ে।
- (চিনতে পারলাম)  ফোন দিছেন কেন?
- বললাম তো।
- যদি না যাই।
- পোলাপাইন দিয়ে মেরে হাত পা ভেঙে দিব।
- কিইইই??? যাচ্ছি যাচ্ছি এখনই যাচ্ছি।
.
কি মেয়ের পাল্লায় পড়লাম রে বাবা। এতো দেখি কথায় কথায় থ্রেড দেয়। আর আমার নাম্বার পেল কই। নিশ্চিত কারও কাছ থেকে জোগাড় করছে,, ফেসবুকে জিগেস করব।
অনেক মেয়ে দেখছি, এমন দেখি নাই কোনো দিন।
.
এরপর থেকে রোজ ওর সাথে ফেসবুকে চাটিং হতো,, ফোনে কথা বলতাম খুব কম। নিজের অনিচ্ছা থাকলেও ওর সাথে কথা বলতাম। কারণ ও আমার কাছ থেকে না শব্দ শুনলেই নানা রকম হুমকি দিতো, তাই আমি জোর পূর্বক ওর সাথে কথা বলতাম। খুব ভয় করতো এই গুন্ডীটার কথাবার্তা, আর আচরণ।
.
ওকে অনেকবার জিগেস করছি ওর নাম বলতে পরিচয় দিতে কিন্তু ও একেবারে ফাইনাল করেই দিছে আমি যে পর্যন্ত ভালবাসি না বলব সে পর্যন্ত পরিচয় দিব না। আর আমিই বা ওকে কই গিয়ে খুঁজবো?
.
এভাবে কয়েক মাস চলে গেল। এখন আমারও ওর বকবক শুনতে শুনতে অভ্যাস হয়ে গেছে। ভালই লাগে শুনতে। আগে ভালো লাগতো না কিন্তু এখন ভালো লাগে।
ওর ওই মিষ্টি কন্ঠ টা এখন সবসময়ই শুনতে ইচ্ছে করে এখন কিন্তু পারি না।
ফোন দিতো খুব কম। বেশী সময় ফেসবুকে চাটিং হতো। আমিও আর উপর দিয়ে কোনো দিন ফোন দেইনি,, আর এখন যদি দেই তাইলে কেমন দেখায়??
.
আমার মনেও এখন আস্তে আস্তে ওই মিষ্টি কণ্ঠের মেয়েটা জায়গা নেওয়া শুরু করছে। অনেক টা জায়গা ইতিমধ্যে দখল করে নিছে। নিজের অজান্তেই এতদিন কথা বলতে বলতে কখন যে ওর ভালবাসার বাধনে জড়িয়ে গেছি নিজেও জানি না। আমারও এখন ওকে কাছে থেকে ভালবাসতে ইচ্ছে করে। কিন্তু আমি বলিনা। দেখি না, কতদিন থাকতে পারে আর!!
.
.
আমাদের সেকেন্ড ইয়ারে টেস্ট পরীক্ষা এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেল।
পরীক্ষার কয়েক সপ্তাহ পর আমি হটাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পরী।
অনেক জ্বর আসে আমার। কিছুতেই সারতে চাইছে না। ৫ দিন হয়ে গেল তবুও জ্বর থামার কোনো লক্ষণই পেলাম না। মা বাবা খুব চিন্তায় পড়ে গেল।
.
এ কয়দিন জ্বরের ঘোরে ফোনের কথা আমার মাথা থেকে একেবারে উধাও হয়ে গেছে। অচেনা মেয়েটা হয়তো অনেক ফোন দিছে কিন্তু আমি কথা বলতে পারি নাই,, আমারও কথা বলতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু আমি তো বিছানা ছেড়ে উঠতেই পারছি না। আর কথা বলা এ মুহূর্তে আমার পক্ষে সম্ভব না।
.
৭ দিনের দিন, জ্বর একটু কমলো,, সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখি আমার পাশে বসে একটা পুতুল কাঁদছে। পুতুল টা অনেক বড় আর অনেক সুন্দর।
ভালো করে তাকিয়ে দেখি একদম পুতুলের মতো ফুটফুটে একটি মিষ্টি মেয়ে। মনে হয় রাতে ঘুমায় নাই, চোখের নিচে কালি পড়ে গেছে।
.
কিন্তু কে এটা। কেনই বা কাঁদছে? আর কেমন যেন চেনা চেনা লাগছে। কই যেন দেখছি!! কিন্তু  সে সময় মন করতে পারছি না।
শুধু দেখলাম মা ওকে সান্তনা দিচ্ছে,, আমার কিছু হয়নি বলে।
.
তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। দুপুরে ঘুম ভাঙলো আবার। এখন জ্বর অনেক কমছে। নিজেকে অনেক সুস্থ মনে হচ্ছে।
উঠে বসলাম। কিন্তু এখন আমার পাশে সেই পুতুলটা নেই। কোথাও দেখছি না তো।
মনে হয় সকাল বেলা জ্বরের ঘোরে সপ্ন দেখছি।
.
এই ভেবে বিষয় টা উড়িয়ে দিলাম। একটু পর হালকা খেয়ে নিলাম। তারপর নিজের শরীরে কিছু শক্তি পেলাম মনে হলো। শরীর টা খুব ভালো লাগছে।
তাই ভাবলাম একটু ছাদে যাই।
.
বিকেল হয়ে গেছে প্রায়,, ঠান্ডা বাতাস বইছে হয়তো ছাদে। ভালোই লাগবে, যাই এখন ছাদে।
ছাদে গিয়ে আমার চক্ষু চড়কগাছ। এতো দেখি সেই পুতুল টা। ছাদের এক কোণে দাড়িয়ে আছে।
তবুও আবার বেগুনি একটা থ্রি -পিচ পড়া। খুব সুন্দর একদম পরীর মতো লাগছে।
.
আমি কাছে যেতেই দৌড়ে আমার বুকে এসে ঝাপিয়ে পড়লো। আর কান্না করতে লাগলো।
.
- এই কি করছেন ছাড়ুন।
- না।
- কেন?
- ভালবাসি তাই।
- আমি আপনাকে চিনে না,, আর আমাকে বলছেন ভালবাসি?
- এতদিন আমার সাথে কথা বলে এখন কাছে থেকেও চিনতে পারছো না তাই না?
- মানে?
- এবার তো অচেনা মেয়েকে ভালবাসি বলো।
- তার মানে তুমি!!
- হুম।
- কিন্তু তুমি বলছিলে,, যে পর্যন্ত আমি ভালবাসি না বলবো সে পর্যন্ত কাছে আসবে না।
- শয়তান এরকম শরীরের হাল করলে কে না এসে থাকতে পারে??
- কিন্তু মা বাবাকে ম্যানেজ করলে কেমনে?
- তুমি ফেসবুকে না আসায় তোমাকে ফোন করছিলাম, আম্মু ধরছিল। তারপর আম্মুর সাথে কথা বলে সব জানিয়ে দেই। আর এটাও বলছি আমরা দুজন দুজনকে ভালবাসি। তারপর আম্মু আমাকে এখানে আসার অনুমতি দেয়।
- ঘটে বুদ্ধি আছে।
- এবার তো বলো ভালবাসি।
- কিভাবে বলি, লজ্জা করছে তো।
- কিইইই,,,, যত্তোসব, ফালতু পোলা!!। লজ্জা করছে এখন?? তাড়াতাড়ি বল বলছি, নইলে হাত পা ভেঙে দিব এখনই।।
- এই নু নু নু নু। বলছি তো। আমি তোমাকে এত্তো গুলো ভালবাসি।
- সত্যি।
- হুম।
.
- আরে ছাড়ো কি করছো, এতো শক্ত করে কেউ জড়িয়ে ধরে।
- আমি ধরবই।
- উফফফ তোমার নাম টাই তো জানি না,, কলেজে হয়তো কয়েক বার দেখছি।
- জুঁই।
- ভালই তো,, কিন্তু স্বভাব গুন্ডা বা ডাকাতের মতো।
- কিইইই,,
- না, তুমি তো গুড গার্ল।
- হুম।
.
.
এটাই হলো আমাদের লাভ স্টোরি। দুজন দুজনকে এখন খুব ভালবাসি। বিয়ে টা এখনই দিলে হয়তো ভালো হতো। কিন্তু মা রাজি হবে না। তাই না রে পাগলী।
আই লাভ ইউ পাগল।
২ পাগলী।
কিইইই, তোমার দুটি পাগলী??
এই না, আমি বলছি, আই লাভ ইউ ২ পাগলী।
হুম।
.
.
.
ব্রি : দ্র : হাহাহা। দ্যাখ পাগলী তুই আমারে বলছিলি না, আমি মেয়ের পিছনে ঘুরি,, কিন্তু আজ তুই নিজেই ঘুরলি, হাহাহা। প্লিজ, রাগ করিস না।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ