āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ģ āĻāĻĒ্āϰিāϞ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

372

গল্পঃ জ্বর।
.
.
সকাল সকাল ডাক্তারের চেম্বারে বসে আছি, সামান্য জ্বর
হয়েছে,যে কোন ফার্মেসী থেকে ওষধ কিনে খেলে
জ্বরটা সেরে যেতো,কিন্তু রিয়ার জন্য সেটা হলো না।
.
সকালে রিয়া ফোন করে বলেছে,ডাক্তারের কাছে যেতে,
কিন্তু আমি যেতে চাইছিলাম না,অনেক বার রিয়াকে বললাম তবুও
কোন কাজ হলো না।
.
আসলে নিজের কাছে ডাক্তার দেখানোর মতন টাকা ছিলো
না,সেইজন্য আসতে চাইছিলাম না ডাক্তারের কাছে।
মাস শেষের দিকে প্রতিটা ছেলের কাছেই টাকা থাকে
না,অনেক কষ্ট করে পার করতে হয় মাসের শেষের দিন
গুলো।
.
রিয়া কোন কথাই শুনলো না আমার,শেষ পর্যন্ত ডাক্তারের কাছে
আসতে হলো।
সামনে ডাক্তার বসে আছে,আর এপাশে আমার পাশে রিয়া বসে
আছে।
.
ডাক্তার আমাকে চেকাপ করে নিয়ে কি সমস্যা সেগুলো
বলতে থাকলেন।
সব কিছু তিনি রিয়াকে বললেন,কখন কি ওষধ খেতে হবে সেটাও
তিনি রিয়াকে বললেন।
মনে হলো,রিয়া আমার বিয়ে করা বউ,সেইজন্য আমাকে না বলে
রিয়াকে বললেন সব।রিয়া ডাক্তারের থেকে সবকিছু বুঝে
নিলো।আমি শুধু বসে থেকে সব কিছু দেখেলাম।।
.
-ওঠো,আর বসে থাকতে হবে না (রিয়া)
> এখন কোথাই যাবো আমরা (আমি)
-কোথাই আবার, ফার্মেসীতে যাবো,ওখান থেকে ওষধ
নিতে হবে।
> কত টাকা লাগতে পারে,ওষধ গুলো কিনতে?
- সেটা আমি কি করে বলবো, ওষধ নিলেই সেটা জানতে
পারবো।
> ফার্মেসীতে যেতে হবে না?
- কেনো,ফার্মেসীতে না গেলে ওষধ কোথাই পাবো।
> অন্য সাধারন দোকান থেকে দুটা নাপা কিনে খেলে জ্বর
সেরে যাবে।
- চড় খাবার ইচ্ছা অাছে কি?
> না থাক,চড় মারতে হবে না।
- তাহলে চুপচাপ আমার সাথে এসো,কোন ধরনের কোন কথা
বলবে না।
> আচ্ছা,মুখে টেপ মেরে দিলাম,আর কোন কথা বলবো না।
-এখন আমার সাথে সাথে এসো।
.
রিয়ার সাথে সাথে যেতে থাকলাম।
কিছুদুর যাবার পরে রিয়া একটা বড় ফার্মেসীর সামনে থামলো।
সেখান থেকে রিয়া সব ওষধ গুলো কিনে নিলো।
যখন দোকানদার কত টাকা হয়েছে বলল,শুনার সাথে সাথে আমি
রিয়ার পেছনে দাড়িয়ে পড়লাম।
কারন আমার কাছে তো ওতো টাকা নাই।
.
রিয়া ব্যাগ থেকে,টাকা বের করে দোকানদারকে দিয়ে দিলো।
যাক বেচে গেলাম।
.
ওষধ গুলো নিয়ে,রিয়া আমার হাত ধরে হাটতে লাগলো,
.
-এভাবো টানছো কেনো,(আমি)
> আমার ইচ্ছা (রিয়া)
- এখন পর্যন্ত রিয়ার ইচ্ছের বিরুদ্ধে যেতে পারেনি আমি,
এখনো পারলাম না। এখন কোথাই যাবো আমরা?
> তোমাকে না বলেছি কোন কথা বলবে না,চুপচাপ থাকো,আর
আমার সাথে সাথে এসো।
.
রিয়ার কথা শুনে থেমে গেলাম,আর কোন কথা বললাম না।
মেয়েটা অনেক শাষন করতে পারে,আবার কেয়ার ও করতে
পারে।
সামান্য জ্বরের কারনে কতকিছু করছে।
এমন মেয়ে কইজন আছে পৃথিবীতে।
.
রিয়া একটা দোকানের সামনে এসে থামলো।
দোকানটা চায়ের দোকান, এখানে থামার কোন কারন এখনো
জানতে পারলাম না।
-কি ব্যাপার এখানে থামলে কেনো।(আমি)
.
>মামা একগ্লাস জল দেনতো।(রিয়া)
আমার কথার কোন উত্তর না দিয়ে দোকানদারের থেকে জল
চাইল,তারমানে রিয়া জল খাবার জন্য এখানে থেমে গেছে,মনে
মনে ভেবে নিলাম।
- এই নাও গ্লাসটা ধরো.(রিয়া)
> আমি এটা ধরে কি করবো। (আমি)
- ধরতে বলেছি ধরো।
রিয়াকে আর কোন কথা বললাম না,ভদ্র ছেলের মতন জলের
গ্লাসটা ধরলাম।
.
রিয়া নিজের ব্যাগ থেকে ওষধ বের করল।
.
- এই নাও ওষধ,খেয়ে নাও,(আমার হাতে ধরিয়ে দিলো(রিয়া)
> ডাক্তার খেতে বলেছে। (আমি)
-না,ডাক্তার খেতে বলে নি,আমিই বললাম, এবার আমার সামনে ওষধ
গুলো খাও।
-ভয় করছে।
> এতো বড় ছেলে তুমি,ওষধ খেতে ভয় করবে কেনো।
-তুমি তো জানো,তেতো ওষধ আমি খেতে পারি না।
> তুমি কি খাবে ওষধ গুলো (ধমক দিয়ে)
- রিয়ার ধমক শুনে ওষধ গুলো মুখের ভেতরে দিয়ে পানি
খেলাম।
পানির কারনে বুঝতেই পারিনি,ওষধ গুলোর স্বাদ কেমন।
মনে হলো ওষধ গুলো মিষ্টি হবে,কিন্তু না এই ওষধ গুলো
আরো তিতো।
কিন্তু কি করে খেয়ে নিলাম,সেটা আমি এখনো বুঝতেই পারলাম
না।
> দেখেছো,কি সুন্দর ভাবে ওষধ গুলো খেয়ে
নিলে,এভাবেই বাকি ওষধ গুলো খেয়ে নিবে।
-না পারলে কি হবে।
> সারাদিন রোদের মাঝে রাস্তাই দাড়িয়ে থাকতে হবে।
এটাই হবে তোমার সুন্দর শাস্তি।
.
রিয়ার শাস্তির কথা শুনে রাস্তার দিকে যেতে লাগলাম,রোদে
দাড়িয়ে থাকতে, কারন আমি ওষধ গুলো খেতে পারবো না।
.
-ওই কোথাও যাও? (রিয়া)
> রাস্তার মাঝে।
- কেনো?
> ওষধ গুলো খেতে পারবো না সেইজন্য।
-ওই দাড়াও,তোমাকে রাস্তার মাঝে দাড়িয়ে থাকতে হবে না।
আমি এসেই তোমাকে ওষধ গুলো খাইয়ে দিবো,আমি কাছে
থাকলে তুমি ওষধ গুলো ঠিকি খেতে পারবে।
রিয়া আমার কাছে এসে,আমাকে রাস্তার মাঝে থেকে নিয়ে
একটা দোকানের ভেতরে ঢুকলো।
-কি ব্যাপার দোকানে কেনো নিয়ে আসলে।(আমি)
> খাবার খেতে এসেছি।
- আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।
>তাহলে তুমি আমার খাওয়া দেখবে।
- সেটাও পারবো না।
আচ্ছা তোমাকে কিছুই পারতে হবে না,শুধুমাত্র আমাকে
ভালোবাসতে পারলেই হবে।
কি ভালোবাসতে পারবে তো।
> হু,পারবো।
- এখন খাবার খেয়ে নাও।
> বললে যে শুধু তুমি খাবে।
- তোমাকে ছাড়া অামি একা কি করে খাবো, তুমিই বলো।বেশি
কথা না বলে চুপচাপ খেয়ে নাও।
.
রিয়ার পাশে বসে খাবার খেয়ে নিলাম।রিয়ার পাশে বসে খাবার
খেতে ভালই লাগছিলো ,খাবার খেয়ে সেখান থেকে চলে
আসলাম।
রিয়াই খাবারের বিলটা দিয়েছে,সে বুঝতে পেরে গেছে
আমার পকেটের অবস্থা।
রিয়াকে অনেক ধন্যবাদ,আমার পকেটের অবস্থা বুঝতে পারার
জন্য।
.
রিয়া ওর পছন্দের যায়গাই আমাকে নিয়ে এসেছে,একটা নদীর
ধারে দুজনে বসে আছি।
এখানে আসলে নাকি ওর মনটা ভালো হয়ে যায়।
মাঝে মাঝে সে আমাকে এখানে নিয়ে আসে।
.
-কি ব্যাপার এমন করছো কেনো (রিয়া)
> মাথাটা একটু ধরেছে,ভালো লাগছে না,(মিথ্যা কথা বললাম)
-এদিকে আসো,আমার কোলে মাথা রাখো,আমি তোমার মাথা
টিপে দিচ্ছি।
> রিয়ার কথাতে রিয়ার কোলে মাথা রেখে ওখানে শুয়ে পড়লাম।
মিথ্যে বলে ওর কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লাম।প্রিয়
জনের কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে সবার অনেক ভালই
লাগে।
নিজেকে তখন অনেক সুখি মনে হয়।
.
রিয়া আমার মাথা টিপে দিচ্ছে,আর চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে।
আমি রিয়ার দিকে একভাবে তাকিয়ে আছি।
.
-এভাবে তাকিয়ে কি দেখছো। (রিয়া)
> তোমাকে দেখছি।
- আমাকে দেখার কি আছে।
> আমার বউকে আমি কি ভালোকরে দেখতেও পারবো না।
আমার বউ বলা কথা শুনে রিয়া একটু লজ্জা পেলো,লজ্জা পেয়ে
অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে ফেলল।
আমি উঠে গিয়ে রিয়ার কপালে চুমু দিয়ে রিয়ার সেই লজ্জাটা
ভেঙ্গে দিলাম।
এভাবে চলতে থাকলো প্রতিটা দিন,প্রতিটা মুর্হুত।
.
কিস করলেই পুরো ভালোবাসা প্রকাশ পাইনা,কপালে একটু চুমু
একে দিয়েই সব ভালোবাসাটুকু প্রকাশ করা যায়।
.
.
লিখা :- রাফি ( পড়া চোর)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ