āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

383

গল্প: ভালবাসার বন্ধন
(একটি মিষ্টি ভালবাসার গল্প)

লিখা: শুভ্রনীল শুভ(কিউট পেত্নীর জামাই)

→আজকে ভার্সিটি লাইফের প্রথম ক্লাস।
এইচ এস সি
শেষ করে একটা পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি
হয়েছি।
আজ থেকে ক্লাস শুরু।সিড়ি দিয়ে উঠার সময়
একটা
মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগল।
-সরি(আমি)
-ধাক্কা মেরে আবার সরি বলছেন?(মেয়ে)
-আরে আজিব তো।আমি কি ইচ্ছে করে
ধাক্কা
মেরেছি নাকি।
-তা নয় তো কি?
-দেখুন আমি আপনার সাথে ঝগড়া করতে আসি
নি।
-কি আমি আপনার সাথে ঝগড়া করছি?
-তা নয় তো কি বলুন তো?
মেয়েটিেরাগে গজগজ করতে করতে সেখান
থেকে চলে গেল।আমি ক্লাসে গিয়ে দেখি
ক্লাস শুরু হয়ে গেছে।মনে মনে মেয়েটার
চৌদ্দ গুষ্টি উদ্দার করলাম।করবোই না কেন?
ওর
জন্য আমার প্রথম ক্লাসেই লেট।কিন্তু
মেয়েটা
দেখতে খুব সুন্দর।মায়াবী চেহারা।যেই
দেখবে
সেই প্রেমে পড়বে।
.
বিকেলে বাসায় বসে এফ বি ইউজ করছিলাম।
হঠাৎ
কলিংবেলের শব্দ হলো।মা আমাকে দরজা
খুলতে
বললেন।দরজা খুলে তো আমি পুরাই শকড।এই
মেয়ে এখানে কি করছে?
-আপনি এখানে?(আমি)
-আমারতো একি প্রশ্ন।আপনি এখানে কি
করছেন?
(মেয়ে)
-আমার বাড়ি।আমি থাকবো নাতো কে
থাকবে।
তখন মা এসে বললেন
-আরে মেঘা তুমি?ভেতরে এসো?(মা)
-আসছি আন্টি(মেঘা)
-আমি এই প্রথম ওর নাম শুনলাম।কি সুন্দর নাম
মেঘা।
-শুভ(মা)
-মা(আমি)
-ও মেঘা।আমাদের বাসার নতুন ভাড়াটি।
গতকাল
এসেছে।খুব ভাল মেয়ে।
-হুমম।তা ভাল করেই জানিনি।(বিড়বিড় করে)
-কিছু বললি?
-না না কিছু না
-ঠিক আছে।তুই ওর সাথে একটু কথা বল আমি
আসছি।
মনে মনে বললাম সকালে মুখ আর এখন নাম
শুনে
প্রেমে পড়ে গেলাম।কেন যে সকালে ওর
চৌদ্দ গুষ্টি উদ্দার করলাম।
-কি ভাবছেন?(মেঘা)
-কিছু না(আমি)
-সকালের ঘটনার জন্য সরি
-ঠিক আছে।
-আচ্ছা আমরা কি বন্ধু হতে পারি?
-হুমম পারি
-কিন্তু মনে রাখবেন বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু
ভাববেন না।শুধু বন্ধু।
-ঠিক আছে
মনে মনে ভাবলাম কি মেয়েরে বাবা।নিজে
থেকে বলে বন্ধু হতে চাইছে।আবার বলছে
বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু না ভাবতে।কিন্তু
আমি তো
ওকে অলরেডি বন্ধু থেকে অনেক কিছু ভাবা
শুরু
করে দিয়েছি।
.
সকালে একরাশ বিরক্ত নিয়ে ঘুম থেকে
উঠলাম।
আর উঠবোই কেন।মুখের মধ্যে কেউ যদি পানি
দেয় তাহলে কি ঘুমিয়ে থাকা যায়।আপনারাই
বলুন?
চোখ খুলে দেখি মেঘা
-এটা কি হল(আমি)
-ঘুম ভাঙালাম(মেঘা)
-তাই বলে এভাবে
-আমার আর অন্য কোনো উপায় জানা নাই।
-তুমি আমার বউ না গার্লফ্রেন্ড যে এভাবে
ঘুম
ভাঙাবে?
-বন্ধু বলেই এভাবে ঘুম ভাঙিয়েছি।
-কিন্তু তুমি তো আমার বন্ধু না।
-মানে?
-দেখো মেঘা আমি কথা সোজাসোজি বলি।
আমি
তোমাকে ভালবাসি।
-দেখো শুভ আমি তোমাকে আগেই বলেছি
বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু না ভাবতে।
-কিন্তু কেন?
-সে কথা তোমার না জানলেও চলবে।
-না।আমার জানতেই হবে।তুমি বলো
-প্লিজ শুভ
-তুমি যদি না বলো তাহলে তোমাকে যেতে
দেবো না।
-আমি একজন কে ভালবাসতাম।কিন্তু এক
দুর্ঘটনায় সে
মারা যায়য়।আমি এখনো শুধু ওকেই ভালবাসি।
আর
কাউকে ভালবাসতে পারবো না।
বলেই মেঘঘা কাঁদতে লাগল।আমি কি বলবো
বুঝতে পারছিলাম না।শুধু একটি কথাই বললাম
-তুমি ভালবাসো বা নাই বাসো,আমাকে
ভালবাসতে
দিও।(আমি)
-কেন তুমি শুধু শুধু কষ্ট পাবে?(মেঘা)
-তুমি শুধু তোমাকে ভালবাসার অনুমতি দাও।
-ঠিক আছে
তারপর মেঘঘা সেখান থেকে চলে গেল।
.
-শুভ তর সাথে আমার একটু কথা ছিল।(মা)
-বল মা(আমি)
-তুই কি সত্যিই মেঘাকে ভালবাসিস?
-তুমি জানলে কি করে?(অবাক হয়ে)
-সকালে তোদের সব কথা আমি শুনেছি
-ওও।খুব ভালবাসি ওকে।কিন্তু ও ভালবাসে
না আমায়।
-আমি কিন্তু আমার ছেলের বউ হিসেবে
মেঘাকেই চাই।
-কিন্তু মা....
-কোনো কিন্তু না।যা বলছি তাই।
-ঠিক আছে
.
প্রতিদিন আমি আর মেঘা এক সাথেই
কলেজে
যেতাম।আবার আসার সময় একসাথে আসতাম।
ওর খুব
কেয়ার করতাম।তবুও ওর মন পাচ্ছিলাম না।কি
করলে
যে ওর মন পাবো সেটাই বুঝতে পারছিলাম
না।
.
ইদানিং লক্ষ্য করছি ও আমায় এড়িয়ে চলছে।
কেন
এড়িয়ে চলছে বুঝতে পারলাম না।ওকে একাও
পাচ্ছি
না যে জিজ্ঞেস করবো।ওর সাথে একটা
মুহুর্ত
কথা না বললে শান্তি পেতাম না।কিন্তু ও এই
কদিন
ধরে আমার সাথে যোগাযোগও করছে না।
আমি
আর পারছিলাম না।
কিছুদিন পর মেঘা ওর মামার বাড়ি চলে
গেল।ওর মুখ
থেকে ওদের আত্বীয় স্বজনদের ঠিকানা
জেনেছিলাম।তাই আমিও চলে গেলাম ওর
মামার
বাড়িতে।আমাকে দেখেতো ও অবাক।ও
আমাকে
অনেক বুঝিয়ে সুজিয়ে বাড়িতে পাঠালো।ও
৩দিন
পর ও বাড়িতে আসলো এবং বিকেল বেলা
আমাকে
ছাদে ডাকলো।
বিকেলে ছাদে গিয়ে দেখি ও আগেই এসে
গেছে
-কি জন্য ডেকেছো বলো?(আমি)
-কিছু কথা আছে তোমার সাথে।(মেঘা)
-বলো
-তুমিকি সত্যিই আমাকে ভালোবাসো?
-তোমার কোনো সন্দেহ আছে?
-এখনতো কারো উপরেই বিশ্বাস করা ঠিক
না।
-আমাকে বিশ্বাস করে দেখতে পারো।
-কোনো গ্যরান্টি আছে কি?নেই।আজ বলছো
তুমি আমাকে ভালবাসো।দুদিন পর নাও
ভালবাসতে
পারো।এমনকি তুমি দুদিন পর বলতে পারো
ফিজিক্যাল
রিলেশনের কথা।তার তো কোন গ্যরান্টি
নেই
যে বলবে না।
-তুমি এই চিনলে আমায়? আমি তোমায় মন
থেকে
ভালোবেসেছি।তোমার শরীরকে নয়।তুমি
আমায়
সরাসরি এখন বলতে পারতে যে তুমি আমাকে
ভালবাসো না।আমার নিষ্পাপ ভালবাসার এই
মর্যাদা দিলে
তুমি?আমি আজ এই মুহুর্তে ছাদে দাঁড়িয়ে
বললাম আই
হেইট ইউ।তুমি আমার ভালবাসার অসম্মান
করতে
চেয়েছো।মনে রেখো আমি কোনো
প্লে বয়য় নই যে মেয়েদের নিয়ে খেলবো।
তুমি এতদিনেও আমাকে চিনলে না।আজ
থেকে
তোমার সাথে আমার কোনো সর্ম্পক রইলো
না।এতদিন তোমাকে ডির্স্টাব করার জন্য
সরি।প্লিজ
ফরগিব মি।।
এইটুকু বলেই আমি সেখান থেকে চলে
আসলাম।
মেঘা অনেক ডাকলো কিন্তু আমি ফিরে
তাকাইনি।
ওকে ভুলে ফেলাও আমার পক্ষে সম্ভব ছিল
না।
.
পরেরদিন সকালে মেঘা এসে ঘুম থেকে তুলল।
-এই কলেজে যাবা না?(মেঘা)
-হুমম যাবো তো(আমি)
-তারাতারি রেডি হও।এক সাথে যাবো
-আমি কারো সাথে যাবো না।একাই যেতে
পারবো।
-আমি যখন বলেছি তুমি আমার সাথেই যাবে
-মগের মুল্লুক পেয়েছো নাকি? বললেই হলো
-এই তারাতারি রেডি হয়ে আসো না হলে খুন
করে
ফেলবো।
অনেক তর্কাতর্কির পর ওর সাথে যেতে
হলো।
ইদানিং মেঘা আমার খুব কেয়ার নিতে শুরু
করলো।
কিন্তু আমি তেমন পাত্তা দিতাম না।
একদিন দুপুরে কলেজ থেকে এসে ফ্রেশ
হয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।প্রায় এক ঘন্টা পর ঘুম
ভাঙলো।
ঘুম ভাঙতেই দেখি মেঘা আমার বুকে মাথা
দিয়ে
আমার দিকে চেয়ে আছে।আমার ঘুম ভাঙতে

একটু লজ্জা পেলো।
-তুমি এখানে?(আমি)
-হুমম।আমি এখানে তো কি হইছে?(মেঘা)
-তুমি এখানে কেন এসেছো?
-আমার জামাইয়ের ঘরে আমি এসেছি
-কে তোমার জামাই?
-তুমি
-না।আমি তোমার জামাই নই।
-তো কি
-জানিনা
-সেদিনের কথা গুলার জন্য সরি।
-ওকে
-একটা কথা বলবো?
-বলো
-আমি ভালবাসি তোমাকেমাকে
-আমি ভালবাসি না
-সত্যি ভালবাসো না?
-না
-তাহলে আমি সুইসাইড করবো
-কখনো না।এই কাজ কখনো করবরবে না।
তোমার
কিছু হলে আমি কি নিয়ে বাঁচবো?
বলেই ওকে নিজের বুকে জড়িয়ে নিলাম।
-তুমি তো আমাকে ভালবাসো না(মেঘা)
-কে বলেছে ভালবাসি না? আমি আমার
ভবিষ্যৎ
বউটাকে অনেক ভালবাসি।
-সত্যি?
-আই লাভ ইউ।সত্যিই আমি তোমাকে খুব খুব খুব
ভালবাসি।
-আই লাভ ইউ টু মাই সুইট বাবু।আজকে আমাকে
ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে।
-ঠিক আছে।তুমি রেডি হয়ে আসো।
কিছুক্ষন পরর মেঘা রেডি হয়ে আসলো।
ওকে দেখে আমি চোখ ফেরাতে
পারছিলাম না।নীল শাড়ি,নীল চুড়ি,নীল টিপ
পড়ে এসেছে ও।আমার মনে হচ্ছে আমার
সামনে কোনো নীল অপ্সরী দাঁড়িয়ে আছে।
-এই কি দেখছো এমন করে?(মেঘা)
-তোমাকে।খুব সুন্দর লাগছে আমার
পেত্নীটাকে।(আমি)
-কি আমি পেত্নী।যাও কথা নাই তোমার
সাথে।
-সরি বাবা সরি।তুমি আমার কিউট পেত্নী।আর
আমি আমার কিউট পেত্নীর জামাই।
-...........
-ক হলো কথা বলবা না?
-না
-ঠিক আছ।তুমি একজন কথা না বললে আরও
অনেকে আছে কথা বলার।
-কি!!!!!! আমাকে রেখে অন্য কেউ।মেরে
ফেলবো,খুন করে ফেলবো,মুক বন্ধ করে রেখে
দেবো।
-মুখ বন্ধ করলে বাবুনী কাকে ডাকবো?
-কাউকে ডাকতে হবে না
-রাগ করছো?
-হুমম
-কি করলে রাগ ভাঙবে?
-২০ বার কান ধরে উঠবস করো।
-পারবো না
-তাহলে কথা বন্ধ
-এই না না।উঠবস করছি
-এই তো লাইনে এসেছো
-ট্রেনে কোন দিন উঠবো?
-জানি না(হাসি দিয়ে)
.
অবশেষে মেঘাকে নিয়ে বেড়াতে বের
হলাম।রিকশা করে বের হলাম।ওর হাতটা
ধরতে গেলাম কিন্তু ধরতে দিল না।তখন অন্য
দিকে চেয়ে থাকলাম।একটা ছেলে আর
মেয়ে রিকশায় হাতে হাত ধরে বসে আছে।
আমি সেই দিকেই তাঁকিয়ে ভাবলাম হায়রে
কপাল! নিজের ভবিষ্যৎ বউয়ের হাতটা ধরতে
পারছি না।হঠাৎ মেঘার দিকে তাঁকিয়ে
দেখি ও চোখ বড় বড় করে আমার দিকে
তাঁকিয়ে আছে।
-কি হইছে?(আমি)
-মেয়ে দেখলেই শুধু তাঁকাতে ইচ্ছে করে তাই
না(মেঘা)
-যা বাবা।আমি আবার মেয়েদের দিকে কখন
তাঁকালাম।আমি তো শুধু হাতের দিকে
তাঁকালাম।
-তুমি কেন ওদের হাতের দিকে তাঁকাবা
-সরি সরি সরি।আর তাঁকাব না।হইছে।
-খুব হইছে।
.
একটা পার্কে এসে মেঘা রিকশাকে থামতে
বলল।তারপর আমি আর মেঘা পার্কে একটা
খালি জায়গায় বসলাম।ও আমার কাঁধে মাথা
দিয়ে আছে।আর আমি ওর আঙ্গুলের ফাঁকের
মধ্যে আমার আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়ে ওর চুলের
ঘ্রান নিচ্ছি।হঠাৎ দুষ্টামি করে বললাম
-চুলে কি শ্যম্পু ব্যবহার করো?(আমি)
-ডাভ শ্যম্পু(মেঘা)
-তাই তো বলি এতো বাজে গন্ধ কোথা থেকে
আসে।
-কি আমার চুলে খারাপ গন্ধ?
-দুষ্টামি করলাম।খুব সুন্দর গন্ধ আমার বাবুনীর
চুলে।
-হুমম।আইসক্রিম খাবো?
-এই ঠান্ডায় আইসক্রিম খাবে?
-হুমম
-আমার বাবুনীটার যে ঠান্ডা লেগে যাবে।
-লাগবে না।যাও তুমি নিয়ে এসো।
কিছু দূরে দোকানে গিয়ে একটা আইসক্রিম
কিনে আনলাম।এনে ওকে দিলাম।ও খাওয়া
শুরু করলো
-তুমি খাবে না?(মেঘা)
-না(আমি)
-কেন?
-এমনি
-এই খাও
বলে মেঘা যে আইসক্রিমটা অর্ধেক
খেয়েছিল সেটা ও নিজের হাতে আমাকে
খাইয়ে দিলো।তখন নিজেকে পৃথিবীর সব
থেকে সুখী মানুষ মনে হল।
.
ভোরে লেপ,কম্বল,কাথা যা আছে সবকিছু
গায়ে দিয়ে ঘুমিয়ে আছি।খুব ঠান্ডা পড়েছে
তাই।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।স্কিনে
তাঁকিয়ে দেখি বাবুনী লেখা।
-হ্যালো বাবুনী(ঘুম ঘুম কন্ঠে)
-তুমি তারাতারি পার্কে এসো।(মেঘা)
-এখন কয়টা বাজে?
-৫:৪৫
-এতো ভোরে কিভাবে আসবো।প্লিজ বাবুনী
না এলে হয় না।এই একটু আগেই তো ঘুমালাম
তোমার সাথে চ্যাট করে।
-আমি কিচ্ছু শুনতে চাই না।তুমি ২০ মিনিটের
মধ্যে পার্কে এসো।আমি আসতে পারছি আর
তুমি আসতে পারবা না।নাইলে তোমার খবর
আছে।
বলেইফোন রেখে দিল।
আমি মহা বিপদে পড়ড়লাম।রাত ৪টা পর্যন্ত
ওর সাথে চ্যাট করেছি।ঘুমাতে ঘুমাতে ৪:৩০
বাজছে।আর এখন ৬টাই বাজে নাই।আমাকে
বলছে পার্কে যেতে।না যেয়েও উপায় নাই।
মহারানী রেগে লাল টমেটো হয়ে যাবেন।
তারপর আমার সাথে কথা বন্ধ।আমি কথা না
বলে থাকতে পারবো না।তাই যেতেই হবে
.
রাস্তায় ঘন কুয়াশা পড়েছে।রিকশাতো দুরের
কথা মানুষজনই নাই।তাই হেঁটে হেঁটে রওনা
দিলাম।পার্কে গিয়ে দেখি ও বসে আছে।
বিরক্তি ভাব নিয়ে ওর পাশে বসলাম।
-বাবুটার খুব কষ্ট হইছে আসতে তাই না?
(মেঘা)
-আর দরদ দেখাতে হবে না।(আমি)
-ওলে আমাল বাবুলে
এই বলে পেছন থেকে একটা ব্যাগ বের করলো
মেঘা।ব্যাগ থেকে একটা টিফিন বক্স বের
করলো আর বলল
-তোমার জন্য ভুনা খিচুরী রান্না করছি।
তোমার ফেভারিট ভুনা খিচুরী।সবাই ঘুমে
তাই তোমার জন্য নিয়ে আসলাম।কষ্ট দেওয়ার
জন্য সরি।
এই বলে ও বক্স খুলে নিজের হাতে খাবার
তুলে বলল
-হা করো(মেঘা)
আমার বলার মতো কিছু নেই।এতো ভালবাসে
কেন মেয়েটা আমাকে।নিজের অজান্তেই
চোখ থেকে পানি পড়তে লাগল আমার।
নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।
-এই কাঁদছো কেন?
-এতো ভালবাসো আমায়?
-হুমম।অনেক অনেক অনেক ভালবাসি।যা বলে
শেষ করা যাবে না
আমি জড়িয়ে ধরলাম ওকে।তারপর ও নিজের
হাতে আমায় খাইয়ে দিল।
-আচ্ছা বাসায় নিয়ে এলে না কেন?(আমি)
-তাহলে সকাল বেলা এই কুয়াশার মধ্যে
মিষ্টি প্রেমটা হতো না(মেঘা)
-তা ঠিক বলেছো
-আজ কলেজে যেতে হবে না।এখন গিয়ে
ঘুমাবা
-ঠিক আছে মহারানী
.
কিছুদিন পর...
-শুভ(মেঘা)
-হুমম বল(আমি)
-মা বাবা আমার জন্য ছেলে দেখা শুরু
করেছে।
-কি বল!!! এতো তারাতারি
-হুমম।তুমি কিছু একটা করো।
-আমি এখন কি করবো বলতো।এখন কে
আমাকে চাকুরী দেবে।আর কোনো বাবা কি
তার মেয়েকে বেকার জামাইয়ের হাতে তুলে
দেবে
-হুমম।তাও ঠিক।আমি কিচ্ছু জানি না।তুমি
কিছু একটা করো।
এটা বলে মেঘা চলে গেল।আমি কিছুই ভাবতে
পারছি না।মেঘাকে নিয়ে গড়া স্বপ্নগুলো
যেন আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে।
.
মাকে এই ঘটনাটা জানালাম।মা বললেন ঠিক
আছে আমি দেখছি কি করা যায়।ঐ দিন
বিকেলে মা মেঘাদের বাসায় গেলেন।মেঘা
দরজা খুলল
-আরে আন্টি যে।এসো ভেতরে এসো।(মেঘা)
-তর মা বাবা কোথায়?(আমার মা)
-এই তো ভিতরে আছেন
-চল তো।তাদের সাথে কিছু কথা আছে
|
-আরে আপনি।বসুন বসুন(মেঘার বাবাবা,ওর
মাও ছিলেন)
-আমি আপনাদেরকে একটা কথা বলতে
এসেছি।
-অবশ্যই বলুন
-আমার ছেলে,মানে শুভ আর আপনার মেয়ে
দুজন দুজনকে ভালবাসে
মেঘা মাথা নিচু করে আছ।মেঘার বাবা
মেঘাকে বললেন
-কিরে ওনি যা বলছেন তা কি সত্যি?
মেঘা সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল
-আমি মেঘাকে মেঘাকে আমার ঘরের বউ
করে নিয়ে যেতে চাই।)
-কিন্তু শুভতো পড়ালেখা করছে।ও তো
চাকুরীও করে না
-দেখুন আমি এখনি ওদের বিয়ের কথা বলছি
না।শুভ অনার্স শেষ করুক,চাকুরী করুক তারপর
ওদের বিয়ে হবেবে।এখন শুধু আংটি বদল হয়ে
থাক।
-আপনি যখন বলছেন তখন এই কথাই রইলো।
.
চার বছর পর...
আমি আর মেঘা একসাথে অনার্স শেষ
করেছি এবং আমি একটা প্রাইভেট
কোম্পানীতে চাকরীও পেয়েছি
আজ আমার আর মেঘার বিয়ে হয়েছে।বউ
নিয়ে আসা লাগেনি।বউ নিজেই আমার ঘরে
চলে এসেছে।রাতে ফুলশয্যার ঘরে ঢুকে
দেখি ও বসে আছে।
-এত দেরি করলা?(মেঘা)
-সরি।বন্ধুদের সাথে কথা বলতে বলতে দেরি
হয়ে গেছে(আমি)
-চল না ছাদে যাই।
-কেন?
-চাঁদ দেখবো
-আমার ঘরেই তো চাঁদ আছে।ছাদে গিয়ে
দেখার কি আছে?
-হুমম হইছে।চলো এখন ছাদে।
-না
-কেন?
-ছাদে গেলে আমার এই চাঁদদটাকে আদর
করবো কখন।
-যা দুষ্টু।মুখে কিছু আটকায় না।তাইনা?
-না আমার মুখে কিছু আটকায় না
বলেই ওকে জরিয়ে ধরে আদর করতে লাগলাম।
প্লিজ আপনারা আর কিছু দেখবেন না।বাই
বাই।।

গল্পটা কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ